বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০১, ২০১৮

সংলাপে আমরা সন্তুষ্ট নই: মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যেকার সংলাপ শেষ হয়েছে। সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত কথা হয় দুই পক্ষের মধ্যে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ নিয়ে সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) রাতে সংলাপ শেষে গণভবন থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, আমরা (আলোচনায়) সন্তুষ্ট নই। এর পর আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি বিএনপি মহাসচিব।
সংলাপে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ নেতার সঙ্গে অংশ নেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২০ নেতা।
ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দেন ড. কামাল হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংলাপে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় থাকার কথা থাকলে শেষ পর্যন্ত তিনি আর যোগ দেননি।
এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৫টায় কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসা থেকে যাত্রা শুরু করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। রওনা হওয়ার আগে নেতারা কামাল হোসেনের বাড়িতে পৌঁছে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।
প্রতিনিধিদলে নেতাদের মধ্যে রয়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান । জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমীন, সাবেক দুই সংসদ সদস্য এস এম আকরাম ও সুলতান মো. মনসুর আহমেদ গেছেন গণভবনে। জেএসডির আ স ম আবদুর রব, তানিয়া রব, আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার আফ্রিক, আ ও ম শফিকউল্লাহ এবং নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না।
সংসদ ভেঙে, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একাদশ সংসদ নির্বাচনের দাবি তোলা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গত রোববার সংলাপের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠান।
এরপর ৩০ অক্টোবর সংলাপের আহ্বান জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেয়া চিঠির জবাব দেয় আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে সংলাপের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণপত্র ঐক্যফ্রন্ট আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের কাছে পৌঁছে দেয় আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল।

অবশেষে গণভবনে নৈশভোজে অংশ নিলেন তারা

গণভবনে ঐক্যফ্রন্ট ও ১৪ দলের নেতারা বহুল প্রতীক্ষিত সংলাপের পর নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেছেন।
  • বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হয় সংলাপ। বঙ্গভবনে নৈশভোজ নিয়ে নানাপ্রকার কানকথা রটলেও অবশেষে নৈশভোজ সেরেছেন ঐক্যফ্রন্ট ও ১৪ দলের নেতারা।

খাবারের তালিকায় অ্যাপেটাইজার হিসেবে ছিলো ফ্রেশ জুস (মাল্টা, আনারস, জলপাই ও তরমুজ) ও সুইট অ্যান্ড সাওয়ার কর্ন স্যুপ (চিংড়ি বাদ)। এর সঙ্গে থাকছে মিক্সড নুডুলস (চিংড়ি বাদ), মিক্সড সবজি, বিফ শিক কাবাব, চিকেন ইরানি কাবাব।
মূল খাবারে ছিলো মোরগ পোলাও, বাটার নান আর সাদা ভাত। তার সঙ্গে কারি হিসেবে থাকছে মাটন রেজালা, চিতল মাছের কোপ্তা কারি ও রুই মাছের দোপেঁয়াজা। সঙ্গে মিক্সড সালাদ।
আর শেষ পাতে ডেজার্ট হিসেবে টক-মিষ্টি দুই ধরনের দই আর চিজ কেক। আগে থেকেই জানা যাচ্ছিলো চিজ কেক ড. কামাল হোসেনের পছন্দ। আর সেটা মাথায় রেখেই এই খাবারটি মেন্যুতে সংযুক্ত করা হয়। পানীয় হিসেবে ছিলো কোক ক্যান ও চা বা কফি।
সব দলের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে অর্থবহ সংলাপ চেয়ে গত ২৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।

কথার ফাঁকে চলছে চিপস, বাদাম, আর জুস

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সংলাপে ১৪ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বিপরীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড. কামাল হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংলাপ শুরু হয়।
এ সংলাপ শুরুর আগেই গণভবনের খাবারের মেন্যু নিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়। অবশ্য জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বিনয়ের সঙ্গে নৈশভোজের খাবার প্রত্যাখ্যান করে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে সংলাপ করার জন্যে গণভবনের নৈশভোজ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় তারা।
এ জন্য সংলাপের টেবিলে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের জন্য কোনো খাবার রাখা হয়নি, এমন নয়। তাদের সামনে রাখা হয়েছে, চিপস, বাদাম আর ফলের জুস। কথার ফাঁকে ফাঁকে এই তিন পদের খাবারে চলছে সংলাপ। ইতোমধ্যে ঐক্যফ্রন্টের ৭/৮ নেতা বক্তব্য দিয়েছেন।
দেয়া হয়েছে ড. কামাল হোসেনের প্রিয় চিজ কেক। সেখান থেকে অংশ বিশেষ তাকে মুখেও নিতে দেখা গেছে।
সংলাপে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের বাকিরা হলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, ড. আবদুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্যাহ, রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, আবদুর রহমান, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও জাসদের একাংশের সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল।
আর জাতীয় ঐক্যজোটের বাকিরা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস ও ড. আব্দুল মঈন খান, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, কার্যকরি সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, মুকাব্বির খান, অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দায় আফ্রিক ও আ ও ম শফিকউল্লাহ, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন এবং রবের স্ত্রী ও সহ-সভাপতি তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও তার দলের উপদেষ্টা এসএম আকরাম, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা সুলতান মুহাম্মদ মনসুর ও আ ব ম মোস্তফা আমিন এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ।

নতুন এক আফ্রিদি পেয়ে গেল বাংলাদেশও!

আফ্রিদি। নামটা শুনলেই সবার আগে মনে হয় শহীদ আফ্রিদির কথা। পাকিস্তান ক্রিকেটে শুধু নয়, বিশ্বজুড়েই দারুণ জনপ্রিয় লেগস্পিনিং এই অলরাউন্ডার। তারপর পাকিস্তান ক্রিকেটে এসেছেন আরেক আফ্রিদি। তিনি আবার পেসার, নাম-শাহীন শাহ আফ্রিদি।

এবার আর পাকিস্তানে নয়। বাংলাদেশের ক্রিকেট পাচ্ছে এক আফ্রিদিকে। বয়স তার মাত্র ১৫ বছর। নাম-মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি। এই আফ্রিদি আবার পাকিস্তানের তারকা আফ্রিদির মতোই লেগস্পিন করেন। যে লেগস্পিনারের জন্য হাহাকার বাংলাদেশের ক্রিকেটে, সেই লেগস্পিন শিল্পটাই দারুণভাবে আয়ত্ত্ব করার চেষ্টায় আছেন আফ্রিদি।


৩ নভেম্বর থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরু টেস্ট সিরিজ। এই সিরিজে জিম্বাবুয়ে দলে খেলবেন ব্র্যান্ডন মাভুটা নামের একজন লেগস্পিনার। বাংলাদেশ দলে যেহেতু অনেক দিন ধরেই লেগস্পিনার নেই। যে কোনো সিরিজের আগেই এই স্পিন সামলানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয় টাইগারদের। সেই দুশ্চিন্তা কাটাতে নেটে ডাকা হয়েছিল মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদিকে।

নেটে বোলিং দেখে তাকে মনে ধরেছে নির্বাচকদের। এরপর খেলিয়ে দেয়া হয়েছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচেও। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সুযোগ পেয়ে নিজের প্রতিভার কিছুটা ঝলক দেখিয়েছেন বাংলাদেশের আফ্রিদি। তিন ওভার বল করে ১১ রানে নিয়েছেন ১টি উইকেট।

এখনই আলোতে আসার মতো হয়তো নয়। তবে নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসেই গুগলিতে যেভাবে এলবিডব্লিউ করেছেন পিটার মুরকে, তাতে নতুন আফ্রিদিকে নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন নির্বাচকরা।

বাংলাদেশ দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু এই নতুন লেগস্পিনারকে নিয়ে বলেন, 'জাতীয় দলের নেটে ওকে দেখেছিলাম। সেখানে খুব ভালো বোলিং করেছিল। আমরা তো এখন খুব করে একজন লেগ স্পিনার খুঁজছি, তাই মনে হলো ওকে একটু ম্যাচে পরীক্ষা করি। আমরা এখানে ওর সামর্থ্য পরীক্ষা করিনি। দেখতে চেয়েছি ওর সাহস। ওর বোলিং কতটা পরিণত। চাপ কিভাবে সামলায় সেটা দেখতে চেয়েছি। প্রথম ম্যাচ হিসেবে খারাপ করেনি।'

প্রধান নির্বাচকের এই মন্তব্য থেকে প্রেরণা খুঁজতেই পারেন ১৫ বছর বয়সী আফ্রিদি। সামনে তো তার অনেক সময় পরে রয়েছে। বাংলাদেশের আফ্রিদি হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে সাড়া ফেলতে কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে নিজেকে তৈরি করতে হবে এই লেগস্পিনারকে।

ঘাটাইলে অটোরিক্সা-অটোটেম্পো ও সিএনজি সঞ্চয় কল্যাণ তহবিল গঠিত

দড়িরামপুরটাঙ্গাইলের ঘাটাইলে অটোরিক্সা -অটোটেম্পো ও সিএনজি সঞ্চয় কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়েছে। বুধবার (৩১ অক্টোবর) রাত ৯টায় অটোরিক্সা অটোটেম্পো ও সিএনজি সঞ্চয় কল্যাণ তহবিল গঠন ও একই সাথে অফিস উদ্বোধন এবং পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ঘাটাইল পৌর মেয়র ও ক্যালান তহবিলের উপদেষ্টা শহীদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কমিটি ঘোষনণা করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপদেষ্টা ও ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মো. মেছের আলী, উপদেষ্টা আকবর আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন, সুমন আল মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল মিয়া প্রমুখ।

আব্দুর রাজ্জাককে সভাপতি ও মিন্টু মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন- সহ সভাপতি মো. আরশেদ, ফারুক হোসেন, সিদ্দিক মিয়া, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম, আব্দুর রশিদ, জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন (মনি), দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আব্দুল মজিদ, অর্থ সম্পাদক রাজন মিয়া, নাট্য ও প্রমোদ সম্পাদক মিন্টু মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক হাসমত হোসেন ভুট্টো, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আকিজ উদ্দিন, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, নির্বাহী সদস্য আব্দুল মান্নান, রাসেল মিয়া, মিল্টন হোসেন, রফিক আহম্মেদ।

ফের মা হচ্ছেন কারিনা

তাহলে কি ভাই হতে চলেছে ছোট্ট তৈমুর? বি-টাউনে লেটেস্ট গুঞ্জন। কারিনার বেবি বাম্প দেখা গেছে একটি ছবিতে, আর তার থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে এই খবর। তবে এ বিষয়ে এখনও মুখ খুলেননি কারিনা-সাইফ।
ঘটনার সূত্রপাত ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ছবির ২০ তম বর্ষ উপলক্ষ্যে একটি পার্টিতে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কারিনা। আর তারই একটি ছবি দেন ইনস্টাগ্রামে। অনেকেরই মনে হয় উঁকি দিচ্ছে কারিনার বেবি বাম্প। আর এই গুঞ্জন নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সাইফ-কারিনা দু'জনই একটি সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, তারা দ্বিতীয় সন্তান চান। তাদের এমন মন্তব্য আর কারিনার ভাইরাল হওয়া ছবির কারণেই আলোচনায় আসে বিষয়টি।
উল্লেখ্য, সাইফ-কারিনার সম্পর্কের শুরু ২০০৭ সালে। এরপর ২০০৯ সালের অক্টোবরে প্রকাশ্যে তাদের প্রেমের কথা জানান সাইফ। ২০১২ সালে বিয়ে করেন এ জুটি। ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো মা হন কারিনা।

গণভবনে যাওয়ার আগে যা বললেন মির্জা ফখরুল

আর কিছুক্ষনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সংলাপে বসতে যাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সংলাপের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। দলে আছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও।


  • রওনা হওয়ার আগে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে তিনি বলেছেন,‘আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায় করা হবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। যে নির্বাচনে মানুষ তাদের ভোট দিয়ে পছন্দের সরকার নির্বাচন করবে। কিন্তু সরকার পরিস্থিতিকে জটিল করছে। আমাদের চেয়ারপারসনের সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়া হলো। বিষয়টি নেত্রীকে জানানোর পর তিনি বলেছেন, ‘সাজা যত দেয়ার দিক। তবুও মাথা নত করবো না।’

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পরাজিত করা হবে এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন,‘আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে পরাজিত করবো।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বন্ধুগণ, আমরা মাথা নত করবো না। আমরা নিজেদের অধিকারের আন্দোলন ও লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে তা আদায় করবো আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার। ১৯৭১ সালের যে চেতনা নিয়ে স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছিলাম, সেই অধিকার আমরা প্রতিষ্ঠা করবোই করবো।’

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘সরকারের নিয়ন্ত্রণে এখন বিচার ব্যবস্থা চলছে। তার প্রমাণ গত দুই দিনে বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায় হয়ে গেছে। সরকার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশের বিচার ও প্রশাসন ব্যবস্থাকেও তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। আজকে দেশ আর গণতান্ত্রিক দেশ নেই, স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হয়েছে।’

গণতন্ত্রের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়া ওতপ্রতোভাবে জড়িয়ে আছেন মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গণতন্ত্র মানেই বেগম খালেদা জিয়া। তাই আজকে তার মুক্তির দাবিতে অনশন করছি।’

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির পুনরাবৃত্তি এ দেশের জনগণ হতে দেবে না, ইনশাআল্লাহ। তাই আজকে বলতে চাই, আমরা যে সাত দফা দাবি প্রণয়ন করেছি, তা এ দেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী। অনেক কথাবার্তা হচ্ছে লোক দেখানো এ সংলাপ, আমাদের ফাঁদে ফেলানোর সংলাপ, আমরা বাংলাদেশে অনেক দিন ধরে রাজনীতি করি। যারা আজকে আমাদের সঙ্গে বসবেন, তাদেরও আমরা চিনি। তাই আপনারা আমাদের ফাঁদে ফেলবেন, ধোঁকা দিবেন আর এটা সম্ভব হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিষ্কার কথা। যদি এই দেশে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হয় এই সাত দফাকে মানতে হবে। আজকে ৭ দফা উপস্থাপন করবো, সাত দফাকে বাস্তবায়ন না করে ইনশাআল্লাহ এদেশে সংসদ হতে দেবো না। হওয়া সম্ভব হবে না। ’

[message]
গণঅনশনে অংশ নিয়ে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায় ৭ দিনের মধ্যে ধূলোর মতো উড়ে যাবে।’

মান্না বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর থেকে ১০ বছর করা হয়েছে। নতুন করে আরেকটি মামলায় ৭ বছর সাজা দেয়া হয়েছে। এসব টিকবে না।’

সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে কোনো নির্বাচন হবে না। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত তফসিল ঘোষণা করা যাবে না। সংলাপের নামে কোনো ধাপ্পাবাজি চলবে না।’