মঙ্গলবার, মে ১৬, ২০১৭

ঘাটাইলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মুষ্টিযুদ্ধ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল শহীদ সালাহউদ্দিন সেনানিবাসে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার উদ্বোধন করেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল সাজ্জাদুল হক। এসময় অন্যান্য সেনা কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ মুষ্টিযুদ্ধ ফেডারেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় ৫৫ পদাতিক ডিভিশন এবং রানার্সআপ হয় ১৯ পদাতিক ডিভিশন।
খেলাশেষে বিজয়ীদের মাঝে ট্রফি ও ব্যক্তিগত পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি। ১৯ পদাতিক ডিভিশনের আয়োজনে প্রতিযোগিতায় সেনাবাহিনীর ১২টি ফরফেশন অংশ নেন।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ঘাটাইলের ধলাপাড়া দেশের বৃহত্তম ‘ফার্নিচার হাট’

নজরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি ॥
টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া দেশের বৃহৎতম রেডিমেড ফার্নিচার হাট। এ হাট থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার ও সোমবার প্রায় কোটি টাকার রেডিমেড ফার্ণিচার কেনা-ঁেবচা হয়। ঢাকা, চট্রগ্রাম, ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসেন ঘরের নিত্য প্রয়োজনীয় আসবাব-পত্র কেনা-বেঁচার জন্য। 
উপজেলা সদর থেকে ১৪ কি.মি. পূর্বে এবং ভালুকা-উথরা সড়কের সাগরদিঘী থেকে ১২ কি.মি পশ্চিমে বংশাই নদীরপাড়ে অবস্থিত ধলাপাড়া হাট। এ হাট থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার ও সোমবার ৫শ থেকে ৮শ বিভিন্ন প্রকারের খাঁট, সোফাসেট, ড্রেসিং টেবিল, ডাইনিং টেবিল, সুকেজ,চেয়ার-টেবিল এবং দরজা-জানালা বেঁচা কেনা হয়। 
সরেজমিনে ধলাপাড়া ফার্নিচার হাটে গিয়ে-বিক্রোতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দেশের অন্যতম বৃহৎ রেডিমেড পার্নিচার হাট ধলাপাড়া।
ফুলবক্স, সেমিবক্স, বেগি খাট, বোম্বাই ও রাশিয়ান খাট পাওয়া যায়। ২ হাজার ৫শত টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা দামের খাট পাওয়া যায় এই হাটে। এছাড়াও গোল ড্রেসিং টেবিল, ছয়কোনা ড্রেসিং টেবিল, তিনচাল ড্রেসিং টেবিল, দুইচাল ড্রেসিং টেবিল ও কানিশ ড্রেসিং টেবিল এবং লতা সোফা,হাতি সুড় সোফা,বল সোফা ও বক্স সোফাসেট কেনা-বেঁচা হয় এ হাটে। নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত পরিবারের লোকজন এ হাটের ক্রেতা।
এ হাটে ঘাটাইল ছাড়াও মধুপুর, সখীপুর, বাসাইল, কালিহাতী, ভূয়াপুরের ক্রেতা-বিক্রেতারা অতি সহজেই ঘরের নিত্য প্রয়োজনীয় আসবার পত্র কেনা-বেঁচা করে থাকেন।
কালিহাতী স্থানীয় ব্র্যাক ব্যাংক ব্যস্থাপক মো.আবির আজাদ এসেছেন ফর্নিচার কেনার জন্য তিনি জানান, সাধ ও সাধ্যের মধ্যে ভালো ফার্নিচার পাওয়া যায়এ হাটে।
রঘুনাথপুর গ্রামের মো.বিল্লাল হোসেন এসেছেন ঘরের খাট ও দরজা-জানালা কেনার জন্য তিনি জানান, নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য এ হাটের ফার্নিচার খুবই ভালো। 
এ হাটের অন্যতম বড় ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো.আবদুল আজিজ জানান, ভৌগলিক অবস্থা এবং যাতায়াত সুবিধাজনক হওয়ায় দেশের অন্যতম বৃহৎ হাট ধলাপাড়া।
হাটের ইজারাদার কাজী মোখলেছুর রহমান জানান, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের জন্য ১৬ লাখ ১ হাজার টাকা দিয়ে হাট ইজারা নিয়েছি। যা গত কয়েক বছরের চেয়ে অনেক বেশি। তিনি জানান,হাটের ইজারা কমলে ক্রতারাও ফার্নিচার প্রতি খাজনাও কম পেত। প্রতিটি খাটের জন্য ৫০ টাকা থেকে ২ শ টাকা খাজনা দিতে হয় ক্রতাকে।
অধ্যাপক শেখ রফিকুল ইসলাম জানান, ধলাপাড়া ফার্নিচার হাটের সুনাম দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে।


আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ব্যক্তি প্রভাব ও রাজনৈতিক বিবেচনায় মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছেন ঘাটাইলের উপজেলা চেয়ারম্যান

খান ফজলুর রহমান, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
যাচাই বাছাইয়ের শুরুতেই নানা অনিয়ম দুর্নীতি আর স্বজন প্রীতি অভিযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কার্যক্রম। আর মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও  ব্যক্তি প্রভাব ও রাজনৈতিক বিবেচনায় মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছেন ঘাটাইল উপজেলার চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলিগ নেতা নজরুল ইসলাম খান সামু। শিঘ্রই তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তালিকা প্রকাশ করতে যাচ্ছে যাচাই বাছাই কমিটি। এর সাথে আরও শতেক খানি অমুক্তিযোদ্ধাকে দাবিদার মুক্তিযোদ্ধার আওতায় এনে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা বানানো হচ্ছে বলেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এতে করে ঘাটাইলে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা আরও বেড়ে যাওয়ার আশংকা করছেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন  বলেন যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন যাচাই বাছাইয়ের পর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা প্রকাশের কাজ চলছে। যেকোন দিন প্রকাশ হতে পারে এ তালিকা। এদিকে উপজেলার চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান মুক্তিযোদ্ধা কিনা তা জানার জন্য তার এলাকা সংগ্রামপুর গ্রামে গেলে কেউ বলতে পারেনি তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। এলাকাবাসী ছাড়াও তার অতি ঘনিষ্ঠ জনরাও বলতে পারেনি তিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। বরং মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও দাবিদার মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আবেদন করায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঐ গ্রামের জনৈক এক ব্যাক্তি  বলেন তিনি মুক্তিযুদ্ধ করাতো দুরের কথা মুক্তিযুদ্ধের নামও কখনো নেননি। একেতো ঘাটাইলে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধায় সয়লাব, এবার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ে আরও ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার  ঠাই হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অংশের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রাপ্ত তথ্য মতে, ঘাটাইলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা পৌনে ৪শ থেকে সারে ৫শ’র অধিক হবে না। অথচ ঘাটাইলে ভাতা উত্তোলন করছেন ১১ শতাধিক। এদিকে যাচাই বাছাইয়ে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ পরা ঠেকাতে প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে এখন ওপেন সিক্রেট। ঘাটাইল উপজেলার চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান মুক্তিযোদ্ধা কিনা জানতে চাওয়া হলে যাচাই বাছাই কমিটির সভাপতি আছাদুজ্জামান আরজু বলেন, সে সরাসরি অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ না করলেও সহযোগিতা করেছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে রাগ¦ত স্বরে তিনি বলেন, এর আগে যারা টাকা খেয়ে ৪ শতাধিক অমুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা বানালো তখন  কি তারা দেখলো না ? 
এ ব্যাপারে নজরুল ইসলাম খানের মোবাইল ফোনে (০১৭২৬-৩৬৪২৫৮) একাধিকবার যোগাযোগ করার পর তাকে পাওয়া যায়।  জানতে চাওয়া হয় একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার অবদান কতটুকু ছিলো। এ বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি না হয়ে লাইন কেটে দেন। পরবর্তিতে বারবার চেষ্টা করার পরেও তিনি ফোন রিসিব করেননি।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ঘাটাইলে কর্মসংস্থানে বিপ্লব এনেছে পোল্ট্রি খামার


নজরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি, চাপড়ী (ঘাটাইল) ঃটাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পোল্ট্রি খাতে অসংখ্য বেকার যুবকের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। উত্তর টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ঘাটাইলে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫ হাজার ৫৩১টি পোল্ট্রি খামার রয়েছে। এর মধ্যে লেয়ার ৩ হাজার ৯০০টি এবং বয়লার খামার ৮০০টি। শুধু ঘাটাইলেই রয়েছে ৪ সহস্রাধিক খামার। ঘাটাইলের মোট জনসংখ্যার ১৪ ভাগই পোল্ট্রি খামারের সঙ্গে জড়িত। শুধু ঘাটাইল উপজেলা থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২২ কোটি ডিম উৎপাদিত হয়েছে। যা ২০০৭-৮ অর্থবছরে ছিল ৪ কোটি ৯০ লাখ। গত ৮ বছরে ডিম উৎপাদনের হার বেড়েছে ৩৫০ ভাগ। এ উপজেলার ১১ হাজার ২৫৭টি পরিবার পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে নির্ভরশীল। তবে এত সংখ্যক খামারের মধ্যে নিবন্ধিত মাত্র ৪৮৪টি। মধুপুর উপজেলায় ৩৩২টি লেয়ার এবং ২৯৯টি বয়লার খামার রয়েছে। তন্মধ্যে নিবন্ধিত ৭১টি লেয়ার এবং ১৬১টি বয়লার খামার। দুই উপজেলার প্রায় সাড়ে ৫ হাজার খামারের মধ্যে নিবন্ধিত হয়েছে মোট মাত্র ৭১৬টি। বেসরকারি লেয়ার খামার নিবন্ধনে এ গ্রেডের ৫ বছরের জন্য সরকারি নিবন্ধন ফি ১৫ হাজার টাকা আর নবায়ন ফি সাড়ে ১২ হাজার টাকা। বি গ্রেডের জন্য নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা, নবায়ন ফি সাড়ে ৭ হাজার টাকা। সি গ্রেডের জন্য নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি সাড়ে ৩ হাজার ৫০০ টাকা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্যমতে নিবন্ধন না করায় ঘাটাইল-মধুপুরের এসব খামার থেকে সরকার প্রতি ৫ বছরে গড়ে ৫ কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। 
২০০৮ সালের জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালায় বলা হয়েছে বাণিজ্যিক খামার ঘনবসতি এলাকা এবং শহরের বাইরে স্থাপন করতে হবে। একটি বাণিজ্যিক খামার থেকে আরেকটি খামারের দূরত্ব ২০০ মিটার হতে হবে। ব্রিডিং খামারের পাস্পরিক দূরত্ব ৫ কিলোমিটার হতে হবে। গ্র্যান্ড প্যারেন্ট স্টক ও প্যারেন্ট স্টক খামারের ২ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো খামার স্থাপন করা যাবে না। খামার স্থাপনের আগে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। খামার বা হ্যাচারি স্থাপন পরিকল্পনায় উন্নত জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থার উল্লেখ করতে হবে। খামার বা হ্যাচারি স্থাপন পরিকল্পনায় বর্জ্য স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে অপসারণের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় স্থানের সংস্থানও থাকতে হবে। কিন্তু এসব শর্তের বেশির ভাগই মানছেন না খামারিরা।

মধুপুরের রংধনু পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবু জাফর জানান, বড় খামারিরা সরকারকে সুবিধা দিচ্ছে। সরকারও তাদের সহযোগিতা করছে তবে তিনি জানান, এ এলাকার খামারিরা নীতিমালার তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র খামার স্থাপন করছেন এবং খোলা জায়গায় পোল্ট্রি বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করছেন। ঘাটাইলের রসুলপুর ও ধলাপাড়া ইউনিয়নের অধিকাংশ পোল্ট্রি খামারের বর্জ্য বংশাই নদীতে ফেলে দিয়ে নদীর পানিও দূষিত করছেন।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জামিয়াতুল মোদাররেছিন ঘাটাইল উপজেলা শাখার কমিটি গঠিত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) উপজেলা সংবাদদাতাঃ 
জামিয়াতুল মোদাররেছিন ঘাটাইল উপজেলা শাখার নতুন কার্যকরি কমিটি গঠিত হয়েছে।  নতুন কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম  সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা মোঃ লিয়াকত আলী তালুকদার । গতকাল সোমবার বিকালে ঘাটাইল দাখিল মাদরাসায় সংগঠনের এক সাধারন সভায় এই কমিটি গঠন করা হয়।কার্যকরি কমিটির নির্বাচিত অন্যানরা হলেন,সহ-সভাপতি -বখতিয়ার খান, আমিনুল ইসলাম, আজহারুল ইসলাম, সহ সাধারন সম্পাদক-আঃ হাই ও এ.কে.এম রফিকুল ইসলাম, কল্যান সম্পাদক-মোঃ আঃ জলিল, সহ কল্যান সম্পাদক-রফিকুল ইসলাম, নিরীক্ষা সম্পাদক- মাওলানা মোঃ ফজলুল কবীর, সহ নিরীক্ষা সম্পাদক-মাওলানা সাইফুল ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক- মাওলানা মোঃ আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক-মাওলানা মাঈন উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক-আম্বিয়া খাতুন এবং কার্যকরি সদস্য হল-মাওলানা মোঃ আঃ কাদের, মাওলানা মোঃ ইব্রাহিম, মাওলানা মোঃ আমিন উদ্দিন, মাওলানা মোঃ মর্তুজ আলী ও মোঃ ইব্রাহিম।


আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।