শুক্রবার, আগস্ট ৩১, ২০১৮

গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, চাচা শ্বশুরকে মারধর

এক গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলার জের ধরেই বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) সকালে ওই গৃহবধূর চাচা শ্বশুরকে মারধর করা হয়েছে। পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র বলেন, ‘ওই গৃহবধূর চাচাকে মারধর করার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যার তদন্তের দায়িত্ব চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে দেওয়া হয়েছে।’

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, বাদী গৃহবধূর স্বামী সাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। অনেক সময় মাছ ধরা শেষে গভীর রাতে বাড়ি ফেরেন। এ সুযোগে আসামি জামাল প্যাদা বিভিন্ন সময় গৃহবধূকে কু-প্রস্তাব দেয়। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূর ওপর ক্ষিপ্ত হয়। গত সোমবার রাতে গৃহবধূর স্বামীর অনুপস্থিতিতে আসামি ঘরে অনাধিকার প্রবেশ করে। এক পর্যায় গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। পরে ডাক-চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন আসামিকে আটকে ফেলে। কিন্তু আসামির বাবা প্রভাবশালী ইউপি সদস্য হওয়ায় তাকে ছেড়ে দিতে হয়।

এদিকে এ ঘটনায় মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ইউপি সদস্যের লোকজন ওই গৃহবধূর চাচা শ্বশুরকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় আজ দুপুরে রাঙ্গাবালী থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন, জলিল প্যদা (৩৫), নান্নান প্যাদা (৩৫), আবু ছালে প্যাদা (২৫), জসিম প্যাদা (২৫) ও ফারুক প্যাদা (৪০)। তাদের সকলের বাড়ি চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামে। তারা কেউ ইউপি সদস্যের ছেলে, কেউ তার ভাইয়ের ছেলে।

মারধরের শিকার আহত চাচা শ্বশুর বলেন, ‘ইউপি সদস্যের ছেলে জামাল প্যাদার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা করার পরে আতঙ্কে আছি। পরিবারের যারা বাড়িতে আছে, তারা বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না। আর যারা বাড়ির বাহিরে, তারা বাড়িতে যেতে পারছে না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম প্যাদা বলেন, ‘আমার ছেলের বিরুদ্ধে একজনে মামলা করতেই পারে। আমি লঞ্চে আছি, পরে কথা বলব।’

জানা গেছে, এ ঘটনার পর গত বুধবার ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম প্যাদার ছেলে জামাল প্যাদার (৩১) বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

৪ ডিজিটের শর্টকোড বন্ধ আজ থেকে

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ৪ ডিজিটের শর্টকোড। এখন থেকে টেলিসেবা দিতে ৫ ডিজিটের শর্টকোড ব্যবহার করতে হবে।

তবে ৫ ডিজিটের শর্টকোড চালু করতে আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় চেয়েছে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশেন (বিএমপিআইএ)। গত ২০ আগস্ট বিটিআরসি চেয়ারম্যান বরাবর এ বিষয়ে লিখিত অনুরোধ জানান সংগঠনটির জেনারেল ম্যানেজার মনিরুল বাশার।

চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল নাম্বারিং প্ল্যান ২০১৭ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ৪ ও ৫ ডিজিটের শর্টকোড ব্যবহৃত হচ্ছে। টেলিকম অপারেটররা ৫ ডিজিটের শর্টকোড চালু করতে ইতোমধ্যেই কারগরি সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এই ডিজিট উন্নয়ন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে হলে আরও সময় প্রয়োজন। এ জন্য আগামী ৩১ মার্চের আগ পর্যন্ত মোবাইল ইম্পোর্টার্সদের জন্য বরাদ্দকৃত ৫৯৫৯ শর্টকোর্ডটি চালু না রাখলে একদিকে আমদানিকারকরা যেমন মোবাইল ফোন সচল হওয়া সংক্রান্ত তথ্য পাবেন না, তেমনি গ্রাহকের বিক্রয়োত্তর সেবা প্রাপ্তিতেও জটিলতা সৃষ্টি হবে।

কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে শর্টকোড ৫ ডিজিটে রূপান্তর কেবল ডেটাবেজ ও পোর্ট হালনাগাদ করণের ওপরই নির্ভর করছে না জানিয়ে মনিরুল বাশার বলেন, মোবাইল ফোনের ভেতরেই ৫৯৫৯ শর্টকোর্ডটি সংরক্ষিত থাকে। তাই ইতোমধ্যেই যেসব ফোন আমদানি করা হয়েছে তার কোড পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এগুলো বিক্রি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৪ ডিজিটের এই শর্টকোড চালু না রাখার কোনো বিকল্প নেই।

প্রসঙ্গত, ফোন কল সেবার সংক্ষিপ্ত হলো শর্টকোড। লম্বা সিরিয়ালের নম্বরে ফোন না করে সংক্ষিপ্ত একটি নম্বরে কল করা যায় নিমিষেই। ছোট সংখ্যার নম্বর বলে এটি মনে রাখাও সহজ। দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জরুরি বিভাগ এই সেবাগুলো দিচ্ছে। তবে এসব নম্বর ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করার সুযোগ নেই।

বিশ্বব্যাপী তিন ধরনের শর্টকোডের প্রচলন রয়েছে- গোল্ডেন শর্টকোড, ডেডিকেটেড শর্টকোড ও শেয়ারড শর্টকোড। নিয়ম মাফিক আইএসপি-টিএসপি (ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান) এবং পিএসটিএন (ফিক্সড ফোন) অপারেটররাই দেশে একমাত্র শর্টকোড পার্ক করে থাকে।

বিটিআরসি দুই ধরনের সেবার জন্য শর্টকোড দিয়ে থাকে। একটি হলো ব্যবসায়িক আর দ্বিতীয়টি হলো অব্যবসায়িক। বিটিআরসির নির্দিষ্ট ফি ও নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে শর্টকোড বরাদ্দ নেওয়া যায়।

ক্যাটাগরি এ-ব্যবসায়িক শর্টকোডের বরাদ্দ ফি এক লাখ এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকিং সেক্টরগুলো সাধারণত এই সেবা নিয়ে থাকে। ক্যাটাগরি বি হলো অব্যবসায়িক শর্টকোড। এর বরাদ্দ ফি ৫০ হাজার এবং নবায়ন ফি ২৫ হাজার টাকা। ই-হেলথ, ই-এডুকেশন, ই-গভর্নেন্স এ জাতীয় সেবাগুলো এই ক্যটাগরির আওতায় দিয়ে থাক।

বিটিআরসি আগে ৩ বা ৪ ডিজিটের শর্টকোড বরাদ্দ দিলেও বর্তমানে ৫ ডিজিটের নম্বর বরাদ্দ দিয়ে থাকে। ৩, ৪ বা ৫ ডিজিটের নিজস্ব শর্টকোড রয়েছে মোবাইল অপারেটরদের। মূলত নিজেদের সেবা দেয়ার জন্যই তারা নিজস্ব শটকোড ব্যবহার করে থাক। একজন মোবইল অপারেটরের শর্টকোড অন্য মোবাইল অপারেটর ব্যবহার করতে পারে না।

মোবাইল অপারেটররা নানা ধরনের ভ্যালু অ্যাডেড (ওয়েলকাম টিউন, কলার টিউন ইত্যাদি) সেবা প্রদান করতে নিজস্ব শর্টকোড ব্যবহার করে থাকে। এই শটকোডের মাধ্যমে তারা নানারকম রেজিস্ট্রেশন, ভোটিং, পোলিং, কুইজ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। এগুলোর মাধ্যমে পরীক্ষার আসন বিন্যাস, ফলাফল প্রকাশসহ অনেক কিছুই জানানো যায়।

তবে বিটিআরসি থেকে শর্টকোড বরাদ্দ নিলেই কিন্তু তা ব্যবহার করা বা সেবা দেয়া যায় না। দেশের যেকোনও জায়গায় সেবা দিতে সক্ষম আইপিটিএসপি বা পিএসটিএন অপারেটরের কাছ থেকে সেবা নিতে হয় যাদের উন্নত ও পরিষ্কার ভয়েস কল থাকতে হবে এবং কলড্রপের হার হবে শূন্য।

বর্ষসেরা ফুটবলার লুকা মদ্রিচ

পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং মিশরের তারকা ফুটবলার মোহাম্মদ সালাহকে পেছনে ফেলে উয়েফা বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হলেন ক্রোয়েশিয়ার তারকা ফুটবলার লুকা মদ্রিচ। বৃহস্পতিবার মোনাকোয় বর্ষসেরা ফুটবলারের নাম ঘোষণা করা হয়।


রিয়ালের টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ে পেছনে বড় অবদান ছিল মদ্রিচের। মাদ্রিদের ক্লাবটির হয়ে গত মৌসুমে উয়েফা সুপার কাপ, স্প্যানিশ সুপার কাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপাও জিতেন তিনি।

সদ্য শেষ হওয়া রাশিয়া বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে ফাইনালে তুলতে বড় অবদান রেখেছিলেন মদ্রিচ। সে কারণে জিতেছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’।

বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। তাকে সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। অথচ বর্তমান সময়ের এ তারকা ফুটবলারের নামই ছিল না উয়েফার বর্ষসেরার তালিকায়।

উয়েফার বর্ষসেরা পুরস্কার সর্বোচ্চ তিনচার জিতেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দুইবার উয়েফার বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি।

পুরস্কার ঘোষণার আগে উয়েফার পক্ষ থেকে বর্ষসেরা পুরস্কারের জন্য ১০ জনের একটা প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই তালিকায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, লুকা মদ্রিচ, মুহাম্মদ সালাহ, কেভিন ডি ব্রইন, আঁতোয়া গ্রিজম্যান, কিলিয়ান এমবাপ্পে, এডেন হ্যাজার্ডের নাম থাকলেও ছিল না মেসির নাম।

নাব্য সংকট কাটছে না ড্রেজিং করেও

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে দিনে সীমিত চলাচল করলেও রাতে ফেরি চলাচল থাকছে বন্ধ। নাব্য সংকটের কারণে গত তিন মাস ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ নৌরুটে ফেরি সার্ভিস সচল রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষের। তার মধ্যে দিনে সীমিত চলাচল করলেও প্রায় সময়ই নাব্য সংকটে নৌ-চ্যানেলে ফেরিগুলো আটকে যাচ্ছে নদীর তলদেশে। কখনও বন্ধ রাখা ও কখনও চালু করার ঘটনায় দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের মাধ্যম শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ফেরি সার্ভিস বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। 

এদিকে গত তিন মাস ধরে নাব্য সংকট নিরসনে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ একাধিক ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং কাজ করলেও কোনো উপকারই হচ্ছে না। তাই ড্রেজিং কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ড্রেজিং করে পলি মাটি দূরে না ফেলে তা পাশেই ফেলে দেওয়ায় ঘূর্ণায়মান স্রোতে পলি মাটি আবারও জড়ো হয়ে নাব্য সংকট রয়েই যাচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পদ্মায় মাত্রাতিরিক্ত পলি জমেছে। জরিপ করে দেখা গেছে, নাব্য সংকট নিরসনে নৌরুটে ৩২ লাখ ঘনমিটার পলিমাটি অপসারণ করতে হবে। সে হিসাবে এখন পর্যন্ত পলি অপসারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ঘনমিটার। আরও ২৪ লাখ ঘনমিটার পলি অপসারণ করতে হবে বলে জানা গেছে।

শিমুলিয়া ঘাট সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে বিভিন্ন জেলার মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করলেও প্রতিবন্ধকতার কবলে পড়েন শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে। শনিবার রাতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হলে রোববার ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শত শত যাত্রী নৌরুট পাড়ি দিতে না পেরে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে আটকা পড়ে। সকালে ফেরি চালুর পর এসব যাত্রী ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোটে পদ্মা পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে রওনা হয়ে যায়। সাড়ে ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রোববার সকালে সীমিত আকারের ফেরি চালুর পর লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে আটকে যায় ফেরি কিশোরী। পরে আড়াই ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফেরিতে থাকা শত শত যাত্রী দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। ঘাট সূত্র জানায়, দিনে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করলেও রাত ৮টার পর আবারও ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়। সাড়ে ১১ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল ৭টায় আবারও সীমিত আকারে ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়। গতকাল মঙ্গলবারও দিনের বেলায় ফেরি সার্ভিস সীমিত আকারে সচল করা হয়।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া কার্যালয়ের এজিএম খন্দকার শাহ খালেদ নেওয়াজ জানান, নাব্য সংকট ও ডুবোচর থাকায় নৌ-দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি সার্ভিস রাতে বন্ধ রাখতে হচ্ছে। 

বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তা জসিমউদ্দিন জানান, লৌহজং টার্নিং চ্যানেলের মুখে বারবার পলি জমে নাব্য সংকট দেখা দেওয়ায় ফেরি চলাচল করতে পারছে না। বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজারগুলো পলি কেটে তা ফেলে দিচ্ছে ড্রেজিং স্থানের আশপাশেই। ফলে কোন উপকারই হচ্ছে না। 

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (ডেজিং) এএসএম আরেফিন জানান, লৌহজং টার্নিং চ্যানেলের মুখেই ড্রেজিং করা হচ্ছে। ড্রেজিংকৃত স্থান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কি করা হলে ফেরি চলাচল সচল করা যায়। 

বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের অতিরিক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান জানান, নৌরুটে যে পরিমাণ পলিমাটি জমেছে, সে হিসাব অনুযায়ী ৩২ লাখ ঘনমিটার পলি অপসারণ করতে হবে। গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হওয়া ড্রেজিং কার্যক্রমে এ পর্যন্ত পলি অপসারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ঘনমিটারের বেশি। আরও ২৪ লাখ ঘনমিটার পলি অপসারণ করতে হবে।