সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৯

ফাঁসি কার্যকরের আগে ‘হৃদয়বিদারক চিঠি’ ৯ তরুণের

গত ২০ ফেব্রুয়ারি মিশরে এক আইনজীবী হত্যার দায় চাপিয়ে মুসলিম ব্রাদারহুডের ৯ তরুণের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। এরপর থেকেই অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তিরা এই দণ্ড কার্যকরে তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে।

এই ইস্যুতে মিশরের স্বৈরশাসক প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসিকে রীতিমতো একহাত নিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোয়ান ।

অ্যামনেস্টি বলেছে, ফাঁসি কার্যকরের আগে ওই তরুণদের কারাগারে দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়।

কোমল শরীরে লাগাতার শাস্তি প্রয়োগের পর ওইদিন ভোরের প্রথম তিন ঘণ্টার মধ্যেই তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এর মধ্যদিয়েই শেষ হয়ে যায় ৯ তরুণের জীবন-সফর। আর তারা একত্রে আরোহন করে বেদনার কফিনে, রেখে যায় কেনানার ভূমিতে মৃত্যুদণ্ডের জন্য প্রত্যয়িত ফতোয়া কর্তৃপক্ষ, রাজনীতি ও বিচার বিভাগের মুখে একটি বিশাল প্রশ্ন।





নিহত যুবকদের বসবাস ছিল মিশরের বিভিন্ন অঞ্চলে। এমনকি তাদের শিক্ষা অর্জনের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনও ছিল আলাদা। কিন্তু, শেষযাত্রা হলো একসঙ্গে, মিশরের গোরস্থানে। দেশটির সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হিশাম বারাকাতকে হত্যার অভিযোগ আনা হয় এই ৯ তরুণের বিরুদ্ধে। সিসি সরকারের আজ্ঞাবহ এই অ্যাটর্নি জেনারেল ২০১৫ সালে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় এক গাড়িবহরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ হারান।

সিসির হীন আক্রোশের নির্মম শিকার নয় তরুণ হলেন— আহমাদ ত্বহা ওয়াহদান, আবুল কাসিম আহমাদ, আহমাদ জামাল হিজাযী, মাহমুদ আল-আহমাদী, আবু বকর আস-সাইয়্যেদ, আব্দুর রহমান সুলাইমান, আহমাদ মুহাম্মাদ আহমাদ মাহরুস সাইয়্যেদ ও ইসলাম মুহাম্মাদ।

এই নয়জন আরও সে সকল দশক সংখ্যার মধ্যে যুক্ত হলেন, সিসির পাঁচ বছরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ১ হাজার ৫৬ জনের মধ্যে যাদের রায় কার্যকর করা হয়েছে। তারা রাবেয়া ও তাহরির স্কয়ারে নৃশংস গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া শতশত অভিযুক্ত নিরীহ মিশরীর পক্ষে তাদের জীবনের যাত্রা বন্ধ করার চূড়ান্ত বিচারে ১৯ জন বিচারপতির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।





মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবার আগে তারা প্রত্যেকেই নিজের পরিবারের কাছে লিখেছেন নিজেদের অন্তিম অনুভূতির কথা। আল-জাজিরা সে চিঠিগুলো প্রকাশ করে, যা পড়ে হৃদয় ভিজে যেতে বাধ্য এবং প্রাণোদ্দীপক এসব চিঠি পড়ে কেঁদেছেন অসংখ্য মানুষ।

৯ তরুণের একজন আহমদ ত্বহা ওয়াহদান। তিনি মুসলিম ব্রাদারহুডের গাইডেন্স ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ ত্বহা ওয়াহদানের ছেলে। তিনি মৃত্যুদণ্ডের আগ মুহূর্তে চিঠি লিখেছেন তার মেয়েকে উদ্দেশ্য করে।

তিনি লিখেছেন, ‘আম্মুজান, তুমি আমার ভালোবাসা, আমার কলিজার টুকরো। কখনো ভেব না যে, তোমার বাবা অপরাধ করেছেন। তোমার বাবা তোমার নিরাপত্তা চেয়েছেন। কেয়ার করে এমন রাষ্ট্র তৈরি করতে চেয়েছেন। বড় কারাগারে থাকেন, এটা চাননি। আমাকে তুমি ক্ষমা করে দিও মা।

পৃথিবী থেকে বিদায়ের আগে একবারের জন্যও তোমাকে বুকের মাঝখানটায় চেপে ধরতে পারলাম না। তোমার কোমল পবিত্র কপালে চুমু খেতে পারলাম না। তবে, জান্নাতের দরজায় সাক্ষাতের অপেক্ষায় থাকব, মামণি। সেখানে কোনো বিদায় ও বিচ্ছিন্নতা নেই। আম্মুজান, আমার ভালোবাসা সব সময় তোমার সঙ্গে থাকবে।’





অ্যাটর্নি জেনারেল হিশাম বারাকাত নিহত হওয়ার পর যখন ত্বহা বন্দি হন, তার স্ত্রী ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা। তিনি কারান্তরীণ হবার এক মাস পর স্ত্রী একটি ফুটফুটে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। কন্যার সঙ্গে এই ক’বছরে তার দেখা হয়েছে সাকুল্যে দু’বার। একবার কোর্টে বিচার চলাকালীন কন্যার মা কন্যাকে উঁচু করে দেখান। তিনি তখন কাঠগড়ায়।

আরেকবার কোর্টেই, মেয়ের যখন দাঁত গজাচ্ছে, স্ত্রী মেয়েকে দেখিয়ে ইশারায় বোঝান, মেয়ের দাঁত গজাচ্ছে।

আহমদ ত্বহা আনন্দিত হয়ে জেলের শিকের ভেতর থেকে হাত দিয়ে লাভ বানিয়ে দেখান। বন্দি থেকেও কী নিদারুণ আনন্দ তখন ঝরে পড়ছিল তার চেহারা থেকে, সাংবাদিকদের তোলা সেই ছবি দেখলেই বোঝা যায়।

৯ তরুণের প্রতিটা চিঠিই এমন হৃদয়বিদারক। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান সিসিকে অমানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন।





শনিবার সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘সিসির মতো অমানুষের সঙ্গে তিনি কখনোই আলোচনায় বসবেন না।’

ব্রাদারহুডের এই তরুণদের হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এরদোগান আরও বলেন, ‘মিশর সরকার-প্রধান হয়তো বলতে চাইবে আদালত তাদের (৯ তরুণ) সাজা দিয়েছে। কিন্তু, দেশটিতে আদালত, বিচারবিভাগ ও নির্বাচন সব অর্থহীন। একজনের হুকুমে চলে। দেশটিতে একনায়কতন্ত্র ও সর্বাত্মকবাদ চলছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। সেই সঙ্গে মুসলিম ব্রাদারহুডের সব রাজবন্দির মুক্তির দাবি জানাই।’

ঘাটাইলে সন্ত্রাসী কায়দায় তিন ছাত্রকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগে মামলা

কৌশলে ডেকে নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় নবম শ্রেণীর তিন ছাত্রকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করার অভিযোগে থানায় মামলা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পৌরসভার পশ্চিম পাড়া এলাকার ঝলক ইট ভাটায়।

জখম প্রাপ্তরা হচ্ছে- চান্দশী গ্রামের শহিদুল ইসলাম খানের ছেলে নাফিউল হাসান (১৪),ঘাটাইল পৌরসভার পশ্চিম পাড়ার শামছুল হুদা চৌধুরীর ছেলে জামাল (১৫), পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত মোতালেব হোসেনের ছেলে পিয়াস (১৪)। এদেরকে প্রথমে ঘাটাইল থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মামালার বিবরণে জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারী বিকেলে নাফিউল হাসান ও তার দুই বন্ধুকে পৌরসভা ফতের পাড়া ব্রীজপাড় থেকে ডেকে ঝলক ইটভাটায় নিযে যায়। ভাটার অফিস কক্ষে আটকিয়ে তিন বন্ধুকে বেধরক পিটানো হয়।

এ ঘটনায় নাফিউল হাসানে বাবা শহিদুল ইসলাম খান বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ ও আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে গত ২১ ফেব্রুয়ারী ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হচ্ছে- দক্ষিণপাড়া গ্রামের আঃ সালেমের ছেলে মো.আতিক (২৪),সাবেক মেয়র আঃ রশিদ মিয়ার ছেলে মো.রফিক মিয়া, তার ছেলে আদিব হোসেন (১৯) এবং ফুলহারা গ্রামের নজরুল। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক মো.শাহিন মিয়া বলেন, মামলাটি তদন্তধীন আছে। আমাসী ধরার চেষ্টা অব্যাহত আছে।


পুত্রবধূ সিমলাকে কি বলেছিল নিহত পলাশের বাবা?

ঘটনাটি ২০১৮ সালের। গেল বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে প্রেমিকার পরিচয়ে চিত্রনায়িকা সিমলাকে প্রথম নিজের বাড়িতে নিয়ে বাবা মায়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় চট্টগ্রামে নিহত পলাশ আহমেদ। এরপর দুই মাস বাদেই ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে আবারো সিমলাকে বাড়িতে নিয়ে যায় পলাশ। নিজের বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যদের জানায়, তারা (পলাশ ও সিমলা) বিয়ে করেছেন। সিমলা নিজেও বিয়ের কথা স্বীকার করেছিলেন পলাশের বাবার কাছে।

সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরিজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টার পর নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে নিহত পলাশ আহমেদের বাড়িতে তার বাবা পিয়ার জাহানের সাথে কথা হয়।

এসময় নিহত পলাশের বাবা পিয়ার জাহান জানান,‘২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সিমলা নামে এক মেয়েকে রাতের বেলা বাড়িতে নিয়ে আসে পলাশ। মেয়েটিকে চিত্রনায়িকা ও তার প্রেমিকা বলে আমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। দুই মাস পর এপ্রিল মাসে আবার সিমলাকে বাড়িতে নিয়ে এসে বিবাহিত স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয় পলাশ। বিয়ের কথা সিমলাও আমাদের কাছে স্বীকার করে। এরপর ওই রাতেই তারা আবার ঢাকায় চলে যায়।’

তিনি আরো বলেন, সে সময় আমরা পুত্রবধূ সিমলাকে পারিবারিক অনেক বিষয় বোঝানোর চেষ্টা করেছি। সিমলাকে বলেছি– আমার ছেলেকে যেন সে ভালো পথে ফিরিয়ে আনে। কারণ ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলেটি অবাধ্য ছিল। পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে বিদেশে থেকে আমার পাঠানো টাকা সে নানা পথে খরচ করেছে।

নিহত পলাশের বাবা পিয়ার জাহান জানান, সর্বশেষ ২০-২৫ দিন আগে বাড়িতে আসে পলাশ। বাড়িতে আসার পর তার আচরণে বিরাট পরিবর্তন দেখতে পাই। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া শুরু করে, মসজিদে গিয়ে আজানও দিয়েছে। সর্বশেষ শুক্রবার বাড়ি থেকে যাওয়ার আগে বলেছে, সে কাজের সন্ধানে দুবাই যাবে। রোববার চট্টগ্রামে বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় পলাশের মুত্যুর খবর ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিবার জানতে পারে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে সোনারগাঁও থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, বিমান ছিনতাই চেষ্টার ঘটনায় নিহতের ছবি রোববার রাত ১টার দিকে দুধঘাটা গ্রামের পিয়ার জাহানের বাড়িতে নিয়ে দেখালে তারা ওই ছবি পলাশের বলে নিশ্চিত করেন।

আরো পড়ুন : বিমান ছিনতাইকারী যুবকের বাড়ি নারায়ণগঞ্জে, নায়িকা শিমলার সাথে ছিল রহস্যময় সম্পর্ক
কামাল উদ্দিন সুমন, নারায়ণগঞ্জ

বিমান ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত নিহতের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে । তার নাম পলাশ আহমেদ । তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় দুধঘাটা। বাবার নাম পিয়ার জাহান। রোববার চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বিমান ছিনতাইয়ের নাটকীয় ঘটনার পর প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে সোমবার সকালে হাজির হয় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা । সকল তথ্য সংগ্রহ করতে এখনো কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দেশের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থার অনেকেই।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, এলাকার সোনারগাঁ উপজেলার দুধঘাটার অনেকের ভাষ্য জানা যায়, বাবার একমাত্র ছেলে পলাশ আহমেদ স্থানীয় তাহরপুর মাদরাসা থেকে ২০১১ সালে দাখিল পাশ করার পর মাদরাসার নিয়ম নীতি রহস্যজনক কারণে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে শর্ট ফিল্মের সাথে জড়িয়ে পড়ে । এ থেকেই অনেক শর্ট ফিল্ম করলেও সাফল্যের মুখ দেখেনটি পলাশ। প্রকৃত নাম পলাশ হলেও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে এলাকায় নায়ক নায়িকাদের নিয়ে বাড়ি আসতেন। এতে পরিবারে লোকজন পলাশ আহমেদের উপর প্রচণ্ডভাবে রাগান্বিত ছিল। গত শনিবার রাতে পলাশ নিজের মোবাল ফেলে বাড়ির সিমকার্ড ও মোবাইল নিয়ে দুবাই চলে যাচ্ছেন বলে বের হয়ে যান ।

সকালে পুলিশ প্রশাসনের অনেকেই বিমান ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত নিহত পলাশের বাড়ি উপস্থিত হলে টনক নড়ে দুধঘাটা এলাকার সকলেই ।

এলাকার রহিম মুন্সী নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, এই পলাশই বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন নামে পরিচয় দিতো। বাবা পিয়ার জাহান মুদি দোকানদার হলেও পলাশ নায়ক নায়িকাদের নিয়ে এলাকায় শো ডাউন করতো। তার চাল চলন ছিল রহস্যেঘেরা। নায়িকা শিমলার জন্য পরাশ ছিল পাগল। বাড়িতেও নায়িকা শিমলাকে বিয়ে করবে বলে জানাত। কিন্তু বাড়ির কেউ এ বিয়েতে রাজি ছিল না। নায়িকা শিমলা প্রায়ই সোনারগাঁয়ের দুধঘাটায় পরাশের বাড়িতে আসতো।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় পলাশ আহমেদের বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য দেয়া উচিৎ হবে না। ঢাকা থেকেই ব্রিফিং করা হবে।

স্বর্ণপদক পেলেন জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান ঘাটাইলের নজরুল ইসলাম

রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এলজিএসপি প্রকল্পে-৩ এর আওতায় ’এ’ গ্রেড ভূক্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে স্বর্ন পদক লাভ করেছেন।

গতকাল রবিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৫টায় ঢাকায় হোটেল ফার্স, বিজয়নগরে বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম (বিইউপিএফ) উদ্যোগে তাকে এই স্বর্ণপদক সন্মাননা প্রধান করা হয়।

বাংলাদেশে অগ্রযাত্রায় ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা ও এলজিএসপিতে “এ”গ্রেড ভূক্ত সকল চেয়ারম্যানদেরকে (স্বর্ণপদক) সম্মাননা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম সভাপতি মাহাবুবুর রহমান টুলু।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গনশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন।

বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরামের সভাপতি মাহবুবুর রহমান টুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী ছিলেন মোঃ আছলাম হোসেন সওদাগর এমপি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাবান মাহমুদ।

ঘাটাইলে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান "আমি হতে চাই" অনুষ্ঠিত

শিশু সমাজের অংকার ফুলের মত তাদের সৌর্ন্দয্য। তারাই হবে জাতীর ভবিষ্যত কর্ণধার । তাদের কে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে । এ দায়িত্ব সমাজের সকলের।

শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিশুদের আগাম ভবিষ্যত “আমি হতে চাই” একটি ব্যতিক্রম অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গুড নেইবারস বাংলাদেশ ঘাটাইল সিডিপির আয়োজনে সোমবার সকালে বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। শিশুরা সুশিা অর্জন করে আগামী দিনে কে কি কাজ করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করবে এমন সব বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। সমাজে ডাক্তার, বিচারক, শিক, ব্যবসায়ী, রাজনীতি, ইঞ্জিনিয়ার সহ বিভিন্ন কর্মেল বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

প্রজেক্ট ম্যানেজার মো: জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, এডমিন অফিসার অজয় কুমার দে,প্রোগ্রাম অফিসার বিপ্লব কুমার প্রমুখসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা, অভিভাবকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।