খান ফজলুর রহমান ,ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে রাজস্ব তহবিলের ৭০ হাজার টাকা আতœসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ পুকুরের মাছ বিক্রির জন্য ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি মাছ বিক্রয় কমিটি গঠন করা হয়। বিক্রয় কমিটি সর্বোচ্চ দর দাতা স্থানীয় মৎস্য অফিসে অফিস সহায়ক ফজলুল হকের কাছে ৮০ হাজার টাকায় মাছ বিক্রি করে। মাছ কিনে নেওয়ার পর কিছুটা লোকসান গুনতে হয় তাকে। এ নিয়ে কিছু টাকা মওকুফের জন্য আবেদন করলে বিক্রয় কমিটি তাকে ১০ হাজার টাকা মওকুফ করে। এ ব্যাপারে মাছ ক্রেতা ফজলুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ৭০ হাজার টাকা বিক্রয় কমিটির কাছে জমা দেয়। পরে বিক্রয় কমিটির আহবায়ক আরিফ হোসেন উক্ত টাকা উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের কাছে দেন। কিন্তু তিনি ওই টাকা গত ২ বছরেও রাজস্ব তহবিলে জমা না দিয়ে আতœসাৎ করেন। জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন এ টাকা আমার কাছে দেওয়া হয়নি এ টাকা ভাইস চেয়ারম্যানের কাছে রয়েছে। তিনি আরও বলেন এগুলো রাজস্ব তহবিলে জমা দেওয়ার কথা। যদি না দিয়ে থাকে এজন্য সে নিজেই দায়ী। এ নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি জানান এ টাকা উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের কাছে রাখা হয়েছে। তাকেই রাজস্ব তহবিলে জমা দেওয়ার কথা ছিল। হয়তো এ টাকা তিনি জমা না দিয়ে তার নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন।
ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে রাজস্ব তহবিলের ৭০ হাজার টাকা আতœসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ পুকুরের মাছ বিক্রির জন্য ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি মাছ বিক্রয় কমিটি গঠন করা হয়। বিক্রয় কমিটি সর্বোচ্চ দর দাতা স্থানীয় মৎস্য অফিসে অফিস সহায়ক ফজলুল হকের কাছে ৮০ হাজার টাকায় মাছ বিক্রি করে। মাছ কিনে নেওয়ার পর কিছুটা লোকসান গুনতে হয় তাকে। এ নিয়ে কিছু টাকা মওকুফের জন্য আবেদন করলে বিক্রয় কমিটি তাকে ১০ হাজার টাকা মওকুফ করে। এ ব্যাপারে মাছ ক্রেতা ফজলুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ৭০ হাজার টাকা বিক্রয় কমিটির কাছে জমা দেয়। পরে বিক্রয় কমিটির আহবায়ক আরিফ হোসেন উক্ত টাকা উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের কাছে দেন। কিন্তু তিনি ওই টাকা গত ২ বছরেও রাজস্ব তহবিলে জমা না দিয়ে আতœসাৎ করেন। জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন এ টাকা আমার কাছে দেওয়া হয়নি এ টাকা ভাইস চেয়ারম্যানের কাছে রয়েছে। তিনি আরও বলেন এগুলো রাজস্ব তহবিলে জমা দেওয়ার কথা। যদি না দিয়ে থাকে এজন্য সে নিজেই দায়ী। এ নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি জানান এ টাকা উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের কাছে রাখা হয়েছে। তাকেই রাজস্ব তহবিলে জমা দেওয়ার কথা ছিল। হয়তো এ টাকা তিনি জমা না দিয়ে তার নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন।






