শনিবার, আগস্ট ১৩, ২০১৬

বন্যার্তদের সেবায় অভিনেত্রী বিথী রানী সরকার

মানুষ তো মানুষেরই জন্য। তবে ফেসবুকীয় এই অতি আধুনিক যুগে আমাদের সব আবেগ কিংবা সহানুভূতি ভার্চুয়ালেই বন্দি। যখন পাশের বাড়িতে আগুনে পুড়ে মানুষ মরছে আমরা তাদের দেখতে না গিয়ে ফেসবুকে বসে স্ট্যাটাস দেই।

ঠিক তেমনি সারা দেশের কিছু জেলা ভাসছে বন্যার পানিতে। ভেসে গেছে লাখো মানুষের বসতঘর, ফসল জমি, গবাদিপশুসহ নানা সম্পদ। ভাসছে মানুষ। খাদ্যের অভাব, বিশুদ্ধ পানির অভাব, পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত মানুষগুলোর চিকিৎসার অভাব। অভাব সহানুভূতিরও। তখনও আমরা ফেসবুকে আবেগীয় স্ট্যাটাস দিয়ে দায় সাড়ছি।



তবে কেউ কেউ ছুটে গেছেন ভার্চুয়াল জগৎকে তুড়ি মেরে রক্ত-মাংসের মানুষ হয়েই। এর মধ্যে আছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার লোকজন। তাদের মধ্যে আছেন অনেক সেলিব্রেটিও। অভিনেত্রী বিথী রানী সরকার তাদের মধ্যে অন্যতম।

জানা গেছে, ওয়ার্ল্ড ইজ বিউটিফুল সংগঠনের উদ্যোগে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে গাইবান্ধায় ছুটে গেছেন এই মডেল ও অভিনেত্রী। সেখানে তিনি কয়েকদিন অবস্থান করে বন্যাক্রান্ত মানুষের মধ্যে খাবার, বস্ত্র বিতরণ করেছেন। সেইসঙ্গে বন্যায় উদ্ভূত সমস্যা মোকাবেলায় নানা পরামর্শও দিয়েছেন।



এ প্রসঙ্গে বিথী বলেন, ‘নিজের ভেতরের তাগিদ থেকেই গাইবান্ধায় ছুটে গেছি। দেশের ভেতরে এত মানুষকে পানিবন্দি রেখে আসলে স্বাভাবিক জীবন যাপন করাটা কষ্টকর। তাই নিজের সাধ্যমতো যতটুকু পারা যায় কিছু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। প্রত্যেকটি অঞ্চলেই অসংখ্য প্রতিষ্ঠিত মানুষ রয়েছেন, সমাজসেবী রয়েছেন। সবাই মিলে নিজ নিজ অঞ্চলের বন্যার্তদের দায়িত্ব নিলে রাষ্ট্রের ওপর চাপ পড়ে না। বিপদগ্রস্ত মানুষগুলোও সাহস পাবে।’



প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে গ্রামীণফোনের মডেল হয়ে বিথি রানী সরকার মিডিয়া জগতে পদার্পণ করেন। এরপর দীর্ঘদিনে অসংখ্য বিজ্ঞাপন, নাটক, টেলিফিল্ম ও চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার-স্বীকৃতি। বর্তমানে বেশ কিছু নাটক ও চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত তিনি।

বন্যার্তদের সেবায় অভিনেত্রী বিথী রানী সরকার

মানুষ তো মানুষেরই জন্য। তবে ফেসবুকীয় এই অতি আধুনিক যুগে আমাদের সব আবেগ কিংবা সহানুভূতি ভার্চুয়ালেই বন্দি। যখন পাশের বাড়িতে আগুনে পুড়ে মানুষ মরছে আমরা তাদের দেখতে না গিয়ে ফেসবুকে বসে স্ট্যাটাস দেই।

ঠিক তেমনি সারা দেশের কিছু জেলা ভাসছে বন্যার পানিতে। ভেসে গেছে লাখো মানুষের বসতঘর, ফসল জমি, গবাদিপশুসহ নানা সম্পদ। ভাসছে মানুষ। খাদ্যের অভাব, বিশুদ্ধ পানির অভাব, পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত মানুষগুলোর চিকিৎসার অভাব। অভাব সহানুভূতিরও। তখনও আমরা ফেসবুকে আবেগীয় স্ট্যাটাস দিয়ে দায় সাড়ছি।



তবে কেউ কেউ ছুটে গেছেন ভার্চুয়াল জগৎকে তুড়ি মেরে রক্ত-মাংসের মানুষ হয়েই। এর মধ্যে আছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার লোকজন। তাদের মধ্যে আছেন অনেক সেলিব্রেটিও। অভিনেত্রী বিথী রানী সরকার তাদের মধ্যে অন্যতম।

জানা গেছে, ওয়ার্ল্ড ইজ বিউটিফুল সংগঠনের উদ্যোগে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে গাইবান্ধায় ছুটে গেছেন এই মডেল ও অভিনেত্রী। সেখানে তিনি কয়েকদিন অবস্থান করে বন্যাক্রান্ত মানুষের মধ্যে খাবার, বস্ত্র বিতরণ করেছেন। সেইসঙ্গে বন্যায় উদ্ভূত সমস্যা মোকাবেলায় নানা পরামর্শও দিয়েছেন।



এ প্রসঙ্গে বিথী বলেন, ‘নিজের ভেতরের তাগিদ থেকেই গাইবান্ধায় ছুটে গেছি। দেশের ভেতরে এত মানুষকে পানিবন্দি রেখে আসলে স্বাভাবিক জীবন যাপন করাটা কষ্টকর। তাই নিজের সাধ্যমতো যতটুকু পারা যায় কিছু মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। প্রত্যেকটি অঞ্চলেই অসংখ্য প্রতিষ্ঠিত মানুষ রয়েছেন, সমাজসেবী রয়েছেন। সবাই মিলে নিজ নিজ অঞ্চলের বন্যার্তদের দায়িত্ব নিলে রাষ্ট্রের ওপর চাপ পড়ে না। বিপদগ্রস্ত মানুষগুলোও সাহস পাবে।’



প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে গ্রামীণফোনের মডেল হয়ে বিথি রানী সরকার মিডিয়া জগতে পদার্পণ করেন। এরপর দীর্ঘদিনে অসংখ্য বিজ্ঞাপন, নাটক, টেলিফিল্ম ও চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার-স্বীকৃতি। বর্তমানে বেশ কিছু নাটক ও চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত তিনি।

ঘাটাইলে বেগুন চাষে সাফল্য পাহাড়ী অঞ্চলের কৃষকরা

উত্তম কুমার আর্য্য, নিজস্ব প্রতিবেদক:   টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পাহাড়ী ইউনিয়ন ধলাপাড়া, রসুলপুর কৃষকরা বেগুন চাষ করে সফলতা পেয়েছে। বেগুন চাষ করে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত হাটবাজার গুলোতে রপ্তানি করে তাদের অভাব দূর করেছে। 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় পাহাড়ী অঞ্চল আষারিয়াচালা, জোয়ালভাঙ্গা, শিরিষচালা, মরগাংগী, মধ্যেরচালা, শ্যামচালা, আকন্দেরবাইদ, দিঘুলিয়াচালা, শহরগোপিনপুর, রামদেবপুর এর কৃষকরা বেগুন চাষ করে তারা সফলতা অর্জন করেছে। বৎসরে প্রায় ৬ মাস ঐ অঞ্চলের কৃষকরা বেগুন চাষ করে থাকে। এখানে নরসিংদী ও হাইব্রীড জাতের বেগুন চাষ করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ বেগুন বিক্রি করে থাকেন।
জোয়ালভাঙ্গা গ্রামের কৃষক আঃ হাকিম জানান পাহাড়ী অঞ্চলে প্রায় ১০ হাজার শতক জমিতে ২০ হাজার কৃষক বেগুন চাষ করে থাকেন ধলাপাড়া ইউনিয়নের আষারিয়া চালা বৃহস্পতিবার ও সোমবারের বেগুন বাজার বসে। এখান থেকে বাংলাদেশের টাঙ্গাইল, যাত্রাবাড়ী, সাভার, শ্যামবাজার, মানিকগঞ্জ, বাইপাইল বাটিয়াটা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ বেগুন রপ্তানি করে থাকে। আষারিয়া চালা গ্রামের বেগুন চাষী মুনসুর আলী (৪০) জানান একটি সময় এই বেগুনের বাজারটি ধলাপাড়া ছিল এখন ২০ বছর যাবত আষারিয়াচালা বেগুনের হাট বসে। আরেক কৃষক জাফর আলী জানান, বেগুন চাষ করে খরচ বাদে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আমাদের আয় থাকে। পাহাড়ী অঞ্চলের কৃষকরা বৎসরের ৬ মাস বেগুন বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আয় করেন বলে এই প্রতিবেদকে জানান। 
কোন কৃষি কর্মকর্তা বেগুন চাষ জাতে উন্নত হয় সে বিষয়ে  জোয়ালভাঙ্গা গ্রামের বেগুন চাষী আঃ হাকিম কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান সখিপুর থেকে একজন অফিসার আসেন তার কাছ থেকেই আমরা প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকি।