মঙ্গলবার, জুলাই ০৯, ২০১৯

অদম্য এক নারী, অনুপ্রেরণার বাতিঘর !

নাজমুন নাহার।প্রায় দুই দশক ধরে কর্মজীবনে।পরিবারের চাপে প্রথমে পোশাক শ্রমিক দিয়ে শুরু।এরপর কখনো দেশি আবার কখনো আন্তর্জাতিক সংগঠনের ডে লেবার, হেল্পার, কন্ট্রাক্টর, সুপারভাইজার আবার কখনো ড্রাইভার হিসেবে। দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। এভাবেই কেটেছে ১৯টা বছর।

মাঝখানে কিছু বুঝে উঠার আগেই এলাকার এক দিনমুজুর ছেলের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্কুলের গন্ডি পেরুতে ২০০৩ ও ২০০৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার আসরে অংশ নেয়ার চেষ্টা ছিল আপ্রাণ। কিন্তু কর্মজীবনের চাপে সেটাও সম্ভব হয়ে উঠেনি। দু’বারই পরীক্ষার ঠিক আগ মুহুর্তে এসে পেশার চাপে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় এসে পরীক্ষা দেয়া হয়নি। তাতেও দমে যাওয়ার মেয়ে নন রেশমা। এরই মধ্যে পেটে সন্তান আসে।পরিবার ও স্বামীর পক্ষ থেকে অনেক বাধা-বিপত্তি আসতে থাকে এসব দৌড়া-দৌড়ি আর পুরুষদের পেশা ছেড়ে মেয়ের মতো চলাফেরার জন্য। কিন্তু তাতেও রেশমা থামেনি। শেষ পর্যন্ত সন্তান সম্ভবা মেয়েকে রেখে স্বামী আলাদা হয়ে যান। নিজ পরিবারও অনেকটা সেরকমই। সে বারেও দমে যাননি তিনি। চলতে থাকে কেয়ার বাংলাদেশ, অক্সফামসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি এনজিও ও দাতব্য সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে। জীবনের প্রতিটি ঘাত-প্রতিঘাত থেকে শিখতে থাকেন অনেক কিছু আর চলতে থাকেন সামনের দিকে। 

পাশের কলিগ কিংবা বান্ধবী যখন মাসের শেষে জমানো বাড়তি টাকা দিয়ে দামি গহনা, পোশাক, ফার্ণিচার কিংবা মোবাইল কিনেছেন, কিংবা অবসর সময়ে ফেসবুক-টুইটার নামক সোস্যাল মিডিয়ার মোহে পড়ে জীবনকে নষ্ট করছেন,  অপরাজিতা এই নারী তখন সেই টাকা ও মূল্যবান সময় দিয়ে কখনো কম্পিউটার কোর্স, বৃটিশ কাউন্সিলে ইংলিশ কোর্স কিংবা ড্রাইভিং কোর্স করেছেন। আর সমাজে নারীদের শুধু অবলা বলে যারা বিভিন্ন ধরণের টিটকারী করেছেন চলাফেরার প্রতিটি মুহুর্তে তাদের দেখিয়ে দিতে চেয়েছেন যে মেয়েরাও পারে। মেয়েদের আলাদাভাবে দেখার কোন সুযোগ নেই। হে সমাজ ব্যবস্থা তোমার দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলাতে হবে।

বয়স এখন ৩৫। মেয়ের বয়স ৯। মেয়ে গুলশানের অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়ে। মা আর একমাত্র মেয়েরে সাথে বাসা নিয়ে গুলশানে থাকেন। কিন্তু সেখানে সপ্তাহ বা মাসের বেশির ভাগ সময়ই থাকা হয় না। কারণ পেশার কারণে থাকতে হয় কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায়। ড্রাইভার থেকে পদন্নোতি পেয়ে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম এর   গাড়ি রক্ষাণা্বেক্ষন (ভেহিকল) শাখার সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। মাস শেষে যা পান তাও প্রায় ৬০,০০০/- (ষাট) হাজারের কাছাকাছি।

পেশাজীবনে অনেক অভিজ্ঞতা ও ট্রেনিং কোর্স সমপন্ন করলেও সব সময়ই নাজমুন নাহারের মনে হয়েছে এতোকিছুর পরেও তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাটাও জরুরি। তাই চলতি বছর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শেষবারের মতো এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতকার্য হওয়ার পর আজ এসেছিলেন আমাদের সাইক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। অটোমোবাইলে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা করবেন। জীবনের স্বপ্ন সামনে আরও অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার।সেই স্বপ্নকে সফল করতে আজ ভর্তি হলেন ডিপ্লোমা ইন-অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ। কথা হয় তখনই। জানার চেষ্টা করেছি তার জীবনের সংগ্রামের আদ্যপ্রান্ত সম্পর্কে। বললেনও খুব স্বত:স্ফুতর্তার সঙ্গে(কথা বলেছেন বেশি ইংলিশে, কারন বাংলা একটু কম বলতে পারেন)। পেলাম শিক্ষক হয়েও ছাত্রীর কাছ থেকে অনেক অনুপ্রেরণা। জীবনে অনেক কিছু শেখার আর জানার আছে এসব উদ্যোমী অপরাজিতাদের কাছ থেকে। 

এগিয়ে যান নাজমুন নাহার। আপনাকে অনুসরণ করেই পাল্টাবে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা, ভঙ্গুর সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি। খুলে যাবে অনেক শিক্ষিত-বেকার যুবক-যুবতীদের চোখ। আপনিই পারবেন সমাজটাকে পাল্টাতে।

খাদেম হানিফের ‘খুনি’ আরেক খাদেম

আজিমপুর কবরস্থান জামে মসজিদের খাদেম হানিফ শেখ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা মেট্রো।

পিবিআই বলছে, ওই মসজিদের প্রধান খাদেম হিসেবে কর্মরত ছিলেন সাইফুল ইসলাম (৩৮)। তবে তার কাজে অসন্তুষ্ট মসজিদ কর্তৃপক্ষ গত মে মাসে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। এরপর প্রধান খাদেম হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় হানিফ শেখকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই খুন হন হানিফ।

মঙ্গলবার  রাজধানীর ধানমন্ডি পিবিআই প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান বনজ কুমার মজুমদার জানান, পদ হারিয়ে সাইফুলকে ক্ষুব্ধ হন। সহকারী খাদেম হয়েও সে প্রধান খাদেমকে বিভিন্ন কাজের নির্দেশনা দিতে থাকেন। এ নিয়ে সাইফুলের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগও করেন হানিফ। এসব বিষয়ের পাশাপাশি হারানো পদ ফিরে পেতে হানিফকে খুন করেন সাইফুল।

সোমবার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই ঢাকা মেট্রো। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের দায়ও স্বীকার করেছেন তিনি।

বনজ কুমার বলেন, ‘আজিমপুর গোরস্থান মেয়র হানিফ জামে মসজিদটি গত বছরের ৪ নভেম্বর উদ্বোধনের পর সাইফুল খাদেম হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু তিনি সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন না করায় কর্তৃপক্ষ গত রমজানের আগে হানিফকে খাদেম হিসেবে নিয়োগ দেয়।’

‘‘হানিফ তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাইফুলকে বিভিন্ন কাজের জন্য নির্দেশ দিতেন এবং সাইফুলের দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে বলতেন। এই বিষয় নিয়ে সাইফুলের সঙ্গে হানিফের মনোমালিন্য দেখা দেয়। এর জের ধরে এবং নিজের পদ ফিরে পেতে হানিফকে খুনের পরিকল্পনা করেন সাইফুল।’’

পিবিআই প্রধান বলেন, ‘গত ২ জুলাই কাজ করতে বলায় সাইফুল তাতে অস্বীকৃতি জানায় এবং এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটিও হয়। বিকেল চারটার দিকে হানিফ খাবার শেষ করে ফ্লোরে ঘুমিয়ে পড়েন। ওই সময়ে রুমে কেউ ছিলেন না। এই সুযোগে সাইফুল রান্নঘর থেকে একটি চাকু এনে ঘুমন্ত হানিফের পেটে আঘাত করে।’

পিবিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন
‘‘হানিফের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর সাইফুল বাইরে থেকে প্লাটিকের বস্তা ও পলিথিন নিয়ে আসেন এবং মৃতদেহ বস্তায় ঢুকিয়ে ব্যালকনিতে একটি বাঁশের ঝুড়িতে রেখে দেন। এ অবস্থায় রাত ৯টার দিকে সুস্থ মস্তিষ্কে সে বাইরে খাওয়া-দাওয়া করে রুমে ফেরত আসে। রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে হানিফের মরদেহ বাইরে একটি ভাঙ্গা কবরস্থানে রেখে আসবে বলে পরিকল্পনা করে। কিন্তু অন্যরা জেগে থাকায় রাত সাড়ে ১১ টার দিকে সিদ্ধান্ত বদল করেন খুনি সাইফুল। তার বাবা মারা গেছে বলে মসজিদ থেকে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে বেরিয়ে যান।’’

ঘটনার পরদিন রাতে মসজিদ পরিচ্ছনতার কাজে নিয়োজিত বাহাউদ্দিন ও নতুন খাদেম ফরিদ নিহত খাদেম হানিফের কক্ষে ঘুমাতে যায়। কিন্তু দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে তারা বস্তা খুলে খাদেম হানিফের লাশ দেখতে পান।

পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

মুক্তি পেয়েই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রানা

প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে জামিনে মুক্ত হয়েছেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে দুই দফায় নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা।মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আমানুর রহমান খান রানা ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেয়ার জন্য সরাসরি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর ১২টা তিনি ধানমন্ডিতে পৌঁছান তিনি। দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তর্বক অর্পন করেন। । এ সময় তার সাথে বিপুল সংখ্যাক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ধানমন্ডি থেকে সাবেক সাংসদ রানা  তার পিতা ঘাটাইলের বতমান সাংসদ আতোয়ার রহমানের ন্যাম ভবনস্থ ফ্যাটে অবস্থান করেবেন। শাররিক অসুস্থতার কারনে তিনি বেশ কিছু দিন ঢাকায় অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে তার মুক্তির সময় টাঙ্গাইল কারাগার গেটে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। পুলিশ ও কারারক্ষীরা কারাগারের আশপাশে কাউকে ভিড় করতে দেয়নি। তবে সকাল থেকেই রানার কর্মী ও সমর্থকরা কারাগার গেটে ভিড় জমায়। এ সময় কারারক্ষী ও পুলিশ তাদের দূরে সরিয়ে দেয়।

ঘাটাইলে চিমনি ছাড়া এসিডের ব্যবহার

নজরুল ইসলাম, ঘাটাইল: সোনা গলাতে পোড়ানো হয় নাইট্রিক এসিড। আর গয়নার সৌন্দর্য বাড়াতে ব্যবহার করা হয় সালফিউরিক এসিড। এই এসিড পোড়াতে চিমনি ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে, যা টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সোনার অলংকার ব্যবসায়ীরা মানে না। এটা ২০০২ সালের এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘাটাইল পৌর এলাকাসহ পুরো উপজেলায় রয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের প্রায় শতাধিক সোনার দোকান। এসব দোকানের পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমতি নেই। দোকানগুলোতে সোনা পোড়ানোর কাজে অবাধে এসিড ব্যবহৃত হলেও দেখার কেউ নেই। যত্রতত্র এসিড দিয়ে সোনা গলানোর কারণে আশপাশের লোকজন স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।

সোনার দোকানে এসিড ব্যবহারের নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে, এসিড পোড়ানোর জন্য আলাদা কক্ষ ও চিমনি ব্যবহার করতে হবে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের প্রায় ৮০টি দোকানে তা দেখা যায়নি। এর ফলে উন্মুক্ত স্থানে নাইট্রিক এসিড পোড়ানোর কারণে তা জনসাধারণের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবাধে নাইট্রিক এসিড ও সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করায় বিষাক্ত ধোঁয়ায় সাধারণ মানুষ শ্বাসকষ্ট, হাঁপানিসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইফুর রহমান খান বলেন, ‘নাইট্রিক অ্যাসিডে নাইট্রোজেন-ডাই অক্সাইড আছে, যা মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। সালফিউরিক এসিডেও প্রায় একই রকম ক্ষতি হয়। এর ফলে মানুষের শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগ ছাড়াও হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা হতে পারে।’

ঘাটাইল পৌর স্বর্ণকার সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিপুল চন্দ এসিড পোড়ানোর ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘পৌর এলাকায় এসিড দিয়ে সোনা পোড়ানোর জন্য তিনটি কারখানা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত কারখানাতেই সোনা পোড়ায়। কারখানাগুলোতে লম্বা পাইপ দিয়ে ধোঁয়া বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে পরিবেশের ক্ষতি না হয়।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোছা. নুর নাহার বেগম বলেন, ‘নীতিমালা মেনেই স্বর্ণকারদের ব্যবসা করতে হবে। নীতিমালা ভঙ্গ করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসিড নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ নম্বর ধারায় এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন তিন বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর জেলসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।’

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক এমপি রানা

জামিনে মুক্তি পেয়েছেন টাঙ্গাইলের আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা।

দুটি হত্যা মামলায় প্রায় তিন বছর আটক থাকার পর আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে তিনি কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেলার আবুল বাশার।

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন গত ১ এপ্রিল আপিল বিভাগেও বহাল থাকে। কিন্তু টাঙ্গাইলের যুবলীগের দুই নেতা হত্যার মামলায় জামিন না হওয়ায় তার মুক্তি মিলছিল না।

ওই মামলাতেও টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন সোমবার বহাল রেখে আদেশ দেয় আপিল বিভাগ। সেই জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছানোর পর মুক্তি মিললো আলোচিত এই আসামির।

মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় দীর্ঘ ২২ মাস পলাতক থাকার পর গত ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন সাবেক এমপি রানা। তবে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।