সোমবার, অক্টোবর ১৫, ২০১৮
ঋণের সুদ বেশি নিচ্ছে ৩১ ব্যাংক
ব্যাংকের আমানতে ৬ ও ঋণে হবে ৯ শতাংশ সুদহার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এমনই ঘোষণা দেন বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিচালক ও ব্যবস্থাপকরা। ব্যাংকগুলো এটি বাস্তাবায়নে সরকারের কাছ থেকে নানা সুযোগ সুবিধাও নিয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখনো ১০ শতাংশের উপরে ঋণের সুদ আদায় করছে বেশিরভাগ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনাও মানছে না তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি বছরের জুলাই থেকে সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ব্যাংক উদ্যোক্তা পরিচালকদের সংগঠন ‘বিএবি’। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ ঘোষণা দেন তারা। তাই যেসব ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামনেনি; তারা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করেছেন।
ব্যাংকের আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) ৪ শতাংশীয় পয়েন্টের নিচে রাখার নির্দেশনা থাকলেও অনেক ব্যাংক বেশিরভাগ ব্যাংকই এ নির্দেশনা মানছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আগস্ট মাস শেষে ৩১টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণের সুদহার ১০ শতাংশের বেশি আদায় করছে। আর ৩৪টি ব্যাংকের স্প্রেড ৪ শতাংশীয় পয়েন্টের ওপরে রয়েছে। আগস্ট শেষে ব্যাংকগুলোর গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। অনেক ব্যাংক এখনও স্প্রেড নিচ্ছে ৮ শতাংশের ওপরে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তারল্য ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপকে কেন্দ্র করে সুদহার বাড়তে থাকায় তা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ৩০ মে এক নির্দেশনায় বলা হয়, ব্যাংকগুলো বিভিন্ন প্রকার ঋণের সুদহার ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি করছে। ঋণের সুদহার অযৌক্তিক মাত্রায় বৃদ্ধি করা হচ্ছে যা উদ্বেগজনক। তাই সুদহার যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করতে ভোক্তা ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে স্প্রেড ৪ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। আগে যা ৫ শতাংশ ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গড়ে ১০ শতাংশের বেশি ঋণের সুদ নিচ্ছে ৩১ ব্যাংক। এর মধ্যে বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের ঋণের সুদহার ১০ দশমিক ২১ শতাংশ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ, বেসরকারি এবি ব্যাংকের ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ, সিটি ব্যাংকের ১০ দশমিক ৮৩ শতাংশ, আইএফআইসি ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ, উত্তরা ব্যাংকের ১০ দশমিক ২৮ শতাংশ, সীমান্ত ব্যাংক ১০ দশমিক ০৮ শতাংশ, ইস্টার্র্নে ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ, এনসিসির ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ, ঢাকা ব্যাংকের ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ, ডাচ-বাংলায় ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ডে ১০ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ওয়ান ব্যাংক ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ, এক্সিমের ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ১০ দশমিক ৬৩ শতাংশ, প্রিমিয়ারে ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, ফাস্ট সিকিউরিটিজ ইসলামী ব্যাংকের ১১ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ব্যাংক এশিয়ার ১০ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে স্প্রেড হার সবচেয়ে বেশি রয়েছে বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের। ব্যাংকটি আমানতের বিপরীতে গড়ে এক দশমিক ৭১ শতাংশ সুদ দিয়েছে। আর ঋণে সুদ নিয়েছে ১০ দশমিক ২১ শতাংশ। বিদেশি খাতের এ ব্যাংকটির স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। ব্র্যাক ব্যাংক আমানতের বিপরীতে সুদ দিয়েছে ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। আর ঋণের বিপরীতে নিয়েছে সুদহার ১২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ব্যাংকটির স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ডাচ বাংলা ব্যাংক সুদ দিয়েছে ২ দশমিক ৬১ শতাংশ আর নিয়েছে ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ। ব্যাংকটির স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
গত আগস্ট শেষে ব্যাংকগুলো গড়ে ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ সুদে আমানত নিয়েছে। আর ঋণ বিতরণ করেছে ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ সুদে। এতে করে স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ২৭ শতাংশীয় পয়েন্ট। স্প্রেড ৪ শতাংশের নিচে না নামানোর তালিকায় রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানার একটি ব্যাংক, বিদেশি মালিকানার ৭টি এবং বেসরকারি খাতের ২৬টি ব্যাংক।
আগস্টে রাষ্ট্রীয় মালিকানার ব্যাংকগুলোর গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংকের ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ, বিদেশি ব্যাংকগুলোর ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোর ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
কুমড়া গাছে লাউ ধরে যেভাবে
কুমড়া গাছে লাউ। শুনতে কেমন লাগছে, তাই না? অবাক হলেও ঘটনাটি সত্যি। কুমড়া গাছে ফলনও ভালোই হয়েছে। কুমড়ার মধ্যে ঝুলে আছে লাউ। এ ঘটনায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে এলাকাজুড়ে। ভারতের পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ের বাসিন্দা স্বপন সানার বাড়িতে দেখা গেছে কুমড়ার ভেতরে লাউ ঝুলতে। যা দেখতে স্থানীয়রা ভিড় জমিয়েছেন।
স্বপন সানা জানান, তিনি সাধারণ কুমড়ার চারাই রোপণ করেছিলেন। লতা বড় হয়ে কুমড়াও ধরতে শুরু করে। কিন্তু এর মাঝে হঠাৎ লাউ ঝুলতে দেখেন। খবর পেয়ে জেলার কৃষি গবেষকরাও তার বাড়িতে আসেন। ইতোমধ্যে খবরটি পৌঁছে গেছে স্থানীয় উদ্যানপালন অফিসেও। তবে তারা বিস্মিত হননি।
জেলার সহকারী উদ্যানপালন দফতরের কর্মকর্তা পলাশ সাঁতরা জানান, এমনটি হতেই পারে না। গ্রাফটিং পদ্ধতিতে একই গাছে একাধিক ফসল ফলানো সম্ভব। তবে এমন ঘটনা সম্ভব নয়। বীজ থেকেই যদি কুমড়া চারা হয়ে থাকে তাহলে তাতে লাউ ধরবে কী করে? যেটিকে লাউ ভাবা হচ্ছে, সেটি লাউ না-ও হতে পারে। ওই ফল কেটে পরীক্ষা না করে বলা সম্ভব নয়, আসলে সেটা কী।
পরে তিনি লাউয়ের ছবি দেখে জানান, এটি গাছের জিনঘটিত রোগ। যার নাম অ্যালবিনোজম। আসলে কুমড়া গাছে কুমড়াই হয়েছে। তবে অ্যালবিনোজমের কারণে ফলের রং বদলে যাওয়ায় লাউয়ের মতো দেখাচ্ছে। কাটলে কিন্তু কুমড়াই পাওয়া যাবে, লাউ নয়।
এখন লাউটি কাটার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বপন সানা। কারণ কৃষিবিদরা বলছেন, লাউটি কাটলেই এর আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।
প্রধান শিক্ষক স্কুলের আত্নসাতকৃত অর্থে নির্মাণ করছেন ভবন
ইমরুল হাসান বাবু, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌর এলাকায় অবস্থিত ঘাটাইল গণ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সরকারী নীতিমালা উপেক্ষা করে স্কুলের আত্নসাতকৃত কোটি টাকা হালাল করতে স্কুলের অভ্যন্তরে একটি একতলা ভবন নির্মাণ করেছেন। প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কতিপয় সদস্যদের সাথে নিয়ে বিদ্যালয়ের নিয়ম বহির্ভূত এ ভবন নির্মাণের কাজ প্রায় সম্পন্ন করেছেন।
সরেজমিনে ঘটনার বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ে গেলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে প্রধান শিক্ষক কৌশলে পালিয়ে যায়। মুঠো ফোনে বারবার ফোন করেও কোন সদুত্তর মেলেনি। এ সময় বিদ্যালয় পরিচালক কমিটির সদস্য আমিনুর রহমান বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ের উত্তর পূর্ব পাশের ভবনটি অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় এবং বিদ্যালয়ের বেশ কিছু টাকা গচ্ছিত থাকায় ওই টাকা দিয়ে আমরা একটি রেজুলেশনের মাধ্যমে ওই ভবন নির্মাণের কাজ হাতে নিয়েছি। স্কুল জাতীয়করণ হবার পর এটি সরকারি বিধি-বিধান পরিপন্থি বলেও তিনি স্বীকার করেন। এছাড়াও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য শহীদুল ইসলাম ও বাবুল জানান, তারা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না এবং জানতে চাইলে তাদের এ বিষয়ে চুপ থাকতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহীদুজ্জামান খান শহীদ বলেন, পৌরসভার অভ্যন্তরে কোন পাকা ভবন তৈরি করতে প্লান পাশ পূর্বক পূর্বোনুমতি নেয়ার বিধান থাকলেও রহস্যজনক কারণে তারা কোন অনুমতি ছাড়াই গোপনে নির্মার্ণ কাজ শুরু করেছেন। অদ্যবধি অনুমতি নেয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের মোটা অংকের অর্থ লোপাট করতে তারা এ অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেছেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শহীদুল ইসলাম লেবু বলেন, সরকারী বিধি বিধান মেনেই আমরা ওই ভবনটি মেরামত করেছি। আমরা কোন নতুন ভবন তৈরি করিনি।
অপরদিকে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সদস্য বলেন, প্রধান শিক্ষক একজন লম্পট, নারী লোভী। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছিল, মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ওই ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার একেএম শামছুল হক বলেন, বিদ্যালয় সরকারিকরন হওয়ার পর বিধি মোতাবেক কোন নতুন ভবন নির্মাণের নিয়ম নেই। যদি কোন প্রতিষ্ঠান এরূপ করে থাকে তবে তা আইন বহির্ভূত।
ঘাটাইলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি বিতরন
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আধিবাসী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তির অর্থ বিতরন করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। উপজেলা প্রশাসন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নে গ্রহীত কর্মসূচির আওতায় এ বৃত্তি প্রদান করেন।
এ কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও ¯œাতক পর্যায়ের ৩৫০ জন শিক্ষার্থীকে চার লক্ষ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ।
বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা , মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিল্পী দে, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান অনিল চন্দ্র বর্মন, অমুল্য চন্দ্র বর্মন প্রমুখ।
ঘাটাইলে হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র্যালি
সোমবার সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় “হাত ধোব নিয়মিত থাকবো সবাই স্বাস্থ্যসম্মত” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ও জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদযাপিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদ্প্তর আয়োজিত ব্র্যাক এর সহযোগিতায় একটি র্যালি পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করেন।
র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান উপজেলা নির্বাহি অফিসার দিলরুবা আহমেদ সমাজ সেবা অফিসার সানজিদা সুলতানা প্রমুখ
Labels:
আওয়ামীলীগ,
উপজেলা পরিষদ,
ঘাটাইলের কথা,
জাতীয়,
বিএনপি,
লিড নিউজ
ঘাটাইলে সিডিপির উদ্যোগে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত
“পরিষ্কার হাত সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি কৌশল”- এই প্রতিপাদ্যকে সমানে নিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের গুড নেইর্বাস ঘাটাইল সিডিপির উদ্যোগে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় গুড নেইর্বাস ঘাটাইল সিডিপির ম্যানেজার মো: জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি স্থানীয় বাজার প্রদক্ষিণ শেষে অফিস প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
পরে সেখানে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,১নং দেউলাবাড়ি ইউনিয়ন মো: রফিকুল ইসলাম খান,সিডিপির ডা.মো. শুভ বসাক প্রমুখসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫০ জন মা ও শিশু উপস্থিত ছিলেন।
সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ অধিকার নিয়ে বাস করবে
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। মুক্তিযুদ্ধে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। এখানে কোনো ধর্মের লোক এককভাবে যুদ্ধ করেনি। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সব ধর্মের লোকের রক্তের বিনিময়ে এই দেশ। সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ অধিকার নিয়ে এ দেশে বাস করবে।
সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিকাটুলির রামকৃষ্ণ মিশন ও লালবাগের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, এ দেশের মানুষকে ভালো রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যে একটাই সেটা হলো এ দেশের মানুষকে উন্নত জীবন দেয়া।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে এ দেশকে গড়ে তুলতে চাই। আওয়ামী লীগ যখনই সময় এবং সুযোগ পাচ্ছে তখনই দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে কাজ করছে।
তিনি বলেন, প্রতি বছর পূজামণ্ডপের সংখ্যা বাড়ছে। ঢাকাসহ সারাদেশে, প্রবাস এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনদের শুভেচ্ছা জানান। সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে যেন পূজা অনুষ্ঠিত হতে পারে সেজন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ৩টা ৪০ মিনিটে রামকৃষ্ণ মিশন প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। উপস্থিত দর্শকদের তিনি হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। রামকৃষ্ণ মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী সুবেশ আনন্দ শুভেচ্ছ বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ ও আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ায়ী বক্তব্য রাখেন।
ঘাটাইলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুর্যোগ থেকে নিজেকে রক্ষায় মহড়া
সোমবার (১৫ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ভুমিকম্প, অগ্নিসংযোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা চত্বরে মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহযোগিতায় দুর্যোগ মোকাবেলা মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসালম খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ, সমাজ সেবা অফিসার সানজিদা সুলতানা, সালেহা ইউসুফজাই (এসই) উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুলবুলি বেগম প্রমুখ।
হামিদপুরে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল
টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও ঘাটাইল উপজেলা সীমান্ত এলাকায় হামিদপুরের সরকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল অবাধে বিক্রি হচ্ছে। এসব ব্যবসায় নেতৃত্ব দিচ্ছে সওদাগর পট্টির আঃ সাত্তার। দীর্ঘদিন যাবৎ প্রশাসনের নাকের ডগায় এ অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রি হলেও প্রশাসন এ যাবৎ কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এ বিষয়ে জাল বিক্রেতা চারানের মজনু সরকার বলেন, আমরা হামিদপুরে আঃ সাত্তার সওদাগরের নিকট খুচরা কিনে হাট বাজারে বিক্রি করি।
হামিদপুরের আঃ সবুর বলেন, আমরা ছোট বড় মিলে প্রায় একশত ব্যবসায়ী হামিদপুরের আঃ সাত্তারের নিকট হইতে ক্রয় করে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন হাট বাজারে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি করে আসছি। এ বিষয়ে আঃ সাত্তার সওদাগরের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই আমি এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হামিদপুর স্ট্যান্ডে ও হামিদপুর হাটে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মাকসুদুর রহমান জানান, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি ব্যাপারে আমার জানা নেই। অতিসত্বর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)








