টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চল ধলাপাড়া দিয়ে বয়ে যাওয়া সেই বংশাই নদীতে আবারও ফেলা হচ্ছে লেয়ার মুরগি খামারের বর্জ্য।
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীর দুই ধারে গড়ে উঠা লেয়ার মুরগীর খামারের বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে। কোনো স্থানে ড্রেন আবার কোন স্থানে পাইপ দ্বারা সরাসরি নদীর পানির সাথে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। নদীতে তেমন স্রোত না থাকায় পানিতে ভাসছে মুরগীর পালক। পানির রং কালো রূপ ধারণ করেছে। যা দু’একটা মাছ ছিল তাও মরে ভেসে উঠছে। স্রোতবিহীন নদীর পানিতে মুরগির বর্জ্য মিশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পানির সংস্পর্শে মানুষের শরীরে দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের চর্ম রোগ।
স্কুল শিক্ষক অনন্ত চন্দ্র বলেন, বড় বড় কর্মকর্তারা এখানে এসেছিলেন। আশায় ছিলাম এবার বুঝি নদীতে মুরগির বর্জ্য ফেলা বন্ধ হবে, কিন্তু আশায় গুড়েবালি। পঁচা পানির গন্ধে বাচ্চারা ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারছে না।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো. আব্দুল মান্নান বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় সেই সময় খামারিদের সতর্ক করা হয়েছিল এবং গ্যাসপ্লান্ট করতে বলেছিলাম। অবশ্যই নদী বাঁচাতে হবে। আবারও যদি খামারিরা এ কাজ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে।
টাঙ্গাইল জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারি পরিচালক মো. আতিকুল আলম বলেন, সংবাদটি দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ হয়। পরে আমাদের বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন। নদীতে বর্জ্য ফেলার সত্যতা পেয়ে খামারিদের ডেকে নিষেধ করেছি এবং দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছি।
এ বিষয়ে (ভারপ্রাপ্ত) ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: নুর নাহার বেগম বলেন, স্যার সরকারি কাজে দেশের বাহিরে আছেন বিষয়টি তিনি ভালো জানেন। যেহেতু আমি জানতে পারলাম এরকমভাবে যদি নদী দুষন করা হয় তবে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
