উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে ৫ কিঃ মিঃ উত্তর পশ্চিম কোণে দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের গোপালপুর উপজেলা সড়কের কোল ঘেষে পোড়াবাড়ী নামক স্থানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ফল, ঔষধি, ফুলের গাছ সমন্বয়ে শামীম নার্সারি।
আর এই নার্সারির মালিক আক্তার হোসেন আখন্দ।তিনি জানান, দুই ভাই বাবার তেমন কিছু রেখে যায়নি প্রথম জীবনে কাঁচামালের ব্যবসা ও রিক্সা চালিয়েছি। জীবনে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের সাথে সংগ্রাম করে আজ এই পর্যায়ে এসেছি। দারিদ্রের সাথে দিনরাত যুদ্ধ করে চলতে হত আমাকে। একমুঠো ভাত যোগাড় করতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যেতে হত। তাইতো আমার মাথায় এই গাছের চারার ব্যবসা আসে।
সেখান থেকে ২০০৫ সালে ৩০ শতাংশ জমি ভাড়া নিয়ে আকাশমণি, ফুলের গাছ, ঔষধি গাছের বাগান করি। সেখান থেকে এখন প্রায় ১০০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে প্রতি বৎসর বিঘা প্রতি জমির মালিককে ১০ হাজার টাকা করে দিতে হয়। বিভিন্ন প্রজাতির ফল, ফুল ও ঔষধি গাছ রোপন করে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে বিক্রি করেন। এতে তার বৎসর শেষে সংসার চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা বাড়তি আয় হয়।
বর্তমানে দুই ছেলে এক মেয়ে শামীম ১০ম শ্রেণিতে, চতুর্থ শ্রেণি তানিল ও মেয়ে তানজিলা কে নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছে। দেশের বগুড়া, রংপুর, খুলনা, মধুপুর ও নিজেরা কিছু বীজ ও চারা সংগ্রহ করা হয়। শামীম নার্সারিতে আম, জাম, লিচু, পেয়ারা, বাদমী, লেবু, লটকন, কমলা, মাল্টা, করমচা, আমড়া, কামরাঙ্গা, জলপাই, ডালিম চালতা সহ ২৭ প্রকারের ফল গাছ ও দুই প্রকারের ঔষধি গাছ, বেলি ফুল, গন্ধরাজ ফুল, গোলাপ ফুল, কামিনী, হাছনাহেনা টগর সহ ২০ প্রকারের ফুল গাছ আছে। এখান থেকে টাঙ্গাইল জেলা ঘাটাইল, কালিহাতী, মধুপুর, হামিদপুর, গোপালপুর, ক্যান্টমেন্ট, ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বগুড়া মহাস্থানগড় ও মহিপুর ইত্যাদি স্থানে চারা গাছ রপ্তানি করা হয়ে থাকে। ২০১৫ সালে ঘাটাইল উপজেলা বৃক্ষ মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ও ২০১৩-১৩ সালে কালিহাতী উপজেলায় বৃক্ষ মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করি।
আর এই নার্সারির মালিক আক্তার হোসেন আখন্দ।তিনি জানান, দুই ভাই বাবার তেমন কিছু রেখে যায়নি প্রথম জীবনে কাঁচামালের ব্যবসা ও রিক্সা চালিয়েছি। জীবনে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের সাথে সংগ্রাম করে আজ এই পর্যায়ে এসেছি। দারিদ্রের সাথে দিনরাত যুদ্ধ করে চলতে হত আমাকে। একমুঠো ভাত যোগাড় করতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যেতে হত। তাইতো আমার মাথায় এই গাছের চারার ব্যবসা আসে।
সেখান থেকে ২০০৫ সালে ৩০ শতাংশ জমি ভাড়া নিয়ে আকাশমণি, ফুলের গাছ, ঔষধি গাছের বাগান করি। সেখান থেকে এখন প্রায় ১০০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে প্রতি বৎসর বিঘা প্রতি জমির মালিককে ১০ হাজার টাকা করে দিতে হয়। বিভিন্ন প্রজাতির ফল, ফুল ও ঔষধি গাছ রোপন করে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে বিক্রি করেন। এতে তার বৎসর শেষে সংসার চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা বাড়তি আয় হয়।
বর্তমানে দুই ছেলে এক মেয়ে শামীম ১০ম শ্রেণিতে, চতুর্থ শ্রেণি তানিল ও মেয়ে তানজিলা কে নিয়ে সুখে দিন কাটাচ্ছে। দেশের বগুড়া, রংপুর, খুলনা, মধুপুর ও নিজেরা কিছু বীজ ও চারা সংগ্রহ করা হয়। শামীম নার্সারিতে আম, জাম, লিচু, পেয়ারা, বাদমী, লেবু, লটকন, কমলা, মাল্টা, করমচা, আমড়া, কামরাঙ্গা, জলপাই, ডালিম চালতা সহ ২৭ প্রকারের ফল গাছ ও দুই প্রকারের ঔষধি গাছ, বেলি ফুল, গন্ধরাজ ফুল, গোলাপ ফুল, কামিনী, হাছনাহেনা টগর সহ ২০ প্রকারের ফুল গাছ আছে। এখান থেকে টাঙ্গাইল জেলা ঘাটাইল, কালিহাতী, মধুপুর, হামিদপুর, গোপালপুর, ক্যান্টমেন্ট, ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, বগুড়া মহাস্থানগড় ও মহিপুর ইত্যাদি স্থানে চারা গাছ রপ্তানি করা হয়ে থাকে। ২০১৫ সালে ঘাটাইল উপজেলা বৃক্ষ মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন ও ২০১৩-১৩ সালে কালিহাতী উপজেলায় বৃক্ষ মেলায় প্রথম স্থান অধিকার করি।
