ঘাটাইল উপজেলার হরিপুর গ্রামে কমপ্রিহেনসিভ ব্রিক্সস লিঃ এর বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়ে মাঠে পুড়ে যাচ্ছে জমির ধান, মরে যাচ্ছে গাছপালা, পচে যাচ্ছে গাছের ফল এবং ঝড় পড়ছে গাছের সবুজ পাতা। কোন কোন স্থানে ফল বড় না হয়ে গুটি আকারে থেকে পচে ঝড়ে পড়ছে। সর্বক্ষন কালো ধোয়ার গন্ধে হাঁচি কাশি বেড়ে যাওয়ায় মানুষ ফুসফুসে আক্রান্ত হওয়া আতঙ্কে ভুগছে।
এ বিষয়ে ভূক্তভোগীরা ইটভাটা কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় এলাকাবাসী রয়েছে চরম বিপাকে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নে কমপ্রিহেনসিব প্রজেক্টের কোল ঘেষে দক্ষিণে কালিদাসপাড়া, পশ্চিমে কর্ণা, উত্তরে মধ্যকর্ণা পূর্বে হরিপুর এই ৪ গ্রামের ১০ হাজার লোকের বসবাসের মাঝখানে ১৫ একর ফসলী জমির উপর নিয়ম বর্হিভূতভাবে গড়ে উঠেছে কমপ্রিহেনসিব ব্রিক্সস লিঃ (অটো ইটভাটা) প্রজেক্ট। এই প্রজেক্টরের ৫০ গজ পূর্ব দিক দিয়ে বয়ে গেছে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ মহাসড়ক। এবং প্রজেক্টের পূর্ব কর্ণারের ১০ গজের মধ্যে রয়েছে হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যেখানে কোমলমতি ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। এই প্রজেক্টের চারিপাশে ৪শ গজের মধ্যে ৪টি মসজিদ, ১টি স্কুল ও ১টি মাদরাসা রয়েছে এবং প্রজেক্টের গেটের ১০ গজের মধ্যে হরিপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত।
তাছাড়া প্রজেক্টের ২০০ গজ দক্ষিণ দিক দিয়ে বয়ে গেছে কালিদাসপাড়া তারাগঞ্জ এলজিইডি পাকা রাস্তা। অথচ বিধিতে বলা আছে ইটভাটা হতে ১ কিলোমিটারের মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠান অর্থ্যাৎ মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ থাকলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আরো বলা আছে ইটভাটা হতে ১ কিঃ মিঃ ব্যাসার্ধের মধ্যে ৫০ এর অধিক পরিবার বসবাস করলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না এবং ইটভাটা ৬০০ মিটার অর্থ্যাৎ ১ হাজার ৬শ ফুটের মধ্যে এলজিইডির কোন পাকা রাস্তা থাকলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
এছাড়াও বিধিতে বলা আছে কয়লা দিয়ে ইট পোড়ার ক্ষেত্রে (পরিবেশ বান্ধব) ১৬০ ফুট উঁচু চিমনী দিয়ে ইট পোড়ার কাজ করতে হবে কিন্তুকমপ্রিহেনসিব ব্রিক্সস লিঃ প্রজেক্ট এসব আইনের কোনটাই মানেন নাই। কর্তৃপক্ষ সরাসরি শিল্প মন্ত্রনালয় থেকে অনুমোদন নিয়ে ৩০ ফুট ধোয়া নিষ্কাশনের চিমনি তৈরি করে ৪ বছর যাবৎ একটানা ইট পুড়ে যাচ্ছে। যার ফলে নিচু চিমনীর বিষাক্ত কালো ধোয়ায় অতি সহজেই পাশ্বর্তী বাড়ি ঘর ফসলী জমিতে প্রবেশ করে মাঠের ফসল ও গাছপালা মরে যাচ্ছে।
এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ কর্ণা গ্রামের খালিদ, বাছা বেপারী, জাহাঙ্গীর, হেলাল, মিন্টু, আব্দুল্লাহ, হরিপুর গ্রামের শাহাদত, কচিম, ইউসুফ, বাছেদ, আরশেদ কালিদাসপাড়া গ্রামের শাহজাহান ও আমির আলী জানায় নিচু চিমনীর কালো ধোয়ায় মাঠের ফসল পুড়ে ও গাছপালা মরে যাচ্ছে। গাছের ফল বড় না হয়ে গুটি আকারে থেকে পচে ঝড়ে পড়ছে। ঘরের টিন কালো রং ধারন করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবজির বাগান ও গাছের লতাপাতা হলুদ রং ধারন করে মরে যাচ্ছে।
তারা আরো বলেন, বাতাসের ভাটির দিকে ৪ বৎসর যাবত একটানা কালো ধোয়া প্রবেশ করায় মানুষের হাঁচি, কাশি বেড়ে গেছে ফলে অনেকেই ফুসফুসে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্কে ভুগছে। যেভাবে ক্ষতি হচ্ছে তাতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তারা ভাটা বন্ধ ও ক্ষতিপূরনের দাবি জানিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ কর্ণা গ্রামের মিজানুর রহমান মুকুল জানায় মাঠে তার নিজস্ব ৫ বিঘা জমি সহ আশেপাশে অন্যান্য লোকের প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান এখন মরা খড়ে পরিণত হয়েছে। যেখানে ৫০ বিঘাতে জমিতে ৭শ থেকে ৮শ মণ ধান হওয়ার কথা সেখানে ৫০মণ ধানও হয় নাই। একই গ্রামের বাসিন্দা ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহার লুৎফা জানায় প্রজেক্টের পাশেই তার নিজস্ব ফলের বাগানে ২শ প্রজাতির ফলের গাছ রয়েছে। ৪ বছর আগেও নিয়মিত ফল ধরত। কিন্তু ২০১২ কমপ্রিহেনসিভ প্রজেক্ট প্রস্তুত হওয়ার পর থেকে কালো ধোয়ায় ভাটির দিকের গাছপালা ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত কাঁঠাল গাছ, নারিকেল গাছ, আম গাছ, লিচু গাছ সহ ২৫-৩০টি ফলের গাছ মরে গেছে। যেগুলো রয়েছে সেব গাছেও কোন ফল ধরছেনা। তিনি পুকুরপাড়ে কলার বাগান দেখিয়ে বলেন এই বাগান থেকে আমরা সারা বছর কলা ভোগ করতাম। এখন আর কলা ধরে না। লিচু গাছের পাতার রং পরিবর্তন হয়ে গেছে চেনার উপায় নেই এটা লিচু গাছ। নারিকেল গাছের ডাবের ভিতরে পানি নাই, দুই একটিতে পানি থাকলেও শুকিয়ে অল্প হয়ে গেছে। সবর্পোরি সাংবাদিকের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করব তারা যেন বিষয়টি তদন্ত করে পরিবেশ রক্ষার্থে দ্রুতগতিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়।
এলাকার ক্ষতির বিষয়ে কমপ্রিহেনসিভ ব্রিক্সস লিঃ এর সহকারী ম্যানেজার জাহিদুল জানায়, প্রজেক্টের কারণে কিছু ক্ষতি হচ্ছে আমি নিজেও দেখেছি তবে প্রতিকার ব্যবস্থা নিতে পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।
বিধি সম্মতভাবে প্রজেক্ট তৈরী হয়েছে কিনা কমপ্রিহেনসিভ প্রজেক্টের ইঞ্জিনিয়ার ইউসুব পাটোয়ারীর নিকট জানতে চাইলে তিনি অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমার আগে যিনি ছিল উনি ভালো বলতে পারবেন তবে অচিরেই এলাকার ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এলাকার ক্ষতির বিষয়ে কমপ্রিহেনসিব প্রজেক্টের ম্যানেজার আঃ মতিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মালিক পক্ষকে জানিয়েছি তারা ব্যবস্থা নিবেন।
এ বিষয়ে ভূক্তভোগীরা ইটভাটা কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় এলাকাবাসী রয়েছে চরম বিপাকে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নে কমপ্রিহেনসিব প্রজেক্টের কোল ঘেষে দক্ষিণে কালিদাসপাড়া, পশ্চিমে কর্ণা, উত্তরে মধ্যকর্ণা পূর্বে হরিপুর এই ৪ গ্রামের ১০ হাজার লোকের বসবাসের মাঝখানে ১৫ একর ফসলী জমির উপর নিয়ম বর্হিভূতভাবে গড়ে উঠেছে কমপ্রিহেনসিব ব্রিক্সস লিঃ (অটো ইটভাটা) প্রজেক্ট। এই প্রজেক্টরের ৫০ গজ পূর্ব দিক দিয়ে বয়ে গেছে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ মহাসড়ক। এবং প্রজেক্টের পূর্ব কর্ণারের ১০ গজের মধ্যে রয়েছে হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। যেখানে কোমলমতি ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। এই প্রজেক্টের চারিপাশে ৪শ গজের মধ্যে ৪টি মসজিদ, ১টি স্কুল ও ১টি মাদরাসা রয়েছে এবং প্রজেক্টের গেটের ১০ গজের মধ্যে হরিপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত।
তাছাড়া প্রজেক্টের ২০০ গজ দক্ষিণ দিক দিয়ে বয়ে গেছে কালিদাসপাড়া তারাগঞ্জ এলজিইডি পাকা রাস্তা। অথচ বিধিতে বলা আছে ইটভাটা হতে ১ কিলোমিটারের মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠান অর্থ্যাৎ মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ থাকলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আরো বলা আছে ইটভাটা হতে ১ কিঃ মিঃ ব্যাসার্ধের মধ্যে ৫০ এর অধিক পরিবার বসবাস করলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না এবং ইটভাটা ৬০০ মিটার অর্থ্যাৎ ১ হাজার ৬শ ফুটের মধ্যে এলজিইডির কোন পাকা রাস্তা থাকলে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
এছাড়াও বিধিতে বলা আছে কয়লা দিয়ে ইট পোড়ার ক্ষেত্রে (পরিবেশ বান্ধব) ১৬০ ফুট উঁচু চিমনী দিয়ে ইট পোড়ার কাজ করতে হবে কিন্তুকমপ্রিহেনসিব ব্রিক্সস লিঃ প্রজেক্ট এসব আইনের কোনটাই মানেন নাই। কর্তৃপক্ষ সরাসরি শিল্প মন্ত্রনালয় থেকে অনুমোদন নিয়ে ৩০ ফুট ধোয়া নিষ্কাশনের চিমনি তৈরি করে ৪ বছর যাবৎ একটানা ইট পুড়ে যাচ্ছে। যার ফলে নিচু চিমনীর বিষাক্ত কালো ধোয়ায় অতি সহজেই পাশ্বর্তী বাড়ি ঘর ফসলী জমিতে প্রবেশ করে মাঠের ফসল ও গাছপালা মরে যাচ্ছে।
এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ কর্ণা গ্রামের খালিদ, বাছা বেপারী, জাহাঙ্গীর, হেলাল, মিন্টু, আব্দুল্লাহ, হরিপুর গ্রামের শাহাদত, কচিম, ইউসুফ, বাছেদ, আরশেদ কালিদাসপাড়া গ্রামের শাহজাহান ও আমির আলী জানায় নিচু চিমনীর কালো ধোয়ায় মাঠের ফসল পুড়ে ও গাছপালা মরে যাচ্ছে। গাছের ফল বড় না হয়ে গুটি আকারে থেকে পচে ঝড়ে পড়ছে। ঘরের টিন কালো রং ধারন করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবজির বাগান ও গাছের লতাপাতা হলুদ রং ধারন করে মরে যাচ্ছে।
তারা আরো বলেন, বাতাসের ভাটির দিকে ৪ বৎসর যাবত একটানা কালো ধোয়া প্রবেশ করায় মানুষের হাঁচি, কাশি বেড়ে গেছে ফলে অনেকেই ফুসফুসে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্কে ভুগছে। যেভাবে ক্ষতি হচ্ছে তাতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তারা ভাটা বন্ধ ও ক্ষতিপূরনের দাবি জানিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ কর্ণা গ্রামের মিজানুর রহমান মুকুল জানায় মাঠে তার নিজস্ব ৫ বিঘা জমি সহ আশেপাশে অন্যান্য লোকের প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান এখন মরা খড়ে পরিণত হয়েছে। যেখানে ৫০ বিঘাতে জমিতে ৭শ থেকে ৮শ মণ ধান হওয়ার কথা সেখানে ৫০মণ ধানও হয় নাই। একই গ্রামের বাসিন্দা ব্রাহ্মণশাসন মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লুৎফুন্নাহার লুৎফা জানায় প্রজেক্টের পাশেই তার নিজস্ব ফলের বাগানে ২শ প্রজাতির ফলের গাছ রয়েছে। ৪ বছর আগেও নিয়মিত ফল ধরত। কিন্তু ২০১২ কমপ্রিহেনসিভ প্রজেক্ট প্রস্তুত হওয়ার পর থেকে কালো ধোয়ায় ভাটির দিকের গাছপালা ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত কাঁঠাল গাছ, নারিকেল গাছ, আম গাছ, লিচু গাছ সহ ২৫-৩০টি ফলের গাছ মরে গেছে। যেগুলো রয়েছে সেব গাছেও কোন ফল ধরছেনা। তিনি পুকুরপাড়ে কলার বাগান দেখিয়ে বলেন এই বাগান থেকে আমরা সারা বছর কলা ভোগ করতাম। এখন আর কলা ধরে না। লিচু গাছের পাতার রং পরিবর্তন হয়ে গেছে চেনার উপায় নেই এটা লিচু গাছ। নারিকেল গাছের ডাবের ভিতরে পানি নাই, দুই একটিতে পানি থাকলেও শুকিয়ে অল্প হয়ে গেছে। সবর্পোরি সাংবাদিকের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করব তারা যেন বিষয়টি তদন্ত করে পরিবেশ রক্ষার্থে দ্রুতগতিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়।
এলাকার ক্ষতির বিষয়ে কমপ্রিহেনসিভ ব্রিক্সস লিঃ এর সহকারী ম্যানেজার জাহিদুল জানায়, প্রজেক্টের কারণে কিছু ক্ষতি হচ্ছে আমি নিজেও দেখেছি তবে প্রতিকার ব্যবস্থা নিতে পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।
বিধি সম্মতভাবে প্রজেক্ট তৈরী হয়েছে কিনা কমপ্রিহেনসিভ প্রজেক্টের ইঞ্জিনিয়ার ইউসুব পাটোয়ারীর নিকট জানতে চাইলে তিনি অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমার আগে যিনি ছিল উনি ভালো বলতে পারবেন তবে অচিরেই এলাকার ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এলাকার ক্ষতির বিষয়ে কমপ্রিহেনসিব প্রজেক্টের ম্যানেজার আঃ মতিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মালিক পক্ষকে জানিয়েছি তারা ব্যবস্থা নিবেন।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



