শনিবার, নভেম্বর ০৭, ২০১৫

ঘাটাইলে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

উত্তম কুমার আর্য্য ঃ
সমবায় উদ্দ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন এই শ্লোগানের দ্বারা সারাদেশের ন্যয় শনিবার টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায় বিভিন্ন এনজিও, সমবায় সমিতি অংশগ্রহনের মাধ্যমে ৪৪তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা চত্বর থেকে ঘাটাইল পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগ ঘাটাইল সমবায়ীবৃন্দ আয়োজিত ঘাটাইল  ইউসিসি লিঃ এর চেয়ারম্যান আজমল হোসেন এর সভাপতিত্বে উপজেলা অডিটরিয়ামে জাতীয় সমবায় দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান-নজরুল ইসলাম খান সামু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-জিবিজি কলেজের গণিত বিভাগে অধ্যাপক মতিউর রহমান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় অফিসার রোকসানা , উপজেলা সমবায় অফিসার শামছুন্নাহার, মুক্তিযোদ্ধার সাবেক কমান্ডার হবিবুর রহমান খান, অন্বেষা প্রাইভেট লিঃ এর পরিচালক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।  

ঘাটাইলে প্রতিবাদ সমাবেশ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় সকল বিসিএস (ক্যাডার) ননক্যাডার শিক্ষকবৃন্দ সহ ইউএনও কর্তৃত্ব বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা চত্বরে এ প্রতিবাদ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিসিএস সমন্বয় কমিটি (ক্যাডার) নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিস উপজেলা শাখা আয়োজিত এ  প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমিটির সভাপতি উপজেলা স্বাস্থ্য (পঃ পঃ) কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক উপজেলা কৃষি অফিসার নূরে আলম সিদ্দিকী, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ শাহজাহান মিয়া, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম. শামসুল হক, চানতারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমরান হোসেন প্রমুখ।

যৌতুক না দেয়ায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা: স্বামী পলাতক

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় আনেহলা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে যৌতুকের কারনে স্ত্রী শিমু রাণীর (১৯) গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় স্বামী জগাই চন্দ্র দাস (২৫)। এ বিষয়ে মৃত শিমুর বাবা সুবরন চন্দ্র বর্মন বুধবার বাদী হয়ে ৭ জন কে আসামী করে ঘাটাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করেছেন।   মামলার বিবরণ ও বাবা সুবরন চন্দ্র বর্মন জানায় ঘাটাইল উপজেলা আনেহলা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের অতুল চন্দ্র দাসের ছেলে জগাই চন্দ্র দাস (২৫) এর সাথে দুই বছর আগে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার গাবের গ্রামের সুবরন চন্দ্র বর্মনের মেয়ে শিমু রাণী কে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়েতে ছেলেকে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দেয়া হয়। তাতে সে ক্ষান্ত না হয়ে  বিয়ের পর থেকেই আরো যৌতুকের জন্য নানাভাবে নির্যাতন করত শিমু রাণীকে।   বিয়েতে দেড়ভরি স্বর্ণ দেয়ার কথা ছিল। মাঝে মধ্যে দেড়ভরি স্বর্ণের জন্য শিমুর সাথে মাঝে মধ্যেই  ঝগড়া করত। সম্প্রতি যৌতুকের টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কথাকাটির এক পর্যায়ে শিমুর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মূমূর্ষ অবস্থায় প্রথমে তাকে টাংগাইল মেডিকেল হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। আটদিন  মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে মঙ্গলবার শিমু রাণী মারা যায়। এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বাকীর করে বলেন নিহত শিমু রাণীর লাশ ঢাকা মেডিকেল থেকে এনে তার শ্বশুর বাড়ীতে দাহ করার জন্য নিয়ে যায়। পরে তার আত্মীয় স্বজন দাহ করতে না দিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।