শুক্রবার, আগস্ট ১০, ২০১৮

পর্যটন শিল্পের হাতছানি নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়া, ভাসানচর ও স্বর্ণদ্বীপ


প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই বাংলাদেশে রয়েছে অনেক পর্যটক আকৃষ্ট দৃষ্টিনন্দন স্থান।  স্থান গুলোতে প্রতি বছরই ভিড় করে সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটক।  দেশের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যুগে যুগে  বিমোহিত করেছে বিভিন্ন দেশি বিদেশী পর্যটককে।  বর্তমান যুগে সব থেকে যুগোপযোগী শিল্প হচ্ছে পর্যটন শিল্প।  আমাদের দেশেও রয়েছে এই পর্যটন  শিল্প বিস্তার ও শক্তিশালী করার অপার  সম্ভাবনা। প্রকৃতি আমাদের এই দেশকে অকৃত্রিম ভালোবাসায় সাজিয়েছে।  অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশের আবহাওয়া বেশ পর্যটক সহায়ক।  সাধারণত পর্যটন শিল্পের দেশ গুলোতে বেশির ভাগই শীত প্রধান দেশ।  কিন্তু আমাদের দেশের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ হওয়ায় পর্যটকরা বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।  এমন আবহাওয়া পৃথিবীতে বিরল।



নদীমাতৃক দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ।  ছোট-বড় হাজারো নদী ও উত্তাল বঙ্গোপসাগরের সাথে এই দেশের এবং দেশের মানুষের গভীর মিতালি।  উত্তাল সাগরের কোলে সবুজ প্রকৃতির এক মায়াবী ভূখণ্ড নিঝুম দ্বীপ।  দ্বীপের সৈকতে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখতে বারবার পর্যটক ফিরে যাবে।  শুধু সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত নয় চিত্রা হরিণ আর কেওড়া, বাইন, গেওয়া বন বারবার ডাকবে নির্জন অপার সৌন্দর্যের এই নিঝুম দ্বীপে।  কিন্তু কিছু অসুবিধার জন্য নোয়াখালীর হাতিয়াদ্বীপ উপজেলার  এই নিঝুম দ্বীপে যেতে অনেকেরই একটু বেগ পেতে হয় বর্তমানে।  সরকার নিঝুম দ্বীপকে ঘিরে সাজিয়েছে কিছু উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে।  যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে।



নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের যাতায়াতে সুব্যবস্থা করা হচ্ছে।  পর্যটকরা যাতে নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে সেজন্য উন্নতমানের সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। যাতে দেশে বিদেশী পর্যটকরা সহজে এবং নিরাপদে ভ্রমণ করতে।  শুধু তাই নয় থাকছে থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা।  দেশি পর্যটকদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকরাও যেন ছুটে যান হাতিয়া হয়ে নিঝুম দ্বীপে, সেজন্য সরকার দ্বীপ দু’টিকে ঘিরে ইকো-ফ্রেন্ডলি (ঐতিহ্য-প্রকৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে) পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য ৪৮ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  এর পুরোটাই হবে দেশীয় অর্থায়নে।  ২০২০ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।  এর ভিতর থাকছে পর্যটকের যাবতীয় সুবিধা, তথা ক্যাটারিং, পিকনিক শেড, কিডস কর্নার, বিনোদন পার্ক, ইয়ুথ ইন, কনফারেন্স হল, ওয়াচ টাওয়ার, কৃত্রিম লেক, বার-বি-কিউ শেড, সার্ভিস ব্লক ইত্যাদি থাকবে এই দুই দ্বীপে।  পুরো এলাকায় জোরদার করা হবে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থাও।  শুধু তাই নয় এই পর্যটন শিল্পকে ঘিরে গড়ে উঠবে কর্মসংস্থান। বর্তমানে দেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশুনা শুরু হয়েছে।  এর মাধ্যমে দেশের পর্যটন শিল্প দক্ষ কর্মীর মাধ্যমে আরো শক্তিশালী ও ত্বরান্বিত হবে।



দেশের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক সূত্রে জানা যায় যে, কেওড়া, বাইন, গেওয়া বনের নিঝুম দ্বীপে ২২ হাজার চিত্রল হরিণের অভয়ারণ্য রয়েছে।  নখরবিহীন উদবিড়াল, মেছো বিড়ালের পাশাপাশি এই দ্বীপে আছে নিশি বক, দেশি কানিবক, গোবক, দেশি পানকৌড়ি, ধূসর বক, বালিহাঁস, কালো হাঁস, কোড়া, তিলা লালগা, তিলা সবুজপা।  রয়েছে গুঁইসাপ, নানা প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপও। সুযোগ-সুবিধা থাকলে এসব জীববৈচিত্র্য স্বভাবতই টানবে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের।

‘সোনাপুর থেকে চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের মাধ্যমে নোয়াখালীর নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়া, ভাসানচর ও স্বর্ণদ্বীপের সড়ক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অন্যতম একটি পর্যটন  কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।  এর মাধ্যমে অন্যান্য শিল্পের মধ্যে পযটন শিল্পেও বাংলাদেশ সফলতার স্বাক্ষর রাখবে।

সরকার ৫০টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি প্রদান করছেন


এ বছর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার আদায়ের দিন ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস’ এর মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে— ‘ইনডিজেনাস পিপলস, মাইগ্রেসন এন্ড মুভমেন্ট’। এই মূল সুরের সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলাদেশ ‘আদিবাসী ফোরাম’ দিবসের প্রতিপাদ্য করেছে— ‘আদিবাসী জাতিসমূহের দেশান্তর প্রতিরোধের সংগ্রাম’।

সরকার দেশের ৫০টি ক্ষুদ্রজাতিগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম এত জাতিগোষ্ঠীর স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। বেশ কয়েক বছর ধরে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় গবেষণা ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনার পর ৫০টি জাতিগোষ্ঠীর তালিকা তৈরি করেছে। একটি আইন করে এসব জাতিগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।

সরকার ক্ষুদ্রজাতিগোষ্ঠীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সর্বশেষ বাজেটেও ক্ষুদ্রজাতিগোষ্ঠী জন্য বিশেষ বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। শেখ হাসিনার উদ্যোগে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ক্ষুদ্রজাতিগোষ্ঠীর- উন্নয়নের মাইলফলক। এ চুক্তির ফলে ক্ষুদ্রজাতিগোষ্ঠীদের শান্তি, সৌহার্দ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা তথা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, কৃষি ও আর্থ-সামাজিক খাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।

সরকারি চাকরিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ কোটা বরাদ্দ থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও তাদের কোটা রয়েছে। এই স্বীকৃতির ফলে নিশ্চিত ভাবেই চাকরি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে তাঁদের ভোগান্তি কমবে।

খালেদার ৬ মাস কারাবাস এবং মুক্তির আন্দোলন

বলতে গেলে অর্ধ বছর পার হয়ে গেছে খালেদার কারাবাসের। খালেদা কারাগারে থাকাতে দলের অবস্থাও নাজুক। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে দেশের বেশ কয়েকটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও বিএনপির ভরাডুবি। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জয়ের মুখ দেখলেও দলের জন্য কোনো সন্তোষজনক বার্তা নিয়ে আসতে পারেনি এই জয়। বাকি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নগরবাসী প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপিকে। অভিভাবকহীন বিএনপির জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে। অপরদিকে খালেদার কারাবাসে খুব বেশি চিন্তিত নন তার রাজনৈতিক কর্মীরা। বলতে গেলে ধুঁকে ধুঁকে চলছে বিএনপির কার্যকলাপ। অনেক নেতাকর্মীরা দল ছেড়ে দিচ্ছেন। মনোনিবেশ করছে অন্য কাজে অথবা যোগ দিচ্ছে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে। দেশের অন্য এক রাজনৈতিক দলে যোগ দেয়া এক নেতাকর্মী বলেন যে বিএনপি এখন দুর্নীতিগ্রস্থ ও বিলুপ্তপ্রায় একটি দল। দলের ভিতর চলছে এখন নানা কারণ নিয়ে অন্তঃকোন্দল। এমনকি কেউ খালেদার মুক্তি নিয়েও খুব মাথা ঘামাচ্ছে না।
বিএনপির নেতাকর্মীরা বারবার বলছেন যে খালেদার মুক্তির পরই তারা জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। কিন্তু এই আশ্বাস অনেকটা মুখের কথাতেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। নানা অজুহাতে ধামাচাপা পড়ছে খালেদার মুক্তির আন্দোলন। এই আন্দোলনে সাড়া জাগাতে পারেনি বিএনপি। অনেকটা ব্যর্থ রাজনৈতিক দলের তালিকার অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এই বিএনপি।
গত ৮ ফেব্রুয়ারী জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ নিম্ন আদালতের রায়ে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের মুখোমুখি হন খালেদা জিয়া। গত মে মাসে আপিল বিভাগের আদেশে তার জামিন হলেও  ২০১৪ ও ২০১৫ সালে দায়ের করা অন্যান্য মামলায় তিনি গ্রেফতার আছেন। এই গ্রেফতারের জন্যই তাকে ভুলতে বসেছে তার দলের নেতা কর্মীরা। খালেদার মুক্তির আন্দোলন করার কথা ছিল তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরই কিন্তু খালেদার মুক্তির আন্দোলন নিয়ে কেউ নড়েচড়ে বসছেন না।
দেখতে দেখতে জাতীয় নির্বাচনও আসন্ন। নেতাকর্মীদের কথা ছিল নির্বাচনের আগেই খালেদাকে মুক্ত করার ব্যবস্থা তারা করবেন। কিন্তু তাদের অবস্থা এখন ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’। খালেদাকে ছাড়াই এই ভঙ্গুর বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা।

খালেদার ৬ মাস কারাবাস এবং মুক্তির আন্দোলন

বলতে গেলে অর্ধ বছর পার হয়ে গেছে খালেদার কারাবাসের। খালেদা কারাগারে থাকাতে দলের অবস্থাও নাজুক। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে দেশের বেশ কয়েকটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও বিএনপির ভরাডুবি। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জয়ের মুখ দেখলেও দলের জন্য কোনো সন্তোষজনক বার্তা নিয়ে আসতে পারেনি এই জয়। বাকি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নগরবাসী প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপিকে। অভিভাবকহীন বিএনপির জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে। অপরদিকে খালেদার কারাবাসে খুব বেশি চিন্তিত নন তার রাজনৈতিক কর্মীরা। বলতে গেলে ধুঁকে ধুঁকে চলছে বিএনপির কার্যকলাপ। অনেক নেতাকর্মীরা দল ছেড়ে দিচ্ছেন। মনোনিবেশ করছে অন্য কাজে অথবা যোগ দিচ্ছে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে। দেশের অন্য এক রাজনৈতিক দলে যোগ দেয়া এক নেতাকর্মী বলেন যে বিএনপি এখন দুর্নীতিগ্রস্থ ও বিলুপ্তপ্রায় একটি দল। দলের ভিতর চলছে এখন নানা কারণ নিয়ে অন্তঃকোন্দল। এমনকি কেউ খালেদার মুক্তি নিয়েও খুব মাথা ঘামাচ্ছে না।

বিএনপির নেতাকর্মীরা বারবার বলছেন যে খালেদার মুক্তির পরই তারা জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। কিন্তু এই আশ্বাস অনেকটা মুখের কথাতেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। নানা অজুহাতে ধামাচাপা পড়ছে খালেদার মুক্তির আন্দোলন। এই আন্দোলনে সাড়া জাগাতে পারেনি বিএনপি। অনেকটা ব্যর্থ রাজনৈতিক দলের তালিকার অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এই বিএনপি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারী জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ নিম্ন আদালতের রায়ে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের মুখোমুখি হন খালেদা জিয়া। গত মে মাসে আপিল বিভাগের আদেশে তার জামিন হলেও  ২০১৪ ও ২০১৫ সালে দায়ের করা অন্যান্য মামলায় তিনি গ্রেফতার আছেন। এই গ্রেফতারের জন্যই তাকে ভুলতে বসেছে তার দলের নেতা কর্মীরা। খালেদার মুক্তির আন্দোলন করার কথা ছিল তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরই কিন্তু খালেদার মুক্তির আন্দোলন নিয়ে কেউ নড়েচড়ে বসছেন না।

দেখতে দেখতে জাতীয় নির্বাচনও আসন্ন। নেতাকর্মীদের কথা ছিল নির্বাচনের আগেই খালেদাকে মুক্ত করার ব্যবস্থা তারা করবেন। কিন্তু তাদের অবস্থা এখন ‘চাচা আপন প্রাণ বাঁচা’। খালেদাকে ছাড়াই এই ভঙ্গুর বিএনপিকে নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শেষ হলেও থেমে নেই গুজব ও ষড়যন্ত্র


নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে জল ঘোলা করা বন্ধ হয়নি এখনো। ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক আন্দোলন থেকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার জন্য তৎপর হয়ে আছে। প্রসঙ্গত গত ২৯ জুলাই শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী বাস চাপায় নিহত হওয়ার জের ধরে রাজপথে আন্দোলনে নামে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনের শুরু থেকেই কুচক্রীমহল শিক্ষার্থীদের বিভ্ৰান্ত করে এই আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, যা এখনো চলমান।

উল্লেখ্য, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমে সরকারের কাছে নিরাপদ সড়ক সহ ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে। তাদের এই ৯ দফা দাবির যৌক্তিকতা মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীরা। তাদের দাবি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপ থেকে বিভিন্ন ধরণের উস্কানি মূলক গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সহিংসতায় ঠেলে দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চেয়েছিল সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থী পরিচয়ে অংশগ্রহণ করে পুলিশ, সাংবাদিকের উপর হামলা করে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেয়ার পাঁয়তারা করেছিল তারা।

এদিকে আন্দোলন শেষ হয়ে গেলেও বিএনপি জামায়াতের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ গুলো এখনো এই আন্দোলন সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরণের গুজব অব্যাহত রেখেছে। সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের ছাত্রলীগের নেতা কর্মী বলে ভুয়া পরিচয় প্রকাশ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যেসব সন্ত্রাসীর ছবি দিয়ে তারা ছাত্রলীগের কর্মী বলে প্রচার করে যাচ্ছে, খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে তারা প্রকৃতপক্ষে তারা বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মী। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই মূলত ছাত্রলীগ পরিচয়ে আন্দোলনে হামলা চালিয়েছে তারা।

এছাড়া এই আন্দোলনকে কি করে আবারো চাঙ্গা করে সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ এ নিয়ে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা এঁকে যাচ্ছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া খবর মতে এই আন্দোলন নিয়ে একাধিক বার বৈঠকে বসেছেন ফখরুল রিজভীরা। লন্ডন থেকে তারেক রহমান দিচ্ছেন দিক নির্দেশনা।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাকফুটে থাকার কারণেই এমন ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ড করতে চাচ্ছে বলে ধারণা দেশের একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

ঘাটাইলে ডাঃ কামরুল হাসান খানের সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময়

নজরুল ইসলাম, ঘাটাইল ঃ টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী  বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব ডাঃ কামরুল হাসান খান 

শুক্রবার বিকালে ঘাটাইলে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেছেন। ঘাটাইল প্রেসক্লাবে এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  সভায় তিনি ঘাটাইল নিয়ে তিনি তার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে শিক্ষা,  সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য,  সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে সচেষ্ট থাকবেন এবং রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব থাকবে বলে প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।  এ ছাড়াও সামাজিক অবক্ষয় রোধে তরুন ও যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে মাদক মুক্ত ঘাটাইল গড়ারও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে সকলের সহযোগিতা চান। 

প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিশয় সভায় বক্তব্য রাখেন ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান, জিবিজি কলেজের উপাধক্ষ্য অধাপক মতিয়ার রহমান, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ নূরুজ্জামান মিঞা, উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম আহবায়ক সোয়েব রানা, 

দৈহিক শক্তি বাড়াতে যা খাবেন


বিবাহিত জীবনে ফিট থাকতে হলে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। কারণ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। আর সেক্ষেত্রে বর্তমান যুগে প্রাকৃতিক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার মেনুতে নিয়মিত দুধ, ডিম এবং মধু রাখলে এবং নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করলে দৈহিক দুর্বলতায় ভুগবেন না। এছাড়া শক্তি বাড়াতে আরও যা খাওয়া দরকার :



রসুন : দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্মরণাতীতকাল থেকেই নারী পুরুষ উভয়েরই দৈহিক শক্তি বাড়াতে রসুনের পুষ্টিগুণের কার্যকারিতা সর্বজনস্বীকৃত। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

ডিম : দৈহিক দুর্বলতা দূর করতে এক অসাধারণ খাবার ডিম। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে আপনার দুর্বলতার সমাধান হবে।

চকলেট : চকলেটে রয়েছে ফেনিলেথিলামিন (পিইএ) ও সেরোটোনিন। এ দুটি পদার্থ আমাদের মস্তিষ্কেও রয়েছে। এগুলো দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

ভিটামিন সি জাতীয় ফল : দৈহিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল দৈহিক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। এসব ফলে মধ্যে তরমুজের প্রভাব বেশি।



দুধ : যেসব খাবারে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এমন প্রাকৃতিক খাদ্য দৈহিক শক্তির উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি দৈহিক শক্তির হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

জয়ফল : গবেষণায় দেখা গেছে, জয়ফল থেকে এক ধরনের দৈহিক শক্তির নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে দৈহিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

মধু : দৈহিক দুর্বলতার সমাধানের মধুর গুণের কথা সবারই কম-বেশি জানা। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।

গরুর মাংস : গরুর মাংসে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি মিলনকে আরও আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।



কফি : কফি দৈহিক শক্তি বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মিলনের মুড কার্যকর রাখে।

কলা : কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম দৈহিক শক্তি বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতেও সহায়ক। আর সর্বোপরি কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা আপনার দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে ক্লান্তি আসবে না।