বৃহস্পতিবার, জুন ০৮, ২০১৭

ঘাটাইলে ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় মারাত্নক পরিবেশ বিপর্যয়

ঘাটাইল উপজেলার হরিপুর গ্রামে কমপ্রিহেনসিভ ব্রিক্সস লিঃ এর বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়ে মাঠে পুড়ে যাচ্ছে জমির ধান, মরে যাচ্ছে গাছপালা, পচে যাচ্ছে গাছের ফল এবং ঝড় পড়ছে গাছের সবুজ পাতা। কোন কোন স্থানে ফল বড় না হয়ে গুটি আকারে থেকে পচে ঝড়ে পড়ছে। সর্বক্ষন কালো ধোয়ার গন্ধে হাঁচি কাশি বেড়ে যাওয়ায় মানুষ ফুসফুসে আক্রান্ত হওয়া আতঙ্কে ভুগছে।
এ বিষয়ে ভূক্তভোগীরা ইটভাটা কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় এলাকাবাসী রয়েছে চরম বিপাকে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নে কমপ্রিহেনসিব প্রজেক্টের কোল ঘেষে দক্ষিণে কালিদাসপাড়া, পশ্চিমে কর্ণা, উত্তরে মধ্যকর্ণা পূর্বে হরিপুর এই ৪ গ্রামের ১০ হাজার লোকের বসবাসের মাঝখানে ১৫ একর ফসলী জমির উপর নিয়ম বর্হিভূতভাবে গড়ে উঠেছে কমপ্রিহেনসিব ব্রিক্সস লিঃ (অটো ইটভাটা) প্রজেক্ট। এই প্রজেক্টরের ৫০ গজ পূর্ব দিক দিয়ে বয়ে গেছে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ মহাসড়ক। এবং প্রজেক্টের পূর্ব কর্ণারের ১০ গজের মধ্যে রয়েছে হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যেখানে কোমলমতি ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। এই প্রজেক্টের চারিপাশে ৪শ গজের মধ্যে ৪টি মসজিদ, ১টি স্কুল ও ১টি মাদরাসা রয়েছে এবং প্রজেক্টের গেটের ১০ গজের মধ্যে হরিপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত।
তাছাড়া প্রজেক্টের ২০০ গজ দক্ষিণ দিক দিয়ে বয়ে গেছে কালিদাসপাড়া তারাগঞ্জ এলজিইডি পাকা রাস্তা। অথচ বিধিতে বলা আছে ইটভাটা হতে ১ কিলোমিটারের মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠান অর্থ্যাৎ মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ থাকলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আরো বলা আছে ইটভাটা হতে ১ কিঃ মিঃ ব্যাসার্ধের মধ্যে ৫০ এর অধিক পরিবার বসবাস করলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না এবং ইটভাটা ৬০০ মিটার অর্থ্যাৎ ১ হাজার ৬শ ফুটের মধ্যে এলজিইডির কোন পাকা রাস্তা থাকলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
এছাড়াও বিধিতে বলা আছে কয়লা দিয়ে ইট পোড়ার ক্ষেত্রে (পরিবেশ বান্ধব) ১৬০ ফুট উঁচু চিমনী দিয়ে ইট পোড়ার কাজ করতে হবে কিন্তুকমপ্রিহেনসিব ব্রিক্সস লিঃ প্রজেক্ট এসব আইনের কোনটাই মানেন নাই। কর্তৃপক্ষ সরাসরি শিল্প মন্ত্রনালয় থেকে অনুমোদন নিয়ে ৩০ ফুট ধোয়া নিষ্কাশনের চিমনি তৈরি করে ৪ বছর যাবৎ একটানা ইট পুড়ে যাচ্ছে। যার ফলে নিচু চিমনীর বিষাক্ত কালো ধোয়ায় অতি সহজেই পাশ্বর্তী বাড়ি ঘর ফসলী জমিতে প্রবেশ করে মাঠের ফসল ও গাছপালা মরে যাচ্ছে।
এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ কর্ণা গ্রামের খালিদ, বাছা বেপারী, জাহাঙ্গীর, হেলাল, মিন্টু, আব্দুল্লাহ, হরিপুর গ্রামের শাহাদত, কচিম, ইউসুফ, বাছেদ, আরশেদ কালিদাসপাড়া গ্রামের শাহজাহান ও আমির আলী জানায় নিচু চিমনীর কালো ধোয়ায় মাঠের ফসল পুড়ে ও গাছপালা মরে যাচ্ছে। গাছের ফল বড় না হয়ে গুটি আকারে থেকে পচে ঝড়ে পড়ছে। ঘরের টিন কালো রং ধারন করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবজির বাগান ও গাছের লতাপাতা হলুদ রং ধারন করে মরে যাচ্ছে।
তারা আরো বলেন, বাতাসের ভাটির দিকে ৪ বৎসর যাবত একটানা কালো ধোয়া প্রবেশ করায় মানুষের হাঁচি, কাশি বেড়ে গেছে ফলে অনেকেই ফুসফুসে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্কে ভুগছে। যেভাবে ক্ষতি হচ্ছে তাতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তারা ভাটা বন্ধ ও ক্ষতিপূরনের দাবি জানিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ কর্ণা গ্রামের মিজানুর রহমান মুকুল জানায় মাঠে তার নিজস্ব ৫ বিঘা জমি সহ আশেপাশে অন্যান্য লোকের প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান এখন মরা খড়ে পরিণত হয়েছে। যেখানে ৫০ বিঘাতে জমিতে ৭শ থেকে ৮শ মণ ধান হওয়ার কথা সেখানে ৫০মণ ধানও হয় নাই। একই গ্রামের বাসিন্দা ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহার লুৎফা জানায় প্রজেক্টের পাশেই তার নিজস্ব ফলের বাগানে ২শ প্রজাতির ফলের গাছ রয়েছে। ৪ বছর আগেও নিয়মিত ফল ধরত। কিন্তু ২০১২ কমপ্রিহেনসিভ প্রজেক্ট প্রস্তুত হওয়ার পর থেকে কালো ধোয়ায় ভাটির দিকের গাছপালা ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত কাঁঠাল গাছ, নারিকেল গাছ, আম গাছ, লিচু গাছ সহ ২৫-৩০টি ফলের গাছ মরে গেছে। যেগুলো রয়েছে সেব গাছেও কোন ফল ধরছেনা। তিনি পুকুরপাড়ে কলার বাগান দেখিয়ে বলেন এই বাগান থেকে আমরা সারা বছর কলা ভোগ করতাম। এখন আর কলা ধরে না। লিচু গাছের পাতার রং পরিবর্তন হয়ে গেছে চেনার উপায় নেই এটা লিচু গাছ। নারিকেল গাছের ডাবের ভিতরে পানি নাই, দুই একটিতে পানি থাকলেও শুকিয়ে অল্প হয়ে গেছে। সবর্পোরি সাংবাদিকের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করব তারা যেন বিষয়টি তদন্ত করে পরিবেশ রক্ষার্থে দ্রুতগতিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়।
এলাকার ক্ষতির বিষয়ে কমপ্রিহেনসিভ ব্রিক্সস লিঃ এর সহকারী ম্যানেজার জাহিদুল জানায়, প্রজেক্টের কারণে কিছু ক্ষতি হচ্ছে আমি নিজেও দেখেছি তবে প্রতিকার ব্যবস্থা নিতে পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।
বিধি সম্মতভাবে প্রজেক্ট তৈরী হয়েছে কিনা কমপ্রিহেনসিভ প্রজেক্টের ইঞ্জিনিয়ার ইউসুব পাটোয়ারীর নিকট জানতে চাইলে তিনি অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমার আগে যিনি ছিল উনি ভালো বলতে পারবেন তবে অচিরেই এলাকার ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এলাকার ক্ষতির বিষয়ে কমপ্রিহেনসিব প্রজেক্টের ম্যানেজার আঃ মতিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মালিক পক্ষকে জানিয়েছি তারা ব্যবস্থা নিবেন।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঘাটাইলে ট্রাকসহ চার রাবার চোর আটক

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাক ভর্তি রাবার সহ চার রাবার চোরকে আটক করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ। গতকাল বৃহস্প্রতিবার ভোরে উপজেলা সদরের খাদ্য গুদাম এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ময়মনসিংহের পীরগাছা রবার বাগান থেকে (ঢাকা-মেট্রো-ন-১৩-১১০৩) নম্বরের একটি মিনি ট্রাক ভর্তি চোরাই রাবার নিয়ে যাচ্ছিল একদল চোর। এ সময় ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ২ নং এপিবিএন পুলিশের একটি দল তাদের পিছু নেয়। চোরাই রাবার সহ মিনি ট্রাকটি ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়কের ঘাটাইল উপজেলা সদরের খাদ্য গুদাম এলাকায় পৌছলে ঘাটাইল থানা পুলিশের সহায়তায় চার রাবার চোরকে আটক করে এবং ট্রাক ভর্তি রাবার থানায় নিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া চোরাই রাবারের বাজার মূল্য প্রায় চার লক্ষ টাকা বলে জানায় পুলিশ। আটককৃতরা হল টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরনখোলা গ্রামের দুই সহদোর মিরাজ উদ্দিন(৩৫) ও ইদ্রিশ আলী(৩১) । বরিশালের বানারিপাড়ার সালাম হাওলাদারের ছেলে খায়রুল ইসলাম(৩০) এবং নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চিটোয়া গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে মাফিকুল খান(১৮)। আটককৃত সকলকে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ২ নং এপিবিএন পুলিশের এসআই হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ঘাটাইল  থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঘাটাইলে আইডিইবি’র ইফতার মাহফিল

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা ॥
 ইনন্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইজ্ঞিনিয়ার্স বাংলাদেশ(আইডিইবি) ঘাটাইল উপজেলা শাখার ইফতার মাহফিল গতকাল ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনািষ্ঠত হয়। আইডিইবি ঘাটাইল শাখার নব নির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, সাবেক পৌর মেয়র মোঃ হাসান আলী, আইডিইবি ঘাটাইল উপজেলা শাখার সভাপিত ও উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এনামুল হক, সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান আজাদ, আইডিইবি ঘাটাইল শাখার যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান, সাংগাঠনিক সম্পাদক ফজলুল করিম, জিবিজি কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম মনি, জিবিজি কলেজের ভিপি আবু সাইদ রুবেল জিএস রঞ্জু আহম্মেদ প্রমূখ।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

এমপি রানার জামিনে চার মাসের স্থগিতাদেশ বহাল

জেলা আ’লীগের নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন চার মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
আপিল বিভাগের আদেশ সংশোধন চেয়ে এমপি রানার আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার(৮ জুন) এ আদেশ দেন। আদালতে এমপি রানার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দীন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ৮ মে এমপির রানার জামিন চার মাসের জন্য স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এই মামলা ৬ মাসের জন্য নিষ্পত্তি করতে নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়। গত ১৩ এপ্রিল এমপি রানাকে অন্তবর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কেন তাকে স্থায়ী জামিন দেয়া হবে না এই মর্মে রুলও জারি করেন আদালত।
বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি এএনএম বসির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের এই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ।
এর আগে গত ৩০ মার্চ এমপি রানার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। পরে আবারও হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগে নেতা ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার নিজ বাস ভবনের সামনের রাস্তায় পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আমানুর রহমান খান গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন