বৃহস্পতিবার, মে ২৬, ২০১৬

‘আগে দলীয় মার্কা আছিল না, ভয়ও আছিল না’

নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ ‘আগে চেয়ারম্যানের ভোট আইলে কত্ত আনন্দ করতাম। প্রাথীগো (প্রার্থীদের) সাথে পারথীগো কী মিল (সমমর্মিতা) আছিল! এহন এক পারথী আরেক পারথীরে সহ্য করা দূরের কথা, কোনো পারথীর পে কাজ করলেই আরেক পারথী হুমকি দেয়। আগে মার্কার (দলীয় প্রতীক) নির্বাচন আছিল না; ভয়ও আছিল না।’
কথাগুলো টাঙ্গাইল জেলার উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের রতন বরিষ গ্রামের বৃদ্ধ আঃ আজিজ তালুকদার (৮০)। গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। এদিন টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) অন্তত ৫০ জন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে প্রায় একই রকম উৎকণ্ঠার কথা জানা যায়। কেবল ভোটাররা নন, আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছাড়া অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কিত। আছে পুলিশি হয়রানির অভিযোগও।
দেউলাবাড়ী ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আবুল হোসেন বলেন, তাঁর কর্মীদের আওয়ামীলীগ মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী মোঃ কায়সার রহমান কহিনূর এর সমর্থকরা হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। 
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘাটাইল উপজেলায় ১৪টি ইউপির ৮টিতে ০৪ জুন ভোট হবে। ৮টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৭ জন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন।  আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্য প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা ও হুমকি-ধমকির অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, জামুরিয়া ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী ইখলাক হোসেন খান শামীম তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন। পরে মুঠোফোনে তার সাথে কথা বলতে সময়  তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের না যেতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোটাররাও আতঙ্কে আছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার একটাই চিন্তা, সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ ও গণনা। সেটা হলেই আমি বিপুল ভোটে পাস করব।’
তবে জামুরিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তা দেখে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম আমাদের জানান, প্রার্থীদের কেউ কেউ মৌখিকভাবে অভিযোগ করছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে কার্যকর পদপে নিতে বলা হয়েছে।

‘আগে দলীয় মার্কা আছিল না, ভয়ও আছিল না’

নিজস্ব প্রতিবেদক, আমাদের ঘাটাইল ঃ ‘আগে চেয়ারম্যানের ভোট আইলে কত্ত আনন্দ করতাম। প্রাথীগো (প্রার্থীদের) সাথে পারথীগো কী মিল (সমমর্মিতা) আছিল! এহন এক পারথী আরেক পারথীরে সহ্য করা দূরের কথা, কোনো পারথীর পে কাজ করলেই আরেক পারথী হুমকি দেয়। আগে মার্কার (দলীয় প্রতীক) নির্বাচন আছিল না; ভয়ও আছিল না।’
কথাগুলো টাঙ্গাইল জেলার উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের রতন বরিষ গ্রামের বৃদ্ধ আঃ আজিজ তালুকদার (৮০)। গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিনে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। এদিন টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) অন্তত ৫০ জন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে প্রায় একই রকম উৎকণ্ঠার কথা জানা যায়। কেবল ভোটাররা নন, আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছাড়া অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কিত। আছে পুলিশি হয়রানির অভিযোগও।
দেউলাবাড়ী ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আবুল হোসেন বলেন, তাঁর কর্মীদের আওয়ামীলীগ মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী মোঃ কায়সার রহমান কহিনূর এর সমর্থকরা হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। 
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘাটাইল উপজেলায় ১৪টি ইউপির ৮টিতে ০৪ জুন ভোট হবে। ৮টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাসদ ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৭ জন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন।  আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্য প্রার্থীদের প্রচারণায় বাধা ও হুমকি-ধমকির অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, জামুরিয়া ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী ইখলাক হোসেন খান শামীম তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন। পরে মুঠোফোনে তার সাথে কথা বলতে সময়  তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের না যেতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোটাররাও আতঙ্কে আছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার একটাই চিন্তা, সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ ও গণনা। সেটা হলেই আমি বিপুল ভোটে পাস করব।’
তবে জামুরিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তা দেখে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম আমাদের জানান, প্রার্থীদের কেউ কেউ মৌখিকভাবে অভিযোগ করছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে কার্যকর পদপে নিতে বলা হয়েছে।