সোমবার, মার্চ ২৮, ২০১৬

ঘাটাইলের ফুটপাতের শরবত থেকে সাবধান

নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ  চলতি পথে গরমে তেষ্ঠা মেটাতে অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে নানা স্বাদের স্ট্রিট শরবতগুলো। কিন্তু রাস্তায় তৈরি এই শরবতের বিশুদ্ধতা নিয়ে রয়েছে নানামত। অনুন্ধানে দেখা গেছে, ঠান্ডা করতে ফুটপাতের শরবতে ব্যবহার হচ্ছে মাছ হিমায়িত করার সাধারণ ট্যাপের পানির তৈরি বরফ। এছাড়া মাছ বেশিণ তাজা রাখতে ওই বরফেই েেত্র বিশেষে মেশানো হয় ফরমালিন। রাস্তায় তৈরি শরবতে ঠান্ডা হিসেবে এই বরফ ব্যবহার করা হয়। জানা গেছে, বরফ বিভিন্ন মাছের আড়তের পাশাপাশি সরবরাহ করা হয় ফাস্টফুডের দোকানগুলোতেও। যে কেউ ইচ্ছা করলেই এ বরফ কিনে নিতে পারে। আবার এসব বরফ সরবরাহের জন্য রয়েছে কিছু লোক। তারা ভ্যানে করে বিভিন্ন ফুটপাতের শরবত ও আখের রস বিক্রেতা এবং বিভিন্ন ফাস্টফুডের দোকানে সরবরাহ করছে। মাত্র ২০-৩০ টাকায় এই বরফ পাওয়া যাওয়ায় নামি-দামি দোকানগুলোও বরফ তৈরির ঝামেলায় যেতে চায় না। আবার এসব বরফ কারখানার আড়ালেই সরাসরি ওয়াসার পানিতে রং মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে আইসক্রিম। এসব আইসক্রিমে কাপড়ের রং ও স্যাকারিন ব্যবহার করা হচ্ছে। তপ্ত গরমে পিপাসা মেটাতে অনেকে রাস্তায় ঠান্ডা শরবত পান করেন ঘাটাইল শহরে প্রায় শতখানিক ঠান্ডা পানির শরবত বিক্রির দোকান গড়ে উঠেছে এই গরমের সময়ে। শহর খোলা ভ্যান গাড়ির ওপরে পানির ফিল্টার, চিনি, লেবু নিয়ে পথচারীর জন্য দোকানদার অপো। এক গ্লাস শরবতের দাম মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকা। তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন বরফ মিশ্রিত ঠান্ডা পানির শরবত পান করে। মোটা চিনির নামে নিষিদ্ধ কেমিক্যাল চিনি, ফরমালিনযুক্ত বরফ , স্যাকারিন এবং ফিল্টার পানির পরিবর্তে ট্যাপের পানি শরবত তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
৫০ শয্যা বিশিষ্ট ঘাটাইল উপজেলা এক চিকিৎসক জানান, ফুটপাতের এই শরবত পানে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। মিশ্রিত তিকারক উপকরণ দিয়ে শরবত নামীয় পানি পান করলে কিডনি বিকল, পানিবাহিত রোগ, গ্যাস্ট্রিক, হেপাটাইটিস বি-ভাইরাস, লিভারের জটিলতা, পাকস্থলীতে প্রদাহ, খাদ্যনালিতে সমস্যা, পেপটিক আলসারসহ মারাত্মক জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

ঘাটাইলের ফুটপাতের শরবত থেকে সাবধান

নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ  চলতি পথে গরমে তেষ্ঠা মেটাতে অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে নানা স্বাদের স্ট্রিট শরবতগুলো। কিন্তু রাস্তায় তৈরি এই শরবতের বিশুদ্ধতা নিয়ে রয়েছে নানামত। অনুন্ধানে দেখা গেছে, ঠান্ডা করতে ফুটপাতের শরবতে ব্যবহার হচ্ছে মাছ হিমায়িত করার সাধারণ ট্যাপের পানির তৈরি বরফ। এছাড়া মাছ বেশিণ তাজা রাখতে ওই বরফেই েেত্র বিশেষে মেশানো হয় ফরমালিন। রাস্তায় তৈরি শরবতে ঠান্ডা হিসেবে এই বরফ ব্যবহার করা হয়। জানা গেছে, বরফ বিভিন্ন মাছের আড়তের পাশাপাশি সরবরাহ করা হয় ফাস্টফুডের দোকানগুলোতেও। যে কেউ ইচ্ছা করলেই এ বরফ কিনে নিতে পারে। আবার এসব বরফ সরবরাহের জন্য রয়েছে কিছু লোক। তারা ভ্যানে করে বিভিন্ন ফুটপাতের শরবত ও আখের রস বিক্রেতা এবং বিভিন্ন ফাস্টফুডের দোকানে সরবরাহ করছে। মাত্র ২০-৩০ টাকায় এই বরফ পাওয়া যাওয়ায় নামি-দামি দোকানগুলোও বরফ তৈরির ঝামেলায় যেতে চায় না। আবার এসব বরফ কারখানার আড়ালেই সরাসরি ওয়াসার পানিতে রং মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে আইসক্রিম। এসব আইসক্রিমে কাপড়ের রং ও স্যাকারিন ব্যবহার করা হচ্ছে। তপ্ত গরমে পিপাসা মেটাতে অনেকে রাস্তায় ঠান্ডা শরবত পান করেন ঘাটাইল শহরে প্রায় শতখানিক ঠান্ডা পানির শরবত বিক্রির দোকান গড়ে উঠেছে এই গরমের সময়ে। শহর খোলা ভ্যান গাড়ির ওপরে পানির ফিল্টার, চিনি, লেবু নিয়ে পথচারীর জন্য দোকানদার অপো। এক গ্লাস শরবতের দাম মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকা। তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন বরফ মিশ্রিত ঠান্ডা পানির শরবত পান করে। মোটা চিনির নামে নিষিদ্ধ কেমিক্যাল চিনি, ফরমালিনযুক্ত বরফ , স্যাকারিন এবং ফিল্টার পানির পরিবর্তে ট্যাপের পানি শরবত তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
৫০ শয্যা বিশিষ্ট ঘাটাইল উপজেলা এক চিকিৎসক জানান, ফুটপাতের এই শরবত পানে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। মিশ্রিত তিকারক উপকরণ দিয়ে শরবত নামীয় পানি পান করলে কিডনি বিকল, পানিবাহিত রোগ, গ্যাস্ট্রিক, হেপাটাইটিস বি-ভাইরাস, লিভারের জটিলতা, পাকস্থলীতে প্রদাহ, খাদ্যনালিতে সমস্যা, পেপটিক আলসারসহ মারাত্মক জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজে সরকারী নিয়ম বর্হিভূত নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থা বর্ধিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে ¯œাতক শ্রেণির সৃষ্ট পদে নিয়ম বহির্ভূত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়োগের  বিষয়টি নিয়ে কলেজের অভিভাবক সদস্য আঃ সালাম হাকিমী আদালতে মামলা করেছে।  

মামলার নথিপত্র ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়- টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজে   তড়িঘড়ি করে গত ২০১৫ সালের ১৯ অক্টোবর ¯œাতক শ্রেণির সৃষ্ট পদে কিছুসংখ্যাক শিক্ষক নিয়োগের জন্য দৈনিক সমকাল পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। চলতি বৎসরে ১১ নভেম্বর ৯৪২নং-স্মারকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রিত পিএসসির আদলে সকল (এমপিও) ভূক্ত নিয়ন্ত্রিত কলেজগুলো নিয়োগ দেওয়া হবে বলে একটি পরিপত্র জারী করা হয় যার।   পরবর্তীতে ৩০ ডিসেম্বর আরেকটি পরিপত্র জারীর মাধ্যমে পূর্বের সকল প্রকার নিয়োগ বাতিল করা হয়। কিন্তু বাতিলকৃত সরকারী নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গভর্ণিং বডির সভাপতিকে অনুপস্থিত রেখে ১১ মার্চ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন নেছা ও কলেজের দাতা সদস্য খন্দকার জসিম উদ্দিন যোগসাজসে ভূয়া রেজুলেশনের মাধ্যমে পূর্বের সভাপতি মাসুদুর রহমান আজাদ বাদ দিয়ে নতুন সভাপতি মোঃ মামুন কে সভাপতি বানিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়। 

বিধি বর্হিভূত নিয়োগের বিষয়ে ব্রাহ্মণশাস মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন নেছার সাথে কথা বললেন জানান সরকারী পরিপত্র জারি হয়েছে শূণ্য পদের জন্য । সৃষ্টদের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। 

এ বিষয়ে গর্ভনিং বডির সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান আজাদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান চলতি বৎসরের ফেব্রুয়ারির বেতন আমার দস্তখতে হয়েছে। অতএব আমাকে সভাপতি পদ থেকে অবৈধভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।