বৃহস্পতিবার, মে ১১, ২০১৭

ঘাটাইলে অধ্যক্ষের দায়িত্বহীনতায় পরিক্ষা দিতে পারলো না ২২ পরিক্ষার্থী


মো.মাসুম মিয়া,ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বহীনতায় চলমান বর্ষ সমাপনী পরিক্ষার আজকের পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পারলো না বিজ্ঞান শাখার ২২ জন পরিক্ষার্থী।
পরিক্ষা নিয়ন্ত্রন কমিটির আহবায়ক প্রভাষক জুলফিকার আলী লিটন জানান,চলমান বর্ষ সমাপনী পরিক্ষায় কলেজে ১৩০ জন পরিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।সময়সূচি অনুযায়ী সব পরিক্ষার্থী যথাসময়ে উপস্থিত হয়।আজ ১১ মে বৃহস্প্রতিবার বিজ্ঞান শাখার পরিক্ষার্থীদের জীববিজ্ঞান পরিক্ষা হওয়ার কথা ছিল আর জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিজেই। সকাল ১০ টার আগে আমার হাতে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কথা সে প্রশ্ন দেয়নি এবং কলেজেও আসেনি আমাকে ফোনও দেয়নি।ফলে আমরা জীববিজ্ঞান বিষয়ের পরিক্ষা নিতে পারি নাই।বোর্ডের পূর্ন নির্দেশ ১১ মে এর মধ্যে বর্ষ সমাপনী পরিক্ষা শেষ করতে হবে।তিনি আরো জানান, এই রকম অবহেলা শুধু আজ নয় এর আগেও তিনি অনেকবার এমন কাজ করেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পরিক্ষার্থী  বলেন, ভাল প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিলাম পরিক্ষা দিতে পারলাম না খারাপ লাগতেছে।উল্লেখ্য যে,ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের সাথে কোন ভাবেই মানিয়ে চলতে পারছে না ২৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর ২৬ জন।অযোগ্য,দুর্নীতিবাজের অভিযোগ এনে ২৬ জনই তার  বিরোদ্ধে দুইবার অনাস্থা প্রদান করেন।ঘাটাইলে ৯ বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে চলছে একমাত্র মহিলা কলেজ এই শিরোনামে একটি সংবাদ দৈনিক শিক্ষায় প্রকাশ করা হয়।
্এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুননাহার বলেন,আমি বর্ষ সমাপনী পরিক্ষা শুরু করতে বলেছি ২৯ মে কিন্তু অন্যান্য শিক্ষকরা তাদের ইচ্ছামত ৪০০ টাকাহারে ফ্রি ধরে ২৭ তারিখ থেকে পরিক্ষা শুরু করেছে।তারা আমার কথা শুনেনি।তারা বার্তি ফ্রি ধরেছে এজন্য আমার কাছে ৭ অভিযোগ এসেছে।আমি পরিক্ষার্থী সবার সাথে কথা বলেছি আগামী শনিবার জবিবিজ্ঞান পরিক্ষা নিয়ে নেব।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ঘাটাইলে দেড় বছরের শিশুকে যৌন পিড়ন আটক ১

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দেড় বছরের এক শিশু  যৌন পিড়নের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ শিশুটির খালু নরপশু জহুরুলকে( ৩০)আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার নলমা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসি জানায়, ঘাটাইল উপজেলার নলমা গ্রামের মোঃ জামাল হোসেনের দুই মেয়ে জাহানারা ও বীথি। জাহানারার বিয়ে হয় পাবনার চাটমহর উপজেলার আকবর আলীর কাছে। জাহানারা ও আকবর হোসেন দম্পতির দেড় বছরের শিশু আশা। শিশুটি উপজেলার নলমা গ্রামে নানা -নানি ও খালা জেসমিনের নিকট রেখে  তারা ঢাকায় চাকরি করে। জেসমিন ও জহুরুল হকের কোন সন্তানাদি নেই। অবুঝ ঐ শিশুটি বাবা-মার অনুপস্থিতে খালু জহুরুলকে বাবা  বলে ডাকত।
গত ৮ মে সকালে শিশুটিকে বাড়িতে রেখে খালা জেসমিন পাশের বাড়িতে চলে যায় । এমন সময় ফুট-ফুটে অবুঝ শিশুটি হামাগরি দিয়ে বাড়ির আঙিনায় খেলতে ছিল। খালি বাড়ি পেয়ে শিশুটির উপর যৌন পিড়ন চালায়। এ সময় শিশুটি কান্নাঁ করলে নানা-নানি ও খালা   ছুটে এসে নরপশুর কান্ড দেখতে পায়।  পরে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল বুধবার  বিকালে লোমহর্ষক এ মর্মান্তিক ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে  স্থানীয় জনতা জহুরুলকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।  পরে পুলিশ  জহুরুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। 
এ ব্যাপারে ঘাটাইল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আমির হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দোষী ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 



আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

যৌতুকের জন্য প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে সিগারেটের আগুনে ছ্যাকা

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতাঃ
যৌতুকের দাবিতে  নাজমীন আক্তার নামে এক বুন্ধি প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে সিগারেটের আগুনে ছ্যাকা ও মারপিট করে আহত করেছে পাষান্ড স্বামী। ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটিকরী গ্রামে গতকাল এ ঘটনা ঘটেছে।নির্যাতিত গৃহবধূকে মারাতœক আহত অবস্থায় ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গৃহবধূর বাবার বাড়ি উপজেলার চৌডাল গ্রামে।
গৃহবধূর বাবা আঃ রহিম জানান, ২০১৫ উপজেলার পাঁচ টিকরী গ্রামের আঃ কুদ্দুছ তালুকদারের ছেলে মোঃ আক্তার হোসেনের সাথে তার বুন্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুক লোভী স্বামী যৌতুকের জন্য তার মেয়ের উপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক চাপ দিত। সম্প্রতি আক্তার হোসেন একটি অটো রিক্সা কিনার জন্য নাজমীনের উপর চাপ সৃষ্টি করে । এতে নাজমীন অস্বীকৃতি জানালে তার উপর শারীরিক নির্যাতন চালায় এবং শরীরে সিগারেটের ছ্যাকা দিয়ে আহত করে পাষান্ড স্বামী আক্তার হোসেন। নির্যাতনের খবর বাবাকে জানালে তাকে  মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে  লোকমুখে নির্যাতনের খবর  পেয়ে তার বাবা পাঁচটিকরী গ্রামে গিয়ে নাজমীনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এব্যাপারে গৃহবধূর বাবা আঃ রহিম থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।