শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৬

ঘাটাইলে সিএনজি চালককে এসিড নিক্ষেপ, আটক ২

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এসিড নিক্ষেপে মোঃ মজনু মিয়া (৪৫) নামে এক সিএনজি চালক আহত হয়েছেন । গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঘাটাইল পৌরসভাধীন কলেজ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায়  জড়িত থাকায় দুই স্বর্ন ব্যাবসায়ীকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেছেন পুলিশ।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে দোকানের সামনে সিএনজি রাখা নিয়ে স্বর্ন ব্যাবসায়ী জীবন কর্মকার(৫০) ও মিঠুন কর্মকার(২৬) এর সাথে সিএনজি চালক মজনু মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জীবন কর্মকার কাচের বোতলে করে এসিড মজনু মিয়ার শরীরে ছুড়ে মারে । এতে তার চোখ, মুখ, গলা ও বুক সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। আহত মজনু মিয়া বর্তমানে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
এ ঘটনায় সিএনজি চালকের স্ত্রী মিনারা খাতুন তিন জনকে ঘাটাইল থানায় অভিযোগ করেছেন। এ দিকে ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবীতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সিএনজি চালকরা।

ঘাটাইলে সিএনজি চালককে এসিড নিক্ষেপ, আটক ২

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এসিড নিক্ষেপে মোঃ মজনু মিয়া (৪৫) নামে এক সিএনজি চালক আহত হয়েছেন । গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঘাটাইল পৌরসভাধীন কলেজ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায়  জড়িত থাকায় দুই স্বর্ন ব্যাবসায়ীকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেছেন পুলিশ।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে দোকানের সামনে সিএনজি রাখা নিয়ে স্বর্ন ব্যাবসায়ী জীবন কর্মকার(৫০) ও মিঠুন কর্মকার(২৬) এর সাথে সিএনজি চালক মজনু মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জীবন কর্মকার কাচের বোতলে করে এসিড মজনু মিয়ার শরীরে ছুড়ে মারে । এতে তার চোখ, মুখ, গলা ও বুক সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। আহত মজনু মিয়া বর্তমানে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
এ ঘটনায় সিএনজি চালকের স্ত্রী মিনারা খাতুন তিন জনকে ঘাটাইল থানায় অভিযোগ করেছেন। এ দিকে ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবীতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সিএনজি চালকরা।

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬

সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ে শ্রেণি কক্ষে হাটুঁ পানি

ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) সংবাদদাতাঃ উন্নয়ন বঞ্চিত  দুর্দশাগ্রস্থ এক বিদ্যালয়ের  নাম টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভাধীন মুকুল একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠে ও শ্রেণি কক্ষে হাঁটু পানি জমে যায়। সৃষ্টি হয় জলাবন্ধতা। বিঘিœত হয় পাঠদান। অথচ  উপজেলা পরিষদের মাত্র ১৫০ গজ দূরে অবস্থিত বিদ্যালয়টির দূরাবস্থা দেখার কেউ নেই।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে ঘাটাইল পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের অত্র এলাকাটিতে পানি নিস্কাশনের জন্য সুপরিকল্পিত কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ এলাকার বিভিন্ন স্থানে সামান্য বৃষ্টিতে  এ জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে। এতে পৌর এলাকার জনগণ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। আর এই জলবদ্ধতার সবচেয়ে  মারাতœক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে মুকুল একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়। সামান্য বৃষ্টিতেই বিদ্যালয়ের মাঠে ও শ্রেণি কক্ষে হাঁটু পানি জমে যায়। সৃষ্টি হয় জলাবন্ধতা। বিঘিœত হয় পাঠদান। অন্য দিকে বিদ্যালয়টি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠত হয়ে এলাকার শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ অবদান রাখলেও  প্রতিষ্ঠার  ৩০ বছরেও বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের তেমন কোন ছোঁয়া লাগেনি। বিগত ২০১১-১২ অর্থ বছরে শিক্ষাপ্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক তিন কক্ষ বিশিষ্ট ১টি একাডেমিক ভবন নির্মিত হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল । ২টি টিনসেড ঘরে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হয়ে থাকে। টিনসেড ঘর দু’টি অতি পুরাতন থাকায় ঘরের চালার টিন গুলো ছিদ্র হয়ে যাওয়াতে  সামান্য বৃষ্টি হলেই যেমন স্কুল মাঠে হাটু পানি হয়ে যায় এবং বৃষ্টির সময় ঘরের চালা দিয়ে মেঝেতে পানি পড়ে শ্রেণি কক্ষ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।  এতে  শ্রেণি কক্ষে পাঠদান কার্যক্রম দারুনভাবে ব্যাহত হয়। জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান বলেন, সমস্যাটি দীর্ঘ দিনের। আমি নবনির্বাচিত মেয়র হিসাবে মাত্র কয়েক দিন আগে দায়িত্ব পেয়েছি। সমস্যাটি সমাধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। এ  ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার তাহাজজত হোসেন জানান,  শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশের জন্য জরুরী ভিত্তিতে  জলাবন্ধতা দুর করা এবং বিদ্যালয়ের  অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। এ জন্য তিনি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।

ঘাটাইল কলেজে এমপি রানা’র সমর্থকদের ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ  ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজে এমপি রানা’র সমর্থিত লোকজনের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকালে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
গত সোমবার এমপি রানা’র সমর্থিত লোকজন ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে মোটর সাইকেলসহ ছাত্র সংসদের অফিস ভাংচুর করে। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানবন্ধনে উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগেরর নেতাকর্মীরাও অংশ নেয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহিদুল ইসলাম লেবু, পৌর মেয়র শহিদ্জ্জুামান খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক আঃ রহিম মিয়া, জিবিজি কলেজের ছাত্র সংসদের নব-নির্বাচিত ভিপি আবু সাইদ রুবেল প্রমুখ।

ঘাটাইল কলেজে এমপি রানা’র সমর্থকদের ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ  ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজে এমপি রানা’র সমর্থিত লোকজনের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকালে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
গত সোমবার এমপি রানা’র সমর্থিত লোকজন ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে মোটর সাইকেলসহ ছাত্র সংসদের অফিস ভাংচুর করে। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মানবন্ধনে উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগেরর নেতাকর্মীরাও অংশ নেয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহিদুল ইসলাম লেবু, পৌর মেয়র শহিদ্জ্জুামান খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক আঃ রহিম মিয়া, জিবিজি কলেজের ছাত্র সংসদের নব-নির্বাচিত ভিপি আবু সাইদ রুবেল প্রমুখ।

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৬

এমপি রানার ফাঁসির দাবীতে আ’লীগের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা’র ফাঁসির দাবীতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগ। ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্দ্যেগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রাস্তায় উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন-আহ্বায়ক ও ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহিদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, যুগ্ম আহবায়ক মজিবুর রহমান,ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার, লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান তালুকদার মোহাম্মদ শাহজাহান, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সরোয়ার আলম , ঘাটাইল জি.বি.জি কলেজের ভিপি আবু সাইদ রুবেল সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা এমপি রানা সহ অন্যান্য আসামীদের রায় কার্যকর ও ফাঁসির দাবি জানান।
উল্লেখ যে, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ টাঙ্গাইল শহরে তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার সামনে পাওয়া যায়। চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি রানা ও তাঁর তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট জমা দেয় জেলা ডিবি পুলিশ। গত ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে আদালতে আত্মসর্মপন করেন। পরে আদালত তার জামিন আবেদন বাতিল করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৬

ঘাটাইলের ছোট কাগজ



সাহিত্য ও মননেরসারথি ছোটকাগজ। ১৯৭৬সালে তৎকালীনঘাটাইলে বংশাইসাহিত্য সংসদনামে একটিসংগঠন ছিল।এ সংগঠন“গাংচিল” নামেনিয়মিত একটিদেয়াল পত্রিকাপ্রকাশ করত।সে সময়দেয়াল পত্রিকাটিঘাটাইল গণউচ্চ বিদ্যালয়ও জিবিজিবিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ক্যাম্পাসে প্রদর্শিত হতো।এ নিয়েতরুণ সাহিত্যপ্রেমীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দিপনা  দেখা যেত। পরবর্তীতে এ দেয়ালপত্রিকাই সাহিত্যপত্রিকা  “গাংচিল” নামে আত্মপ্রকাশ করে। বংশাইয়েরপ্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন কবি, শিক্ষকও চিরকুমারমরহুম জিন্নাহবিন জয়েনুদ্দিন।তিনিই ছিলেনঘাটাইলে প্রথমছোট কাগজেরঅভিযাত্রী সম্পাদক।  “গাংচিল” সম্পাদনাছাড়াও একবি “অনিন্দ্য” নামের আরেককাগজের প্রধানসম্পাদক ছিলেন।সাহিত্য সংগঠকশফি কামালবাদলের সম্পাদনায়“অনিন্দ্য” ও পাক্ষিক “সময়চিত্র” প্রকাশিতহতো। ঘাটাইলপ্রেস ক্লাবেরপ্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বর্তমান আইনজীবি ওরাজনৈতিক এস. আকবর খানেরসম্পাদনায় “মাসিক ঘাটাইল”  নামে কাগজ প্রকাশিতহতো। এছাড়াও তিনিপাক্ষিক “সময়চিত্র” সম্পাদক মন্ডলীরসভাপতি ছিলেন।মরহুম কবিমুজাফফর আলীতালুকদার ওফজলুর রহমান“ত্রি-দ্বিধা” নামে কাগজবের করতেনকাগজটিতে এদুজনের একেকজন একেকসংখ্যায় সম্পাদকছিলেন। একযুগ আগেমাহবুবুর রহমানবাবুর সম্পাদনায়ছোট কাগজ“টোক” মোঃনজরুল ইসলামেরসম্পাদনায় “দুয়ার” নিয়মিত প্রকাশিত হতো।২০১১ সালের১৩ মার্চঘাটাইল মুকুলএকাডেমী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক কবি জিন্নাহবিন জয়েনুদ্দিনেরমৃত্যু বরনকরেন। সাহিত্যসংগঠক শফিককামাল বাদল“জিন্নাহ বিনজয়েনুদ্দিন জীবন ও কবিতা” স্মারকগ্রন্থ “কণ্ঠ” প্রকাশ করেন।উল্লেখিত সবগুলোকাগজ ঘাটাইলেপ্রকাশিত নাহওয়ায় ছোটকাগজের শূণ্যতাপূরন করতে২০১৩ সালেবিজয় দিবসেরঙ্গিন প্রচ্ছদেশিল্প ওসংস্কৃতি বিষয়ককাগজ “ঝিনাই” এর আত্মপ্রকাশঘটে। ফ্রিল্যান্সসাংবাদিক মুহাম্মদনজরুলের সম্পাদনায়“ঝিনাই” ঘাটাইলেরলেখক, কবি, সাহিত্যিকদের প্রতিভা বিকশিত করতে নিরন্তরকাজ করেযাচ্ছে।

মাজহারুল
শিহাব
*শিক্ষক ও তৃনমূলগণমাধ্যম কর্মি।
সংগ্রহ ঃ ঝিনাই পত্রিকার ঈদ সংখ্যা থেকে।

এমপি রানার ফাঁসির দাবিতে ঘাটাইলে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছেন। ঘাটাইলে জি.বি.জি. কলেজ ছাত্র সংসদের উদ্যোগে রবিবার দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত তারা টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করে রাখেন।
জি.বি.জি. কলেজ ছাত্র সংসদদের ভি.পি আবু সাইদ রুবেল বলেন, সকালে এমপি রানার সমর্থীত লোকজন জি.বি.জি কলেজে অবস্থান করে ছাত্র সংসদে হামলা চালায়। এ সময় তারা ছাত্রদের ৩টি মোটারসাইকেলও ভাঙচুর করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ, হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং এমপি রানার ফাঁসির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে রাখি। পরে স্থানীয় প্রশাসন তাদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে আমরা অবরোধ তুলে নেই।

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৬

ঘাটাইলে এমপি রানার মুক্তির দাবীতে মিছিল

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ॥
 আওয়ামীলীগের দ’ুগ্রুপের একই স্থানে সভা ডাকায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে হামিদপুরে গতকাল শনিবার দুপুর বারটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে  স্থানীয় প্রশাসন। মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার পক্ষে-বিপক্ষে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের একই স্থানে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় আইন শৃঙ্গলা অবনতির আশংকায় নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহিন এ আদেশ জারি করেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও এলাকাবাসী জানায়, ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা সহ চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা প্রত্যাহার এবং এমপি রানার মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় এমপি রানার অনুসারীরা । এদিকে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী এমপি আমানুর রহমান খান রানা সহ চার ভাইয়ের ফাঁসির দাবীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবুর সভাপতিত্বে একই স্থানে প্রতিবাদ সমাবেশর ডাক দেয়। এর ফলে উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় আইন শৃঙ্গলা অবনতি সহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্রে আশংকা দেখা দেয়। ফলে হামিদপুর বাজার এলাকায় শাস্তি শৃঙ্গলা বজায় রাখার জন্য সকল প্রকার সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে আজ শনিবার দুপুর বারটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহিন। এলাকায় শান্তি শৃংখলা অবনতি ঘটার আশংকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হামিদপুরে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় পার্শ্ববর্তী কদমতলী এলাকায় এমপি রানার মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার ও  মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে উদ্যোগ নেয় তার সমর্থকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল ও ট্রাক যোগে শত শত নেতাকর্মী এসে উপস্থিত হয় কদমতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। সেখানে কয়েক হাজার নারী পুরুষের সমাবেশ ঘটে। এ সময় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানযটের সৃষ্ঠি হয়। মোটরসাইকেল মিছিল উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। তারা কদমতলী ও ঘাটাইল কলেজ মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশও করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা মোত্তালিব হোসেন , যুবলীগ নেতা মোঃ সুলতান মাহমুদ সুজন, রুকনুুজ্জামান ঠান্ডু , ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন , উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি জুয়েল মিয়া ও মিন্টু মেম্বার প্রমুখ।


ঘাটাইলের হামিদপুরে ১৪৪ ধারা জারি

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে হামিদপুরে আজ শনিবার দুপুর বারটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে  স্থানীয় প্রশাসন। মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার পক্ষে-বিপক্ষে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের একই স্থানে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় আইন শৃঙ্গলা অবনতির আশংকায় নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহিন এ আদেশ জারি করেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও এলাকাবাসী জানায়, ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা সহ চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা প্রত্যাহার এবং এমপি রানার মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় এমপি রানার অনুসারীরা । এদিকে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী এমপি আমানুর রহমান খান রানা সহ চার ভাইয়ের ফাঁসির দাবীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবুর সভাপতিত্বে একই স্থানে প্রতিবাদ সমাবেশর ডাক দেয়। এর ফলে উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় আইন শৃঙ্গলা অবনতি সহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্রে আশংকা দেখা দেয়। ফলে হামিদপুর বাজার এলাকায় শাস্তি শৃঙ্গলা বজায় রাখার জন্য সকল প্রকার সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে আজ শনিবার দুপুর বারটা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহিন। এলাকায় যে কোন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় সাংসদ আমানুর রহমান খান রানাকে জেল হাজতে প্রেরন করে আদালত।

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৬

টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহাম্মদ হত্যাকান্ড কি জজমিয়া নাটক ?

ভয়াবহ ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার হত্যাকান্ড পরবর্তীতে জজমিয়া নাটক সাজায় বিএনপি-জামায়াতের অনুসারী তৎকানীল পুলিশ প্রশাসন আলোচিত ওই হত্যাকান্ডটি আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছিল। ঠিক তেমনি টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহামদের এই হত্যাকান্ডটি বিএনপি-জামায়াতপন্থি তল্পীবাহক তাদের এজেন্ট পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশ বিশেষ উদ্দ্যেশে আওয়ামী লীগ বিরোধী এই হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারী একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর যোগসাজসে রীতিমত জজ মিঞার নাটক সাজিয়ে উদোরপিন্ডি বুধোর ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিয়েছে এমনটি মনে করছেন টাংগাইলের আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ জনগন। আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে উদীয়মান আওয়ামীলীগ নেতা শহীদ আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর মত জনপ্রিয় নেতার হত্যাকান্ডের বেনিফেশিয়ারী ও পরিকল্পনাকারীরাই হয়তবা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদকে হত্যা করতে পারে বলে  মনে করেন এলাকাবাসী । ফারুক হত্যা মামলা তদন্ত অবস্থায় এই মামলাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তাদেরই অনুসারী ২০১৪ সালের দিকে আকস্মিকভাবে মিটিং-মিছিল ও তথাকথিত আন্দোলন শুরু করে দেয়। উল্লেখ্য যে, বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াওসহ প্রতিটি আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে প্রতিবাদ প্রতিরোধ করেছে সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা, সাবেক মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা। অথচ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মরহুম শামছুর রহমানের আপন ভাতিজা রানা-মুক্তিসহ তাদের অন্যান্য ভাইদেরকে জড়িয়ে দেয় নাটকীয়ভাবে এই হত্যার দায়। আনিসুর রহমান রাজা নামে আওয়ামীলীগের এক কর্মীকে ধরে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে প্রায় দুই সপ্তাহ ঝুলিয়ে রেখে চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জবানবন্দী আদায়ের চেষ্টা করে। তার হাত পায়ের নখ উৎপাটন করে ফেলে নির্যাতন চালাতে থাকে। একই অবস্থা করে মোহাম্মদ আলী নামে আরেক আওয়ামী লীগের কর্মীকে, তাকেও মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানুিষক নিযার্তন চালায় মর্মে আদালতের হলফ নামায় জানায়। পুরো বিষয়টিই ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা হত্যাকান্ড মামলায় জজমিয়া নাটক সাজানোর মত। আলোচিত মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলাটিও একই কায়দায় প্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট এবং তথাকথিত আন্দোলনকারীরা এই হত্যাকান্ডের বেনিফিসিয়ারী গোপন বৈঠক করে টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ করে দেওয়ার জন্য তৃনমূল আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করে দেওয়ার নীল নকশা  তৈরি করে গভীর ষড়ষন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা এই কথা এলাকার অধিয়াংশ আওয়ামীনেতারা বলেন। অথচ এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হওয়ার সময় সাংসদ আমানুর রহমান রানা তার নির্বাচনী এলাকায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছিল। যা ওই থানার  পুলিশ প্রটোকল ছিল সেখানে। এব্যাপারে থানায় একটি জিডি করা ছিল তার প্রমানও রয়েছে রেকর্ডবুকে সংশ্লিষ্ট থানায়। তার অন্য ভাই টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি জাহিদুর রহমান খান কাকন হত্যাকান্ডের প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই স্ত্রী-সন্তানসহ দেশের বাহিরে ছিল। এমপি রানার অপর ভাই পৌরসভার সাবেক মেয়র থাকাবস্থায় ঘটনার প্রায় একমাস পূর্বে স্ত্রী-সন্তানসহ তিনি চিৎকিসার জন্য ভারতে ছিল এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয়ে রাজনৈতিক কাজে অবস্থান করছিল। উল্লেখ যে, ফারুক হত্যা মামলার পরিকল্পনাকারীরা মূলত এই হত্যাকান্ডটি সম্পূর্ণ  রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য খান পরিবারের চার ভাইকে ষড়যন্ত্রের জালে ফেলে দিয়েছে বলে আওয়ামীলীগের তৃণমূলের কর্মীরা দাবী করে আসছে। তাদের দাবী  এই ঘটনার পূনরায় সুষ্টু তদন্ত হলে প্রকৃত অপরাধীদের মুখোশ উম্মোচন হবে। অনুসন্ধানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, টাঙ্গাইলে বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা তদন্তকালীণ সময়ে ২০১৪ সালের প্রথম দিকে ঢাকার গুলশানের একটি রেস্তোরায় এই হত্যাকান্ড ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে সাংসদ আমানুর রহমান খান  রানা ও তার ভাইদের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়ার জন্য এবং টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট টাঙ্গাইলের  ওসি (ডিবি) গোলাম মাহফুজুর রহমান ও তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (ডিবি) অসোক কুমার সিংহ এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল কমিশনার সন্ত্রাসী ছোট মনি, বড় মনি একটি গোপন বৈঠক এলাকার লোকমুখে বুনে গেছে। প্রসঙ্গত, ২০১৩ইং সালের ১৮ই জানুয়ারী টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকা বাসার সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।

ঘাটাইলে স্বরণ সভা

কবি মুজাফফর আলী তালকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে 


মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধায় স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘাটাইল প্রেস ক্লাব আয়োজিত প্রেসক্লাব কার্যালয়ে প্রফেসর মাহমুদ দিদার এর সভাপতিত্বে স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন- লেখক ও গবেষক জুলফিকার হায়দার, ভূঞাপুর লোকমান ফকির কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানী রতন, লোক সংস্কৃতি গবেষক মামুন তরফদার, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, প্রভাষক ও ছড়াকার কাশিনাথ মজুমদার (পিংকু), ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মিঞা, যায়যায়দিনের ঘাটাইল সংবাদদাতা উত্তম কুমার আর্য্য, ভোরের কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি রবিউল আলম বাদল, সকালের খবরের ঘাটাইল সংবাদদাতা মাসুম মিয়া, আমার দেশ পত্রিকার ঘাটাইল সংবাদদাতা মাজহারুল শিহাব, কবি মো. সাইফুল ইসলাম, ছড়াকার এম এ হামিদ, আব্দুল মান্নান কাব্য কবির, সম্পাদক সবুজ মাহমুদ, কবির ছোট ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম, খোলা কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি মো. খায়রুল ইসলাম প্রমুখ। স্বরণ সভা পরিচালনা করেন ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল।

ঘাটাইলে স্বরণ সভা

কবি মুজাফফর আলী তালকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে 


মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধায় স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘাটাইল প্রেস ক্লাব আয়োজিত প্রেসক্লাব কার্যালয়ে প্রফেসর মাহমুদ দিদার এর সভাপতিত্বে স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন- লেখক ও গবেষক জুলফিকার হায়দার, ভূঞাপুর লোকমান ফকির কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানী রতন, লোক সংস্কৃতি গবেষক মামুন তরফদার, অধ্যাপক খলিলুর রহমান, প্রভাষক ও ছড়াকার কাশিনাথ মজুমদার (পিংকু), ঘাটাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মিঞা, যায়যায়দিনের ঘাটাইল সংবাদদাতা উত্তম কুমার আর্য্য, ভোরের কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি রবিউল আলম বাদল, সকালের খবরের ঘাটাইল সংবাদদাতা মাসুম মিয়া, আমার দেশ পত্রিকার ঘাটাইল সংবাদদাতা মাজহারুল শিহাব, কবি মো. সাইফুল ইসলাম, ছড়াকার এম এ হামিদ, আব্দুল মান্নান কাব্য কবির, সম্পাদক সবুজ মাহমুদ, কবির ছোট ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম, খোলা কাগজের ঘাটাইল প্রতিনিধি মো. খায়রুল ইসলাম প্রমুখ। স্বরণ সভা পরিচালনা করেন ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল।

কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী আজ

নজরুল ইসলাম,ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ কবি মুজাফফর আলী তালুকদারের চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী আজ ২৩ শে সেপ্টেম্বর।২০১২ সালের এই দিনে ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। মুজাফফর আলী তালুকদার ১৯৪৪ সালের ১৮ডিসেম্ববর কবিধাম খ্যাত টাঙ্গাইলেলের ঘাটাইল উপজেলার ষাইটশৈলা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম ছাবেদ আলী তালুকদার। মাতা- আফছান নেছা। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়া লেখার হাতে খড়ি সাংসারিক অভাবের কারনে মেট্রিক পাশ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। এরপর নানা চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে এম এ প্রথম পর্ব (বাংলা) পাশ করেন। বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে সর্ব শেষ সন্তোষ জাহ্নবী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গুণী এ শিক্ষক কর্ম জীবনের ইতি টানেন।
মুজাফফর আলী তালুকদার শিক্ষকতার পাশাপাশি সুস্থ ও সচেতন সমাজ নির্মাণে সাহিত্য চর্চা করেন। মুক্তিযুদ্ধ সহ এ দেশের প্রতিটি প্রগতিশীল এবং মানবতাবাদী আন্দোলনে তাঁর পরোক্ষ সমর্থন ছিল। কবি হিসাবে তিনি উভয় বাংলায় খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর লেখায় গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থা,  ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ গভীর ভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষত গ্রাম বাংলার চিরচেনা রূপের বর্ণনা ও আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার তার লেখায় লক্ষণীয়। তাঁর লেখা ছড়া, কবিতা, গল্প, উপন্যাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে ২১টি গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। উল্লেখ যোগ্য গ্রন্থ গুলি হচ্ছে উপন্যাস: বিএ পাস, কিভাবে যে প্লাবন এলো ও পাতার অশ্র“। কাব্য: নত করে দাও, চাঁদের বুকে জল ও অনেক দিন পর তোমার চিঠি ও কবিতা সমগ্র। গল্প: ডানা ভাঙ্গা পাখি ও অনন্তে হারিয়ে যায় আশা। ছড়া: ছড়া দিয়ে গড়া ও একশ ছড়া। ভ্রমণ কাহিনী: নীল আকাশে অনেক ডাক। জীবনী: যাদু স¤্রাট পি.সি সরকার। এছাড়া বাংলা ব্যাকরণ ও রচনা প্রবেশ নামে দুটি পাঠ্য পুস্তক রচনা করেছেন। তিনি তৎপুরুষ, দর্পণ, বহ্নিশিখা ও তরঙ্গ সহ বিভিন্ন নামে লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেছেন। পলি মাটি সাহিত্য সংসদ, অনুশীলনী সাহিত্য গোষ্ঠি ত্রি-দ্বিধা সাহিত্য সংস্কৃতি পর্ষদ সহ অনেক গুলি সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। সাহিত্য চর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ উভয় বাংলায় পেয়েছেন সম্মাননা ও পুরষ্কার।
মুজাফফর আলী তালুকদারের চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল প্রেসক্লাব নিজস্ব কার্যালয়ে আজ বিকাল ৪ টায় স্মরণ সভার আয়োজন করেছে। এছাড়া কবির নিজ বাড়ী ষাইটশৈলায়  তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে।

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৬

ঘাটাইলে পৌর মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নব-নির্বাচিত পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহিদ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ২২ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১১ টায় পৌর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে সাবেক মেয়র মো.মঞ্জুরুল হক নবনির্বাচিত মেয়রকে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেন।
মো. মঞ্জুরুল হকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু।দায়িত্বগ্রহন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন- সাবেক মেয়র আলহাজ্ব হাসান আলী, সাবেক মেয়র আঃ রশিদ মিয়া, অধ্যক্ষ আবুল মনসুর আহমেদ, অধীর চন্দ্র সাহা, অধ্যাপক মতিয়ুর রহমান খান, সাবেক কমান্ডার হাবিবুর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আঃ রহিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান আজাদ সহ নবনির্বাচিত কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরগণ।


ঘাটাইলে পৌর মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নব-নির্বাচিত পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহিদ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ২২ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১১ টায় পৌর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে সাবেক মেয়র মো.মঞ্জুরুল হক নবনির্বাচিত মেয়রকে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেন।
মো. মঞ্জুরুল হকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক ও বিআরডিবির চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু।দায়িত্বগ্রহন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন- সাবেক মেয়র আলহাজ্ব হাসান আলী, সাবেক মেয়র আঃ রশিদ মিয়া, অধ্যক্ষ আবুল মনসুর আহমেদ, অধীর চন্দ্র সাহা, অধ্যাপক মতিয়ুর রহমান খান, সাবেক কমান্ডার হাবিবুর রহমান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আঃ রহিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান আজাদ সহ নবনির্বাচিত কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরগণ।


বুধবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৬

ঘাটাইলে মাদক ,বাল্য বিবাহ, সন্ত্রাস , জঙ্গী বিরুদ্ধী ,আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের গন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে   মাদক ,বাল্য বিবাহ, সন্ত্রাস ও জঙ্গী বিরুদ্ধী আলোচনা সভা গত কাল বুধবার সকাল ১১ টায় বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে । ঘাটাইল গন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আজহারুল ইসলাম এর সভা পতিত্বে  প্রধান  অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন , ঘাটাইল গন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়ক মো: হাসান আলী মিয়া , বিশেষ  অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন , সি ,এস, ও বিনা , ময়মনসিংহ – ডা. মঙ্গল চন্দ্র , উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার একে, এম  শামসুল হক , জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন পরিদর্শক , টাঙ্গাইল মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন , ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সদেস্য মো: লুৎফর রহমান , পি, টি  , এ কমিটির সম্মানিত সভাপতি মো: সোহরাব আলী তুহিন , সাধুটি নজিব উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ মো; রফিকুল ইসলাম ।  শিক্ষকদের মধ্যে  বক্তব্য রাখেন মওলানা মো: আইন উদ্দিন , মো: শাহনাজ উদ্দিন , হেলাল উদ্দিন । ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন , ১০  শ্রেনীর বিজ্ঞান শাখার ছাত্রী নূসরাত জাহান স্বর্ণা  , ৮ম শ্রেণী ছাত্র মো: আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন , বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঘাটাইল উপজেলা শাখার সাধারন সম্পদক মো: খলিলুর রহমান  । 
অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬

ঘাটাইলে সাগরদিঘী-ভূয়াপুর রাস্তার বেহাল দশা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা থেকে সাগরদিঘী রাস্তা খানা খন্দে ভরা একটু বৃষ্টিতেই পানি জমে ফলে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
দীর্ঘদিন যাবত রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে। 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পূর্বাঞ্চল ঘাটাইল থেকে সাগরদিঘী, ঘাটাইল থেকে  ভূয়াপুর প্রায় ৪১ কিঃ মিঃ পাকা রাস্তা শতশত গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারনে ভারী যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঢাকা সাগরদিঘী, সাগরদিঘী ভালুকা এই রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকলেও সংস্কারের অভাবে এখানে দুরপাল্লার গাড়ী তেমন চলাচল করেনা।
সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইলে আসার পথে বাস, ভ্যান, সিএনজি অটোবাইক সহ বিভিন্ন হালাকা ও ভারী যানবাহন প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছে। যেখানে সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইল আসতে সর্বোচ্চ ৪০ মিঃ সময় লাগার কথা সেখানে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। জরুরী ভিত্তিতে কোন রোগী হাসপাতালে নিতে হলে তড়িৎ গতিতে নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে রাস্তায় ঘটতে পারে যে কোন দুর্ঘটনা।  ১৯৯৬ সালে ঘাটাইল সাগরদিঘী রাস্তাটি স্থানীয় প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ রাস্তাটি নিয়ে নেয়। নেওয়ার পর থেকে সামান্য জায়গায় কিছু মাটি ভরাট ছাড়া বড় কোন কাজ হয়নি। কামালপুর, শহরগোপিনপুর, ধলাপাড়া বাজার, কুশারিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। 
সাগরদিঘী রোডের এম এম এন্টারপ্রাইজের বাস চালক কদমতলী গ্রামের মোঃ রহিজ উদ্দিন জানান আমরা বড় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছি যে কোন সময় আমাদের বিপদ হতে পারে কিন্তু এত কিছু জেনেও পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা রাস্তায় গাড়ী চালাচ্ছি।  
ধলাপাড়া বাজারের ডেকারেটর ব্যবসায়ী সিদ্দিক বার্বুচী জানান, তিন বৎসর যাবত এই রাস্তার অবস্থা একই থাকার দরুন আমাদের দোকানের সামনে বড় বড় খানাখন্দে সৃষ্টি হয়েছে। 
কুশারিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম সুজন জানান এই রাস্তাটি অনেকদিন যাবত খানা খন্দে ভরা একটু বৃষ্টি হলেই যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। 
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন আমি এই রাস্তাটি নিয়ে জেলা সমন্বয় মিটিংয়ে উত্থাপন করেছি তাতে কোন লাভ হয়নি। সাগরদিঘী ঘাটাইলের রাস্তাটি এমন ঝুঁকিপূর্ণ কোন মহিলাকে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে যেতে চাইলে রাস্তার বেহাল দশার কারনে পথিমধ্যেই সন্তান প্রসব হয়ে যাবে। 
সাগরদিঘী-ঘাটাইল ও ভূয়াপুর থেকে ঘাটাইল আসার রাস্তা বেহলা দশা সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান-ডিসি স্যার মন্ত্রনালয়ে তদবির করেছে এবং অচিরেই রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু হবে।
 
টাঙ্গাইল জেলা সড়ক ও জনপদ এর সাবডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জাবেদ হোসেন তালুকদারকে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, আমরা মাঝে মধ্যে রাস্তার সংস্কার করি কিন্তু ছোট কোন অনুদানে এই বড় কাজের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। আমরা চাহিদাপত্র দিয়েছি অনুমোদন হলে বড় কোন পদক্ষেপ নেয়া যাবে।  

ঘাটাইলে সাগরদিঘী-ভূয়াপুর রাস্তার বেহাল দশা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা থেকে সাগরদিঘী রাস্তা খানা খন্দে ভরা একটু বৃষ্টিতেই পানি জমে ফলে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
দীর্ঘদিন যাবত রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে। 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পূর্বাঞ্চল ঘাটাইল থেকে সাগরদিঘী, ঘাটাইল থেকে  ভূয়াপুর প্রায় ৪১ কিঃ মিঃ পাকা রাস্তা শতশত গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারনে ভারী যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঢাকা সাগরদিঘী, সাগরদিঘী ভালুকা এই রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকলেও সংস্কারের অভাবে এখানে দুরপাল্লার গাড়ী তেমন চলাচল করেনা।
সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইলে আসার পথে বাস, ভ্যান, সিএনজি অটোবাইক সহ বিভিন্ন হালাকা ও ভারী যানবাহন প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছে। যেখানে সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইল আসতে সর্বোচ্চ ৪০ মিঃ সময় লাগার কথা সেখানে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। জরুরী ভিত্তিতে কোন রোগী হাসপাতালে নিতে হলে তড়িৎ গতিতে নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে রাস্তায় ঘটতে পারে যে কোন দুর্ঘটনা।  ১৯৯৬ সালে ঘাটাইল সাগরদিঘী রাস্তাটি স্থানীয় প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ রাস্তাটি নিয়ে নেয়। নেওয়ার পর থেকে সামান্য জায়গায় কিছু মাটি ভরাট ছাড়া বড় কোন কাজ হয়নি। কামালপুর, শহরগোপিনপুর, ধলাপাড়া বাজার, কুশারিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। 
সাগরদিঘী রোডের এম এম এন্টারপ্রাইজের বাস চালক কদমতলী গ্রামের মোঃ রহিজ উদ্দিন জানান আমরা বড় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছি যে কোন সময় আমাদের বিপদ হতে পারে কিন্তু এত কিছু জেনেও পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা রাস্তায় গাড়ী চালাচ্ছি।  
ধলাপাড়া বাজারের ডেকারেটর ব্যবসায়ী সিদ্দিক বার্বুচী জানান, তিন বৎসর যাবত এই রাস্তার অবস্থা একই থাকার দরুন আমাদের দোকানের সামনে বড় বড় খানাখন্দে সৃষ্টি হয়েছে। 
কুশারিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম সুজন জানান এই রাস্তাটি অনেকদিন যাবত খানা খন্দে ভরা একটু বৃষ্টি হলেই যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। 
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন আমি এই রাস্তাটি নিয়ে জেলা সমন্বয় মিটিংয়ে উত্থাপন করেছি তাতে কোন লাভ হয়নি। সাগরদিঘী ঘাটাইলের রাস্তাটি এমন ঝুঁকিপূর্ণ কোন মহিলাকে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে যেতে চাইলে রাস্তার বেহাল দশার কারনে পথিমধ্যেই সন্তান প্রসব হয়ে যাবে। 
সাগরদিঘী-ঘাটাইল ও ভূয়াপুর থেকে ঘাটাইল আসার রাস্তা বেহলা দশা সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান-ডিসি স্যার মন্ত্রনালয়ে তদবির করেছে এবং অচিরেই রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু হবে।
 
টাঙ্গাইল জেলা সড়ক ও জনপদ এর সাবডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জাবেদ হোসেন তালুকদারকে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, আমরা মাঝে মধ্যে রাস্তার সংস্কার করি কিন্তু ছোট কোন অনুদানে এই বড় কাজের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। আমরা চাহিদাপত্র দিয়েছি অনুমোদন হলে বড় কোন পদক্ষেপ নেয়া যাবে।  

ঘাটাইলে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মানবন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : 
গত রবিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় দূর্গা পূজায় ৩দিনের সরকারি ছুটির ঘোষনার দাবিতে মানবন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট এর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন ও সহকারী কমিশনার ভূমি প্রভাংশু সোম মহান এর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন জাতীয় হিন্দু মহাজোট ঘাটাইল উপজেলা শাখার সভাপতি বিপুল চন্দ্র চন্দ, সাধারণ সম্পাদক বিভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, যুব হিন্দু মহাজোট সভাপতি সঞ্চয় চক্রবর্তী (বেণু), সাধারণ সম্পাদক রাজন চন্দ্র বসু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ আর্য্য (সুমন), ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক কমলেশ বর্মন, দপ্তর সম্পাদক পলাশ চন্দ্র চন্দ, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক প্রকাশ চন্দ্র সেন, ৩নং জামুরিয়া ইউনিয়নের হিন্দু মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র বিশ্বাস, সদস্য দিপক চন্দ্র রায়, বিপ্লব চন্দ্র নন্দী প্রমুখ।

এমপি রানা’র ফাসির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
প্রথম বারের মতো মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় আসামীদের ফাসির দাবী নিয়ে মানববন্ধন করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা  মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে এমপি রানার ফাসির দাবীতে মানব প্রাচীর তৈরী করে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মানববন্ধেনে বক্তব্য রাখেন - উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন, ডিপুটি কমান্ডার শাহনেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, আ’লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মেয়র হাসান আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান আজাদ, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বাবায়ক শহিদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ, আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা এমপি রানাকে ফাসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যার বিচারের দাবী জানান আদালতের কাছে। এ মানববন্ধনে একত্বতা ঘোষনা করে যোগদেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগসংগঠনের নেতারা।

উল্লেখ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলি বিদ্ধ লাশ কলেজ পাড়ায় তার নিজ বাসায় সামনে পাওয়া যায় । ৩  দিন পর ২১ জানুয়ারী  তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অঙ্গাত আসামীদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । ২০১৪ সালে মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করেন । আদালতে তারা স্বীকারুক্তি মুলক জবান বন্ধী দেয় । তাদের জবানবন্ধীতে রানা ও তার অপর ৩ ভাই জরিত থাকার বিষয় টি ওঠে আসে । চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারী সাংসদ আমনুর ও তার ৩ ভাই সহ ১৪ জন কে অভিযোক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয়া হয় । ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগ পত্র গ্রহন করে পলাতক আমানুর রহমান সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয় । ১৭ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত । ২০মে পুলিশ সাংসদের টাঙ্গাইল সহরে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে। সর্বশেষ  আসামীরা হাজির না হওয়ায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত ।

এমপি রানা’র ফাসির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
প্রথম বারের মতো মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় আসামীদের ফাসির দাবী নিয়ে মানববন্ধন করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা  মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে এমপি রানার ফাসির দাবীতে মানব প্রাচীর তৈরী করে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মানববন্ধেনে বক্তব্য রাখেন - উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন, ডিপুটি কমান্ডার শাহনেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, আ’লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মেয়র হাসান আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান আজাদ, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বাবায়ক শহিদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ, আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা এমপি রানাকে ফাসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যার বিচারের দাবী জানান আদালতের কাছে। এ মানববন্ধনে একত্বতা ঘোষনা করে যোগদেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগসংগঠনের নেতারা।

উল্লেখ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলি বিদ্ধ লাশ কলেজ পাড়ায় তার নিজ বাসায় সামনে পাওয়া যায় । ৩  দিন পর ২১ জানুয়ারী  তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অঙ্গাত আসামীদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । ২০১৪ সালে মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করেন । আদালতে তারা স্বীকারুক্তি মুলক জবান বন্ধী দেয় । তাদের জবানবন্ধীতে রানা ও তার অপর ৩ ভাই জরিত থাকার বিষয় টি ওঠে আসে । চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারী সাংসদ আমনুর ও তার ৩ ভাই সহ ১৪ জন কে অভিযোক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয়া হয় । ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগ পত্র গ্রহন করে পলাতক আমানুর রহমান সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয় । ১৭ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত । ২০মে পুলিশ সাংসদের টাঙ্গাইল সহরে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে। সর্বশেষ  আসামীরা হাজির না হওয়ায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত ।

সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৬

এমপি রানাকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে টাঙ্গাইল কারাগার থেকে কাশিমপুর কারাগার -১ এ স্থানান্তর করা হয়েছে।


সোমবার বিকেল ৩ টার দিকে তাকে কারাগারের একটি প্রিজনভ্যানে কাশিমপুর নিয়ে যাওয়া হয়।

টাঙ্গাইল কারাগারের জেলার রিতেশ চাকমা জানান, আমানুর রহমান খান রানা একজন সংসদ সদস্য। নিয়ম অনুযায়ী কারাগারে থাকাকালে তিনি ডিভিশন প্রাপ্ত হবেন। টাঙ্গাইল কারাগারে ডিভিশনের তেমন কোনো সুযোগ সুবিধা নেই। তাই কেন্দ্রীয় কারাগারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রায় ২২ মাস পলাতক থাকার পর গত রোববার আমানুর রহমান খান রানা সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আবুল মনসুর আহমেদ জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এমপি রানাকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে টাঙ্গাইল কারাগার থেকে কাশিমপুর কারাগার -১ এ স্থানান্তর করা হয়েছে।


সোমবার বিকেল ৩ টার দিকে তাকে কারাগারের একটি প্রিজনভ্যানে কাশিমপুর নিয়ে যাওয়া হয়।

টাঙ্গাইল কারাগারের জেলার রিতেশ চাকমা জানান, আমানুর রহমান খান রানা একজন সংসদ সদস্য। নিয়ম অনুযায়ী কারাগারে থাকাকালে তিনি ডিভিশন প্রাপ্ত হবেন। টাঙ্গাইল কারাগারে ডিভিশনের তেমন কোনো সুযোগ সুবিধা নেই। তাই কেন্দ্রীয় কারাগারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রায় ২২ মাস পলাতক থাকার পর গত রোববার আমানুর রহমান খান রানা সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালতের বিচারক আবুল মনসুর আহমেদ জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পাকুটিয়া চামড়া হাটেও হতাশ ব্যবসায়ীরা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : পশুর চামড়া বেচাকেনায় দেশের অন্যতম বৃহৎ বাজার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া চামড়ার হাটেও হতাশা ভর করেছে ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এ হাটে ব্যবসায়ীরা আসেন চামড়া বেচাকেনা করতে। তবে চলতি মৌসুমে চামড়ার দাম কম থাকায় ক্ষতির মুখে পড়েছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। আর এ জন্য ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেটকেই দুষছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
পাকুটিয়া চামড়ার হাট ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে এখন শুধুই হতাশা। যে দামে চামড়া কিনেছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা, বিক্রির জন্য হাটে এনে দেখেন দাম তার চেয়ে অনেক কম। পুঁজি হারানোর ভয়ে বাধ্য হয়ে লোকসানে চামড়া বিক্রি করছে ক্ষুদ্র ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তবে লোকসানের আশঙ্কায় কিছু খুচরা ব্যবসায়ী হাটে চামড়া আনছেন খুবই কম। তারা দাম বাড়ার অপেক্ষায় আছেন।
কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন বলেন, ‘ট্যানারি মালিকরা ঈদের আগে ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৪০ থেকে ৪৫ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১৫ থেকে ১৭ টাকা দর নির্ধারণ করে দেন, যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম। ওই দামে বাসা-বাড়ি ও এতিমখানা-মাদ্রাসা থেকে চামড়া কিনতে পারেননি খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাই বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে আমাদের চামড়া কিনতে হয়েছে। আশা ছিল, ট্যানারি ব্যবসায়ীরা যাই বলুক না কেন, বাজারে নিশ্চয় দাম পাওয়া যাবে। কিন্তু ট্যানারি মালিকদের ঘোষণার প্রভাব বাজারে পড়েছে।’
ঘাটাইল উপজেলার ঝংকারের মনছুর আলী অভিযোগ করেন, যে চামড়া কিনতে খরচ হয়েছে ১৭-১৮শ টাকা, সেই চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে এক হাজার টাকারও কম দামে। এ জন্য চামড়াপ্রতি ক্ষতি হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকা।’
সরেজমিন ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া চামড়া হাট ঘুরে ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে হতাশ ও ক্ষোভের ছাপ দেখা গেছে।
স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, ‘সুদে টাকা নিয়ে চামড়া কিনেছি। বর্তমান বাজারদরে চামড়া বিক্রি করলে পথে বসতে হবে। তাই দাম বাড়ার আশায় বাড়িতে চামড়ায় লবণ দিয়ে রেখেছি। সরকার যদি একটু বিবেচনা করে দাম বাড়ায় তাহলে বাড়ি থেকে চামড়া হাটে এনে পুঁজি রক্ষা করতে পারব।’
সাভারের বুলুয়া ট্যানারির মালিক হাজী জুলহাস উদ্দিন বলেন, বাজারে বস্তাপ্রতি লবণের দাম বেড়েছে ৮-৯শ টাকা। এজন্য মৌসুমি ব্যবসায়ীরা প্রতিটি চামড়ায় অর্ধেকের কম লবণ ব্যবহার করছে। এতে করে চামড়ার গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে।’
পাকুটিয়া চামড়া হাটের ইজারাদার হুমায়ন কবির বলেন, ‘হাটের নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসাবে হাটে দুই শতাধিক বৈদ্যুতিক বাতি সংযোগ করা হয়েছে।’ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এই সময়টায় তিনগুণ লেনদেন হয় বলেও তিনি জানান।

পাকুটিয়া চামড়া হাটেও হতাশ ব্যবসায়ীরা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : পশুর চামড়া বেচাকেনায় দেশের অন্যতম বৃহৎ বাজার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া চামড়ার হাটেও হতাশা ভর করেছে ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এ হাটে ব্যবসায়ীরা আসেন চামড়া বেচাকেনা করতে। তবে চলতি মৌসুমে চামড়ার দাম কম থাকায় ক্ষতির মুখে পড়েছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। আর এ জন্য ট্যানারি মালিকদের সিন্ডিকেটকেই দুষছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
পাকুটিয়া চামড়ার হাট ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে এখন শুধুই হতাশা। যে দামে চামড়া কিনেছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা, বিক্রির জন্য হাটে এনে দেখেন দাম তার চেয়ে অনেক কম। পুঁজি হারানোর ভয়ে বাধ্য হয়ে লোকসানে চামড়া বিক্রি করছে ক্ষুদ্র ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তবে লোকসানের আশঙ্কায় কিছু খুচরা ব্যবসায়ী হাটে চামড়া আনছেন খুবই কম। তারা দাম বাড়ার অপেক্ষায় আছেন।
কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ী আশরাফ হোসেন বলেন, ‘ট্যানারি মালিকরা ঈদের আগে ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৪০ থেকে ৪৫ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১৫ থেকে ১৭ টাকা দর নির্ধারণ করে দেন, যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম। ওই দামে বাসা-বাড়ি ও এতিমখানা-মাদ্রাসা থেকে চামড়া কিনতে পারেননি খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাই বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে আমাদের চামড়া কিনতে হয়েছে। আশা ছিল, ট্যানারি ব্যবসায়ীরা যাই বলুক না কেন, বাজারে নিশ্চয় দাম পাওয়া যাবে। কিন্তু ট্যানারি মালিকদের ঘোষণার প্রভাব বাজারে পড়েছে।’
ঘাটাইল উপজেলার ঝংকারের মনছুর আলী অভিযোগ করেন, যে চামড়া কিনতে খরচ হয়েছে ১৭-১৮শ টাকা, সেই চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে এক হাজার টাকারও কম দামে। এ জন্য চামড়াপ্রতি ক্ষতি হচ্ছে ৭০০-৮০০ টাকা।’
সরেজমিন ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া চামড়া হাট ঘুরে ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে হতাশ ও ক্ষোভের ছাপ দেখা গেছে।
স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, ‘সুদে টাকা নিয়ে চামড়া কিনেছি। বর্তমান বাজারদরে চামড়া বিক্রি করলে পথে বসতে হবে। তাই দাম বাড়ার আশায় বাড়িতে চামড়ায় লবণ দিয়ে রেখেছি। সরকার যদি একটু বিবেচনা করে দাম বাড়ায় তাহলে বাড়ি থেকে চামড়া হাটে এনে পুঁজি রক্ষা করতে পারব।’
সাভারের বুলুয়া ট্যানারির মালিক হাজী জুলহাস উদ্দিন বলেন, বাজারে বস্তাপ্রতি লবণের দাম বেড়েছে ৮-৯শ টাকা। এজন্য মৌসুমি ব্যবসায়ীরা প্রতিটি চামড়ায় অর্ধেকের কম লবণ ব্যবহার করছে। এতে করে চামড়ার গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে।’
পাকুটিয়া চামড়া হাটের ইজারাদার হুমায়ন কবির বলেন, ‘হাটের নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসাবে হাটে দুই শতাধিক বৈদ্যুতিক বাতি সংযোগ করা হয়েছে।’ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এই সময়টায় তিনগুণ লেনদেন হয় বলেও তিনি জানান।

রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৬

ঘাটাইলে আ’লীগের আনন্দ মিছিল

এমপি রানা কারাগারে

মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহামেদ হত্যা মামলার পলাতক আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা আত্মসমর্পনের পর কারাগারে প্রেরণ করায় আনন্দ মিছিল করেছে ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। গতকাল রোববার সন্ধায় উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্দ্যেগে এ আনন্দ মিছিলটি বের হয়। আনন্দ মিছিলটি ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রাস্তায় উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আনন্দ মিছিলটি স্থানীয় পারুল প্লাজার সামনে গিয়ে শেষ হয় ও সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আ’লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু’র সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহিদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ, যুগ্ন-আহ্বায়ক আব্দুর রহিম মিয়া, ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান  হেকমত সিকদার, এডভোকেট শাহানশাহ সিদ্দিকী, আবু সাইদ রুবেল প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা এমপি রানা সহ অন্যান্য আসামীদের ফাঁসির দাবি জানান।

শেষ পর্যন্ত জেলেই যেতে হলো সাংসদ আমানুরকে

শেষ পর্যন্ত জেলেই যেতে হলো সাংসদ আমানুর রহমান রানাকে। দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় পলাতক থাকার পর তিনি আজ রবিবার টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। সকালের দিকে তিনি আদালত প্রঙ্গনে প্রবেশ করেন এবং সকাল নয়টার দিকে তিনি আদালত কক্ষে ঢুকে আত্মসমপর্ণ করে জামিন আবেদন করেন।

মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার এই প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক মো. আবুল মনসুর মিয়া।

সকাল ১০টায় জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম খান পরে সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পালিয়ে থাকেন। রবিবার সকাল ১০টায় তিনি জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

আদালতের বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া তাঁর জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।

আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আব্দুল বাকী, ফায়জুর রহমান, খন্দকার ফায়কুজ্জামান নাজিম।

শুনানির সময় পুরো আদালত চত্বর নিরাপত্তায় ঢাকা ছিল। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় আদালতের আশেপাশে। এরপরও উভয় পক্ষের সমর্থকরা ভিড় করে আদালতে আশে পাশে।

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে এমপি আমানুর

টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার পলাতক আসামি সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার সকালে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য হাজির হন রানা। পরে আদালতের কাছে তিনি জামিন আবেদন করেন। তবে তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার অন্য পলাতক আসমিরা কেউ আদালতে হাজির হননি বলে জানা গেছে।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ টাঙ্গাইলে তার কলেজপাড়ার বাসার সামনে পাওয়া যায়। এর তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন।
প্রথমে থানা পুলিশ ও পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলার তদন্ত শুরু করে। ২০১৪ সালের আগস্টে মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী গ্রেপ্তার হন। আদালতে তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সাংসদ আমানুর ও তার তিন ভাইয়ের এ হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এরপর থেকে সাংসদ ও তার ভাইয়েরা আত্মগোপনে আছেন।
চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি সাংসদ আমানুর, তার তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ৬ এপ্রিল আদালত মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক আমানুরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ১৭ মে এই ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত। ২০ মে পুলিশ সাংসদ ও তার তিন ভাইয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে, তবে সেখানে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। সর্বশেষ ১৬ জুন আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।
সাংসদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি চিঠি দিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে জানানো হয়।

ঘাটাইলে টিনএইজদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদন ॥ কেউ নেই দেখার

জুলিয়া পারভেজ:
বিশেষ বিশেষ পার্বনে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার টিনএইজদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনে শঙ্কিত অভিভাবকগণ, বিরক্ত সচেতন মহল, অতিষ্ট নারীগণ। ঈদ-উল ফিতর, ঈদ-উল আযহা, দুর্গাপূজা, নববর্ষ উপলক্ষ্যে কালিহাতী, ঘাটাইল, ভূঞাপুর, গোপালপুর, মধুপুর এসব এলাকায় টিনএইজরা ট্রাক, বাস, পিক-আপ ভ্যান ইত্যাদি যানবাহনে উচ্চস্বরে সাউ-বক্স বাজাতে বাজাতে রাস্তা দিয়ে হৈ হুল্লর করে যাতায়াত করছে। তাতে করে বিকট শব্দ দুষণের কারনে রাস্তায় যানবাহন হরহামেশাই পড়ছে ছোট-খাটো দুর্ঘটনায়, বিরক্ত ও অতিষ্ট পথচারীরা।
টিনএইজরা হৈ হুল্লরেই সীমাবদ্ধ নয়, মহিলাদের দেখে তাদের সাথে করতে থাকে ইভটিজিং। পথচারী বা আশেপাশের লোকদের বিরক্ত করাই শুধু নয়। ঐ সকল গাড়ি বেপরোয়াভাবে চালিয়ে চলাচলে অসুবিধারও সৃষ্টি করে থাকে। আকার যে কোন সময় বেপরোয়া টিনএইজরা উল্লসিত মুহুর্তে চলন্ত গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদন প্রতিরোধ করে এলাকার জন্য এনে দিতে পারেন স্বস্তি।

ঘাটাইলে টিনএইজদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদন ॥ কেউ নেই দেখার

জুলিয়া পারভেজ:
বিশেষ বিশেষ পার্বনে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার টিনএইজদের ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনে শঙ্কিত অভিভাবকগণ, বিরক্ত সচেতন মহল, অতিষ্ট নারীগণ। ঈদ-উল ফিতর, ঈদ-উল আযহা, দুর্গাপূজা, নববর্ষ উপলক্ষ্যে কালিহাতী, ঘাটাইল, ভূঞাপুর, গোপালপুর, মধুপুর এসব এলাকায় টিনএইজরা ট্রাক, বাস, পিক-আপ ভ্যান ইত্যাদি যানবাহনে উচ্চস্বরে সাউ-বক্স বাজাতে বাজাতে রাস্তা দিয়ে হৈ হুল্লর করে যাতায়াত করছে। তাতে করে বিকট শব্দ দুষণের কারনে রাস্তায় যানবাহন হরহামেশাই পড়ছে ছোট-খাটো দুর্ঘটনায়, বিরক্ত ও অতিষ্ট পথচারীরা।
টিনএইজরা হৈ হুল্লরেই সীমাবদ্ধ নয়, মহিলাদের দেখে তাদের সাথে করতে থাকে ইভটিজিং। পথচারী বা আশেপাশের লোকদের বিরক্ত করাই শুধু নয়। ঐ সকল গাড়ি বেপরোয়াভাবে চালিয়ে চলাচলে অসুবিধারও সৃষ্টি করে থাকে। আকার যে কোন সময় বেপরোয়া টিনএইজরা উল্লসিত মুহুর্তে চলন্ত গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদন প্রতিরোধ করে এলাকার জন্য এনে দিতে পারেন স্বস্তি।

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৬

ঘাটাইলে দানেশ স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

ঘাটাইল সংবাদদাতাঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার একাশি হাইস্কুল মাঠে দানেশ স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় বসুবাড়ী দল ২-০ গোলে গৌরাঙ্গী একাশি দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বিজয়ী দল উভয়ার্ধে একটি করে গোল করে। উভয় দলই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ করে খেললেও বসুবাড়ী দল গোলের দু’টি সুযোগ কাজে লাগায়। পক্ষান্তরে গৌরাঙ্গী দলের আক্রমণ ভাগের খেলোয়াড়দের ব্যর্থতায় তারা পরাজয় বরণ করে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহীন। ফাইনাল খেলার উদ্বোধক ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান, আনেহলা ইউপি চেয়ারম্যান তালুকদার মোহাম্মদ শাজাহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবুল কালাম আজাদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, সাবেক প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম, টুর্ণামেন্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক ঘাবিবুর রহমান প্রমুখ।টুর্ণামেন্টের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমোডর মোহাম্মদ সোহায়েল।
বিপুল সংখ্যক দর্শক খেলাটি উপভোগ করেন। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী দলকে ফ্রিজ ও বিজিত দলকে টেলিভিশন প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুম দানেশ মিঞার স্মৃতি রক্ষার্থে তার নাতি কমোডর মোহাম্মদ সোহায়েলের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিবছর ‘দানেশ স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট’ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। টুর্ণামেন্টের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন হামিদুর রহমান টিটো।

বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৬

ঘাটাইলে সজিব আহম্মেদ ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট’র গ্রাম পাঠাগার উদ্বোধন

মানুষ মানুষের জন্য, শিক্ষা সবার জন্য এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় সমাজ সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান সজিব আহম্মেদ ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এর উদ্যোগে গ্রাম পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে।
Sponsored by Revcontent
ghatail_newsবুধবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের চর বকশিয়া গ্রামে এ পাঠাগারটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনার সভার সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সজিব আহম্মেদ ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট’র চেয়ারম্যান সজিব আহম্মেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, ৪ নং লোকেরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শরিফ হোসেন।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভূঞাপুর লোকমান ফকির মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ গোলাম রব্বানী রতন, গৌরিশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খায়রুজ্জামান ভূঁইয়া, সাবেক উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ তালুকদার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক অধ্যাপক শফি উদ্দিন তালুকদার, লেখক অধ্যাপক আলী রেজা, ছড়াকার লেখক এম কে হারুন, ‘বাংলাদেশ গ্রাম পাঠাগার আন্দোলন’ এর নায়ক অধ্যক্ষ আবদুস ছাত্তার খান ও লোকেরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহলম সরকার।