শুক্রবার, মার্চ ০৩, ২০১৭

ঘাটাইলে ৪দিন ধরে অটোরিক্সাসহ চালক নিখোঁজ

ঘাটাইলে অটোরিক্সাসহ এক চালক ৪দিন যাবৎ নিখোঁজ রয়েছে। সে ঘাটাইল উপজেলার বীর ঘাটাইল গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে আবু তাহের(৪০)। সে গত ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি অটোরিক্সাসহ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। এ ব্যাপারে থানায় সাধারন ডায়েরি করেছে তার পরিবার।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকালে সে প্রতিদিনের ন্যায় সকাল ৯ টায় বাড়ি থেকে বের হয়। তার প্রতিবেশীরা এই দিন দুপুর পর্যন্ত ঘাটাইল পৌর এলাকায় তাকে অটোরিক্সা চালাতে দেখে। এর পর থেকেই তার আর কোন খোঁজ মিলছে না। দুপুরের পর তাহেরের ফুপাতো ভাই তাহেরের নম্বরে ফোন করলে তার ফোনটি অন্য লোক রিসিভ করে জানান তাহের অসুস্থ থাকায় তাকে এলেঙ্গা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এরপর থেকে মোবাইল নম্বরটি বন্ধ রয়েছে। 

হারিয়ে যাচ্ছে পলাশ গাছ

এক সময়ের সকলের চির চেনা ও পরিচিত পলাশ গাছ ও পলাশ ফুল এখন অত্বিত্ব সংকটে। শুধু ঘাটাইল নয় দেশের কোথাও এখন পলাশ গাছ খোঁজে পাওয়া দুস্কর। কিন্তু এক সময়ে বন জঙ্গলের দিকে তাকালেই দেখা মিলত চির পরিচিত পলাশ ফুলের। তাই পলাশকে বলা হত বনের অগ্নিশিখা। নতুন করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ না নেয়ায় পুরনো গাছ সংরক্ষণ ও পরিচর্যা না করায় এ গাছটি এখন বিলুপ্তির পথে।
আমার এক বন্ধুকে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে ঘাটাইল পৌর এলাকার সিতেশ চন্দ্র চক্রবর্তীর বাড়ির চারপাশে দেখা মেলল ছোট বড় ২২ টি পলাশ গাছের। ৮/১০টি গাছ বড় অন্যগুল ছোট আকারের। জানা যায়, পলাশ বসন্তের প্রতীক। রঙভরা বসন্তে পলাশের বিশাল দখলদারিত্ব। পলাশ ফুটলেই বোঝা যায় ফাগুন এসেছে। টিয়া পাখির ঠোঁটের সঙ্গে পলাশ ফুলের দারুণ মিল। সে জন্যই বুঝি পলাশ গাছে টিয়ার মেলা। আর একই কারণে পলাশের প্রচলিত ইংরেজি নাম প্যারোট ট্রি। আবার পলাশ দেখতে অনেকটা বক ফুলের মতো। সবকিছু মিলিয়ে পলাশ ফুল অসাধারণ। কিন্তু ফুলে গন্ধ নেই!
পলাশ মাঝারি আকারের পর্ণমোচী বৃক্ষ। শীতে গাছের পাতা ঝরে যায়। বসন্তে গাছ ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। পলাশ ফুলের রং আগুন লাল। আবার হলুদ ও লালচে কমলা রংঙ্গের পলাশ ফুলও আমরা দেখে থাকি। পলাশ গাছের বাকল ধূসর। শাখা-প্রশাখা আঁকাবাঁকা। 
নতুন পাতা রেশমের মতো সূক্ষ্ম। গাঢ় সবুজ পাতা ত্রিপত্রী। হিন্দু স¤প্রদায়ের অনেকের মত পলাশের গাঢ় সবুজ ত্রিপত্রী হিন্দু দেবতা ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের প্রতীক। বৌদ্ধ স¤প্রদায়ের কেউ কেউ মনে করেন পলাশ গাছের নিচে ভগবান গৌতম বুদ্ধের জন্ম হয়েছিল। সংস্কৃতিতে পলাশ হচ্ছে কিংসুক। 
বাংলা ও হিন্দি নাম পলাশ। মণিপুরি ভাষায় পলাশ হচ্ছে পাঙ গোঙ। আদি নিবাস ভারত উপমহাদেশ। নতুন করে গাছ লাগিয়ে এ গাছের প্রজাতি রক্ষা এবং বন জঙ্গলসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটে থাকা গাছ গুলি সংরক্ষণের দাবী পরিবেশবাদীদের।
 

ঘাটাইলে কবি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‘কবিতা হোক সমাজ বদলের হাতিয়ার’-শ্লোগান নিয়ে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটিকড়ীস্থ লোকের পাড়া ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে শুক্রবার দিনব্যাপি এক কবি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
কবি আবুল কাশেম সরকার আয়োজিত কবি সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মির্জা মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন কবি আবদুল হালীম খাঁ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সাহিত্যিক নাজির হোসেন,কমরেড ওয়াহেদুজ্জামান মতি,অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক,অধ্যাপক বাদল মাহমুদ,ছড়াকার শাজু রহমান ও গোলাম রব্বানী রতন।সম্মেলনে উপস্থিত কবিগণ সমাজ থেকে ঘুষ,দূর্ণীতি ও অনাচার বন্ধ করে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার আহবান জানান এবং স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন।
এতে টাঙ্গাইলের ৬০ জন কবি-সাহিত্যিক অংশ গ্রহন করেন।কবি সম্মেলনটি পরিচালনা করেন ছড়াকার,কবি ও লোক সাহিত্য সংগ্রাহক মামুন তরফদার। সূত্র: কারক নিউ ডটকম।

নেংড়া বাজার টু ছনখোলা রাস্তার ব্রিজটি যেন মরন ফাঁদ

এম এস এস সৌরভ, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার নেংড়া বাজার থেকে ছনখোলা পাকা রাস্তাটির গৌরীস্বর নামক স্থানের ছোট ব্রিজটি যেন মানুষের মরন ফাঁদ ৷ উপজেলা সদর  থেকে ছনখোলা যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এই রাস্তাটি ৷ রাস্তাটি প্রশস্ত কম হওয়ায় সাধারনত সিএনজি,অটোরিক্সা,মাহিন্দ্রা চলাচল করে থাকে ৷ তবে  রাস্তাটির প্রশস্ত কম হওয়ায় যানবাহন চলাচল খুবই কষ্ট সাধ্য ৷ তারমধ্যে ব্রিজটির অর্ধেকাংশ ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে যানবাহন চলাচল রয়েছে চরম ঝুকির মধ্যে ৷
এলাকাবাসী ও গাড়ীচালকরা জানায় রাস্তাটির প্রশস্ত কম এবং ব্রিজটির অর্ধেকাংশ ভেঙ্গে পড়ার ফলে গাড়ী চলাচল ঝুকির মুখে রয়েছে ৷ যেকোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা ৷ এবং ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় সন্ধ্যার পর গাড়ী চলাচল বন্ধ থাকে যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারন যাত্রীদের ৷
এলাকাবাসী জানায় , বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন ব্রিজটি দ্রুত নতুন সংস্কারের মাধ্যমে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয় ৷ এবং এই মরন ফাঁদ থেকে সাধারন জনগন কে মুক্ত করা হয় ৷ একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না ৷ তারজন্য ব্রিজটি সংস্কারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হচ্ছে ৷প্রশাসন যেন দ্রুত কার্যকরী প্রদক্ষেপ গ্রহন করেন ৷