মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৬

ঘাটাইলে সাগরদিঘী-ভূয়াপুর রাস্তার বেহাল দশা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা থেকে সাগরদিঘী রাস্তা খানা খন্দে ভরা একটু বৃষ্টিতেই পানি জমে ফলে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
দীর্ঘদিন যাবত রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে। 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পূর্বাঞ্চল ঘাটাইল থেকে সাগরদিঘী, ঘাটাইল থেকে  ভূয়াপুর প্রায় ৪১ কিঃ মিঃ পাকা রাস্তা শতশত গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারনে ভারী যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঢাকা সাগরদিঘী, সাগরদিঘী ভালুকা এই রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকলেও সংস্কারের অভাবে এখানে দুরপাল্লার গাড়ী তেমন চলাচল করেনা।
সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইলে আসার পথে বাস, ভ্যান, সিএনজি অটোবাইক সহ বিভিন্ন হালাকা ও ভারী যানবাহন প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছে। যেখানে সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইল আসতে সর্বোচ্চ ৪০ মিঃ সময় লাগার কথা সেখানে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। জরুরী ভিত্তিতে কোন রোগী হাসপাতালে নিতে হলে তড়িৎ গতিতে নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে রাস্তায় ঘটতে পারে যে কোন দুর্ঘটনা।  ১৯৯৬ সালে ঘাটাইল সাগরদিঘী রাস্তাটি স্থানীয় প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ রাস্তাটি নিয়ে নেয়। নেওয়ার পর থেকে সামান্য জায়গায় কিছু মাটি ভরাট ছাড়া বড় কোন কাজ হয়নি। কামালপুর, শহরগোপিনপুর, ধলাপাড়া বাজার, কুশারিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। 
সাগরদিঘী রোডের এম এম এন্টারপ্রাইজের বাস চালক কদমতলী গ্রামের মোঃ রহিজ উদ্দিন জানান আমরা বড় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছি যে কোন সময় আমাদের বিপদ হতে পারে কিন্তু এত কিছু জেনেও পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা রাস্তায় গাড়ী চালাচ্ছি।  
ধলাপাড়া বাজারের ডেকারেটর ব্যবসায়ী সিদ্দিক বার্বুচী জানান, তিন বৎসর যাবত এই রাস্তার অবস্থা একই থাকার দরুন আমাদের দোকানের সামনে বড় বড় খানাখন্দে সৃষ্টি হয়েছে। 
কুশারিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম সুজন জানান এই রাস্তাটি অনেকদিন যাবত খানা খন্দে ভরা একটু বৃষ্টি হলেই যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। 
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন আমি এই রাস্তাটি নিয়ে জেলা সমন্বয় মিটিংয়ে উত্থাপন করেছি তাতে কোন লাভ হয়নি। সাগরদিঘী ঘাটাইলের রাস্তাটি এমন ঝুঁকিপূর্ণ কোন মহিলাকে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে যেতে চাইলে রাস্তার বেহাল দশার কারনে পথিমধ্যেই সন্তান প্রসব হয়ে যাবে। 
সাগরদিঘী-ঘাটাইল ও ভূয়াপুর থেকে ঘাটাইল আসার রাস্তা বেহলা দশা সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান-ডিসি স্যার মন্ত্রনালয়ে তদবির করেছে এবং অচিরেই রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু হবে।
 
টাঙ্গাইল জেলা সড়ক ও জনপদ এর সাবডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জাবেদ হোসেন তালুকদারকে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, আমরা মাঝে মধ্যে রাস্তার সংস্কার করি কিন্তু ছোট কোন অনুদানে এই বড় কাজের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। আমরা চাহিদাপত্র দিয়েছি অনুমোদন হলে বড় কোন পদক্ষেপ নেয়া যাবে।  

ঘাটাইলে সাগরদিঘী-ভূয়াপুর রাস্তার বেহাল দশা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা থেকে সাগরদিঘী রাস্তা খানা খন্দে ভরা একটু বৃষ্টিতেই পানি জমে ফলে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
দীর্ঘদিন যাবত রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে। 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পূর্বাঞ্চল ঘাটাইল থেকে সাগরদিঘী, ঘাটাইল থেকে  ভূয়াপুর প্রায় ৪১ কিঃ মিঃ পাকা রাস্তা শতশত গর্তের সৃষ্টি হওয়ার কারনে ভারী যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঢাকা সাগরদিঘী, সাগরদিঘী ভালুকা এই রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকলেও সংস্কারের অভাবে এখানে দুরপাল্লার গাড়ী তেমন চলাচল করেনা।
সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইলে আসার পথে বাস, ভ্যান, সিএনজি অটোবাইক সহ বিভিন্ন হালাকা ও ভারী যানবাহন প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছে। যেখানে সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইল আসতে সর্বোচ্চ ৪০ মিঃ সময় লাগার কথা সেখানে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। জরুরী ভিত্তিতে কোন রোগী হাসপাতালে নিতে হলে তড়িৎ গতিতে নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে রাস্তায় ঘটতে পারে যে কোন দুর্ঘটনা।  ১৯৯৬ সালে ঘাটাইল সাগরদিঘী রাস্তাটি স্থানীয় প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ রাস্তাটি নিয়ে নেয়। নেওয়ার পর থেকে সামান্য জায়গায় কিছু মাটি ভরাট ছাড়া বড় কোন কাজ হয়নি। কামালপুর, শহরগোপিনপুর, ধলাপাড়া বাজার, কুশারিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। 
সাগরদিঘী রোডের এম এম এন্টারপ্রাইজের বাস চালক কদমতলী গ্রামের মোঃ রহিজ উদ্দিন জানান আমরা বড় ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করছি যে কোন সময় আমাদের বিপদ হতে পারে কিন্তু এত কিছু জেনেও পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা রাস্তায় গাড়ী চালাচ্ছি।  
ধলাপাড়া বাজারের ডেকারেটর ব্যবসায়ী সিদ্দিক বার্বুচী জানান, তিন বৎসর যাবত এই রাস্তার অবস্থা একই থাকার দরুন আমাদের দোকানের সামনে বড় বড় খানাখন্দে সৃষ্টি হয়েছে। 
কুশারিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম সুজন জানান এই রাস্তাটি অনেকদিন যাবত খানা খন্দে ভরা একটু বৃষ্টি হলেই যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। 
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন আমি এই রাস্তাটি নিয়ে জেলা সমন্বয় মিটিংয়ে উত্থাপন করেছি তাতে কোন লাভ হয়নি। সাগরদিঘী ঘাটাইলের রাস্তাটি এমন ঝুঁকিপূর্ণ কোন মহিলাকে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে যেতে চাইলে রাস্তার বেহাল দশার কারনে পথিমধ্যেই সন্তান প্রসব হয়ে যাবে। 
সাগরদিঘী-ঘাটাইল ও ভূয়াপুর থেকে ঘাটাইল আসার রাস্তা বেহলা দশা সর্ম্পকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন জানান-ডিসি স্যার মন্ত্রনালয়ে তদবির করেছে এবং অচিরেই রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু হবে।
 
টাঙ্গাইল জেলা সড়ক ও জনপদ এর সাবডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জাবেদ হোসেন তালুকদারকে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, আমরা মাঝে মধ্যে রাস্তার সংস্কার করি কিন্তু ছোট কোন অনুদানে এই বড় কাজের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। আমরা চাহিদাপত্র দিয়েছি অনুমোদন হলে বড় কোন পদক্ষেপ নেয়া যাবে।  

ঘাটাইলে জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মানবন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

উত্তম আর্য্য, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : 
গত রবিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় দূর্গা পূজায় ৩দিনের সরকারি ছুটির ঘোষনার দাবিতে মানবন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট এর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন ও সহকারী কমিশনার ভূমি প্রভাংশু সোম মহান এর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন জাতীয় হিন্দু মহাজোট ঘাটাইল উপজেলা শাখার সভাপতি বিপুল চন্দ্র চন্দ, সাধারণ সম্পাদক বিভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, যুব হিন্দু মহাজোট সভাপতি সঞ্চয় চক্রবর্তী (বেণু), সাধারণ সম্পাদক রাজন চন্দ্র বসু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ আর্য্য (সুমন), ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক কমলেশ বর্মন, দপ্তর সম্পাদক পলাশ চন্দ্র চন্দ, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক প্রকাশ চন্দ্র সেন, ৩নং জামুরিয়া ইউনিয়নের হিন্দু মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র বিশ্বাস, সদস্য দিপক চন্দ্র রায়, বিপ্লব চন্দ্র নন্দী প্রমুখ।

এমপি রানা’র ফাসির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
প্রথম বারের মতো মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় আসামীদের ফাসির দাবী নিয়ে মানববন্ধন করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা  মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে এমপি রানার ফাসির দাবীতে মানব প্রাচীর তৈরী করে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মানববন্ধেনে বক্তব্য রাখেন - উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন, ডিপুটি কমান্ডার শাহনেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, আ’লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মেয়র হাসান আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান আজাদ, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বাবায়ক শহিদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ, আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা এমপি রানাকে ফাসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যার বিচারের দাবী জানান আদালতের কাছে। এ মানববন্ধনে একত্বতা ঘোষনা করে যোগদেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগসংগঠনের নেতারা।

উল্লেখ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলি বিদ্ধ লাশ কলেজ পাড়ায় তার নিজ বাসায় সামনে পাওয়া যায় । ৩  দিন পর ২১ জানুয়ারী  তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অঙ্গাত আসামীদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । ২০১৪ সালে মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করেন । আদালতে তারা স্বীকারুক্তি মুলক জবান বন্ধী দেয় । তাদের জবানবন্ধীতে রানা ও তার অপর ৩ ভাই জরিত থাকার বিষয় টি ওঠে আসে । চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারী সাংসদ আমনুর ও তার ৩ ভাই সহ ১৪ জন কে অভিযোক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয়া হয় । ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগ পত্র গ্রহন করে পলাতক আমানুর রহমান সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয় । ১৭ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত । ২০মে পুলিশ সাংসদের টাঙ্গাইল সহরে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে। সর্বশেষ  আসামীরা হাজির না হওয়ায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত ।

এমপি রানা’র ফাসির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
প্রথম বারের মতো মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় আসামীদের ফাসির দাবী নিয়ে মানববন্ধন করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা  মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে এমপি রানার ফাসির দাবীতে মানব প্রাচীর তৈরী করে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মানববন্ধেনে বক্তব্য রাখেন - উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন, ডিপুটি কমান্ডার শাহনেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, আ’লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মেয়র হাসান আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান আজাদ, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বাবায়ক শহিদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ, আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা এমপি রানাকে ফাসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যার বিচারের দাবী জানান আদালতের কাছে। এ মানববন্ধনে একত্বতা ঘোষনা করে যোগদেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগসংগঠনের নেতারা।

উল্লেখ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলি বিদ্ধ লাশ কলেজ পাড়ায় তার নিজ বাসায় সামনে পাওয়া যায় । ৩  দিন পর ২১ জানুয়ারী  তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অঙ্গাত আসামীদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । ২০১৪ সালে মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করেন । আদালতে তারা স্বীকারুক্তি মুলক জবান বন্ধী দেয় । তাদের জবানবন্ধীতে রানা ও তার অপর ৩ ভাই জরিত থাকার বিষয় টি ওঠে আসে । চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারী সাংসদ আমনুর ও তার ৩ ভাই সহ ১৪ জন কে অভিযোক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয়া হয় । ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগ পত্র গ্রহন করে পলাতক আমানুর রহমান সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয় । ১৭ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত । ২০মে পুলিশ সাংসদের টাঙ্গাইল সহরে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে। সর্বশেষ  আসামীরা হাজির না হওয়ায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত ।