সোমবার, জুলাই ২৩, ২০১৮

নব বিবাহিত মুসলিম দম্পতিদের যে পাঁচ জিনিস জানতে হবে

আবদুল্লাহ তামিম: বিয়ে রাসুল সা. এর একটি সুন্নত। রাসুল সা. বলেছেন, যে আমার সুন্নতকে অবজ্ঞা করলো সে আমাকে অবজ্ঞা করলো। যারা বিয়ে করলো আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য আল্লাহ তায়ালা তাদের জীবন আলোকিত করে দিবেন।

নতুন বিবাহিত মুসলিম দম্পতিরা তাদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে ইসলাম যা বলে তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায় অনেক সময়। কারণ তারা এ বিষয়ে কথা বলতে লজ্জা পায়।

অনেক সময় তারা বিভ্রান্তও হয়। তাই আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই।

১. বিয়ে প্রথম রাত

প্রথম রাতেই যে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে ইসলামে এর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আগে একে অপরকে বুঝা উচিত। যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে শারীরিক সম্পর্ক উপভোগের মাধ্যমে হবে, তাহলে তো ঠিক আছে।

কিন্তু জোড়পূর্বক কোনোভাবেই উচিত নয়। এতে শুরুতেই সম্পর্কের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব শুরু হয়। তাই এ ব্যপারে সতর্ক থাকা উচিত।

২. শারীরিক সম্পর্ক

নববধূর জন্য আল্লাহ শারীরিক সম্পর্ক হালাল করেছেন কিন্তু এটি শুধুই শারীরিক সম্পর্ক নয় আল্লাহর বিধান ও ইবাদতও। সেটি মনে রাখতে হবে। বিয়েটা শুধু যেনো যৌন চাহিদার জন্য না হয়। আল্লাহর বিধান মানার জন্যও যেনো হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে।

ইসলাম আমাদের যৌন আকাঙ্ক্ষা পরণের জন্য বিধান দিয়েছেন। রাসুল সা. বাসর রাত বা শারীরিক সম্পর্কের জন্য দোয়াও শিখিয়ে দিয়েছেন।

ইসলাম বলে মানুষ যেনো পশুদের মত যৌন চাহিদা পূরণ না করে। তাই অনেকগুলো নির্দেশনা আছে এ ক্ষেত্রে। সঙ্গিনীর চাহিদা, ভালো লাগা খারাপ লাগার প্রতি গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তার কষ্ট হয় এমন কিছু করা উচিত নয়।

আল্লাহ তায়ালা পায়ু পথে সম্পর্ক করাও হারাম করেছেন। তাই ইসলামের বিধান মানাটা অপরিহার্য।

৩. ভার্জিনিটি

অনেকের ধারণা থাকে শারীরিক প্রথম সম্পর্কের ক্ষেত্রে রক্তপাত না হলে তার ভার্জিনিটি আগেই ছিন্ন হয়ে গেছে। ইসলাম এমন ধারণাকে সমর্থন করে না। কেনা অনেক সময় লাফালাফি বা এ জাতীয় খেলাধুলার কারণেও ছিন্ন হতে পারে। সুতরাং এ বিষয় নিয়ে বাড়বাড়ির কোনো সুযোগ নেই ইসলামে।

৪. সঙ্গিনী

আল্লাহ তায়ালা মানুষের মর্যাদার ক্ষেত্রে নারীদের মর্যাদা দিয়েছেন অনেক বেশি। তাই স্বামীরাও  তাদের মর্যাদা দেবে। তাদের পছন্দ অপছন্দের দিকে লক্ষ্য রাখবে। শারীরিক সুখ দেয়ার পুরোপুরি চেষ্টা করবে।

৫. সঙ্গিনীর বিষয়ে আলোচনা

শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো নিয়ে কারো কাছে বলা ইসলাম নিষেধ করেছেন। এগুলোর বিষয়ে আলোচনা হারাম।

সঙ্গিনীর শারীরিক কোনো বিষয়ে অন্যের কাছে বলা ইসলাম সমর্থন করে না। হ্যাঁ শারীরিক সম্পর্কে যদি কোনো সমস্যা থাকে তাহলে অবহেলা না করে ডাক্তার দেখানো উচিত।

সঙ্গিনীর হক আদায়ে যদি কমতি হয় আর আপনি লজ্জায় ডাক্তার না দেখান তাহলে মারাত্মক গোনাহগার হবেন।

তাই এ বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করা ও গুরুত্ব দেয়া খুবই প্রয়োজন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন।

সূত্র: দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশন 

গণতান্ত্রিক ধারা থাকলে দেশ উন্নত হয় সেটার প্রমাণ আপনারা পাচ্ছেন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সামনে ডিসেম্বরে নির্বাচন। জনগণ ভোট দিলে আছি, না দিলে নাই; এ নিয়ে কোনো আক্ষেপ নাই। তিনি বলেন, ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক ধারা থাকলে যে দেশ উন্নত হয় সেটার প্রমাণ এখন নিশ্চয়ই আপনারা পাচ্ছেন।

সোমবার ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ৩৯ জন সরকারি কর্মচারী ও ৩ প্রতিষ্ঠানকে ‘জনপ্রশাসন পদক-২০১৮’ পদক ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের পর একটা রক্তাক্ত অবস্থা বারবার বিরাজ করেছে। যা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রের তলদেশ থেকে মহাকাশ পর্যন্ত বাংলাদেশ পৌঁছে গেছে। সেই অগ্রযাত্রা যেন থেমে না যায়।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশকে অনেক সমস্যার সম্মূখীন হতে হয়েছে। জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। সাড়ে তিন বছর যেতে না যেতেই সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটি দেশকে যখন তিনি গড়ে তুলেছেন। উন্নয়নের পথে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে তিনি যাত্রা শুরু করেছেন ঠিক সেই সময়ে এল চরম আঘাত। জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হল। এ হত্যাকাণ্ডটা বাংলাদেশের জন্য কতবড় আঘাত তা জাতি উপলদ্ধি করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এই ৭৫-এর পনেরো আগস্টের পর সংবিধান লংঘন করে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা এবং ক্ষমতাকে ঘিরে নিজেদের ভাগ্য গড়ার দিকে ক্ষমতাসীনদের নজর ছিল তা দেশের দিকে ছিল না।

আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যে দেশ গড়ে ওঠার কথা ছিল সেই দেশ দারিদ্রমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে। সেদেশের মানুষ বঞ্চিত থেকে গেছে, ক্ষুধার্ত থেকে গেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে, ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছে এবং সেখানে একের পর এক ক্যু হয়েছে। আর এর খেসারত দিয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়াও সিভিল প্রশাসন, জনগণ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও এর শিকার হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের পরের ইতিহাস হচ্ছে হত্যার ইতিহাস, সংবিধান লংঘনের ইতিহাস, ক্যু’র ইতিহাস, ক্ষমতা দখলের ইতিহাস। পঁচাত্তরের পর যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা নিজেদের ভাগ্য গড়েছেন। দেশের স্বার্থ তাদের কাছে গুরুত্ব পায়নি। দেশকে ভিক্ষার ঝুলি ধরিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থা। পচাত্তরের পরবর্তী শাসকরা চেয়েছিল বাংলাদেশের মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিদেশে ঘুরে বেড়াক।

কেমন আছেন খোকা

রাজনীতি থেকে নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছেন বিএনপির এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা। দীর্ঘদিন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এবং ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক ছিলেন খোকা। মহানগরের শীর্ষপদ ছেড়েছেন কয়েক বছর হলো; দলের স্থায়ী কমিটিতে স্থান পেতে পারেন শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।
ঢাকার মেয়র, মহানগর বিএনপির শীর্ষপদ এবং কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সুবাদে দলের অভ্যন্তরে যে শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছিল তার, দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে তা অনেকটাই নড়বড়ে হয়ে গেছে। দলের হাইকমান্ডসহ মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের পরম আস্থাভাজন পরাক্রমশালী সেই খোকা বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতা, মামলা, সাজার রায়, বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়া ইত্যাদি কারণে খুবই নাজুক হয়ে পড়েছেন। বিদেশে থেকেও বেশ চিন্তিত দেশের রাজনীতিতে একদা ডাকসাইটে হিসেবে গণ্য এই নেতা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরও কিছুদিন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেপথ্য থেকে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন সাদেক হোসেন খোকা। কিন্তু দিন দিন তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। এখন তিনি এতটাই নিষ্ক্রিয় যে, দলীয় কোনো দায়িত্ব নিতেও রাজি নন। ২০১৪ সালের ২৪ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন খোকা। ওই বছরের জুলাইয়ে তার শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি হন খোকা।
সাম্প্রতিককালে দলের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দেখভালে খোকাকে দায়িত্ব দিতে চেয়েছিলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কিন্তু খোকা রাজি হননি। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গেও এখন আর তিনি যোগাযোগ রাখছেন না। বর্তমানে তার ক্যানসারের চিকিৎসা চলছে, নিয়মিত ইমুনা থেরাপি নিতে হয়। চিকিৎসকের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া দেশে ফেরার চিন্তা করাও সম্ভব নয়। চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হন নতুবা বাসাতেই থাকেন। সেখানে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর প্রথমে উঠেছিলেন নিউইয়র্কে বোনের বাড়িতে। পরে বাসা ভাড়া নেন কুইন্সের ইস্ট এলমহার্স্টে। নিউইয়র্কের বিশ্বখ্যাত ক্যানসার বিশেষায়িত হাসপাতাল মেমোরিয়াল সোয়ান কেটারিংয়ের চিকিৎসক জেমস জে. শিহর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন খোকা।
সূত্র মতে, ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ায় খোকা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে চাইছেন না জেল-জুলুমের শঙ্কায়। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশে আসতেও রাজি নন তিনি, বরং যুক্তরাষ্ট্রেই থেকে যেতে চান। ফ্লোরিডায় বাড়ি কিনতেও আগ্রহী। নিউইয়র্কের ভাড়া বাসায় সারাদিন শুয়ে-বসে টিভি দেখে সময় কাটছে তার। খোকার ব্যক্তিগত সহকারী সিদ্দিকুর রহমান মান্নাও নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। মান্নাই বর্তমানে তার দেখাশোনা করছেন।
বেশ কয়েক বছর ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে এবং মামলার সাজা মাথায় নিয়ে আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে নিজ নির্বাচনী এলাকা পুরান ঢাকার (কোতোয়ালি-সূত্রাপুর) ঢাকা-৬ আসনের নেতাকর্মী ও তার সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে ধোঁয়াশা। খোকার অনুগত নেতাকর্মীদের মতে, শেষ পর্যন্ত নিজে নির্বাচন করতে না পারলে খোকা এ আসন থেকে তার ছেলে প্রকৌশলী ইসরাক হোসেনকে নির্বাচনী মাঠে নামাতে পারেন।
২০০৪ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন সাদেক হোসেন খোকা। ২০১১ সালে ঢাকা সিটি উত্তর ও  দক্ষিণ এ দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। মেয়রের দায়িত্ব ছাড়ার পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া ২০১৩-১৪ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নাশকতার অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলায় আসামি করা হয় তাকে। ইতোমধ্যে দেশে খোকার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। নাশকতার মামলায় তার বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। সব মিলিয়ে বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে ৩০টির বেশি মামলা আছে বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর খোকার ১৩ বছরের কারাদ- এবং ২ লাখ টাকা জরিমানার রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩। একই সঙ্গে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে তা দখলেও নেওয়া হয়। দুদকের ওই মামলায় খোকার ছেলে ইসরাক হোসেন ও মেয়ে সারিকা সাদেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেও পরবর্তী সময়ে চার্জশিট থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়।
এত শঙ্কা, দ্বিধার পরও খোকার ঘনিষ্ঠজনরা আশা করছেন, সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে মামলা-মোকদ্দমা মোকাবিলার পাশাপাশি রাজনীতিতে আগের অবস্থান ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবেন সাদেক হোসেন খোকা।

নিজেকে নবী দাবি করে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করার চেষ্টা, অতঃপর…

ইথিওপিয়ার বাসিন্দা আয়েলে। তিনি নিজেকে নবী বলে দাবি করেন। একদিন দেশটির ওরোমিয়া অঞ্চলের ছোট গালিলি শহরে হাজির হন আয়েলে।

শহরটিতে সম্প্রতি মারা গেছেন এমন এক ব্যক্তির পরিবারের কাছে গিয়ে বিশাল এক গল্প ফাঁদলেন যে, তিনি মৃত ব্যক্তিকে প্রাণ দিতে পারেন।

শোকসন্তপ্ত পরিবারকে আয়েলে শোনালেন সেইন্ট লাযারুসের গল্প। যার মরদেহে যিশুখ্রিস্ট প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বলে বাইবেলে উল্লেখ রয়েছে। এই গল্পে শোক সন্তপ্ত পরিবারটির মনে যেন আশার সঞ্চার হয়।

গল্পটি তাদের এতই মনে ধরল যে, তারা তাদের মৃত আত্মীয় বেলায়ের মরদেহ কবর থেকে তুলতে রাজি হয়ে গেলেন। মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করার জন্য যা করছেন আয়েলে, তার একটি ভিডিও ইথিওপিয়াতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

মরদেহটি কবর থেকে তোলা হলে আয়েলে ঠিক তার ওপর শুয়ে পড়েন। তার অসংখ্যবার চিৎকার করে উন্মাদের মতো বলতে থাকেন, ‘ওঠো, ওঠো’। কিন্তু তাতে কোনা কাজ হয়নি। মরদেহটি প্রাণ ফিরে পাওয়া তো দূরে থাক, একটি আঙুলও নড়ল না।

ঠিক ওই সময় কয়েকজন অজ্ঞানও হয়ে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় মৃত ব্যক্তির বাকি স্বজনেরা ভয়াবহ ক্ষেপে যান, অতঃপর শুরু হল ধোলাই।

নিজেকে নবী দাবি করা ওই ব্যক্তি নিজেও হয়তো মরদেহ হয়ে যেতেন, যদি সময়মত পুলিশ এসে না পৌঁছাতো।

যদিও তার অর্থ এই নয় যে তিনি একেবারে বেঁচে গেছেন। পুলিশ এসে তার প্রাণ বাঁচালেও ঘটনা শুনে আয়েলেকে গ্রেফতার করে।

স্থানীয় পুলিশ কমিশনার জানান, ইথিওপিয়াতে মরদেহকে বিকৃত করা বা তার অপব্যবহার করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ওই পুলিশ কমিশনার আরও জানান, আয়েলে আসলে পেশায় একজন স্বাস্থ্যকর্মী এবং তিনি এখনো পুলিশের জিম্মায় রয়েছেন।

১১ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন তামিম-সাকিব

শুরুটা ভালো হয়নি। একে তো ১ রানের মাথায় ওপেনার এনামুল হক বিজয়কে হারানো, তার ওপর আবার ধীরগতির রান। গায়ানায় চলমান আইপে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে উইন্ডিজের বিপক্ষে যেন সুবিধাই করতে পারছিলেন না তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। কিন্তু দিন শেষে তাদের ব্যাটেই হাসল বাংলাদেশ। দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন দুজন, গড়লেন নতুন রেকর্ড।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশকে নিয়ে যখন এই প্রতিবেদনটি লেখা হচ্ছে, তখন দলীয় সংগ্রহ ১ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান। যার মধ্যে সাকিব-তামিমের ব্যাটে এসেছে ১৮১ রান। এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি নিজেদের করে নিলেন তামিম ও সাকিব।

এই ম্যাচের আগে দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি ছিল ইমরুল কায়েস ও জুনায়েদ সিদ্দিকীর। ২০০৭ সালে এশিয়া কাপে ডাম্বুলায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬০ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা। ১১ বছর পর সেই জুটি ভেঙে নিজেদের নাম লেখালেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ও দেশের ক্রিকেটের সেরা বিজ্ঞাপন সাকিব।

উল্লেখ্য, ক্রিকেট দুনিয়ায় দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ডটি অক্ষুণ্ণ রেখেছেন ক্রিস গেইল ও মারলন স্যামুয়েলস। উইন্ডিজ  এই দুই ব্যাটসম্যান ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েন।

সেক্স থেকে অ্যালার্জি, মৃত্যুও হতে পারে

দাম্পত্য জীবনে সেক্স বা শারীরিক সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে সেক্স বা যৌনতায় চূড়ান্ত তৃপ্তির মুহূর্তেই শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে অ্যালার্জি! এমনকি সেই অ্যালার্জি থেকে মৃত্যুও হতে পারে! পুরুষের বীর্য থেকে নারীর, এমনকি সেই পুরুষের জন্যও হতে পারে মহা বিপদ।

ডাচ ডাক্তারের ‘আবিষ্কার’ নিয়ে ‘সেক্স মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে!’ নামে ডয়েচে ভেলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তবে শারীরিক সম্পর্কে অ্যালার্জি হওয়া থেকে মৃত্যু কথা বলা হলেও এখনো এ ধরনের রোগীর উল্লেখ খুব একটা নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।


যৌনতার বিপদ
যৌনমিলনের পর অনেকের যৌনাঙ্গে বা শরীরের অন্যান্য স্থানে অ্যালার্জি দেখা দেয়। এ সমস্যাকে বহু বছর খুব একটা গুরুত্ব দেয়া হয়নি। কিন্তু এখন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। দেখা গেছে, মিলনের পর অনেক নারী অ্যালার্জির কারণে ডাক্তারের কাছে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এমনকি বীর্যপাতের পর নিজের বীর্যের কারণে অনেক পুরুষের শরীরেও এ সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

মৃত্যুও হতে পারে
এ ধরনের অ্যালার্জির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হতে পারে। যৌনমিলনের কারণে দেখা দেয়া, অ্যালার্জির কারণে হতে পারে মৃত্যুও।

ডাচ ডাক্তারের ‘আবিষ্কার’
১৯৫৮ সালে, অর্থাৎ ৫৮ বছর আগে নেদারল্যান্ডসের এক ডাক্তার প্রথম যৌনতার কারণে দেখা দেয়া এ অ্যালার্জির কথা লিখিতভাবে উল্লেখ করেছিলেন। তবে এতদিনেও গবেষণামূলক লেখালেখিতে এ ধরনের রোগীর উল্লেখ খুব একটা নেই।

রোগীর লজ্জা
যৌনমিলনের পর অ্যালার্জি দেখা দিলেও অনেকেই লজ্জায় ডাক্তারের কাছে যেতে চান না। এ প্রবণতা অবশ্য মেয়েদের মধ্যেই বেশি।

ডাক্তারের ভুল
অনেক সময় ডাক্তারের ভুলের কারণেও যৌনতাজনিত অ্যালার্জির কথা কেউ জানতে পারে না। ডাক্তার ধরে নেন, সাধারণ কোনো ইনফেকশন হয়েছে। সেই অনুযায়ীই রোগীর চিকিৎসা চলে।

১০ হাজারে একজন
একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, শিল্পোন্নত দেশগুলোর প্রতি ১০ হাজারের মধ্যে অন্তত একজন নারী বা পুরুষ এ ধরনের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হন।

কেন হয়?
পুরুষদের বীর্যে এমন অনেক উপাদান রয়েছে, যা থেকে অ্যালার্জি হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যৌনতার পরের এ অ্যালার্জির জন্য দায়ী বীর্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপদান ‘প্রোস্টেট-স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন’ বা পিএসএ। এ পিএসএ-র কারণে প্রোস্টেট ক্যানসারও হয়ে থাকে। অন্যদিকে যৌনমিলন এবং প্রজননেও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে পিএসও। ডিম্বাণু আর শুক্রাণুর মিলনও পিএসএ-র ওপর নির্ভরশীল।

কুকুরের কারণেও হতে পারে
অনেক সময় কুকুরের বীর্যের কারণেও মানুষের দেহে দেখা দিতে পারে এ অ্যালার্জি। কুকুর প্রস্রাব করার সময় প্রস্রাব ছিঁটালে তার গায়ে লাগে। প্রস্রাবের সঙ্গে বীর্যও লাগে শরীরে। ফলে পোশা কুকুরকে আদর করলে সেই বীর্যের সংস্পর্শে ছড়াতে পারে বিপজ্জনক এ অ্যালার্জি।

খাবারের সঙ্গে
অনেকেরই খাবারে অ্যালার্জি থাকে। আর যৌনমিলনের সময় সেই খাবারের কারণেও হতে পারে অ্যালার্জি। ব্রাজিলে এক নারীর বাদামে অ্যালার্জি ছিল। পার্টনার যৌনমিলনের আগে বাদাম খেলেও খুব ভালো করে ব্রাশ করলেও যৌনমিলনের পরই অ্যালার্জি শুরু হয়ে যেত মেয়েটির শরীরে।

পুরুষদের সমস্যা
পুরুষদের অ্যালার্জির ধরনটা একটু অন্যরকম। যৌনমিলনের পর পুরুষদের সাধারণত খুব মাথাব্যথা হয়। কারো কারো কয়েকদিন খুব ক্লান্ত লাগে। কেউ কেউ আবার সপ্তাহ খানেক পর্যন্ত সর্দি-জ্বরে ভোগেন।

আতঙ্ক ও রক্ষার উপায়
এমন অ্যালার্জি কয়েকবার হলে একসময় মনে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে তো তখন আর সেক্সই করতে চান না। তবে এ থেকে রক্ষার উপায়ও আছে। আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে যৌনমিলন এড়িয়ে চলা কোনো সমাধান নয়। বরং যৌনমিলনে কনডম ব্যবহার করা যেতে পারে।

ওষুধ
যারা সন্তান নিতে চান তাদের কী হবে? তাদের তো কনডম ব্যবহার করলে চলবে না। তাদের জন্য একমাত্র সহায় অ্যান্টিহিসটামিন। এ ওষুধ অ্যালার্জির কষ্ট অনেকটাই কমাতে সক্ষম।

টিভির পর্দায় আজকের খেলার সময়সূচি

ক্রিকেট

শ্রীলঙ্কা-দক্ষিণ আফ্রিকা

দ্বিতীয় টেস্ট, চতুর্থ দিন

সরাসরি, সকাল ১০-৩০ মিনিট

সনি সিক্স

টেনিস

হামবুর্গ ওপেন

সরাসরি, বিকেল ৩টা

সনি ইএসপিএন

আমি বর্ণবাদের শিকার: ওজিল

সব সমালোচনার হাত থেকে মুক্তি পেতে অবশেষে জার্মান ফুটবল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা মেসুত ওজিল। বিদায় বেলায় এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন।

রবিবার এক বিবৃতিতে আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার জানিয়ে দেন, জার্মানির জার্সিতে আর খেলতে আগ্রহী নন তিনি। তাছাড়া জাতীয় দলে নিজের সমালোচনা নিয়ে তিনি ববিৃতি জানান,‘দুঃখের সঙ্গে আমি জানাতে চাই যে গত কিছুদিনের ঘটনার কারণে আমি আর জার্মানির জার্সি গায়ে না জড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার মনে হয়েছে আমি বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছি তাছাড়া আমাকে অসম্মান করা হয়েছে।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় গেল বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। আর বিশ্বকাপে দলের এমন ভরাডুবির জন্য ওজিলকেই দায়ী করছেন সবাই। তাছাড়া লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপে এরদোয়ানের সঙ্গে একই ছবিতে ফ্রেমবন্দি হওয়ার পর ওজিলকে নিয়ে সমালোচনার মাত্রাটা আরো বেড়ে যায়। এই জন্য অভিমানে জাতীয় দল থেকে অবসরে যেতে বাধ্য হলেন এই তারকা ফুটবলার।

২০০৯ সালে জার্মানির জার্সি গায়ে জড়ানো ওজিল জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ৯২টি ম্যাচ। যার মধ্যে তিনি করেছেন ২৩টি গোল। পাশপাশি আছে ৪০ টি অ্যাসিস্টও। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে জার্মানির জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এই মিডফিল্ডার।

গরমে আম-কলার স্মুদি

গরমে পানিশূন্যতা পূরণের পাশাপাশি শরীর সুস্থ রাখতে চাই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার দাবার। প্রচণ্ড গরমে শরীরের ভেতরটা ঠান্ডা রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানির। পানি খাওয়ার পাশাপাশি খেতে পারেন ফলের জুস। পাকা আম ও কলার মিশ্রণে মজাদার স্মুদি তৈরি করে খেতে পারেন। চলুন দেখে নিই রেসিপিটি।



উপকরণ:

মাঝারি সাইজের আম- ১টি

কলা- ১টি

কমলার রস- ৫০০ মিলিলিটার

বরফ কুচি

প্রস্তুত প্রণালি:

প্রথমে আমের খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে কেটে নিন। এরপর কলা কুচি করে কেটে নিন। এবার কোচানো আম, কলা ও কমলার রস একসঙ্গে মিশিয়ে একটি ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড হয়ে গেলে একটি গ্লাসে ঢেলে নিন। এর ওপর বরফ কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আম-কলার স্মুদি।