শনিবার, এপ্রিল ২০, ২০১৯

ঘাটাইলে মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছনার মামলা না করতে ওসির পরামর্শ!

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছনার অভিযোগ আমলে না নিয়ে মামলা- মোকদ্দমা না করার পরামর্শ দিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাকসুদুল আলম। শনিবার (২০ এপ্রিল) টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঘাটাইল উপজেলার বেরুয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জান মনি বলেন, শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে পাশের একাশি বাজার থেকে ফেরার পথে মাদারিপাড়া নামকস্থানে কামালপুর গ্রামের মৃত ইবাদত আলীর ছেলে মো. হাতেম আলী তার গতিরোধ করে অশালীন ও স্বাধীনতা বিরোধী কথা বলে গালিগালাজ শুরু করে। এর প্রতিবাদ করায় একপর্যায়ে হাতেম আলী তাকে মারপিট করে এবং নগদ ১২হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় দুই শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা দিঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের কাছে ঘটনা জানালে তিনি ঘাটাইল থানা পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন।

পরে ঘাটাইল মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার মো. তোফাজ্জল হোসেনসহ মুক্তিযোদ্ধারা ঘাটাইল থানার ওসি মো. মাকসুদুল আলমের কাছে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও এ বিষয়ে কোন আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে ওসি নানা টালবাহানা শুরু করে। এক পর্যায়ে ওসি মো. মাকসুদুল আলম স্থানীয় এমপি’র সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

ওসি এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত হাতেম আলীকে ক্ষমা করে দিতে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অনুরোধ জানান এবং একই সাথে এ ঘটনায় কোন প্রকার মামলা- মোকদ্দমা না করার পরামর্শ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী হীরা, হামিদুল হক, মঞ্জুর হোসেন খান, আব্দুর রাজ্জাক, দীঘলকান্দি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন খান সহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা এবং বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘাটাইলে নুসরাত হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

মাসুম মিয়া, ঘাটাইল: ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকের পাড়া ও এস ফাযিল মাদরাসার উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার সকাল ১১ টায় মাদরাসার সামনে ভুঞাপুর-ঘাটাইল রোডে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাদরাসার সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আওরঙ্গজেব খান হিটলার, অধ্যক্ষ মো. বখতিয়ার খান, পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, মাদরাসার প্রভাষক মো. সুলতান মিয়া, লোকের পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো.ইমরান হোসেন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা নুসরাত হত্যার সাথে জরিত সকলকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির জোর দাবী জানান।

এতে লোকের পাড়া ও এস ফাযিল মাদরাসা ও লোকেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ৫ শতাধিক লোক অংশ গ্রহন করেন।

৪৩০ জন নিয়োগ দেবে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসুচি (সিভিডিপি)-৩য় পর্যায়” শীর্ষক প্রকল্পে লোকবল নিয়োগ দেয়া হবে। এই প্রকল্পে ৪টি পদে মোট ৪৩০ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। 

১) পদের নাম: মাঠ সংগঠক
পদ সংখ্যা: ২৫৮টি
মূল বেতন: ১০,২০০/ টাকা

২) পদের নাম: হিসাবরক্ষক
পদ সংখ্যা: ১টি
মূল বেতন: ১০,২০০/ টাকা

৩) পদের নাম: হিসাব সহকারী
পদ সংখ্যা: ৪টি
মূল বেতন: ৯,৩০০/ টাকা

৪) পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদ সংখ্যা: ১৬৭টি
মূল বেতন: ৯,৩০০/ টাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://cvdp3.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেন করতে পারবেন।

আবেদন শুরুর তারিখ: ২৩ এপ্রিল ২০১৯ইং তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৪ মে ২০১৯ইং বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

ঘাটাইল পৌরসভায় সাত কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভায় সাত কোটি ৫৩ লক্ষ টাকায় বাস্তবায়িত হচ্ছে ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প। এর মধ্যে পাঁচ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঘাটাইল পৌরসভায় ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এসকল প্রকল্প এখন টেণ্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামি দুই মাসের মধ্যে এগুলো বাস্তবায়িত হবে। এদিকে একই প্রকল্পের আওতায় প্রথম কিস্তির এক কোটি ৮৪ লক্ষ টাকার ৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। এগুলো ‘গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’এর আওতায় বাস্তবায়িত হবে। এসকল প্রকল্পের বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে পৌর এলাকায় যোগাযোগ, ভৌত অবকাঠামো, শিক্ষা, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন হওয়ার মাধ্যমে পৌর নাগরিকগণের জীবনমানের উন্নতি ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ঘাটাইল পৌরসভা এবং সারা উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় পাঁচ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫৯ হাজার ৪২৮ টাকা ব্যয়ে ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এবং এক কোটি ৮৪ লক্ষ টাকার ৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে, যেগুলো অল্প সময়ের মধ্যে জনগণের ব্যবহারের জন্য অবমুক্ত করা হবে। এগুলো ‘গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’এর আওতায় বাস্তবায়িত হবে।

পাঁচ কোটি ৬৯ লক্ষ ৫৯ হাজার ৪২৮ টাকা ব্যয়ে অনুমোদিত ঘাটাইল পৌরসভায় ৯টি উন্নয়ন প্রকল্পগুলো হচ্ছে:

১) ৫৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ রাস্তার পুরাতন বিদ্যুৎ অফিস হতে কর্না বক্স কালভার্ট পর্যন্ত ৭৯০ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন।

২) ৮৩ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা ব্যয়ে হালুয়াপাড়া ফেরদৌসের বাড়ী হতে হালুয়াপাড়া মাদরাসা হয়ে স’মিল রোড পর্যন্ত ১০৪৫ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন।

৩) ৬৪ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ঝরকা বাজার হতে ভানিকাত্রা ইদ্রিস ভেণ্ডারের বাড়ী পর্যন্ত ১২১৫ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন।

৪) ৫৯ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা ব্যয়ে ফতেরপাড়া ব্রিজ হতে ফতেরপাড়া কালভার্ট পর্যন্ত ৮৭০ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন।

৫) ৪৭ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ঘাটাইল পশ্চিমপাড়া বালা মাস্টারের বাসা হতে কুলাইতলা কালভার্ট পর্যন্ত ৭৬৫ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন

৬) ক. ঘাটাইল-সাগরদীঘি রাস্তার চান্দশি বয়েলমিল হতে চান্দশি লতিফের বাসা পর্যন্ত ৬৭৫ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন; খ. চান্দশি সাহেদের বাসা হতে চান্দশি দক্ষিণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যন্ত ১৩১ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা।

৭) ক. চান্দশি ইসমাইলের বাড়ী হতে রফিকের বাসা পর্যন্ত ৬৫৩ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন; খ. চান্দশি জোয়াদ আলীর বাসা হতে চান্দশি ছেকান্দরের বাসা পর্যন্ত ২১০ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন; গ. চান্দশি ছেকান্দরের বাসা হতে ছালামের বাসা পর্যন্ত ১৪৮ মিটার রাস্তা আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা।

৮। ক. রতনপুর বক্স কালভার্ট হতে আফতাব উদ্দিনের বাড়ী পর্যন্ত ১৭২ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন; খ. রতনপুর আফতাব উদ্দিনের বাড়ী হতে খিলপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত ৪৫৩ মিটার রাস্তা আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন; গ. ঘাটাইল-জামুরিয়া রাস্তার নন্দনগাতি মোড় হতে শিমলা ব্রিজ পর্যন্ত ৩৫২ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা।

৯। ক. ধারিয়াল মাজহারুলের বাড়ী হতে মিজানুরের বাড়ী পর্যন্ত ৪১৫ মিটার রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন; খ. ঘাটাইল-জামুরিয়া রাস্তার আলাউদ্দিনের বাড়ী হতে ধারিয়াল মসজিদ পর্যন্ত ২৬৪ মিটার রাস্তা আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৭ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা।

এছাড়া আরও যে ৫টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন শেষের দিকে সেগুলো হচ্ছে-

১। ক. টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড হতে বাজার মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন; খ. বাজার মসজিদ হতে বাজার কালিঘর পর্যন্ত রাস্তা আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন।

২। থানামোড় হতে চন্দবাড়ী হয়ে ঘাটাইল-সাগরদীঘি রাস্তা পর্যন্ত বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন।

৩। ঘাটাইল বাজারের মুরগী হাট হতে ফতেরপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন।

৪। ঘাটাইল-সাগরদীঘি রাস্তা হতে খরাবর ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন।

৫। ঘাটাইল-সাগরদীঘি রাস্তা হতে চান্দশি বয়েলমিল হয়ে উত্তরে দুলালের বাসা পর্যন্ত রাস্তা বিটুমিনাস কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন।

এ ৫টি প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা।

ঘাটাইল পৌরসভার রতনপুর এলাকার এস এম সাহেদ আহমেদ জানান, বর্তমান সরকারের আমলে পৌরমেয়র শহিদুজ্জামান খান শহিদ ভাইয়ের নেতৃত্বে পৌর এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হচ্ছে। পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডেই ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ঘাটাইল পৌরসভাটি অচিরেই একটি আধুনিক, উন্নত নাগরিক সুবিধা সমৃদ্ধ নিরাপদ বাসযোগ্য পৌরসভায় পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঘাটাইল পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’ এর আওতায় প্রথম কিস্তির ৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষ পর্যায়ে। আগামি এক মাসের মধ্যে এই রাস্তাগুলোর কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে। এছাড়া একই প্রকল্পের আওতায় আরও ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়ে টেণ্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যা খুব দ্রুতই বাস্তবায়িত হবে।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সরাসরি পৌরসভার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে। সম্পূর্ণ গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ঘাটাইল পৌরসভা মেয়র শহিদুজ্জামান খান শহিদ বলেন, ঘাটাইল পৌরবাসী অনেক স্বপ্ন ও আশা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জননেত্রি শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও উন্নয়নে অবিচল আস্থা রেখে আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। আমি তারই মর্যাদা দিতে নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে যাচ্ছি। পৌর নাগরিকদের সমস্যা ও সুযোগ-সুবিধাসমুহের অগ্রাধিকার বিবেচনা করে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হচ্ছে।

পৌর মেয়র পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে পৌর নাগরিকসহ সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন। উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে পৌর নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে ব্যপক ভূমিকা রাখবে বলে তরুণ মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি উন্নয়ন বিষয়ে দলমত নির্বিশেষে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

ঘাটাইল সেনানিবাসে গলফ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে তিন দিনব্যাপী ৬ষ্ঠ পপুলার লাইফ কাপ গলফ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে ঘাটাইল শহীদ সালাউদ্দিন সেনা নিবাসের গলফ ক্লাব মাঠে সমাপনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার ও ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম।

অনুষ্ঠানে পপুলার লাইফের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক বি এম ইউসুফ আলীসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন।

তিনদিনব্যাপী টুর্নামেন্টে ঢাকা, ঘাটাইল, সাভার, ময়মনসিংহ ও দেশের অন্যন্য গলফ ক্লাব থেকে জুনিয়র, লেডি এবং রেগুলার এই তিনক্যাটগরিতে শতাধিক গল্ফাররা অংশ নেন। খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবুকে ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবুকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় বিকালে ঘাটাইল প্রেসক্লাব এ সংবর্ধনা প্রদান করে।

প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু তার বক্তব্যে প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণের জন্য স্থায়ী জায়গার ব্যাবস্থা করার আশ্বাস প্রদান করেন এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে সাংবাদিকদের সার্বিক সহায়তা কামনা করেন।

ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র মোঃ শহীদুজ্জামান খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ নূরুজ্জামান মিঞা, সহ সভাপতি খান ফজলুর রহমান, সাবেক সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল প্রমূখ।

পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান প্রেসক্লাবে চল্লিশ হাজার টাকা প্রদানের ঘোষনা দেন। এ সময় ঘাটাইল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক সাইয়্যিফ মোহাম্মদ হামিদুল্লাহ, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল লতিফ,অর্থ সম্পাদক মাসুম মিয়া,ক্রীয়া সম্পাদক মনোয়ার হোসেন সোহেল, সদস্য খাদেমুল ইসলাম, রেজাউল করিম রাজুসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।