শুক্রবার, জানুয়ারি ২৫, ২০১৯

এক জাহিদই গুঁড়িয়ে দিলেন মোহামেডানকে

মোহামেডানের সঙ্গে অতীত অভিজ্ঞতাটা ভালো নয় জাহিদ হোসেনের। ২০১৫ সালে বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মোহামেডানকে সাড়ে ১৬ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছিলেন এ কুশলি মিডফিল্ডার। তারপর থেকেই মোহামেডানের বিরুদ্ধে খেলতে নামলেই জ্বলে ওঠার চেষ্টা করেন জাহিদ।

শুক্রবার ময়নমনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডানের উপর জাহিদ নিলেন নিষ্ঠুর প্রতিশোধ। আরামবাগের জার্সি গায়ে জাহিদ হ্যাটট্রিক করলেন পুরোনো ক্লাবের বিরুদ্ধে। মোহামেডান হারলো ৪-১ গোলে।

বিজেএমসির বিরুদ্ধে ২-১ গোলের জয়ে লিগ শুরু করা মোহামেডান দ্বিতীয় ম্যাচেই বিধ্বস্ত। এক জাহিদই গুঁড়িয়ে দিলেন সাদাকালোদের। নিজেদের ভেন্যুতে রাসেলের কাছে হার দিয়ে লিগ শুরু করেছিল। ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচটি তাদের স্মরণীয় করে রাখলেন জাহিদ।

১২ মিনিটে প্রথম গোল, ৬৬ মিনিটে দ্বিতীয়টি জাহিদের। মাঝে ৫৯ মিনিটে মোহামেডানের কায়সার রাব্বি গোল করে ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফিরিয়ে আনার আভাস দিয়েছিলেন। ৭৭ মিনিটে আরামবাগের তৃতীয় গোল করেন চিনেদু। জাহিদ ৮৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন। বড় করেন জয়ের ব্যবধানও।

দুই ম্যাচ শেষে দুই দলেরই পয়েন্ট ৩ করে।

ঘাটাইলে অর্থের বিনিময়ে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দেয়ার অভিযোগ

রবিউল আলম বাদল, ঘাটাইল : টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস ও প্রেস ক্লাব বরাবর উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের সলিং বাজার ২নং ওয়ার্ডের দুলালিয়া গ্রামবাসীর পক্ষে দায়ের করেছেন আবু হানিফ।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জোনাল অফিসের ব্যাবস্থাপক সুশান্ত রায় এবং লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুতের অফিস নিয়ম অনুযায়ী নতুন আবাসিক সংযোগে ৪৫০ টাকা ও বানিজ্যিক লাইনে নতুন সংযোগ নিতে ৮৫০ টাকা দিতে হয়। পল্লী বিদ্যুতের অফিস নিয়ম ও নীতির তোয়াক্কা না করে ঘাটাইলের দুলালিয়া গ্রামের ২নং ওয়ার্ডে শামছুল মুন্সির ছেলে মিন্টু, মৃত ছাবেদ আলীর ছেলে নিয়ামুদ্দিন, মৃত হাসেন আলীর ছেলে আব্দুল খালেক, আমির শেখ, মিষ্টার আলী, জামাল হোসেন, আজিজুল, মজনু মিয়াসহ ১০৫টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৮০০০ থেকে ১০০০০ হাজার নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে টাকা আদায়কারী ঘাটাইলের দুলালিয়া গ্রামের আব্দুল খালেকের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এসব মিথ্যা কথা। আমরা সংযোগ দিতে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেনের সাথে জড়িত নই।

অভিযোগ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিস ঘাটাইল ব্যাবস্থাপক সুশান্ত রায় জানান, কেউ যদি অফিসের নিয়মের বাইরে কোন টাকা নেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।