শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৯

কেন সরানো যায়নি পুরান ঢাকার কেমিক্যালের গুদাম?

ঢাকার চকবাজারে অগ্নিকান্ডে ৭০ জনেরও বেশি লোকের মৃত্যুর পর পুরনো ঢাকা থকে রাসায়নিক পদার্থের গুদামগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেবার কথা আবারো আলোচনায় এসেছে।

কিন্তু আগেকার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে অনেকেই বলছেন, এখন এ নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু কিছুদিন পরই বিষয়টি হয়তো আর আলোচনায় থাকবে না, গুদামগুলো সরিয়ে নেবার প্রক্রিয়াও যাবে থেমে - ঠিক যেমনটা আগে হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০১০ সালে নিমতলী অগ্নিকান্ডের পর রাসায়নিক কারখানাগুলো সরিয়ে নেবার কথা থাকলেও ব্যবসায়ীরা রাজি না হওয়ায় সেটি সম্ভব হয়নি।

অবশ্য ব্যবসায়ীরা এ কথা স্বীকার করেন না। তারা বলেন, তারা পুরোনো ঢাকা থেকে সরে যেতে রাজি আছেন। পরিবেশকর্মীরা বলেন, আসলে সরকারই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

চকবাজার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে যারা ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন - বুধবার তাদের দেখতে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সেখান থেকে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেমিক্যাল গুদামের জন্য ঢাকার পাশেই কেরানীগঞ্জে একটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল।



"সেখানে (কেরানীগঞ্জে) আমরা খুব আধুনিক গোডাউন তৈরি করে দিতে চাচ্ছিলাম, বহুতল ভবন করে, যেখানে কেমিক্যালগুলি সুরক্ষিত থাকবে। যেহেতু মালিকরা রাজী হন নাই, যার জন্য ওটা আর কার্যকর করা যায় নাই" বলেন প্রধানমন্ত্রী।

পুরনো ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় কথা বলে দেখা গেল, যেসব বাড়ির মালিক কেমিক্যাল কিংবা নানা দাহ্য পদার্থের গুদাম বা দোকান ভাড়া দিয়েছেন, তাদের অনেকেই সে বাড়িতে থাকেন না। সুতরাং সে বাড়ি থেকে যত বেশি সম্ভব ভাড়ার টাকা তুলে আনাটাই তাদের লক্ষ্য থাকে।

এ নিয়ে স্থানীয় বাড়ির মালিকদের মধ্যেও নানা ধরণের দ্বন্দ্ব আছে।

স্থানীয় এক বাড়ির মালিকের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার শীলা বিষয়গুলো নিয়ে নিজের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। "আমাদের সমস্যার সমাধান কে করবে? টাকার জন্য ওনারা কেমিক্যাল গোডাউন ভাড়া দেয়। ওদের কারণে আমরা শান্তিতে নাই। এটা কি সমাধান হবে না কখনোই? এটার সমাধান আমাদের সরকারকেই করতে হবে" বলছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বারবার অভিযান চালিয়েও এসব রাসায়নিকের গুদাম সরানো সম্ভব হয়নি।

কিন্তু ব্যবসায়ীরা দাবী করছেন, জায়গা পেলে এখন পুরনো ঢাকার অলি-গলি থেকে সরে যেতে তাদের আপত্তি নেই।

পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, একটি কাজ আট বছরে বাস্তবায়ন করতে না পারায় বোঝা যায়, সরকার আসলে বিষয়টি তেমন একটা গুরুত্বই দেয়নি এমনটাই বলছেন, পরিবেশবাদীরা।

কারণ, সরকার চাইলে আট বছরেও একটি কাজ করা সম্ভব নয়, এ কথা বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না অনেকের কাছেই।

পরিবেশবাদী আইনজীবী সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান বলেন, "এখানে মুখ্য দায়িত্ব সরকারের। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সে ব্যর্থ হয়েছে, আইন বাস্তবায়বায়নকারী সংস্থা হিসেবে সে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের জানমালের হেফাজত দেয়ার যে দায়িত্ব তার (সরকার), সেটা করতে সে ব্যর্থ হয়েছে। সরকার যদি সচেষ্ট হতো, তাহলে এ গোডাউনগুলোকে সরিয়ে নেয়া যেত।"

বাংলাদেশে কোন দূর্ঘটনার পর সরকারের দিক থেকে প্রতিশ্রুতির কোন কমতি থাকে না। চকবাজার অগ্নিকান্ডের পর তাই হয়েছে।

রাসায়নিকের গুদাম সরিয়ে নেবার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেটি আদৌ গুরুত্বের তালিকায় থাকবে কিনা তা নিয়ে বিস্তর সন্দেহ আছে অনেকের মনে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

যুগান্তর সাংবাদিক গ্রেফতারে ঘাটাইল প্রেসকাবের নিন্দা

দৈনিক যুগান্তরের লোহাগাড়া উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঘাটাইল প্রেসকাবের নেতারা। গ্রেফতারকৃত সাংবাদিকের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করে তারা বিবৃতি দেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন- ঘাটাইল প্রেসকাবের সভাপতি মো.নজরুল ইসলাম সিনিয়র সহ সভাপতি ও যুগান্তর প্রতিনিধি খান ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুজ্জামান মিঞা,সিনিয়র সাংবাদিক সাইয়্যিফ মোহাম্মদ হামিদুল্লাহ যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল লতিফ, কোষাধক্ষ্য মো.মাসুম মিয়া, দপ্তর সম্পাদক এবিএম আতিকুর রহমান,সাংবাদিক আতিকুর রহমান,রেজাউল করিম খান রাজু প্রমুখ।

টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২ ; আহত ৬

টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন । এ ঘটনায় আহত হয় অনন্ত ৬ জন ।

শনিবার ভোরে জেলার কালিহাতী উপজেলার বঙ্গবন্ধুসেতু মহাসড়কের হাতিয়ায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। এতে নিহতরা হলেন, মাইক্রোবাস চালক মোশারফ হোসেন মুসা ও চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার সুজনের সভাপতি সৈয়দ শাহজামাল।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে মাইক্রোবাসটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। শনিবার ভোর ৪টার দিকে মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া নামকস্থানে পৌঁছলে মাইক্রোবাসটিকে পিছন থেকে অপর একটি অজ্ঞাত পরিবহন ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে সুশাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) এর চাপাইনবাবগঞ্জ শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহজামাল ও মাইক্রোবাস চালক নিহত হন।
এ ঘটনায় আহত হয় আরো ৪জন। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন ‘এমএ পাস’ ওসি!

নীলফামারীর ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজ উদ্দিন শেখ এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন। চলতি বছর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে জলঢাকার আলহাজ্ব মোবারক হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে তিনি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় ওই কেন্দ্রের ১নং রুমে বসে পরীক্ষা দেন তিনি। বিষয়টি জানার পর ওই কেন্দ্রে গিয়ে ওসির পরীক্ষা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানা যায়, ডিমলা থানার ওসি (তদন্ত) হিসেবে মফিজ উদ্দিন শেখ ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ২০ মে তিনি ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই কর্মরত।

একাধিক পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) জানান, ওসি মফিজ উদ্দিন শেখ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাস্টার্স পাস করার সনদপত্র দিয়ে পুলিশ বিভাগে পদোন্নতি নিয়েছেন। তিনি ৮ম শ্রেণির সনদপত্র দিয়ে কনস্টেবল পদে পুলিশ বিভাগে যোগদানের পর পদোন্নতি নিয়ে বর্তমানে পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) হিসেবে ডিমলা থানায় কর্মরত আছেন।

উন্মুক্ত বিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৭ সালে জলঢাকার আলহাজ্ব মোবারক হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে তিনি ভর্তি হন। যার রোল নং-৭। ২০১৮ সালের প্রথম সেমিস্টারের ও চলতি বছরের ২২ ফ্রেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিস্টারের বাংলা দ্বিতীয় পত্র বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন মফিজ উদ্দিন শেখ, যার পরীক্ষার রোল নং-১৭-০-১০-২৪৮-০০৭। প্রবেশপত্রে পরীক্ষার্থীর নাম মফিজ উদ্দিন শেখ, পিতা- রজব আলী শেখ ও মায়ের নাম রয়েছে নুরুননেছা বেগম।

এ বিষয়ে জলঢাকা আলহাজ্ব মোবারক হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রোকনুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ২০১৭ সালে তিনি (মফিজ উদ্দিন শেখ) বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি হন। ২টি সেমিস্টারের পরীক্ষায় এবার পরীক্ষা দিচ্ছেন তিনি। বর্তমানে ওই কেন্দ্রে ওসি মফিজ উদ্দিনসহ দ্বিতীয় সেমিস্টারে ৯৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।

এ ব্যাপারে ওসি মফিজ উদ্দিন শেখের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, জ্ঞান অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। আমি আমার আগের শিক্ষাগত যোগ্যতা দিয়ে পদোন্নতি নিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হয়েছি। এরপরও ব্যক্তিগত ইচ্ছায় আবারও এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছি। মানুষ ডাবল এমএ পাস করে না? এতে অসুবিধা কী?

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নীলফামারীর পুলিশ সুপার আশরাফ আলীর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

তারেকের নির্দেশনায় ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছা্ত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে ছাত্রদল। এই নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ছাত্রদল নেতারা স্কাইপেতে কথা বলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলার পরই ছাত্রদল নেতারা ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে। ছাত্রদলের একাধিক নেতা এ-তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে বৈঠকে বসে বিএনপি নেতাো। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও ডাকসু নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী অ্যানী, কেন্দ্রীয় নেতা রকিবুল ইসলাম বাবুল, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সিদ্দিকীসহ ছাত্রদলের প্রায় ৫০জন নেতাকর্মী।

বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে ছাত্রদলের সিনিয়র নেতাদের ডাকসু সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়।  এরমধ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব হলে ছাত্রদলের কমিটি নেই, সেখানে কমিটি দেওয়া, দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা উল্লেখযোগ্য।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের একটি হল শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, ছাত্রদল ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ইতিবাচক থাকলও নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে দোলাচলে ছিল।  কিন্তু তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ছাত্রদল।  ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দল প্যানেল চূড়ান্ত করবে।  এছাড়া ছাত্রদল যে সাত দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছিল সেই দাবিও অব্যাহত থাকবে।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান বলেন, ‘আমরা ডাকসুর জন্য সময় বাড়ানোর দাবি করেছি।  কিন্তু প্রশাসন সময় বাড়াচ্ছে না।  আমরা বলেছি, ডাকসু নিয়ে ইতিবাচক থাকতে চাই।  সেজন্য আমাদের প্রস্তুতির একটা ব্যাপার আছে।  প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি যেন যেকোনো সিদ্ধান্ত ফেস করতে পারি।’

ছাত্রদলের এই নেতা অভিযোগ করেন, ‘কর্তৃপক্ষ ৫ মার্চ সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে।  আর ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ডাকসুর মনোনয়ন গ্রহণ করবে।  এতে আমাদের অনেক ভোটার প্রার্থী হওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভালোভাবে প্রস্তুত  নয়।  দ্রুত নির্বাচন করতে যেয়ে তারা একটি লেজে-গোবরে অবস্থা করে ফেলছে।  তাদের উচিত সময় বাড়ানো।’

প্রসঙ্গত, আসন্ন ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ডাকসু নির্বাচন ৩ মাস পেছানোসহ সাত দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানকে স্মারকলিপি দেয় ছাত্রদল।  নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ ৯ বছর পর  ১৩ ফেব্রয়ারি তারা মধুর ক্যান্টিনে আসে।  সেই থেকে ছাত্রদল মধুর ক্যান্টিনে নিয়মিত এসে ডাকসুর ব্যাপারে ইতিবাচক বক্তব্য রাখছে।

তবে, বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের একটি পক্ষ ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেবে না।  কিন্তু বৃহস্পতিবার তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে ডাকসু নির্বাচনে চূড়ান্তভাবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।  পাশাপাশি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়াও শুরু করে।

উল্লেখ্য, ১১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এস এম মাহফুজুর রহমান। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা যাবে।  ২৬ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ও মনোনয়ন বাছাই। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি। যাচাই-বাছাইয়ের পর ৩ মার্চ হলের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।  ভোটগ্রহণ হবে ১১ মার্চ (সোমবার) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত।