মঙ্গলবার, জুলাই ৩১, ২০১৮

ঘাটাইলে সাংবাদিক রেজাউল করিম খান রাজু’র চাচার ইন্তেকাল


ঢাকাটাইমস ও দৈনিক মজলুমের কন্ঠ পত্রিকার ঘাটাইল প্রতিনিধি সাংবাদিক রেজাউল করিম খান রাজু”র বড়ো চাচা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট শামসুর রহমান খান রফিক আর নেই।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার সময় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি....রাজিউন)।

তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।
শামসুর রহমান খান রফিক ঘাটাইল উপজেলার কালিয়া গ্রামের মৃত গোলাম হোসেন খানের বড় ছেলে।তিনি এক ছেলে,তিন মেয়ে,নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ মঙ্গলবার বাদ আসর নিজগ্রামে কালিয়াগ্রাম নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জানাজা শেষে তার দাফন হবে।

ঘাটাইল প্রেসক্লাব পরিবার মরহুমের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেছেন।

ঘাটাইলের চানতারায় মাদক নির্মূল কমিটির হাতে আটক ২



টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার চানতারা এলাকায় মাদক নির্মূল কমিটির হাতে দুই জন আটক হয়েছে। ৩০ জুলাই (সোমবার) রাতে তাঁদেরকে কমিটির সদস্যরা আটক করে পরে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

মাদক নির্মূল কমিটির আহবায়ক রনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কমিটির সদস্যরা জানতে পারে যে মাদক ব্যবসায়ী সনেট চানতারা গোরস্থানের পাশে মাদক বিক্রি করছে। এ সময় কমিটির সদস্যরা মাদক ব্যবসায়ী সনেটকে তিন পিস ইয়াবা সহ হাতেনাতে পাকড়াও করে। সে সময় সনেটের সাথে থাকা আলম নামে একজন মাদকসেবীকেও পাকড়াও করা হয়। পরে ঘাটাইল থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী সনেট উপজেলার চানতারা এলাকার মোঃ সাইদুল ইসলামের ছেলে। এবং মাদকসেবী আলম একই এলাকার মোঃ হেলাল উদ্দিনের ছেলে।

ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জান এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সোমবার, জুলাই ৩০, ২০১৮

ঘাটাইলে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পরিকল্পিত উন্নয়ন

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বিভিন্ন প্রকল্পে পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়েছে। টাঙ্গাইল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী রাইসুল ইসলাম ঘাটাইলের অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কাজ করে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ স্থানীয়দের মাঝে প্রসংশিত হয়েছেন।
তিনি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে ঘাটাইলের দায়িত্ব নিয়ে অফিস চত্বরের নিচু জায়গা ভরাট ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে অফিসের সৌন্দর্য্য বর্ধন করেন। দীর্ঘদিন এ অফিস চত্বরটি মাইক্রোবাস ও অটোরিক্সা চালকদের দখলে ছিল। স্থায়ী দখলমুক্ত করতে তিনি বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণের কাজ হাতে নিয়েছেন।
এছাড়াও তিনি পল্লী অঞ্চলের পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন পর্যায়ে ৩ হাজার ৩’শ ২২ টি নলকূপ ও ৩৩ টি অগভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। এ কারণে বর্তমানে স্থানীয়রা এর সুফল পাচ্ছেন।
চঊউচ-৩ প্রকল্পের আওতায় তিনি বর্তমানে ৩১ টি ওয়াশ ব্লক স্থাপন করেছেন তিনি। এছাড়া এ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন স্থানে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। যার সুফল পাচ্ছে বিভিন্ন প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

ঘাটাইলে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা ॥ আটক ১


আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ঘাটাইল : টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ৪র্থ শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে গ্রামবাসীর হাতে আটক হয়েছে এক বখাটে। পরে গ্রামবাসী অভিযুক্ত রিপন মিয়া (৩২) কে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার ঘাটাইল উপজেলার বাগুনডালী গ্রামে। ছাত্রীটি স্থানীয় মাইজবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ছাত্রীটির বাবা আশরাফ আলী বাদী হয়ে এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।


পুলিশ ও গ্রামবাসী জানায়, উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের বাগুনডালী গ্রামের আশরাফ আলীর মেয়ে রিয়া (১০) সে স্থানীয় মাইজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী । প্রতিদিনের ন্যায় সে শনিবার বাড়ি থেকে সকালে বাগুনডালী পশ্চিমপাড়া প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। প্রাইভেট পড়তে যাওয়ায় পথে বাগুনডালী গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে রিপন মিয়া (৩২) ছাত্রীটিকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে টেনে হিছড়ে পাশ্ববর্তী পাট ক্ষেতে নিয়ে যায়। তখন সে ডাক চিৎকার শুরু করলে পাট ক্ষেতের অদুরে অবস্থিত বাড়ির এক মহিলা দৌড়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় বখাটে রিপন দৌড়ে পালিয়ে যায়।

তৎক্ষনাৎ ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামবাসী বখাটে রিপনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রিপনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। শনিবার রাতে ছাত্রীটির বাবা আশরাফ আলী বাদী হয়ে এ ব্যাপারে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঘাটাইল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কমর্ককর্তা(তদন্ত ) মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান আটক রিপন মিয়াকে আজ রোববার সকালে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কাজ চলছে।

রবিবার, জুলাই ২৯, ২০১৮

ঘাটাইলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, বিচারের দাবীতে সড়ক অবরোধ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে আজ রবিরার (২৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিং মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষকের বিচার ও অপসারণ দাবী করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে দুই ঘন্টাব্যাপী অবরোধে অচল হয়ে পরে মহাসড়কটি। তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার করা হবে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় ছাত্রীরা।

এনামুল ঘাটাইল এস.ই. বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় বিষয়ক শিক্ষক, বাংলাদেশ ওলামা লীগ ঘাটাইল উপজেলা শাখার সভাপতি ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (মাধ্যমিক) ঘাটাইল শাখার দপ্তর সম্পাদক।

জানা যায়, ঘাটাইল এস.ই. বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক এনামুল হক শিক্ষকতার পাশাপাশি সৃষ্টি কোচিং সেন্টার নামে একটি নাইট কোচিংয়ের পরিচালক ও শিক্ষক। গত ২৫ জুলাই ঘাটাইল বাজারস্থ কালী মন্দিরের পেছনে সৃষ্টি কোচিংয়ে পড়তে যায় তারই নিজ প্রতিষ্ঠানের ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রী। বেশ কিছু দিন আগে থেকেই শিক্ষক এনামুলের কুনজর পরে ঐ ছাত্রীর উপর। ছাত্রীটি ঘটনার রাতে অন্য সকল ছাত্র-ছাত্রীর মতোই স্বাভাবিকভাবে কোচিং ক্লাসে অংশ নেয়। কোচিং ক্লাস চলাকালিন সময় এনামুল পাশের একটি নির্জন কক্ষে তাকে ডেকে নিয়ে কুপ্রস্তাব এবং তার গায়ে হাত দেয়। ছাত্রীটি শিক্ষকের এমন আচরণে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পরে এবং বিষয়টি ঐ রাতেই তার বাবা-মাকে জানান। পরের দিন ২৬ জুলাই তার বাবা এমন নেক্কার জনক ঘটনা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত আকারে অবহিত করেন। ঐ দিন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ বিষয়টি আমলে নিয়ে এক জরুরী সভা ডাকে। সভায় শিক্ষক এনামুলকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যহতি এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল এস.ই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুলবুলি বেগম আমাদের ঘাটাইল২৪ডটকম কে জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা তাকে পরিচালনা পরিষদের জরুরী সভায় বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে তাৎক্ষণিক অব্যহতি প্রদান করি।

বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ জানান, এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদস্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে তিনি দোষি সাব্যস্ত হলে কঠোর আইনানুগ শাস্তি প্রদান করা হবে।

ঘাটাইলের শাইটশৈলা উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কবলে

মো. মাসুম মিয়া, ঘাটাইল : দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কবলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শাইটশৈলা উচ্চ বিদ্যালয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয়ের মাঠে জমে হাটু পানি। মাঠের চারপাশের রাস্তা অনেক উঁচু থাকায় এমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসমত আলী।
তিনি জানান,আমি প্রায় বিশ বছর ধরে এ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছি । শুরু থেকেই এ সমস্যা দেখে আসতেছি। মাঠে কয়েক দফায় মাটি ফেলা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য। আজ শনিবার (২৮ জুলাই ) কয়েকজন জেলে বিদ্যালয়ের মাঠে জমে থাকা পানিতে মাছ আছে এমনটা ভেবে বেড় জাল দিয়ে মাছ ধরার চেষ্টা করেন। তাদের দেখে এলাকার লোকজনও দেশীয় যন্ত্র দিয়ে মাছ ধরার জন্য মাঠে নেমে পরে। ভারী বর্ষনে আশে পাশের ডোবা থেকে ছুটে আসা কিছু মাছ স্থানীয় লোকজন উৎসাহ নিয়ে ধরে নেয়।
স্থায়ী এই জলবদ্ধতা নিরসনের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন বিদ্যালয় কর্তপক্ষ।

শনিবার, জুলাই ২৮, ২০১৮

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ আটক কারারক্ষী জলিল কারাগারে

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ গ্রেফতার কারারক্ষী আব্দুল জলিলকে (৩৮) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান। তিনি ঘাটাইল উপজেলার ছলিম উদ্দিনের ছেলে।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কারারক্ষীর বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করেন।
গ্রেফতারকৃত আব্দুল জলিল টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের কারারক্ষী।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের ডিস্ট্রিক গেইট এলাকা থেকে ৩৫০ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার এসআই আবুল বাশার বলেন, গ্রেফতার হওয়ার পর কারারক্ষী আব্দুল জলিল পুলিশের কাছে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
আব্দুল জলিল পুলিশকে জানান, তিনি টাঙ্গাইল কারাগারের ভেতরসহ আশপাশের এলাকায় চাহিদা মোতাবেক নিয়মিত মাদক সরবরাহ করতেন। এটি তার নিয়মিত একটি কাজ ছিল। জেলখানায় বিভিন্ন ধরনের মাদকসেবী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে চাহিদা মোতাবেক ইয়াবা সরবরাহ করতেন। ইয়াবাগুলো বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়ে আসতেন তিনি।
এসআই আবুল বাশার আরো বলেন, তার মোবাইল ফোনে অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তার সাথে আরো অনেকেই জড়িত রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার ওসি সায়েদুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার রাতে শহরের ডিস্ট্রিক গেইট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় কারারক্ষী (জেল পুলিশ) আব্দুল জলিলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ৩৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল শহরে মাদক সরবরাহ করে আসছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল কারাগারের কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেলার আবুল বাশার বলেন, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কারাগারে মাদকের সরবরাহের বিষয়টি সঠিক নয়। আবুল জলিল অনেক কিছুই বলতে পারেন। আব্দুল জলিল টাঙ্গাইল কারাগারের একজন কারারক্ষী ও কনস্টেবল।

পাকুটিয়া শিল্প ও বণিক সমিতি নির্বাচনে মালেক সভাপতি, ছানোয়ার সম্পাদক

আতিক সরকার, ঘাটাইল :  শুক্রবার (২৭ জুলাই) টাংগাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ১ নং দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পাকুটিয়া শিল্প ও বনিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন পাকুটিয়া পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে ছাতা প্রতীক নিয়ে মোঃ আঃ মালেক খান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে আনারস প্রতীক নিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ছানোয়ার হোসেন।
এর আগে সকাল আটটা থেকে শুরু হয়ে একটানা বিকাল চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে।
পাকুটিয়া শিল্প ও বনিক সমিতির কার্যকরী মোট ১১ পদের সাত পদে সাতজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীয় ইতোপূর্বে নির্বাচিত হয়েছেন। আর অন্যান্য চার পদে মোট আটজন প্রার্থী আজ নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
নির্বাচনে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, সভাপতি পদে ২১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আঃ মালেক খান (ছাতা), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রী প্রবাস চন্দ্র কিরিটি পেয়েছেন ১১২ ভোট (গরুর গাড়ি)। সহ-সভাপতি পদে ২৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ নজরুল ইসলাম (আম), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ কাজী আব্দুস সবুর পেয়েছেন ৫৬ ভোট (টেলিভিশন)। সাধারণ সম্পাদক পদে ১৭৫ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ছানোয়ার হোসেন (আনারস), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ জুলহাস উদ্দিন পেয়েছেন ১৫৫ ভোট (মোরগ)। কোষাধ্যক্ষ পদে ১৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বাবু শংকর চন্দ্র (কলসি), তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র পাল পেয়েছেন ১৩৬ ভোট (পাখা)।
নির্বাচিত কমিটি আগামী তিন বৎসরের জন্য পাকুটিয়া শিল্প ও বনিক সমিতির দায়িত্ব পালন করবে।
সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বুধবার, জুলাই ২৫, ২০১৮

দীর্ঘ সময় বসে অফিস, শরীরে বাঁধতে শুরু করে নানা রোগ ব্যাধি

জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে অফিস বা ব্যবসা ক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়। অনেকক্ষণ বসে থাকার ফলে ধীরে ধীরে শরীরে বাঁধতে শুরু করে নানা রোগ ব্যাধি, যা কখনো মারাত্মক রূপও ধারণ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোমরে চর্বিজমা, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, হার্টের সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি সমস্যাগুলো যারা বসে কাজ করেন তাদের মধ্যে বেশি।

এছাড়াও যারা ডেস্কে বসে বেশিক্ষণ কাজ করেন তারা কোমর ও ঘাড় ব্যথায় বেশি ভুগে থাকেন। কিন্তু জীবনের তাগিদে নিত্যদিনের কাজ ত্যাগ করা সম্ভব নয়। তাই প্রতিদিন কাজের ফাঁকে কিছু অভ্যাস তৈরি করা উচিত। যেমন এক ঘণ্টা পর পর চেয়ার থেকে উঠে কিছুক্ষণ হাঁটা, লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামার অভ্যাস করা, চেয়ারে সোজা হয়ে বসা।

এছাড়াও কিছু ছোট খাটো ব্যায়াম আছে যা চেয়ারে বসেই করা যায়, কাজের ফাঁকে এই ব্যায়ামগুলো করা। মনে রাখতে হবে- আমাদের শরীর প্রতিদিন যেই পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করে, তা কাজে লাগাতে হবে। তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি নাশতায় ভাজা পোড়া বা ফাস্টফুডের পরিবর্তে মৌসুমি ফল বা বাদাম জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

গ্রিন টি আমাদের শরীরে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, তাই চা বা কফির পরিবর্তে গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া কোনো প্রকার স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মঙ্গলবার, জুলাই ২৪, ২০১৮

ঘাটাইলে বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা ঔষধ বিতরণ

নজরুল ইসলাম, ঘাটাইল : প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ঘাটাইল উপজেলা শাখার উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ চত্বরে দরিদ্র ও বয়স্ক রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ আহবায়ক মো. শহীদুল ইসলাম লেবু।

বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ঘাটাইল উপজেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব হাসান আলী মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অধীর চন্দ্র সাহা। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মো. হায়দার আলী, মো. আবুবকর সিদ্দিক,মোহাম্মদ আলী, কাজী আব্দুস সামাদ সরকার, আলহাজ্ব মো. জয়নাল আবেদীন ভূইয়া, সৈয়দ নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. শুভময় পাল, কনসালটেন্ট ডা. মো. আলমগীর কবির, ফার্মাসিস্ট ডা. ফনিদ্র পাল সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা পষর্ন্ত প্রায় দেড়শত রোগীকে ফ্রি চিকিৎসাপত্র ও বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ করেন।

যার পরশে বদলে যায় একটি দলের পুরো চালচিত্র

‘তবে কি তিনি জাদু জানেন? তার হাতে কি তাহলে আলাদিনের চেরাগ আছে, কিংবা এমন কোনো জাদুর কাঠি? যার পরশে বদলে যায় একটি দলের পুরো চালচিত্র, চেহারা। নাহ, জাদু জানবেন কি করে? তিনি তো আর জাদুকর নন। ক্রিকেটার। সখেও জাদু-টাদু দেখান- শুনিনি কখনো। তাহলে, কেন তার স্পর্শে বারবার টিম বাংলাদেশের চেহারা বদলে যায়? এর রহস্যই বা কি?’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক অনুজ প্রতিমের স্ট্যাটাস! সত্যিই তাকে নিয়ে এখন কত কথা! নানা প্রশ্ন। রাজ্যের কৌতুহল। তিনি কি শুধুই একজন মানুষ কিংবা একজন ক্রিকেটার? মূলতঃ তিনি তো একজন পেস বোলার। যার নিচের দিকে একটু আধটু ব্যাট করার ক্ষমতাও আছে। সে সঙ্গে তার আরও একটি বড় পরিচায়, তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক।


ব্যাস এইটুকুতেই কি শেষ? না নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ে বেড়ে ওঠা ৩৪ বছরের সাহসী, উচ্ছল, প্রাণখোলা, সহজ-সরল জীবন যাপনে অভ্যস্ত অথচ বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী মাশরাফি বিন মর্তুজার কি আর কোন পরিচয় নেই?

আছে। ক্রিকেটার মাশরাফির চেয়ে বড়, অধিনায়ক মাশরাফি। আর অধিনায়ক মাশরাফি ছাপিয়ে বড় ‘মানুষ মাশরাফি’। তাইতো ‘মাশরাফি মানেই অনুপ্রেরনা। মাশরাফি মানেই উদ্দীপনা। মাশরাফি মানেই সহযোগিদের জন্য অফুরন্ত সাহস, আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠার অন্যতম মাধ্যম।’
এর বাইরেও মাশরাফিকে নিয়ে আরও অনেক কথাই বলার আছে। তিনি এখন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘মহীরুহ’। ক্রিকেটারদের ভাই। অভিভাবক। সবচেয়ে বড় নির্ভরতা। আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। তারপরও ওপরে এতক্ষণ যে কথাগুলো বলা হলো এর কোনটাই যে একদম নতুন কোনো কথা, কেউ আগে কখনো শোনেনি- এমন নয়। পুরনো ও জানা কথা-বার্তা। তবে রোববার রাতে সেই পুরনো কথা এবং জানা বিষয়টি আবার নতুন করে লিখতে হলো। ‘অধিনায়ক মাশরাফির’ ছোঁয়ায় দেখা মিললো চিরচেনা সেই ‘টিম বাংলাদেশে’র।
এই তো ক’দিন আগে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্টে যে দলটিকে মনে হয়েছে আড়ষ্ট, দূর্বল-ভাঙ্গাচোরা ও ছন্নছাড়া। সেই দলটিই রোববার রাতে গায়ানার প্রোভিডেন্সে একদম অন্যরকম। নির্ভীক, সাহসী, উদ্যমী। ভাল খেলায় দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।
তারপরও সমালোচকরা হয়ত বলবেন, মাঝে-মধ্যে একে ওকে হারালেও টেস্টে বাংলাদেশ কখনোই ভাল দল নয়। দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে টাইগাররা বরাবরই জুবুথুবু। অনুজ্জ্বল। আর ওয়ানডেতে সেই দলেরই ভিন্ন চেহারা! বেশ কিছুদিন ধরেই ৫০ ওভারের ফরম্যাটে মোটামুটি ভাল দলের তকমা গায়ে আঁটা। একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট হয়ে গেছে নিজেদের নামের পাশে।
সেখানে অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির অবশ্যই একটা বড় ভূমিকা আছে। অবদানও আছে। তাই বলে, তার কারণেই একদিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ভাল দল, তার স্পর্শেই ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিং- তিন শাখাতেই উজ্জ্বল- তা মানতে আপত্তি কারো কারো।
সমালোচকরা তথা মাশরাফি বিরোধীরা যাই ভাবুন না কেন, সত্যিই মাশরাফির শারীরিক উপস্থিতি পাল্টে দেয় বাংলাদেশ দলকে। মাশরাফির উপস্থিতিতে বদলে যায় পুরো একটি দল। শরীরি ভাষাটাই বদলে যায়, হয়ে ওঠে অন্যরকম। বোঝাই যায়, সবাই চাঙ্গা। ফুরফুরে মেজাজে। নির্ভার। ভাল খেলতে এবং জিততে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
তার প্রামাণ্য দলিল, রোববার রাতে গায়নার প্রোভিডেন্সে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ওয়ানডের ট্র্যাক রেকর্ড যতই তুলনামূলক সমৃদ্ধ থাক না কেন, কঠিন সত্য হলো- একটা সফরে কোন ফরম্যাটের সিরিজে খুব বেশি খারাপ খেলে ফেললে সেই খারাপের ধাক্কা সামলে ওঠা কঠিন।
এমন অনেক নজির আছে। অনেক ভালো ভালো দলও কোন ভিনদেশে গিয়ে একটি সিরিজ হারের পর অন্য ফরম্যাটেও খারাপ খেলতে শুরু করে। মূল কারণ আস্থা, আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরে। সামর্থ্যের প্রতি আস্থা কমে যায়। নিজের ওপরও বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়।
বাংলাদেশ দল টেস্টে চরম খারাপ খেলেছে। তার প্রভাবে ওয়ানডে সিরিজে ভাল না খেলাও ছিল স্বাভাবিক; কিন্তু সেটা হয়নি মাশরাফির উপস্থিতির কারণেই।
দেশ ছাড়ার আগে ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে বড় গলায় কিছু বলতে রাজি হননি।  মুখোমুখি হয়ে শুধু বলেছিলেন, এখনই ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে আগ বাড়িয়ে কিছু বলতে চাই না। আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গিয়ে পৌঁছাই! নতুন কোচ। ক্রিকেটারদের সাথে বসি। পরিবেশ-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারপর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবো।’
দীর্ঘ প্রায় দুই দিনের বিমান ভ্রমণ শেষে দলের সাথে যোগ দেয়ার পর সাকুল্যে দুটি প্র্যাকটিস সেশন পেয়েছেন মাশরাফি। হয়ত দুই কি তিন দফা টিম মিটিং করার ফুরসত মিলেছে। দেখেন, তাতেই বদলে গেছে পুরো দলের শরীরি ভাষা। টেস্টের সেই ছন্নছাড়া, জুবুথুবু ভাব নেই। সবাই অনেক বেশি চাঙ্গা; ফুরফুরে।
টেস্টে পারিনি। ঘরের মাঠে সেই ওয়ানডে সিরিজটিও ভাল কাটেনি। এবার কিছু একটা করতেই হবে। ভাল খেলতে হবে। আমাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে- এই মন্ত্রে পুরো দল দীক্ষিত হয়েছে মাশরাফির দাওয়াইয়ে। আর তাই মাঠে নেমে দ্বিতীয় ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গার পরও তামিম-সাকিব অনেক বেশি দায়িত্ব সচেতন। স্বভাবসূলভ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ছেড়ে ও দারুণ হিসেবি ব্যাটিং করলেন। সাথে মুশফিকুর রহীমের ১০ বলে ৩০ রানের ছোট্ট কিন্তু হ্যারিকেন ইনিংস। ওই তিনের যোগফল ২৭৯ রানের বড়সড় পুঁজি। স্লো উইকেটে যা রীতিমত বড় স্কোর।
এরপর মাশরাফির অসাধারণ বোলিং। ৩৭ রানে ৪ উইকেট শিকার। খালি চোখে এটুকুই? নাহ! এর বাইরে অধিনায়ক মাশরাফির আরও ক্যারিশমা আছে। টস জিতে আগে ব্যাট বেছে নেয়া থেকে শুরু করে ব্যাটিং অর্ডার সাজানো এবং বোলিং পরিচালনা- সবই ছিল নিখূঁত, নিপুন।
প্রোভিডেন্সের পিচে আগে ব্যাট করা দলের গড়পড়তা স্কোর ২৩২। আর পরে ব্যাট করা দলের গড় রান ১৯৫। তার মানে পিচ শুরু থেকেই স্লো। সময় গড়ানোর সাথে সাথে আরও স্লথ হয়ে যায় উইকেট। এমন উইকেটে আগে ব্যাট করার চেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ আর নেই। তাই করেছেন মাশরাফি।
যা দেখে অনেকেই অবাক হয়েছিলেন। আরে করলেন কি? টেস্টে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৪৩ রানে ইনিংস শেষ হয়েছিল। এবার ওয়ানডেতেও আগে ভাগে ব্যাটিং। এবারো না জানি কি হয়? কারো কারো মনে এমন সংশয়-সন্দেহের বীজ কিন্তু ছিল। সাহসী ও ইতিবাচক মানসিকতার মাশরাফি সে সংশয়মুক্ত হয়ে প্রথম ব্যাটিং বেছে নিয়ে সাফল্যের পথে প্রথম পা রাখেন।
এরপর সাকিবকে ওয়ান ডাউনে খেলানোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা। ঘরের মাঠে তিনজাতি আসরে সাকিবকে তিন নম্বরে প্রমোশন দেয়ার সিদ্ধান্তটিও তার। সেই আসরের ফাইনালে সাকিবের ব্যাট করা হয়নি ইনজুরির কারণে। কাল সেই সাকিবকে ঠিক ওই ওয়ানডাউনে খেলানোও ছিল দুরদর্শী সিদ্ধান্ত। সাকিব মরিয়া ছিলেন নিজেকে মেলে ধরতে।
এরপর নিজে বোলিং ওপেন করা আর সাথে গেইলের কারণে অফস্পিনার মিরাজকে ওপেনিং বোলিং পার্টনার হিসেবে ব্যবহার করাতেও মিলেছে ক্রিকেট বুদ্ধির ছাপ। গেইল যতক্ষণ ছিলেন, ততক্ষণ আরেক অফ স্পিনার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে দিয়েও দারুণ বাজি খেলেছেন মাশরাফি। গেইল থাকা অবস্থায় সাকিব, মোস্তাফিজের মত বোলারকে মাশরাফি ব্যবহার করেননি।
তার বোলিং পরিচালনা, ফিল্ডিং সাজানো এবেং দল পরিচালনা- সবই ছিল খুবই উঁচুমানের। যে মানের কারণেই আসলে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সব মিলে মাশরাফি ‘থেরাপি’ বদলে দিয়েছে পুরো একটি দলকে। ছন্নছাড়া টাইগাররা আবার এক সুঁতোয় গাথা কযেকটি গোলাপ, একতাবদ্ধ। আবার ‘টিম বাংলাদেশ’।

অশান্তির জীবন থেকে শান্তির পথে ফিরতে চায় আইএস

গত কয়েক বছর ধরে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের(আইএস) শক্তি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরাক, সিরিয়া এবং লিবিয়াতে তাদের শক্তি প্রদর্শন দেখে বোঝা যাচ্ছে, আইএস কি পরিমান শক্তিশালী এবং ধ্বংসাত্মক।

অবশেষে অস্ত্র ছেড়ে অনিরাপদ অশান্তির জীবন থেকে শান্তির পথে ফিরতে চায় আইএস জঙ্গিরা। আর সেই কারণে ১১ জন আইএস জঙ্গি আফগান সরকারের কাছে আত্মসমপর্ণ করেছে। এভাবে বন্দুক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাওয়ার ঘটনা আইএস জঙ্গিদের ক্ষেত্রে একেবারে নজিরবিহীন। এমনকি আফগান সরকারও বিষয়টি নজিরবিহীন বলে মনে করে।

শুধু তাই নয়, আগামীদিনে আরও জঙ্গি এভাবে মূল স্রোতে ফিরে আসবে বলে দাবি আফগান সরকারের। কারণ এই সব জঙ্গিদের মূল স্রোতে ফিরে আসা অবশ্যই অন্যান্য জঙ্গিদের কাছেও অনুপ্রেরণা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মূলত, আফগানিস্তানের জাওয়াজান প্রদেশ আইএস অধ্যুষিত বলেই পরিচিত। সেই এলাকারই ১১ জঙ্গি আফগান সেনার কাছে নিজেদের আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করে। শেবেরগানে ঘটেছে ঘটনাটি।

আফগান পুলিশ কর্মকর্তা গুলাম আলি জানান, জাওয়াজান প্রদেশের দারজাব জেলায় আইএস জঙ্গিরা খুবই সক্রিয়। কিন্তু সরকারের সঙ্গে আইএস-এর দীর্ঘদিন ধরে চলা যুদ্ধ থেকে অব্যাহতি পেতে চায় তারা। তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চায় এসব জঙ্গিরা।

এদিকে আত্মসমপর্ণ করা জঙ্গিরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, তালেবান জঙ্গিদের সঙ্গে আইএসের সংঘর্ষে প্রাণ যায় তাদের। আর এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ছাড়া কোনো লাভ হয় না। আর দিনে দিনে যেভাবে শক্তি ক্ষয় হচ্ছে লড়াইয়ের ক্ষমতাও কমছে বলে জানান তারা।

সোমবার, জুলাই ২৩, ২০১৮

নব বিবাহিত মুসলিম দম্পতিদের যে পাঁচ জিনিস জানতে হবে

আবদুল্লাহ তামিম: বিয়ে রাসুল সা. এর একটি সুন্নত। রাসুল সা. বলেছেন, যে আমার সুন্নতকে অবজ্ঞা করলো সে আমাকে অবজ্ঞা করলো। যারা বিয়ে করলো আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য আল্লাহ তায়ালা তাদের জীবন আলোকিত করে দিবেন।

নতুন বিবাহিত মুসলিম দম্পতিরা তাদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে ইসলাম যা বলে তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায় অনেক সময়। কারণ তারা এ বিষয়ে কথা বলতে লজ্জা পায়।

অনেক সময় তারা বিভ্রান্তও হয়। তাই আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই।

১. বিয়ে প্রথম রাত

প্রথম রাতেই যে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে ইসলামে এর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আগে একে অপরকে বুঝা উচিত। যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে শারীরিক সম্পর্ক উপভোগের মাধ্যমে হবে, তাহলে তো ঠিক আছে।

কিন্তু জোড়পূর্বক কোনোভাবেই উচিত নয়। এতে শুরুতেই সম্পর্কের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব শুরু হয়। তাই এ ব্যপারে সতর্ক থাকা উচিত।

২. শারীরিক সম্পর্ক

নববধূর জন্য আল্লাহ শারীরিক সম্পর্ক হালাল করেছেন কিন্তু এটি শুধুই শারীরিক সম্পর্ক নয় আল্লাহর বিধান ও ইবাদতও। সেটি মনে রাখতে হবে। বিয়েটা শুধু যেনো যৌন চাহিদার জন্য না হয়। আল্লাহর বিধান মানার জন্যও যেনো হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে।

ইসলাম আমাদের যৌন আকাঙ্ক্ষা পরণের জন্য বিধান দিয়েছেন। রাসুল সা. বাসর রাত বা শারীরিক সম্পর্কের জন্য দোয়াও শিখিয়ে দিয়েছেন।

ইসলাম বলে মানুষ যেনো পশুদের মত যৌন চাহিদা পূরণ না করে। তাই অনেকগুলো নির্দেশনা আছে এ ক্ষেত্রে। সঙ্গিনীর চাহিদা, ভালো লাগা খারাপ লাগার প্রতি গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তার কষ্ট হয় এমন কিছু করা উচিত নয়।

আল্লাহ তায়ালা পায়ু পথে সম্পর্ক করাও হারাম করেছেন। তাই ইসলামের বিধান মানাটা অপরিহার্য।

৩. ভার্জিনিটি

অনেকের ধারণা থাকে শারীরিক প্রথম সম্পর্কের ক্ষেত্রে রক্তপাত না হলে তার ভার্জিনিটি আগেই ছিন্ন হয়ে গেছে। ইসলাম এমন ধারণাকে সমর্থন করে না। কেনা অনেক সময় লাফালাফি বা এ জাতীয় খেলাধুলার কারণেও ছিন্ন হতে পারে। সুতরাং এ বিষয় নিয়ে বাড়বাড়ির কোনো সুযোগ নেই ইসলামে।

৪. সঙ্গিনী

আল্লাহ তায়ালা মানুষের মর্যাদার ক্ষেত্রে নারীদের মর্যাদা দিয়েছেন অনেক বেশি। তাই স্বামীরাও  তাদের মর্যাদা দেবে। তাদের পছন্দ অপছন্দের দিকে লক্ষ্য রাখবে। শারীরিক সুখ দেয়ার পুরোপুরি চেষ্টা করবে।

৫. সঙ্গিনীর বিষয়ে আলোচনা

শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো নিয়ে কারো কাছে বলা ইসলাম নিষেধ করেছেন। এগুলোর বিষয়ে আলোচনা হারাম।

সঙ্গিনীর শারীরিক কোনো বিষয়ে অন্যের কাছে বলা ইসলাম সমর্থন করে না। হ্যাঁ শারীরিক সম্পর্কে যদি কোনো সমস্যা থাকে তাহলে অবহেলা না করে ডাক্তার দেখানো উচিত।

সঙ্গিনীর হক আদায়ে যদি কমতি হয় আর আপনি লজ্জায় ডাক্তার না দেখান তাহলে মারাত্মক গোনাহগার হবেন।

তাই এ বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করা ও গুরুত্ব দেয়া খুবই প্রয়োজন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন।

সূত্র: দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশন 

গণতান্ত্রিক ধারা থাকলে দেশ উন্নত হয় সেটার প্রমাণ আপনারা পাচ্ছেন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সামনে ডিসেম্বরে নির্বাচন। জনগণ ভোট দিলে আছি, না দিলে নাই; এ নিয়ে কোনো আক্ষেপ নাই। তিনি বলেন, ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক ধারা থাকলে যে দেশ উন্নত হয় সেটার প্রমাণ এখন নিশ্চয়ই আপনারা পাচ্ছেন।

সোমবার ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৩৯ জন সরকারি কর্মচারী ও ৩ প্রতিষ্ঠানকে ‘জনপ্রশাসন পদক-২০১৮’ পদক ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের পর একটা রক্তাক্ত অবস্থা বারবার বিরাজ করেছে। যা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রের তলদেশ থেকে মহাকাশ পর্যন্ত বাংলাদেশ পৌঁছে গেছে। সেই অগ্রযাত্রা যেন থেমে না যায়।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশকে অনেক সমস্যার সম্মূখীন হতে হয়েছে। জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। সাড়ে তিন বছর যেতে না যেতেই সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটি দেশকে যখন তিনি গড়ে তুলেছেন। উন্নয়নের পথে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে তিনি যাত্রা শুরু করেছেন ঠিক সেই সময়ে এল চরম আঘাত। জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হল। এ হত্যাকাণ্ডটা বাংলাদেশের জন্য কতবড় আঘাত তা জাতি উপলদ্ধি করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এই ৭৫-এর পনেরো আগস্টের পর সংবিধান লংঘন করে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা এবং ক্ষমতাকে ঘিরে নিজেদের ভাগ্য গড়ার দিকে ক্ষমতাসীনদের নজর ছিল তা দেশের দিকে ছিল না।

আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যে দেশ গড়ে ওঠার কথা ছিল সেই দেশ দারিদ্রমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে। সেদেশের মানুষ বঞ্চিত থেকে গেছে, ক্ষুধার্ত থেকে গেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে, ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছে এবং সেখানে একের পর এক ক্যু হয়েছে। আর এর খেসারত দিয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়াও সিভিল প্রশাসন, জনগণ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও এর শিকার হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের পরের ইতিহাস হচ্ছে হত্যার ইতিহাস, সংবিধান লংঘনের ইতিহাস, ক্যু’র ইতিহাস, ক্ষমতা দখলের ইতিহাস। পঁচাত্তরের পর যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা নিজেদের ভাগ্য গড়েছেন। দেশের স্বার্থ তাদের কাছে গুরুত্ব পায়নি। দেশকে ভিক্ষার ঝুলি ধরিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থা। পচাত্তরের পরবর্তী শাসকরা চেয়েছিল বাংলাদেশের মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিদেশে ঘুরে বেড়াক।

কেমন আছেন খোকা

রাজনীতি থেকে নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছেন বিএনপির এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা। দীর্ঘদিন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এবং ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক ছিলেন খোকা। মহানগরের শীর্ষপদ ছেড়েছেন কয়েক বছর হলো; দলের স্থায়ী কমিটিতে স্থান পেতে পারেন শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।
ঢাকার মেয়র, মহানগর বিএনপির শীর্ষপদ এবং কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সুবাদে দলের অভ্যন্তরে যে শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছিল তার, দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে তা অনেকটাই নড়বড়ে হয়ে গেছে। দলের হাইকমান্ডসহ মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের পরম আস্থাভাজন পরাক্রমশালী সেই খোকা বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতা, মামলা, সাজার রায়, বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়া ইত্যাদি কারণে খুবই নাজুক হয়ে পড়েছেন। বিদেশে থেকেও বেশ চিন্তিত দেশের রাজনীতিতে একদা ডাকসাইটে হিসেবে গণ্য এই নেতা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরও কিছুদিন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেপথ্য থেকে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন সাদেক হোসেন খোকা। কিন্তু দিন দিন তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। এখন তিনি এতটাই নিষ্ক্রিয় যে, দলীয় কোনো দায়িত্ব নিতেও রাজি নন। ২০১৪ সালের ২৪ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন খোকা। ওই বছরের জুলাইয়ে তার শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি হন খোকা।
সাম্প্রতিককালে দলের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দেখভালে খোকাকে দায়িত্ব দিতে চেয়েছিলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কিন্তু খোকা রাজি হননি। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গেও এখন আর তিনি যোগাযোগ রাখছেন না। বর্তমানে তার ক্যানসারের চিকিৎসা চলছে, নিয়মিত ইমুনা থেরাপি নিতে হয়। চিকিৎসকের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া দেশে ফেরার চিন্তা করাও সম্ভব নয়। চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হন নতুবা বাসাতেই থাকেন। সেখানে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর প্রথমে উঠেছিলেন নিউইয়র্কে বোনের বাড়িতে। পরে বাসা ভাড়া নেন কুইন্সের ইস্ট এলমহার্স্টে। নিউইয়র্কের বিশ্বখ্যাত ক্যানসার বিশেষায়িত হাসপাতাল মেমোরিয়াল সোয়ান কেটারিংয়ের চিকিৎসক জেমস জে. শিহর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন খোকা।
সূত্র মতে, ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ায় খোকা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে চাইছেন না জেল-জুলুমের শঙ্কায়। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশে আসতেও রাজি নন তিনি, বরং যুক্তরাষ্ট্রেই থেকে যেতে চান। ফ্লোরিডায় বাড়ি কিনতেও আগ্রহী। নিউইয়র্কের ভাড়া বাসায় সারাদিন শুয়ে-বসে টিভি দেখে সময় কাটছে তার। খোকার ব্যক্তিগত সহকারী সিদ্দিকুর রহমান মান্নাও নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। মান্নাই বর্তমানে তার দেখাশোনা করছেন।
বেশ কয়েক বছর ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে এবং মামলার সাজা মাথায় নিয়ে আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে নিজ নির্বাচনী এলাকা পুরান ঢাকার (কোতোয়ালি-সূত্রাপুর) ঢাকা-৬ আসনের নেতাকর্মী ও তার সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে ধোঁয়াশা। খোকার অনুগত নেতাকর্মীদের মতে, শেষ পর্যন্ত নিজে নির্বাচন করতে না পারলে খোকা এ আসন থেকে তার ছেলে প্রকৌশলী ইসরাক হোসেনকে নির্বাচনী মাঠে নামাতে পারেন।
২০০৪ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন সাদেক হোসেন খোকা। ২০১১ সালে ঢাকা সিটি উত্তর ও  দক্ষিণ এ দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। মেয়রের দায়িত্ব ছাড়ার পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া ২০১৩-১৪ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নাশকতার অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলায় আসামি করা হয় তাকে। ইতোমধ্যে দেশে খোকার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। নাশকতার মামলায় তার বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। সব মিলিয়ে বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মামলা আছে বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর খোকার ১৩ বছরের কারাদ- এবং ২ লাখ টাকা জরিমানার রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩। একই সঙ্গে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা দখলেও নেওয়া হয়। দুদকের ওই মামলায় খোকার ছেলে ইসরাক হোসেন ও মেয়ে সারিকা সাদেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেও পরবর্তী সময়ে চার্জশিট থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়।
এত শঙ্কা, দ্বিধার পরও খোকার ঘনিষ্ঠজনরা আশা করছেন, সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে মামলা-মোকদ্দমা মোকাবিলার পাশাপাশি রাজনীতিতে আগের অবস্থান ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবেন সাদেক হোসেন খোকা।

নিজেকে নবী দাবি করে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করার চেষ্টা, অতঃপর…

ইথিওপিয়ার বাসিন্দা আয়েলে। তিনি নিজেকে নবী বলে দাবি করেন। একদিন দেশটির ওরোমিয়া অঞ্চলের ছোট গালিলি শহরে হাজির হন আয়েলে।

শহরটিতে সম্প্রতি মারা গেছেন এমন এক ব্যক্তির পরিবারের কাছে গিয়ে বিশাল এক গল্প ফাঁদলেন যে, তিনি মৃত ব্যক্তিকে প্রাণ দিতে পারেন।

শোকসন্তপ্ত পরিবারকে আয়েলে শোনালেন সেইন্ট লাযারুসের গল্প। যার মরদেহে যিশুখ্রিস্ট প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বলে বাইবেলে উল্লেখ রয়েছে। এই গল্পে শোক সন্তপ্ত পরিবারটির মনে যেন আশার সঞ্চার হয়।

গল্পটি তাদের এতই মনে ধরল যে, তারা তাদের মৃত আত্মীয় বেলায়ের মরদেহ কবর থেকে তুলতে রাজি হয়ে গেলেন। মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করার জন্য যা করছেন আয়েলে, তার একটি ভিডিও ইথিওপিয়াতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

মরদেহটি কবর থেকে তোলা হলে আয়েলে ঠিক তার ওপর শুয়ে পড়েন। তার অসংখ্যবার চিৎকার করে উন্মাদের মতো বলতে থাকেন, ‘ওঠো, ওঠো’। কিন্তু তাতে কোনা কাজ হয়নি। মরদেহটি প্রাণ ফিরে পাওয়া তো দূরে থাক, একটি আঙুলও নড়ল না।

ঠিক ওই সময় কয়েকজন অজ্ঞানও হয়ে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় মৃত ব্যক্তির বাকি স্বজনেরা ভয়াবহ ক্ষেপে যান, অতঃপর শুরু হল ধোলাই।

নিজেকে নবী দাবি করা ওই ব্যক্তি নিজেও হয়তো মরদেহ হয়ে যেতেন, যদি সময়মত পুলিশ এসে না পৌঁছাতো।

যদিও তার অর্থ এই নয় যে তিনি একেবারে বেঁচে গেছেন। পুলিশ এসে তার প্রাণ বাঁচালেও ঘটনা শুনে আয়েলেকে গ্রেফতার করে।

স্থানীয় পুলিশ কমিশনার জানান, ইথিওপিয়াতে মরদেহকে বিকৃত করা বা তার অপব্যবহার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ওই পুলিশ কমিশনার আরও জানান, আয়েলে আসলে পেশায় একজন স্বাস্থ্যকর্মী এবং তিনি এখনো পুলিশের জিম্মায় রয়েছেন।

১১ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন তামিম-সাকিব

শুরুটা ভালো হয়নি। একে তো ১ রানের মাথায় ওপেনার এনামুল হক বিজয়কে হারানো, তার ওপর আবার ধীরগতির রান। গায়ানায় চলমান আইপে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে উইন্ডিজের বিপক্ষে যেন সুবিধাই করতে পারছিলেন না তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। কিন্তু দিন শেষে তাদের ব্যাটেই হাসল বাংলাদেশ। দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন দুজন, গড়লেন নতুন রেকর্ড।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশকে নিয়ে যখন এই প্রতিবেদনটি লেখা হচ্ছে, তখন দলীয় সংগ্রহ ১ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান। যার মধ্যে সাকিব-তামিমের ব্যাটে এসেছে ১৮১ রান। এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি নিজেদের করে নিলেন তামিম ও সাকিব।

এই ম্যাচের আগে দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিল ইমরুল কায়েস ও জুনায়েদ সিদ্দিকীর। ২০০৭ সালে এশিয়া কাপে ডাম্বুলায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬০ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা। ১১ বছর পর সেই জুটি ভেঙে নিজেদের নাম লেখালেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ও দেশের ক্রিকেটের সেরা বিজ্ঞাপন সাকিব।

উল্লেখ্য, ক্রিকেট দুনিয়ায় দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ডটি অক্ষুণ্ণ রেখেছেন ক্রিস গেইল ও মারলন স্যামুয়েলস। উইন্ডিজ  এই দুই ব্যাটসম্যান ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েন।

সেক্স থেকে অ্যালার্জি, মৃত্যুও হতে পারে

দাম্পত্য জীবনে সেক্স বা শারীরিক সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে সেক্স বা যৌনতায় চূড়ান্ত তৃপ্তির মুহূর্তেই শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে অ্যালার্জি! এমনকি সেই অ্যালার্জি থেকে মৃত্যুও হতে পারে! পুরুষের বীর্য থেকে নারীর, এমনকি সেই পুরুষের জন্যও হতে পারে মহা বিপদ।

ডাচ ডাক্তারের ‘আবিষ্কার’ নিয়ে ‘সেক্স মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে!’ নামে ডয়েচে ভেলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তবে শারীরিক সম্পর্কে অ্যালার্জি হওয়া থেকে মৃত্যু কথা বলা হলেও এখনো এ ধরনের রোগীর উল্লেখ খুব একটা নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।


যৌনতার বিপদ
যৌনমিলনের পর অনেকের যৌনাঙ্গে বা শরীরের অন্যান্য স্থানে অ্যালার্জি দেখা দেয়। এ সমস্যাকে বহু বছর খুব একটা গুরুত্ব দেয়া হয়নি। কিন্তু এখন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। দেখা গেছে, মিলনের পর অনেক নারী অ্যালার্জির কারণে ডাক্তারের কাছে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এমনকি বীর্যপাতের পর নিজের বীর্যের কারণে অনেক পুরুষের শরীরেও এ সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

মৃত্যুও হতে পারে
এ ধরনের অ্যালার্জির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হতে পারে। যৌনমিলনের কারণে দেখা দেয়া, অ্যালার্জির কারণে হতে পারে মৃত্যুও।

ডাচ ডাক্তারের ‘আবিষ্কার’
১৯৫৮ সালে, অর্থাৎ ৫৮ বছর আগে নেদারল্যান্ডসের এক ডাক্তার প্রথম যৌনতার কারণে দেখা দেয়া এ অ্যালার্জির কথা লিখিতভাবে উল্লেখ করেছিলেন। তবে এতদিনেও গবেষণামূলক লেখালেখিতে এ ধরনের রোগীর উল্লেখ খুব একটা নেই।

রোগীর লজ্জা
যৌনমিলনের পর অ্যালার্জি দেখা দিলেও অনেকেই লজ্জায় ডাক্তারের কাছে যেতে চান না। এ প্রবণতা অবশ্য মেয়েদের মধ্যেই বেশি।

ডাক্তারের ভুল
অনেক সময় ডাক্তারের ভুলের কারণেও যৌনতাজনিত অ্যালার্জির কথা কেউ জানতে পারে না। ডাক্তার ধরে নেন, সাধারণ কোনো ইনফেকশন হয়েছে। সেই অনুযায়ীই রোগীর চিকিৎসা চলে।

১০ হাজারে একজন
একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, শিল্পোন্নত দেশগুলোর প্রতি ১০ হাজারের মধ্যে অন্তত একজন নারী বা পুরুষ এ ধরনের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হন।

কেন হয়?
পুরুষদের বীর্যে এমন অনেক উপাদান রয়েছে, যা থেকে অ্যালার্জি হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যৌনতার পরের এ অ্যালার্জির জন্য দায়ী বীর্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপদান ‘প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন’ বা পিএসএ। এ পিএসএ-র কারণে প্রোস্টেট ক্যানসারও হয়ে থাকে। অন্যদিকে যৌনমিলন এবং প্রজননেও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে পিএসও। ডিম্বাণু আর শুক্রাণুর মিলনও পিএসএ-র ওপর নির্ভরশীল।

কুকুরের কারণেও হতে পারে
অনেক সময় কুকুরের বীর্যের কারণেও মানুষের দেহে দেখা দিতে পারে এ অ্যালার্জি। কুকুর প্রস্রাব করার সময় প্রস্রাব ছিঁটালে তার গায়ে লাগে। প্রস্রাবের সঙ্গে বীর্যও লাগে শরীরে। ফলে পোশা কুকুরকে আদর করলে সেই বীর্যের সংস্পর্শে ছড়াতে পারে বিপজ্জনক এ অ্যালার্জি।

খাবারের সঙ্গে
অনেকেরই খাবারে অ্যালার্জি থাকে। আর যৌনমিলনের সময় সেই খাবারের কারণেও হতে পারে অ্যালার্জি। ব্রাজিলে এক নারীর বাদামে অ্যালার্জি ছিল। পার্টনার যৌনমিলনের আগে বাদাম খেলেও খুব ভালো করে ব্রাশ করলেও যৌনমিলনের পরই অ্যালার্জি শুরু হয়ে যেত মেয়েটির শরীরে।

পুরুষদের সমস্যা
পুরুষদের অ্যালার্জির ধরনটা একটু অন্যরকম। যৌনমিলনের পর পুরুষদের সাধারণত খুব মাথাব্যথা হয়। কারো কারো কয়েকদিন খুব ক্লান্ত লাগে। কেউ কেউ আবার সপ্তাহ খানেক পর্যন্ত সর্দি-জ্বরে ভোগেন।

আতঙ্ক ও রক্ষার উপায়
এমন অ্যালার্জি কয়েকবার হলে একসময় মনে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে তো তখন আর সেক্সই করতে চান না। তবে এ থেকে রক্ষার উপায়ও আছে। আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে যৌনমিলন এড়িয়ে চলা কোনো সমাধান নয়। বরং যৌনমিলনে কনডম ব্যবহার করা যেতে পারে।

ওষুধ
যারা সন্তান নিতে চান তাদের কী হবে? তাদের তো কনডম ব্যবহার করলে চলবে না। তাদের জন্য একমাত্র সহায় অ্যান্টিহিসটামিন। এ ওষুধ অ্যালার্জির কষ্ট অনেকটাই কমাতে সক্ষম।

টিভির পর্দায় আজকের খেলার সময়সূচি

ক্রিকেট

শ্রীলঙ্কা-দক্ষিণ আফ্রিকা

দ্বিতীয় টেস্ট, চতুর্থ দিন

সরাসরি, সকাল ১০-৩০ মিনিট

সনি সিক্স

টেনিস

হামবুর্গ ওপেন

সরাসরি, বিকেল ৩টা

সনি ইএসপিএন

আমি বর্ণবাদের শিকার: ওজিল

সব সমালোচনার হাত থেকে মুক্তি পেতে অবশেষে জার্মান ফুটবল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা মেসুত ওজিল। বিদায় বেলায় এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন।

রবিবার এক বিবৃতিতে আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার জানিয়ে দেন, জার্মানির জার্সিতে আর খেলতে আগ্রহী নন তিনি। তাছাড়া জাতীয় দলে নিজের সমালোচনা নিয়ে তিনি ববিৃতি জানান,‘দুঃখের সঙ্গে আমি জানাতে চাই যে গত কিছুদিনের ঘটনার কারণে আমি আর জার্মানির জার্সি গায়ে না জড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার মনে হয়েছে আমি বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছি তাছাড়া আমাকে অসম্মান করা হয়েছে।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় গেল বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। আর বিশ্বকাপে দলের এমন ভরাডুবির জন্য ওজিলকেই দায়ী করছেন সবাই। তাছাড়া লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপে এরদোয়ানের সঙ্গে একই ছবিতে ফ্রেমবন্দি হওয়ার পর ওজিলকে নিয়ে সমালোচনার মাত্রাটা আরো বেড়ে যায়। এই জন্য অভিমানে জাতীয় দল থেকে অবসরে যেতে বাধ্য হলেন এই তারকা ফুটবলার।

২০০৯ সালে জার্মানির জার্সি গায়ে জড়ানো ওজিল জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ৯২টি ম্যাচ। যার মধ্যে তিনি করেছেন ২৩টি গোল। পাশপাশি আছে ৪০ টি অ্যাসিস্টও। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে জার্মানির জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এই মিডফিল্ডার।

গরমে আম-কলার স্মুদি

গরমে পানিশূন্যতা পূরণের পাশাপাশি শরীর সুস্থ রাখতে চাই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার দাবার। প্রচণ্ড গরমে শরীরের ভেতরটা ঠান্ডা রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানির। পানি খাওয়ার পাশাপাশি খেতে পারেন ফলের জুস। পাকা আম ও কলার মিশ্রণে মজাদার স্মুদি তৈরি করে খেতে পারেন। চলুন দেখে নিই রেসিপিটি।



উপকরণ:

মাঝারি সাইজের আম- ১টি

কলা- ১টি

কমলার রস- ৫০০ মিলিলিটার

বরফ কুচি

প্রস্তুত প্রণালি:

প্রথমে আমের খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে কেটে নিন। এরপর কলা কুচি করে কেটে নিন। এবার কোচানো আম, কলা ও কমলার রস একসঙ্গে মিশিয়ে একটি ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড হয়ে গেলে একটি গ্লাসে ঢেলে নিন। এর ওপর বরফ কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আম-কলার স্মুদি।

রবিবার, জুলাই ২২, ২০১৮

নারী শরীরের প্রধান ‘সুখ’ অঙ্গই চেনে না অনেক পুরুষ, আপনি কোন দলে

নারী শরীর নিয়ে পুরুষের অজ্ঞতা অপরিসীম। সমীক্ষা বলছে, অর্ধেক পুরুষ চেনেন না যোনিপথ। ডায়াগ্রাম দেখে ৫০ শতাংশ পুরুষ চিনতেই পারেননি নারী শরীরের এমন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।

নারী-পুরুষ সম্পর্কের অনেকটা অংশ জুড়েই থাকে শরীর। কিন্তু ইংল্যান্ডের মতো দেশেও স্ত্রী যৌনাঙ্গ নিয়ে কোনও ধারণাই নেই অর্ধেক পুরুষের। সম্প্রতি গাইনোকোলজিক্যাল ক্যান্সার নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘দ্য ইভ অ্যাপিল’ একটি সমীক্ষা চালায়। সেখানে ২০০০ ব্রিটিশ নাগরিককে নারী প্রজনন ব্যবস্থার ডায়াগ্রাম দেখিয়ে ‘ভ্যাজাইনা’ অর্থাৎ ‘যোনিপথ’ চিহ্নিত করতে বলা হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’-এর রিপোর্ট অনুসারে ৫০ শতাংশ পুরুষ সেটা পারেননি।



সেপ্টেম্বর মাসটি ব্রিটেনে গাইনোকোলজিক্যাল ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে পালন করা হয়। সেই সচেতনতা অভিযানের অঙ্গ হিসেবেই গত ২০১৭ সালে চলে এই সমীক্ষা। আর তা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, স্ত্রী শরীর নিয়ে বড় অংশের পুরুষ আদৌ চিন্তিত নয়। ১৭ শতাংশ পুরুষ সমীক্ষায় স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা নারী শরীর নিয়ে কিছুই জানেন না এবং জানার প্রয়োজন আছে বলেও মনে করে না। অধিকাংশ পুরুষই জানিয়েছেন, তাঁরা সঙ্গিনীর সঙ্গে ‘স্ত্রী অঙ্গ’ বিষয়ে আলোচনা করতেই কুণ্ঠা বোধ করেন।

তবে পুরুষদের খুব বেশি লজ্জা পাওয়ার কারণ নেই। এক বছর আগে এই সংস্থাই একই সমীক্ষা চালায় মেয়েদের মধ্যে। সেখানে দেখা যায় ৪৪ শতাংশ মহিলাও ‘যোনিপথ’ চেনেন না! 

শনিবার, জুলাই ২১, ২০১৮

এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার

ক্যারিবিয়ান সফর মোটেও সুখকর হলো না লঙ্কানদের জন্য। প্রথম টেস্ট হারের পর দ্বিতীয় টেস্টে বল টেম্পারিং করে নিষিদ্ধ হয়েছেন অধিনায়ক চান্দিমাল। চেতনা বিরোধী আচরণের কারণে শাস্তি পেলেন কোচ ও ম্যানেজার। এই শাস্তি দিয়েছেন অবশ্যই আইসিসি। তবে এবার লঙ্কান স্পিনারকে শাস্তি দিল তার দেশের ক্রিকেট বোর্ড।

গুরুতরভাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ফলে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছেন শ্রীলঙ্কান লেগ স্পিনার জেফরি ভ্যান্ডারসে। আচরণগত সমস্যার কারণে ২৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারকে এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে তার দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)।

তবে শুধু নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েই পার পেয়ে যাচ্ছেন না ভ্যান্ডারসে। নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি তাকে করা হয়েছে জরিমানাও। লঙ্কান বোর্ডের সাথে বার্ষিক চুক্তি রয়েছে তার। সেই চুক্তি থেকে ২০ শতাংশ ভাতা জরিমানা হিসেবে কেটে রাখা হবে।


গত জুন মাসে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে উইন্ডিজ সফর করেছিল শ্রীলঙ্কা টেস্ট দল। ঐ দলের অংশ ছিলেন ভ্যান্ডারসেও। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ তথা বার্বাডোজ টেস্টের আগে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আসে ভ্যান্ডারসের নামে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় সেন্ট লুসিয়ায়, যে ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার বল টেম্পারিং কাণ্ডের জন্য ব্যাপক আলোচিত ছিল। ড্র হওয়া ওই ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিনের খেলা শেষে সতীর্থদের সঙ্গে সেন্ট লুসিয়ার একটি নাইট ক্লাবে যান ভ্যান্ডারসে। অন্য খেলোয়াড়রা নির্ধারিত সময়ে হোটেলে ফিরে আসলেও যথাসময়ে আসেননি ভ্যান্ডারসে। শুধু তা-ই নয়, পুরো রাতই তিনি ছিলেন ওই নাইট ক্লাবে।

সকালে ভ্যান্ডারসেকে টিম হোটেলে না পেয়ে শ্রীলঙ্কান টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে বিষয়টি সেন্ট লুসিয়ার পুলিশকে জানান হয়। অবশ্য এর কয়েক ঘণ্টা পর নিজ থেকেই হোটেলে আসেন ভ্যান্ডারসে।

হোটেলে ফিরে জেফ্রি ভ্যান্ডারসে বলেন, ‘ওরা আমাকে নাইট ক্লাবে একা রেখে এসেছিল। এরপর আমি রাস্তা হারিয়ে ফেলি।’ ওই ঘটনার পরই ভ্যান্ডারসের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আসে, যার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার চলমান হোম সিরিজের টেস্ট দলে জায়গা পাননি তিনি।

ভ্যান্ডারসের শাস্তির মাত্রা অবশ্য আরো বেশি হতে পারত। তবে তিনি দোষ স্বীকার করে নেওয়ায় কঠোর হওয়ার পথ এড়িয়ে গেছে এসএলসি।

উল্লেখ্য, এর আগেও একবার আচরণগত কারণে জেফ্রি ভ্যান্ডারসেকে সতর্ক করেছিল লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড। ভারত সফরের আগে ঘরোয়া লিগের খেলা না বলে বাদ দিয়েছিলেন তিনি।

জাপানিদের সৌন্দর্যের রহস্য যে খাবার!

জাপানের মানুষদের গড় আয়ু বেশি। কারণ তারা কঠোর পরিশ্রমী এবং সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করতে ভালবাসেন। জাতি হিসেবে তারা অনেক সফল। নানাবিধ কারণের মধ্যে সর্ব প্রথম হল নিয়ম তান্ত্রিক জীবন যাপন। আপনি জাপানে মোটা মানুষ দেখবেন না খুব একটা, তার মানে কি তারা সকলেই ডায়েটিং করে? আসলে তাদের প্রাত্যহিক খাদ্যাভ্যাসই হলো প্রচুর পুষ্টি উপাদানে ভরপুর খাদ্য অল্প পরিমাণে আহার করা। আর তারা তাদের প্রাত্যহিক চলাফেরায় অনেক কিছু এমন ভাবে পালন করে যাতে করে তাদের আর আলাদা ভাবে ব্যায়াম করতে হয় না। যেমন, অল্প দূরত্বের পথ তারা হেটে অতিক্রম করে, মোটর চালিত যান থেকে তারা সাইকেল বেশি পছন্দ করে। এই অভ্যাসগুলো তাদের শারীরিক ভাবে আরো সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

আমরা আজ জাপানের প্রধান খাবারের রেসিপি নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব-

উপকরণ:-
১) মাছ, ঝিনুক বা মাংসসহ আপনার পছন্দের যে কোনো কিছু।
২) সুশির ভাত রান্না করার জন্যে ছোট দানার আতপ চাল।
৩) লবনবিহীন শুকনো সামুদ্রিক শৈবালের লেয়ার (সুশি তৈরির জন্যে এটি বিশেষভাবে প্রস্তত অবস্থায়ই বাজারে কিনতে পাওয়া যায়)
৪) চিনি
৫) লবন
৬) সয়া সস
৭) ভিনেগার

প্রণালী:-

১) দুই ধরনের সবজি বাছাই করুন (শসা ও গাজর হতে পারে) এবং এক ধরনের মাছ বা মাংস।

২) আতপ চাল ঠান্ডা পানি দিয়ে বার বার ধুয়ে নিন যতক্ষন না চাল ধোয়া পানি সম্পূর্ন পরিস্কার হচ্ছে। তারপর চাল সেদ্ধ করে ফেলুন। প্রথমে ঢাকনা না দিয়ে ২ কাপ চালের সাথে ২ কাপ পানি দিয়ে উচ্চ তাপে চুলায় চড়িয়ে দিন। যখন এটি সেদ্ধ হতে শুরু করবে চুলার আঁচ একেবারেই কমিয়ে দিয়ে ঢাকনা দিন। ১৫ মিনিট এভাবে সেদ্ধ করার পর চুলা থেকে নামিয়ে ১০ মিনিট সাধারন তাপমাত্রায় রেখে দিন। ভাতটা একদমই আঠালো ধরনের হবে।

৩) শসাগুলোকে চপিং বোর্ডে নিয়ে চিকন ও লম্বা করে কাটুন। চিংড়ি/কাঁকড়া ইত্যাদি ব্যবহার করতে চাইলে সিদ্ধ করে খোলস থেকে ছাড়িয়ে নিন। মাংস ব্যবহার করতে চাইলে পাতলা স্লাইস করে সিদ্ধ করুন বা আপনার পছন্দমতন মশলা মাখিয়ে ভেজে নিন। মাছকেও একই উপায়ে প্রস্তত করতে পারেন। জাপানীরা কাঁচা ও সেদ্ধ, উভয় প্রকারেই মাছ খেয়ে থাকে।

৪) এবার ছোট একটি বাটিতে ২ টেবিল চামচ ভিনেগার, ২ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ সয়াসস ও ১ টেবিল চামচ লবন মিশিয়ে হাল্কা গরম করে নিন।

৫) একটি কাঠের বা কাঁচের পাত্রে ভাত নিয়ে এই মিশ্রনটি ভালোভাবে নেড়ে চেড়ে মেশান। যাতে প্রতিটি ভাতে মিশ্রনটি লাগে। হয়ে গেল আপনার সুশি রাইস। একে রুম তাপমাত্রায় রেখে বাকি কাজ করুন।

৬)একটি বাঁশের ছোট্ট ম্যাটের ওপর শুকনো শৈবালের লেয়ারটি রাখুন। এবার এর ওপর ভাত বেশ পুরু করে ছড়িয়ে দিন, রুটিতে মাখন মাখাবার মতন করে। খেয়াল রাখবেন যাতে কোন ফাঁকা জায়গা না থাকে। এবার ভাতের উপর কয়েকটি গাজর/শসা/অন্যান্য সবজির টুকরো দিন ও তার মাঝখানে দিন কাঁকড়ার টপিং।

৭) এবারে বাঁশের ম্যাটটি সাবধানে রোলের মত করে মুড়ে নিন। মোড়াবার সময় চেপে চেপে মোড়াতে হবে। একটু মোড়াবেন, বাঁশের ম্যাটটি সরিয়ে নিবেন। তারপর আবার মোড়াবেন, যাতে এর ভেতরে ভাতটা টিউবের মত মুড়ে গিয়ে সবজি ও কাঁকড়ার টুকরোগুলো ঠিক মাঝে থাকে। মোড়ানো হয়ে গেলে দেখবেন বেশ সুন্দর একটা টিউবের আকার পেয়েছে।

৮) সুশি রোলটিকে ছোট ছোট টুকরোয় কাটার সময় অবশ্যই ধারালো ছুরি ও চপিং বোর্ড ব্যবহার করবেন। কারন, আপনার কাটার কৌশল ও দক্ষতার উপরেই এর পরিবেশনের সৌন্দর্য নির্ভর করবে, এবং সব চেয়ে বড় কথা এই রোল থেকে উপাদানগুলো যাতে ভেঙ্গে ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

৯) পরিবেশনের সময় উপরে দিতে পারেন একটু সস/ জাপানী মেয়নেজ/ ফিস সস। আর পাশে রেখে দিতে পারেন সুন্দর করে কাটা টমেটো, লেবু ও দু একটি লেটুস পাতা।

১৮ হাজার চিঠি ও ১১ হাজার ফুল পেলেন প্রিয়াঙ্কা!

গত ১৮ জুলাই ছিল জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জন্মদিন। নিজের ৩৭তম জন্মদিনে এক অন্যরকম উষ্ণ ভালবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি। এদিন তিনি ভক্তদের কাছ থেকে ১৮ হাজার হাতে লেখা চিঠি ও ১১ হাজার ফুল উপহার পেয়েছেন ‘দেশি গার্ল’ খ্যাত এই অভিনেত্রী।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সহ বিশ্বের ২৫টি দেশের ভক্তরা প্রিয়াঙ্কাকে এই চিঠি ও ফুল পাঠিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। এইতো কিছুদিন আগেই ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে গেছেন তিনি। এর আগে, সিরিয়ায় শরণার্থী ক্যাম্পেও গিয়েছিলেন এই তারকা অভিনেত্রী।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার গোটা বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্ত রয়েছে। যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রিয় অভিনেত্রীকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এছাড়া ইউনিসেফের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন স্কুলের ছেলেমেয়েরা চিঠি লিখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে।



এবারের জন্মদিনে অবশ্য লন্ডনে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তার আগের রাতে লন্ডনের একটি রেস্তোরাঁয় প্রিয়াঙ্কা-নিক জোনাসকে একসঙ্গে দেখা যায়।

এদিকে, পারিবারিকভাবেই প্রিয়াঙ্কা-নিকের সম্পর্কটা পরিণতির দিকে যাচ্ছে। কিছুদিন আগেই ভারত ঘুরে গেছেন হলিউড তারকা নিক।

দুই পরিবারের সম্মতিতে জুলাই অথবা আগস্ট মাসেই প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আর নিক জোনাসের বাগদান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনের অনলাইন সংস্করণের খবর এমনটাই জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৯, ২০১৮

আইপিএল চেয়ারম্যানকে পতিতা ‘ঘুষ’ ক্রিকেটারের!

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চেয়ারম্যান রাজীব শুক্লারের বিরুদ্ধে পতিতা ও টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দলে ক্রিকেটারদের জায়গা করে দেওয়ার পথ হিসেবে পতিতা ও টাকা ঘুষ নিয়েছেন তিনি। উত্তর প্রদেশ ক্রিকেট দল নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। উত্তর প্রদেশের ক্রিকেটার রাহুল শর্মা এই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন প্রদেশের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে ‘টাকা ও অনুগ্রহ’ এই নীতিতে দলে জায়গা দেন রাজীব।
শুধু তাই নয়, মোহাম্মদ আকরাম সাইফি; যিনি কিনা রাজীবের হয়েই কাজ করেন তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে দুর্নীতির। যুবাদের ঘরোয়া টুর্নামেন্টে তিনি জাল জন্মসনদ বিক্রি করেন বলেও জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রিকেটার বলেন, ‘যারা খুব সাধারণ পরিবার থেকে এসেছে, তাদেরকে রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষা করতে হয় দল ঘোষণার খবর পাওয়ার জন্য। কিন্তু দল জানার পর তাদের খালি হাতে ফিরতে হয়। আপনি দুই উইকেট নিলেন নাকি তিন উইকেট নিলেন এগুলো ব্যাপার না। আপনি নির্বাচকদের টাকা গাড়ি দিতে পারছেন কিনা এটা হলো ব্যাপার।’
একই প্রদেশের আরেক ক্রিকেটার বুপেন্দ্র সিং আরও বড় করে হাটে হাঁড়ি ভেঙেছেন। রাজীব শুক্লার সঙ্গে কাজ করা সাইফি নাকি তার কাছে দলে জায়গা দেওয়ার নাম করে দুই লাখ রুপি ঘুষ চান। অথচ তারই আরেক সতীর্থ রাহুলের কাছ থেকে আগেই তিনি পাঁচ লাখ রুপি ঘুষ নিয়ে রেখেছিলেন।

আরিফুলের জন্য সরে দাঁড়ালেন সেলিম

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ মেয়র প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম দল মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে আরিফুল হক চৌধুরীর বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন করে বদরুজ্জামান সেলিম নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার কথা জানান।

বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ মেয়র প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম বলেছেন, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্দেশে আমি আজ থেকে নির্বাচন থেকে সরে গেলাম। একইসঙ্গে দল মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে আমি সমর্থন করছি। ধানের শীষে ভোট দিয়ে ৩০ জুলাই বিএনপির প্রার্থীকে জয়যুক্ত করুন।
তিনি বলেন, আমি আমার মায়ের নির্দেশে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছিলাম। এখন মায়ের সম্মতি নিয়েই নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালাম। বক্তব্য দেয়ার সময় সেলিমের পাশেই তার মা ও স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেন, সেলিম ও আরিফের নিরাপত্তা চাই। কারণ আজও সেলিমকে পুলিশ তুলে নেয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিএনপির কৌশলের কাছে পুলিশ পরাজিত হয়।
আমান বলেন, সেলিম নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই অটোমেটিকভাবে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাজাহান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান,
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপির ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান ও নেজামে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা আব্দুর রকিব, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, ডা. শাহরিয়ার হোসাইন, সাবেক এমপি কলম উদ্দিন মিলন, মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত সাদেক, বিএনপি নেতা মহবুব চৌধূরী, ইমরান আহমদ চৌধূরী, জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, মিফতা সিদ্দিকী প্রমুখ।
দুপুর দেড়টার দিকে নগরজুড়ে খবর রটে যায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দলের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম। এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই মহানগর পুলিশ ও র্যাবের একাধিক দল সেলিমের বাসার সামনে গাড়ি নিয়ে অবস্থান নেয়।
এরআগে বুধবার দিনগত রাতে সেলিমের বাসায় গিয়েছিলেন বিএনপির একটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।
বুধবার রাতে সেলিমের শাহী ঈদগাহের হাজারীবাগস্থ বাসায় যান দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান এবং কেন্দ্রীয় সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম।
তারা সেলিমের মায়ের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনার এক পর্যায়ে নির্বাচন নিয়ে কথা উঠলে সেলিমকে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা বলেন, তুমি দলের লোক, তোমাকে দলে ফিরিয়ে আনতেই আমরা এসেছি।
এ সময় বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীও সেলিমের বাসায় উপস্থিত হন। তখন তিনিও বদরুজ্জামান সেলিমকে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ব্যাপারে অনুরোধ করেন। কিন্তু সেলিম নির্বাচনের ব্যাপারে তাদেরকে কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। পরে একসঙ্গে সেলিমের বাসায় রাতের খাবার খেয়ে ১২টার দিকে বেরিয়ে আসেন আরিফসহ বিএনপি নেতারা।
এ ব্যাপারে বদরুজ্জামান সেলিম বলেন- আমান উল্লাহ আমান এবং নাজিম উদ্দিন আলমের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি তাদের সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। আজ তারা সিলেটে এসেছেন তাই রাতের খাবার খেতে আমার বাসায় আসেন। এ সময় আরিফুল হক চৌধুরীও উপস্থিত হন। আলাপকালে তারা আমাকে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু আমি সেটি করতে পারব না বলে তাদের জানিয়ে দিয়েছি। আমি নির্বাচন করছি, এটাই ফাইনাল।
কিন্তু সেলিমের রাতের মন্তব্য দুপুরে পাল্টে গেছে। এর আগে বদরুজ্জামান সেলিম আরিফের ব্যাপারে বিভিন্ন রকম অভিযোগ তোলেন। আরিফুল হক চৌধুরীকে দলের জন্য ক্ষতিকারক, দলের সুবিধাভোগী হিসেবেও উল্লেখ করেন। আরিফকে দেয়া দলের মনোনয়ন মেনে নিতে পারেননি বদরুজ্জামান সেলিম। নাগরিক কমিটির ব্যানারে মেয়রপদে প্রার্থী হন তিনি।

খালেদাসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৩ সেপ্টেম্বর

নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের মিছিলে বোমা হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নাহার ইয়াসমিন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।


মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনের জন্য গুলশানে সমবেত হয়। সেখানে সমাবেশ শেষে ২০ থেকে ৩০ হাজার সাধারণ মানুষ নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের নেতৃত্বে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় ঘেরাও করার জন্য রওনা হলে আসামিরা হত্যার উদ্দেশে তাদের ওপর বোমা নিক্ষেপ করেন।

ওই ঘটনায় ঢাকা যানবাহন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাচ্চু বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান ও বিএনপি নেতা খন্দকার মাহবুবুর রহমানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পাশের হার: ছেলে ৬৩. ৮৮%, মেয়ে ৬৯. ৭২%

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। মাদ্রাসা, কারিগরিসহ ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে। এবার ১০ বোর্ডের পাসের গড় হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন।
এ বছর মোট পাস করেছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন। এর মধ্যে ছাত্রদের পাশের হার ৬৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ আর ছাত্রীদের পাশের হার ৬৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। এ বছর মেয়েদের থেকে ছাত্রদের পাশের হার কমেছে ৫.৮৪ শতাংশ। এছাড়া পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয়ই কমেছে।
গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮.৯১ শতাংশ। এ বছর পাসের হার কমেছে ২.২৭ শতাংশ। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন। এবার জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৮ হাজার ৪৬৪ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেখানে তিনি ফলাফলের সংক্ষিপ্ত কিছু তথ্য তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল এই পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১৩ মে। ১৪ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৩ মে শেষ হয়। সেই হিসাবে ৫৮ দিনে এই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। এবার সারাদেশে ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

লড়তে হবে ‘ভয়ের’ রাজনীতির বিরুদ্ধে: ওবামা

যে রাজনীতিতে ভয়, বিরক্তি ও সংকোচনের সৃষ্টি করে তার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে কিংবদন্তি নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিক উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে ওবামা এ আহ্বান জানান। তার ভাষণ শুনতে সেখানে ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।

হোয়াইট হাউজ ছাড়ার পর ওবামা এই প্রথম বড় কোনো আয়োজনে ভাষণ দিলেন৷ ভাষণে ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ এবং ‘স্বেচ্ছাচারী’ রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেন তিনি৷ দাবি তোলেন নারীর অধিকার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখাতে৷

সরাসরি নাম উল্লেখ না করলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ইঙ্গিত করে নিজের বক্তব্য শুরু করেন ওবামা৷ বলেন, ‘আমরা এখন অদ্ভুত ও অনিশ্চিত সময়ে বাস করছি...খুবই অদ্ভুত৷’

‘কিছু রাজনীতিবিদ মিথ্যা বলার সময় ধরা পড়ে সেটা ঢাকার জন্য আরো কিছু কথা বানিয়ে বলতে শুরু করেন৷ যারা বিচ্ছিন্নতার রাজনীতির চর্চা করছেন, তারা ছোট মনের পরিচয় দিচ্ছেন।’ এর বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রেখেছে এমন সব (গণমাধ্যম) প্রতিষ্ঠানকেই ধ্বংস করে দিচ্ছেন।’

ওবামা দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘মাদিবা (ম্যান্ডেলার অন্য নাম) জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার ২৫ বছর পরেও আমাকে এখানে দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে, সব জাতির মানুষ, নারী-পুরুষ সবাই সমান।’

এমন একসময়ে ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী পালন করছে সাউথ আফ্রিকা, যখন সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার দুর্নীতির তদন্ত নিয়ে দেশটিতে তোলপাড় চলছে। ম্যান্ডেলার দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস, অর্থাৎ এএনসির প্রধানের পদ থেকেও ইস্তফা দিতে হয়েছে তাকে৷ নেলসন ম্যান্ডেলার ঘনিষ্ঠ সহযোগী সিরিল রামাফোসা হাল ধরেছেন দলের।