রবিবার, এপ্রিল ৩০, ২০১৭

ঘাটাইলে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাজস্ব তহবিলের টাকা আতœসাতের অভিযোগ

খান ফজলুর রহমান ,ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে রাজস্ব তহবিলের ৭০ হাজার টাকা আতœসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ পুকুরের মাছ বিক্রির জন্য ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি মাছ বিক্রয় কমিটি গঠন করা হয়। বিক্রয় কমিটি সর্বোচ্চ দর দাতা স্থানীয় মৎস্য অফিসে অফিস সহায়ক ফজলুল হকের কাছে ৮০ হাজার টাকায় মাছ বিক্রি করে। মাছ কিনে নেওয়ার পর কিছুটা লোকসান গুনতে হয় তাকে। এ নিয়ে কিছু টাকা মওকুফের জন্য আবেদন করলে বিক্রয় কমিটি তাকে ১০ হাজার টাকা মওকুফ করে। এ ব্যাপারে মাছ ক্রেতা ফজলুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ৭০ হাজার টাকা বিক্রয় কমিটির কাছে জমা দেয়। পরে বিক্রয় কমিটির আহবায়ক আরিফ হোসেন উক্ত টাকা উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের কাছে দেন। কিন্তু তিনি ওই টাকা গত ২ বছরেও রাজস্ব তহবিলে জমা না দিয়ে আতœসাৎ করেন। জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন এ টাকা আমার কাছে দেওয়া হয়নি এ টাকা ভাইস চেয়ারম্যানের কাছে রয়েছে। তিনি আরও বলেন এগুলো রাজস্ব তহবিলে জমা দেওয়ার কথা। যদি না দিয়ে থাকে এজন্য সে নিজেই দায়ী। এ নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি জানান এ টাকা উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের কাছে রাখা হয়েছে। তাকেই রাজস্ব তহবিলে জমা দেওয়ার কথা ছিল। হয়তো এ টাকা তিনি জমা না দিয়ে তার নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন।

ঘাটাইল সাগরদিঘীর রাস্তা যেন মরণ ফাঁদ, দেখার কেউ নেই

খাদেমুল মামুন, ঘাটাইল প্রতিনিধি:
  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার প্রধান সড়ক উপজেলা শহর থেকে শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসের পাশ দিয়ে সাগরদিঘী হয়ে গুপ্তবৃন্দাবন পর্যন্ত রাস্তাটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঘাটাইল শহর থেকে গুপ্তবৃন্দাবন পর্যন্ত ৩০ কিঃ মিঃ এ রাস্তাটি  খানাখন্দে ভরা এবং চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনোপযোগী।
আজ মঙ্গলবার সকালে সাগরদিঘী ভালুকা বাসষ্টেশনের সামনে বাস, ট্রাক এবং সিএনজি চালকদের ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেতে হয়। চালকরা জানায়, গত কয়েক দিনের বৃষ্টির জন্য এই রাস্তাটি এখন খালে পরিণত হয়েছে। ট্রাক ড্রাইভার তাহের মিয়া বলেন, আমার ট্রাকে কাঁচামাল নিয়েছি ঢাকা যাব কিন্তু রাস্তা খারাপ থাকায় আটকে আছি।
উপজেলার পাহাড়ি এলাকার কৃষি ফসলাদি কলা, আনারস, কাঁঠালসহ অন্যান্য উৎপাদিত পন্য এই রাস্তা ব্যাবহার করেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। কিন্তু যোগাযোগের ব্যাবস্থা খারাপ থাকায় সঠিক সময়ে তা সরবরাহ করা সম্ভব হয়না এবং কৃষকরা সঠিক মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ রাস্তাটি উপজেলার অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম হওয়ায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। সাগরদিঘী এলাকার স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা মেহেদী হাসান ফারুক সময়ে কণ্ঠস্বরকে জানান, এ রাস্তাটি খারাপ থাকায় সাধারণ জনগন থেকে শুরু করে সকল শ্রেণির মানুষ চরমভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রাস্তার এমন খারাপ অবস্থা থাকায় ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনার কারণ বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

ঘাটাইল সাগরদিঘীর রাস্তা যেন মরণ ফাঁদ, দেখার কেউ নেই

খাদেমুল মামুন, ঘাটাইল প্রতিনিধি:
  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার প্রধান সড়ক উপজেলা শহর থেকে শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসের পাশ দিয়ে সাগরদিঘী হয়ে গুপ্তবৃন্দাবন পর্যন্ত রাস্তাটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঘাটাইল শহর থেকে গুপ্তবৃন্দাবন পর্যন্ত ৩০ কিঃ মিঃ এ রাস্তাটি  খানাখন্দে ভরা এবং চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনোপযোগী।
আজ মঙ্গলবার সকালে সাগরদিঘী ভালুকা বাসষ্টেশনের সামনে বাস, ট্রাক এবং সিএনজি চালকদের ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেতে হয়। চালকরা জানায়, গত কয়েক দিনের বৃষ্টির জন্য এই রাস্তাটি এখন খালে পরিণত হয়েছে। ট্রাক ড্রাইভার তাহের মিয়া বলেন, আমার ট্রাকে কাঁচামাল নিয়েছি ঢাকা যাব কিন্তু রাস্তা খারাপ থাকায় আটকে আছি।
উপজেলার পাহাড়ি এলাকার কৃষি ফসলাদি কলা, আনারস, কাঁঠালসহ অন্যান্য উৎপাদিত পন্য এই রাস্তা ব্যাবহার করেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। কিন্তু যোগাযোগের ব্যাবস্থা খারাপ থাকায় সঠিক সময়ে তা সরবরাহ করা সম্ভব হয়না এবং কৃষকরা সঠিক মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ রাস্তাটি উপজেলার অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম হওয়ায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। সাগরদিঘী এলাকার স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা মেহেদী হাসান ফারুক সময়ে কণ্ঠস্বরকে জানান, এ রাস্তাটি খারাপ থাকায় সাধারণ জনগন থেকে শুরু করে সকল শ্রেণির মানুষ চরমভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। রাস্তার এমন খারাপ অবস্থা থাকায় ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনার কারণ বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত ঘাটাইলের একমাত্র মহিলা কলেজ

 মোঃ মাসুম মিয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
কোন ভাবেই ভারপ্রাপ্তের ভার থেকে যেন মুক্ত হতে পারছে না টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার একমাত্র মহিলা বিদ্যাপীঠ ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজ। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে চলায় অনেকটাই স্থবির প্রশাসনিক কার্যক্রম। কলেজটি ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এমপিওভুক্ত হয় ২০১০ খ্রিস্টাব্দে। বর্তমানে কলেজটিতে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।
প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন এ এফ এম গোলাম কিবরিয়া। তিনি অন্যত্র চলে যাওয়ার পর দুই বছর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন জুলফিকার আলী লিটন। এর পর অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন শেখ ফিরোজ আহম্মেদ তিনিও অন্যত্র চলে যান। জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে দায়িত্ব বর্তায় লুৎফুননাহার এর উপর। কথা থাকে তিন মাসের ভিতর যোগ্য নিয়মিত একজন অধ্যক্ষ নিয়োগের। ক্ষমতা পেয়ে তিনি নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগের কথা ভুলে যান, ২০০৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত দীর্ঘ ৯ বছর ধরে পদটি ধরে আছেন তিনি। আর এ ৯ বছরে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বিভিন্ন দপ্তরে।
অনুসন্ধানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহার এর বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীদের বিভিন্ন অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তদন্ত ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের শিক্ষা বোর্ড বরাবর আবেদনসহ লিখিত তথ্য উঠে আসে।
লিখিত এসব তথ্য থেকে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহারের অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ এনে ২৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর  মধ্যে ২৬ জনই তার বিরুদ্ধে ২ বার অনাস্থা প্রদান করেন। সর্বশেষ অনাস্থা দেন শিক্ষকরা চলতি বছরের  ৩১ এপ্রিল।
এছাড়া কলেজটিতে নিয়মিত পরিচলনা পরিষদ কমিটি নেই দীর্ঘ প্রায় ৯ মাস। শিক্ষকরা নিয়মিত কমিটির করার কথা বললে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা যায়।
যোগদানের পর থেকেই অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাৎ, অনুপস্থিত থেকে হাজিরা খাতায় সাক্ষরসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন এর তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অদক্ষতা ও অনভিজ্ঞতার কারণে কমিটি গঠনে অহেতুক সময় ক্ষেপণ করছেন। তিনি অনেক দিন ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য এবং প্রতিষ্ঠানটিকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরকরণের লক্ষ্যে একজন নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান জরুরী। তিনি এ প্রতিবেদনটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) বরাবর পাঠান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) মো.মখলেছুর রহমান ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তদন্ত ও অন্যান্য দিক পর্যালোচনা করে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ১৪ মার্চ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি আবেদন  পাঠান। যাতে লেখা আছে কলেজটিতে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত অধ্যক্ষ না থাকায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিজেই যাবতীয় কাজ করে থাকেন। নিয়মিত কমিটি ও অধ্যক্ষ নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহার বলেন, আমাকে সরানোর জন্য একটি রাজনৈতিক মহল উঠে পরে লেগেছে। পুরোটাই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত ঘাটাইলের একমাত্র মহিলা কলেজ

 মোঃ মাসুম মিয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
কোন ভাবেই ভারপ্রাপ্তের ভার থেকে যেন মুক্ত হতে পারছে না টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার একমাত্র মহিলা বিদ্যাপীঠ ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজ। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে চলায় অনেকটাই স্থবির প্রশাসনিক কার্যক্রম। কলেজটি ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এমপিওভুক্ত হয় ২০১০ খ্রিস্টাব্দে। বর্তমানে কলেজটিতে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।
প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন এ এফ এম গোলাম কিবরিয়া। তিনি অন্যত্র চলে যাওয়ার পর দুই বছর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন জুলফিকার আলী লিটন। এর পর অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন শেখ ফিরোজ আহম্মেদ তিনিও অন্যত্র চলে যান। জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে দায়িত্ব বর্তায় লুৎফুননাহার এর উপর। কথা থাকে তিন মাসের ভিতর যোগ্য নিয়মিত একজন অধ্যক্ষ নিয়োগের। ক্ষমতা পেয়ে তিনি নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগের কথা ভুলে যান, ২০০৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত দীর্ঘ ৯ বছর ধরে পদটি ধরে আছেন তিনি। আর এ ৯ বছরে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বিভিন্ন দপ্তরে।
অনুসন্ধানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহার এর বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীদের বিভিন্ন অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তদন্ত ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের শিক্ষা বোর্ড বরাবর আবেদনসহ লিখিত তথ্য উঠে আসে।
লিখিত এসব তথ্য থেকে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহারের অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ এনে ২৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর  মধ্যে ২৬ জনই তার বিরুদ্ধে ২ বার অনাস্থা প্রদান করেন। সর্বশেষ অনাস্থা দেন শিক্ষকরা চলতি বছরের  ৩১ এপ্রিল।
এছাড়া কলেজটিতে নিয়মিত পরিচলনা পরিষদ কমিটি নেই দীর্ঘ প্রায় ৯ মাস। শিক্ষকরা নিয়মিত কমিটির করার কথা বললে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা যায়।
যোগদানের পর থেকেই অবৈধভাবে অর্থ আত্মসাৎ, অনুপস্থিত থেকে হাজিরা খাতায় সাক্ষরসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন এর তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অদক্ষতা ও অনভিজ্ঞতার কারণে কমিটি গঠনে অহেতুক সময় ক্ষেপণ করছেন। তিনি অনেক দিন ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য এবং প্রতিষ্ঠানটিকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরকরণের লক্ষ্যে একজন নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান জরুরী। তিনি এ প্রতিবেদনটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) বরাবর পাঠান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি) মো.মখলেছুর রহমান ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তদন্ত ও অন্যান্য দিক পর্যালোচনা করে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ১৪ মার্চ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি আবেদন  পাঠান। যাতে লেখা আছে কলেজটিতে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত অধ্যক্ষ না থাকায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিজেই যাবতীয় কাজ করে থাকেন। নিয়মিত কমিটি ও অধ্যক্ষ নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহার বলেন, আমাকে সরানোর জন্য একটি রাজনৈতিক মহল উঠে পরে লেগেছে। পুরোটাই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

ঘাটাইলের সন্ধানপুর ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা ॥
 ঘাটাইল উপজেলার ৯ নং সন্ধানপুর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। গতকাল ৩০ এপ্রিল রবিবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের উন্মুক্ত এ বাজেট ঘোষনা করা হয়। উন্মুক্ত বাজেট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। সন্ধানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বাজেট সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের সদস্য সুলতান মাহমুদ, সাবেক চেয়ারম্যান এ. কে. এম মাসুদ খান তোতা, মাহবুবুর রহমান খান পালন , অধ্যক্ষ আঃ বাছেদ প্রমূখ। সন্ধানপুর ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মহির উদ্দিন ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের এ বাজেট পেশ করেন। বাজেটে সর্বমোট আয় ধরা হয়েছে ২কোটি ২৫ লক্ষ ৬৬ হাজার ২২৭ টাকা । ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ২৩ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪৯৮টাকা এবং উদ্ধৃত্ত্ব ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৭২৯ টাকা। সংরক্ষিত  ইউপি সদস্য, ব্যবসায়ি , শিক্ষক, সাংবাদিক,  গন্যমান্য ব্যক্তিসহ  উন্মুক্ত বাজেট আলোচনায় অংশ নেন। 


ঘাটাইলে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)  সংবাদদাতা ॥
ঘাটাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। আজ রবিবার সকালে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের ১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ শত ৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে এ উপকরণ বিতরন করা হয়। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা উপকরন বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহীন ।  জামুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম খানের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রকৌশলী এ. কে. এম হেদায়েত উল্লাহ, রসুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হক সেন্টু প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান , জন প্রতিনিধি , সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশার লোক উপস্থিত ছিলেন।


ঘাটাইলের দিঘর ইউনিয়নে বাজেট ঘোষনা

রবিউল আলম বাদল,  ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি:  
 রবিবার দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার ৭নং দিঘর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে জন সাধারনের উপস্থিতিতে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের উন্মুক্ত এ বাজেট ঘোষনা করা হয়। বাজেট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ তোরাব আলি। দিঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবূল কালাম আজাদ মামুনএর সভাপতিত্বে বাজেট সভায় বক্তব্য রাখেন,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলিগের সভানেত্রি নুরজাহান সিদ্দিকা  প্রমুখ।
ু। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মোঃ জিয়াউর রহমান ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের এ বাজেট পেশ করেন। বাজেটে সর্বমোট আয় ধরা  হয়েছে ১ কোটি ২৮লাখ৯০হাজার ৪৪৮ টাকা । ব্যায় ধরা হয়েছে ১কোটি ২৮লাখ ৯০ হাজার৪৪৮টাকা।
উন্নয়ন খাতে উদ্ধৃত্ত্ব ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৮৯ হাজার টাকা। বাজেট অনুষ্ঠানে সকল সাধারন ও সংরক্ষিত  ইউপি সদস্য, ব্যাবসায়ি , শিক্ষক, সাংবাদিক, প্রতিটি ওয়ার্ডের গন্যমান্য ব্যাক্তিসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ উন্মুক্ত বাজেট আলোচনায় অংশ নেয়। 

ঘাটাইলের দিঘর ইউনিয়নে বাজেট ঘোষনা

রবিউল আলম বাদল,  ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি:  
 রবিবার দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার ৭নং দিঘর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে জন সাধারনের উপস্থিতিতে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের উন্মুক্ত এ বাজেট ঘোষনা করা হয়। বাজেট অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ তোরাব আলি। দিঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবূল কালাম আজাদ মামুনএর সভাপতিত্বে বাজেট সভায় বক্তব্য রাখেন,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলিগের সভানেত্রি নুরজাহান সিদ্দিকা  প্রমুখ।
ু। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মোঃ জিয়াউর রহমান ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের এ বাজেট পেশ করেন। বাজেটে সর্বমোট আয় ধরা  হয়েছে ১ কোটি ২৮লাখ৯০হাজার ৪৪৮ টাকা । ব্যায় ধরা হয়েছে ১কোটি ২৮লাখ ৯০ হাজার৪৪৮টাকা।
উন্নয়ন খাতে উদ্ধৃত্ত্ব ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৮৯ হাজার টাকা। বাজেট অনুষ্ঠানে সকল সাধারন ও সংরক্ষিত  ইউপি সদস্য, ব্যাবসায়ি , শিক্ষক, সাংবাদিক, প্রতিটি ওয়ার্ডের গন্যমান্য ব্যাক্তিসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ উন্মুক্ত বাজেট আলোচনায় অংশ নেয়। 

ঘাটাইল ইউনিয়নের বাজেট ঘোষনা


আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ-
২ নং ঘাটাইল ইউনিয়ন পরিষদের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে ঘাটাইল ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে জনসাধারনের উপস্থিতিতে ২০১৭/২০১৮ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়।
ঘাটাইল ইউনিয়নের অতিরিক্ত সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম খান এ বাজেট পেশ করেন।ঘাটাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হায়দর আলী সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শহিদুল ইসলাম, জাসদ সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা গোলাম আম্বিয়া জিন্নাহ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি সাংবাদিক শিক্ষক ও এলাকা গণ্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ।বাজেটে সর্বমোট আয় ধরা হয় ১ কোটি ৮ লাখ ২২ হাজার ৩৫৪ । ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৫২ হাজার ৭১৮ টাকা। উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩৬ টাকা।

ঘাটাইল ইউনিয়নের বাজেট ঘোষনা


আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ-
২ নং ঘাটাইল ইউনিয়ন পরিষদের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে ঘাটাইল ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে জনসাধারনের উপস্থিতিতে ২০১৭/২০১৮ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়।
ঘাটাইল ইউনিয়নের অতিরিক্ত সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম খান এ বাজেট পেশ করেন।ঘাটাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হায়দর আলী সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শহিদুল ইসলাম, জাসদ সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা গোলাম আম্বিয়া জিন্নাহ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি সাংবাদিক শিক্ষক ও এলাকা গণ্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ।বাজেটে সর্বমোট আয় ধরা হয় ১ কোটি ৮ লাখ ২২ হাজার ৩৫৪ । ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৫২ হাজার ৭১৮ টাকা। উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৩৬ টাকা।

video

বিডি২৪লাইভকে ভিডিও বার্তা আমব্রিন

video

বিডি২৪লাইভকে ভিডিও বার্তা আমব্রিন