বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ০৭, ২০১৬

লিটল স্টার কিন্ডার গার্টেন থেকে এবারও ১৫ জনের জিপিএ৫ লাভ

মোঃ জহিরুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক:

লিটল স্টার কিন্ডার গার্টেন থেকে ২০১৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার ২৮ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে। তাদের মধ্যে GPA-5 লাভ করে ১৫ জন। বাকি সবাই A Grade পেয়ে কৃতিত্তের সাথে উত্তির্ণ হয়। পাশের হার ১০০%।
এখানে উল্লেখ্য, অত্র অঞ্চলে সরকারী-বেসরকারী বিদ্যালয় সব মিলিয়ে লিটল স্টার কিন্ডার গার্টেনই বিগত কয়েক বছর যাবৎ অভাবনীয় সাফল্য দেখাচ্ছে।
বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লগ্র থেকে প্রতি বছরই অত্র বিদ্যালয় থেকে সরকারী বৃত্তি লাভ করে থাকে।গত ফলাফলেও তিনটি ট্যালেন্ট পুল সহ চারটি বৃত্তি লাভ করে। যা এলাকায় ব্যাপক আলোড়ণ তৈরি করে। গ্রাম পর্যায়ের কোন বিদ্যালয় থেকে (যেখানে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই অসচেতন পরিবার থেকে আগত)এত ভাল ফলাফল সত্যিই অবাক করার মত।

বাল্য বিবাহ ও মাদকের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে ঘাটাইলের ধলাপাড়ায় কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

বাল্য বিবাহ ও মাদকের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ধলাপাড়া কমিউনিটি পুলিশিং এর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি আয়োজিত ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজ ডেতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ কামাল হোসেন, ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, ঘাটাইল থানা কমিউনিটি পুলিশিং সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ সিদ্দিকী প্রমুখ।

( বিঃদ্রঃ ঘাটাইলের সর্বশেষ যে কোন সংবাদ দেশে ও প্রবাসে অবস্থানরত ঘাটাইলের মানুষকে জানাতে দৈনিক আমাদের ঘাটাইল অনলাইন প্রত্রিকার জন্ম। তাই দৈনিক অামাদের ঘাটাইল তাদের নিজস্ব প্রতিনিধির লেখা সংবাদ ছাড়াও বিভিন্ন পিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার প্রকাশিত সংবাদ সমূহ সংগ্রহ করে আমাদের ঘাটাইল নিজস্ব সাইটে প্রকাশ করে। এ সংবাদটি আমাদের নিজেদের করা না, এট টাঙ্গাইল নিউজ বাংলাদেশ ডটকম থেকে নেওয়া হয়েছে। তাদের নিউজটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন )

বাল্য বিবাহ ও মাদকের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে ঘাটাইলের ধলাপাড়ায় কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

বাল্য বিবাহ ও মাদকের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ধলাপাড়া কমিউনিটি পুলিশিং এর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি আয়োজিত ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজ ডেতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ কামাল হোসেন, ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, ঘাটাইল থানা কমিউনিটি পুলিশিং সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ সিদ্দিকী প্রমুখ।

( বিঃদ্রঃ ঘাটাইলের সর্বশেষ যে কোন সংবাদ দেশে ও প্রবাসে অবস্থানরত ঘাটাইলের মানুষকে জানাতে দৈনিক আমাদের ঘাটাইল অনলাইন প্রত্রিকার জন্ম। তাই দৈনিক অামাদের ঘাটাইল তাদের নিজস্ব প্রতিনিধির লেখা সংবাদ ছাড়াও বিভিন্ন পিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার প্রকাশিত সংবাদ সমূহ সংগ্রহ করে আমাদের ঘাটাইল নিজস্ব সাইটে প্রকাশ করে। এ সংবাদটি আমাদের নিজেদের করা না, এট টাঙ্গাইল নিউজ বাংলাদেশ ডটকম থেকে নেওয়া হয়েছে। তাদের নিউজটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন )

ঘাটাইলে বিএনপি সভাপতিকে অব্যাহতির পায়তারা

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় বিএনপির দু’গ্রুপের কোন্দলের জের ধরে দলের গঠনতন্ত্রের নিয়মনীতি না মেনে সভাপতিকে অব্যাহতির পায়তারা করেছে গ্রুপিংর অপর পক্ষ।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতৃত্বকারী বর্তমান সভাপতি সিরাজুল হক ছানা অপর গ্রুপ নেতৃত্বকারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিম দলের লবিং গ্রুপিং থাকায় এ উপজেলার দলের সাংগঠনিক অবস্থা অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে। 
সভাপতি সিরাজুল হক ছানার গ্রুপে উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সাবেক এমপি সাইদুর রহমান মোহন, আমান বিল্ডার্স এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. মাইনুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা শাহ আলম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার শফিকুল ইসলাম তালুকদারসহ (আনোয়ার) উপজেলার অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী রয়েছে। 
অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিমের গ্রুপে সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাখুর রহমান খান শামীমসহ আরও অনেকে। 
সভাপতি সিরাজুল হক ছানা জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মৌখিক অনৈতিক নির্দেশে দলের গঠনতন্ত্রের বাইরে আমাকে সম্প্রতি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিম’র নেতৃত্বে অব্যাহতির জন্য পত্রিকাসহ অনলাইনে বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতি অনুযায়ী আমি বা সংশ্লিষ্ট দলের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ অব্যাহতি প্রদানের চিঠি পাইনি। 
উপজেলা বিএনপির অনেক নেতাকর্মীরা জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাধারণ সম্পাদক এদের অনৈতিক আচরণের কারণে উপজেলা বিএনপির অনেক নেতাকর্মী অন্যদলে অংশগ্রহণ করেছেন। যেমন পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুর রশিদ মিঞা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগে ইতোপূর্বেই যোগদান করেছেন। এ ছাড়াও প্রায় শতাধিক নেতা অন্য দলে অংশগ্রহণ করেছেন। দলের লবিং গ্রুপিং’র জের ধরে উপজেলার সকল ইউনিয়নের বিএনপির কমিটি দু’গ্রুপেই করেছেন। জেলা বিএনপি কমান্ড ইতিপূর্বে সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম গ্রুপের কমিটি স্থগিত ঘোষণা করেছে।
রেজাউল করিম  জানান, সভাপতিকে আমাদের সর্ব সম্মতিক্রমে অব্যাহতির জন্য কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। 
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মো. শামছুল আলম তোফা ব্রেকিংনিউজকে জানান, উপজেলা বিএনপির কোনো এখতিয়ার নেই সভাপতিকে অব্যাহতি দেয়ার এবং আমাদের জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সভাপতি সিরাজুল হক ছানা’র অব্যাহতির বিষয় নিয়ে কোনো চিঠি পাওয়া যায়নি।
উপজেলা বিএনপির নেতারা জানান, এভাবে দলের লবিং গ্রুপিং থাকলে বিএনপির জন্য লাভজনক অবস্থা হবে না। অবিলম্বে এর একটি সমাধান প্রয়োজন। 
এদিকে আমান বিল্ডার্স ও জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. মাইনুল ইসলাম জানান, ‘বিএনপির এই দূরদিনে গ্রুপিং না থাকাই ভাল। আমি উর্ধ্বতন নেতাদের মাধ্যমে ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির কোন্দল নিরসনের জন্য চেষ্টায় আছি।’

ঘাটাইলে বিএনপি সভাপতিকে অব্যাহতির পায়তারা

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় বিএনপির দু’গ্রুপের কোন্দলের জের ধরে দলের গঠনতন্ত্রের নিয়মনীতি না মেনে সভাপতিকে অব্যাহতির পায়তারা করেছে গ্রুপিংর অপর পক্ষ।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতৃত্বকারী বর্তমান সভাপতি সিরাজুল হক ছানা অপর গ্রুপ নেতৃত্বকারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিম দলের লবিং গ্রুপিং থাকায় এ উপজেলার দলের সাংগঠনিক অবস্থা অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে। 
সভাপতি সিরাজুল হক ছানার গ্রুপে উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সাবেক এমপি সাইদুর রহমান মোহন, আমান বিল্ডার্স এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. মাইনুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী তালুকদার, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা শাহ আলম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার শফিকুল ইসলাম তালুকদারসহ (আনোয়ার) উপজেলার অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী রয়েছে। 
অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিমের গ্রুপে সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাখুর রহমান খান শামীমসহ আরও অনেকে। 
সভাপতি সিরাজুল হক ছানা জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রীর মৌখিক অনৈতিক নির্দেশে দলের গঠনতন্ত্রের বাইরে আমাকে সম্প্রতি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিম’র নেতৃত্বে অব্যাহতির জন্য পত্রিকাসহ অনলাইনে বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতি অনুযায়ী আমি বা সংশ্লিষ্ট দলের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ অব্যাহতি প্রদানের চিঠি পাইনি। 
উপজেলা বিএনপির অনেক নেতাকর্মীরা জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাধারণ সম্পাদক এদের অনৈতিক আচরণের কারণে উপজেলা বিএনপির অনেক নেতাকর্মী অন্যদলে অংশগ্রহণ করেছেন। যেমন পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুর রশিদ মিঞা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগে ইতোপূর্বেই যোগদান করেছেন। এ ছাড়াও প্রায় শতাধিক নেতা অন্য দলে অংশগ্রহণ করেছেন। দলের লবিং গ্রুপিং’র জের ধরে উপজেলার সকল ইউনিয়নের বিএনপির কমিটি দু’গ্রুপেই করেছেন। জেলা বিএনপি কমান্ড ইতিপূর্বে সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম গ্রুপের কমিটি স্থগিত ঘোষণা করেছে।
রেজাউল করিম  জানান, সভাপতিকে আমাদের সর্ব সম্মতিক্রমে অব্যাহতির জন্য কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। 
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মো. শামছুল আলম তোফা ব্রেকিংনিউজকে জানান, উপজেলা বিএনপির কোনো এখতিয়ার নেই সভাপতিকে অব্যাহতি দেয়ার এবং আমাদের জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সভাপতি সিরাজুল হক ছানা’র অব্যাহতির বিষয় নিয়ে কোনো চিঠি পাওয়া যায়নি।
উপজেলা বিএনপির নেতারা জানান, এভাবে দলের লবিং গ্রুপিং থাকলে বিএনপির জন্য লাভজনক অবস্থা হবে না। অবিলম্বে এর একটি সমাধান প্রয়োজন। 
এদিকে আমান বিল্ডার্স ও জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. মাইনুল ইসলাম জানান, ‘বিএনপির এই দূরদিনে গ্রুপিং না থাকাই ভাল। আমি উর্ধ্বতন নেতাদের মাধ্যমে ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির কোন্দল নিরসনের জন্য চেষ্টায় আছি।’

মামা-ভাগ্নেকে অজ্ঞান করে পৌনে তিন লাখ টাকা ছিনতাই



জাতীয় ডেস্ক, ০৭ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল : রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে পৌনে তিন লাখ টাকা খুইয়েছেন দুই ব্যক্তি। সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে ওই দুই ব্যক্তি হলেন বাবর আলী (২২) ও তার ভাগ্নে শাহ আলম (১৮)।বৃহস্পতিবার বিকালে রমনা থানার পুলিশ তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক নাজমুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটার দিকে মগবাজার হাতিরঝিল এলাকার রাস্তায় প্রায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই দুজনকে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারা জানায়, পাসপোর্ট করার জন্য বাবর আলী ও তার ভাগ্নে শাহ আলম ঢাকায় আসেন।  অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাদের অচেতন করে দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। তবে কীভাবে তাদের অচেতন করা হয় সে ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেনি তারা।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। তাদের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইলে।
বর্তমানে তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানান হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক। 

প্রকাশঃ ০৭ জানুয়ারী ২০১৬, ০৬:২০:০০ অপরাহ্ন

মামা-ভাগ্নেকে অজ্ঞান করে পৌনে তিন লাখ টাকা ছিনতাই



জাতীয় ডেস্ক, ০৭ জানুয়ারি, আমাদের ঘাটাইল : রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে পৌনে তিন লাখ টাকা খুইয়েছেন দুই ব্যক্তি। সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে ওই দুই ব্যক্তি হলেন বাবর আলী (২২) ও তার ভাগ্নে শাহ আলম (১৮)।বৃহস্পতিবার বিকালে রমনা থানার পুলিশ তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক নাজমুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটার দিকে মগবাজার হাতিরঝিল এলাকার রাস্তায় প্রায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই দুজনকে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারা জানায়, পাসপোর্ট করার জন্য বাবর আলী ও তার ভাগ্নে শাহ আলম ঢাকায় আসেন।  অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাদের অচেতন করে দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। তবে কীভাবে তাদের অচেতন করা হয় সে ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেনি তারা।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। তাদের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইলে।
বর্তমানে তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানান হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক। 

প্রকাশঃ ০৭ জানুয়ারী ২০১৬, ০৬:২০:০০ অপরাহ্ন