টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের দত্তগ্রাম রাজা মিয়ার বাড়ি থেকে রাজু মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ৫০০ফুট উন্নয়নকৃত গ্রামীণ সড়ক কেটে একটি মহল জমিতে পরিনত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ইতোমধ্যে কুচক্রী মহলটি ওই সড়কের ৩০০ফুট কেটে ফেলেছে।
জানাগেছে, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির(কাবিখা) আওতায় ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ১০ মেট্রিকটন চালের বিপরীতে ওই সড়কটি সংস্কার করা হয়। সংস্কারের সময় কেউ সড়কটির জায়গা নিজেদের দাবি করেনি। অথচ পরে সড়কের কিছু অংশ নিজেদের দাবি করে একই ইউনিয়নের বেংরোয়া গ্রামের মো. আসাদুজ্জামান খানের স্ত্রী হাসমত আরা বেগম, শাহআলম সিদ্দিকীর ছেলে আসাদুল আলম সিদ্দিকী শ্যামল ও নৈয়ম উদ্দিন সিদ্দিকীর ছেলে আব্দুল বারি সিদ্দিকী বাদি হয়ে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক বেগম আঞ্জুমান আরা জনস্বার্থ বিবেচনা ও অভিযোগ পক্ষ সঠিক কাগজপত্র উপস্থাপন না করায় মামলাটি খারিজ করে দেন। বিষয়টির এখানেই সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় স্থানীয় প্রভাবশালী নুরজাহান, চন্দন, আসাদুল আলম সিদ্দিকী শ্যামল, সজিব, সংগ্রাম, আসাদুজ্জামান খান একজোট হয়ে জনস্বার্থ জলাঞ্জলী দিয়ে রাতের আঁধারে সড়কটির প্রায় ৩০০ ফুট কেটে জমিতে পরিনত করে। ফলে ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াতকারী সহ¯্রাধিক লোক ও এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় তমিজ উদ্দিন সিদ্দিকীর ছেলে আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছমা আরা বেগম বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ঘাটাইল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। সরকারি সড়ক কেটে জমিতে পরিনত করার অধিকার কারো নেই, এটি ফৌজদারী অপরাধ। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে মিমাংসা না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জানাগেছে, ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির(কাবিখা) আওতায় ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ১০ মেট্রিকটন চালের বিপরীতে ওই সড়কটি সংস্কার করা হয়। সংস্কারের সময় কেউ সড়কটির জায়গা নিজেদের দাবি করেনি। অথচ পরে সড়কের কিছু অংশ নিজেদের দাবি করে একই ইউনিয়নের বেংরোয়া গ্রামের মো. আসাদুজ্জামান খানের স্ত্রী হাসমত আরা বেগম, শাহআলম সিদ্দিকীর ছেলে আসাদুল আলম সিদ্দিকী শ্যামল ও নৈয়ম উদ্দিন সিদ্দিকীর ছেলে আব্দুল বারি সিদ্দিকী বাদি হয়ে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক বেগম আঞ্জুমান আরা জনস্বার্থ বিবেচনা ও অভিযোগ পক্ষ সঠিক কাগজপত্র উপস্থাপন না করায় মামলাটি খারিজ করে দেন। বিষয়টির এখানেই সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় স্থানীয় প্রভাবশালী নুরজাহান, চন্দন, আসাদুল আলম সিদ্দিকী শ্যামল, সজিব, সংগ্রাম, আসাদুজ্জামান খান একজোট হয়ে জনস্বার্থ জলাঞ্জলী দিয়ে রাতের আঁধারে সড়কটির প্রায় ৩০০ ফুট কেটে জমিতে পরিনত করে। ফলে ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াতকারী সহ¯্রাধিক লোক ও এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় তমিজ উদ্দিন সিদ্দিকীর ছেলে আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছমা আরা বেগম বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ঘাটাইল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। সরকারি সড়ক কেটে জমিতে পরিনত করার অধিকার কারো নেই, এটি ফৌজদারী অপরাধ। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে মিমাংসা না হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
