নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ চলতি পথে গরমে তেষ্ঠা মেটাতে অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে নানা স্বাদের স্ট্রিট শরবতগুলো। কিন্তু রাস্তায় তৈরি এই শরবতের বিশুদ্ধতা নিয়ে রয়েছে নানামত। অনুন্ধানে দেখা গেছে, ঠান্ডা করতে ফুটপাতের শরবতে ব্যবহার হচ্ছে মাছ হিমায়িত করার সাধারণ ট্যাপের পানির তৈরি বরফ। এছাড়া মাছ বেশিণ তাজা রাখতে ওই বরফেই েেত্র বিশেষে মেশানো হয় ফরমালিন। রাস্তায় তৈরি শরবতে ঠান্ডা হিসেবে এই বরফ ব্যবহার করা হয়। জানা গেছে, বরফ বিভিন্ন মাছের আড়তের পাশাপাশি সরবরাহ করা হয় ফাস্টফুডের দোকানগুলোতেও। যে কেউ ইচ্ছা করলেই এ বরফ কিনে নিতে পারে। আবার এসব বরফ সরবরাহের জন্য রয়েছে কিছু লোক। তারা ভ্যানে করে বিভিন্ন ফুটপাতের শরবত ও আখের রস বিক্রেতা এবং বিভিন্ন ফাস্টফুডের দোকানে সরবরাহ করছে। মাত্র ২০-৩০ টাকায় এই বরফ পাওয়া যাওয়ায় নামি-দামি দোকানগুলোও বরফ তৈরির ঝামেলায় যেতে চায় না। আবার এসব বরফ কারখানার আড়ালেই সরাসরি ওয়াসার পানিতে রং মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে আইসক্রিম। এসব আইসক্রিমে কাপড়ের রং ও স্যাকারিন ব্যবহার করা হচ্ছে। তপ্ত গরমে পিপাসা মেটাতে অনেকে রাস্তায় ঠান্ডা শরবত পান করেন ঘাটাইল শহরে প্রায় শতখানিক ঠান্ডা পানির শরবত বিক্রির দোকান গড়ে উঠেছে এই গরমের সময়ে। শহর খোলা ভ্যান গাড়ির ওপরে পানির ফিল্টার, চিনি, লেবু নিয়ে পথচারীর জন্য দোকানদার অপো। এক গ্লাস শরবতের দাম মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকা। তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন বরফ মিশ্রিত ঠান্ডা পানির শরবত পান করে। মোটা চিনির নামে নিষিদ্ধ কেমিক্যাল চিনি, ফরমালিনযুক্ত বরফ , স্যাকারিন এবং ফিল্টার পানির পরিবর্তে ট্যাপের পানি শরবত তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
৫০ শয্যা বিশিষ্ট ঘাটাইল উপজেলা এক চিকিৎসক জানান, ফুটপাতের এই শরবত পানে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। মিশ্রিত তিকারক উপকরণ দিয়ে শরবত নামীয় পানি পান করলে কিডনি বিকল, পানিবাহিত রোগ, গ্যাস্ট্রিক, হেপাটাইটিস বি-ভাইরাস, লিভারের জটিলতা, পাকস্থলীতে প্রদাহ, খাদ্যনালিতে সমস্যা, পেপটিক আলসারসহ মারাত্মক জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

