
ভয়াবহ ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার হত্যাকান্ড পরবর্তীতে জজমিয়া নাটক সাজায় বিএনপি-জামায়াতের অনুসারী তৎকানীল পুলিশ প্রশাসন আলোচিত ওই হত্যাকান্ডটি আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছিল। ঠিক তেমনি টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহামদের এই হত্যাকান্ডটি বিএনপি-জামায়াতপন্থি তল্পীবাহক তাদের এজেন্ট পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশ বিশেষ উদ্দ্যেশে আওয়ামী লীগ বিরোধী এই হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারী একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর যোগসাজসে রীতিমত জজ মিঞার নাটক সাজিয়ে উদোরপিন্ডি বুধোর ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিয়েছে এমনটি মনে করছেন টাংগাইলের আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ জনগন। আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে উদীয়মান আওয়ামীলীগ নেতা শহীদ আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর মত জনপ্রিয় নেতার হত্যাকান্ডের বেনিফেশিয়ারী ও পরিকল্পনাকারীরাই হয়তবা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদকে হত্যা করতে পারে বলে মনে করেন এলাকাবাসী । ফারুক হত্যা মামলা তদন্ত অবস্থায় এই মামলাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তাদেরই অনুসারী ২০১৪ সালের দিকে আকস্মিকভাবে মিটিং-মিছিল ও তথাকথিত আন্দোলন শুরু করে দেয়। উল্লেখ্য যে, বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াওসহ প্রতিটি আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে প্রতিবাদ প্রতিরোধ করেছে সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা, সাবেক মেয়র শহিদুর রহমান খান মুক্তি ও তার অন্যান্য ভাইয়েরা। অথচ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মরহুম শামছুর রহমানের আপন ভাতিজা রানা-মুক্তিসহ তাদের অন্যান্য ভাইদেরকে জড়িয়ে দেয় নাটকীয়ভাবে এই হত্যার দায়। আনিসুর রহমান রাজা নামে আওয়ামীলীগের এক কর্মীকে ধরে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে প্রায় দুই সপ্তাহ ঝুলিয়ে রেখে চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জবানবন্দী আদায়ের চেষ্টা করে। তার হাত পায়ের নখ উৎপাটন করে ফেলে নির্যাতন চালাতে থাকে। একই অবস্থা করে মোহাম্মদ আলী নামে আরেক আওয়ামী লীগের কর্মীকে, তাকেও মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানুিষক নিযার্তন চালায় মর্মে আদালতের হলফ নামায় জানায়। পুরো বিষয়টিই ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা হত্যাকান্ড মামলায় জজমিয়া নাটক সাজানোর মত। আলোচিত মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলাটিও একই কায়দায় প্রশাসনের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট এবং তথাকথিত আন্দোলনকারীরা এই হত্যাকান্ডের বেনিফিসিয়ারী গোপন বৈঠক করে টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ করে দেওয়ার জন্য তৃনমূল আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করে দেওয়ার নীল নকশা তৈরি করে গভীর ষড়ষন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা এই কথা এলাকার অধিয়াংশ আওয়ামীনেতারা বলেন। অথচ এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হওয়ার সময় সাংসদ আমানুর রহমান রানা তার নির্বাচনী এলাকায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছিল। যা ওই থানার পুলিশ প্রটোকল ছিল সেখানে। এব্যাপারে থানায় একটি জিডি করা ছিল তার প্রমানও রয়েছে রেকর্ডবুকে সংশ্লিষ্ট থানায়। তার অন্য ভাই টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি জাহিদুর রহমান খান কাকন হত্যাকান্ডের প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই স্ত্রী-সন্তানসহ দেশের বাহিরে ছিল। এমপি রানার অপর ভাই পৌরসভার সাবেক মেয়র থাকাবস্থায় ঘটনার প্রায় একমাস পূর্বে স্ত্রী-সন্তানসহ তিনি চিৎকিসার জন্য ভারতে ছিল এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয়ে রাজনৈতিক কাজে অবস্থান করছিল। উল্লেখ যে, ফারুক হত্যা মামলার পরিকল্পনাকারীরা মূলত এই হত্যাকান্ডটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য খান পরিবারের চার ভাইকে ষড়যন্ত্রের জালে ফেলে দিয়েছে বলে আওয়ামীলীগের তৃণমূলের কর্মীরা দাবী করে আসছে। তাদের দাবী এই ঘটনার পূনরায় সুষ্টু তদন্ত হলে প্রকৃত অপরাধীদের মুখোশ উম্মোচন হবে। অনুসন্ধানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, টাঙ্গাইলে বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা তদন্তকালীণ সময়ে ২০১৪ সালের প্রথম দিকে ঢাকার গুলশানের একটি রেস্তোরায় এই হত্যাকান্ড ভিন্নখাতে প্রভাবিত করে সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা ও তার ভাইদের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়ার জন্য এবং টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট টাঙ্গাইলের ওসি (ডিবি) গোলাম মাহফুজুর রহমান ও তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (ডিবি) অসোক কুমার সিংহ এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল কমিশনার সন্ত্রাসী ছোট মনি, বড় মনি একটি গোপন বৈঠক এলাকার লোকমুখে বুনে গেছে। প্রসঙ্গত, ২০১৩ইং সালের ১৮ই জানুয়ারী টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহম্মেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকা বাসার সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷