মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৯

ঘাটাইলে তর্ণমূলের পছন্দের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম খান

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল): আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় তৃনমূলের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো.শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে জনগণ তাকেই বেছে নিবে এমনটি প্রত্যাশা করছেন আওয়ামী লীগের তৃনমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামছুর রহমান খানের হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন। বর্তমানেও তিনি খান পরিবারের সুখ দুঃখের সারথী। শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ৩ নং জামুরিয়া মডেল ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান ছিলেন। এসময় তিনি রাষ্ট্রীয় গোল্ডমেডেল এবং মাদক মুক্ত ইউনিয়নের স্বীকৃতি পান।

উপজেলার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান উপজেলার সাধারণ মানুষ। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিবেদিত প্রাণ, তৃনমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিটি এলাকায় তার পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার শোভা পাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখায় দলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন। তার সাথে জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে সুসম্পর্ক রয়েছে।

ঘাটাইলে সংরক্ষিত টিলা কেটে সাবার

বন উজারের পর এবার ধ্বংসের পথে ঘাটাইলে লাল মাটির টিলা পাহাড়। বনবিভাগের ধলাপাড়া রেঞ্জের চৌড়া, দেওপাড়া, ঝড়কা, বটতলি ও ধলাপাড়া সদর বিটের আওতায় সংরক্ষিত টিলা পাহাড় কেটে সাবার করা হচ্ছে।

প্রশাসনের নাকের ডগায় বনবিভাগের সংরক্ষিত এলাকায় চলছে টিলা ও লাল মাটির সুউচ্চ পাহাড় কাটা। বিরামহীনভাবে পাহাড় কাটায় একদিকে পরিবেশ ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অপরদিকে এখানকার জীববৈচিত্রে দেখা দিয়েছে মারাত্মক হুমকি। পাহাড় আর বনভূমি রক্ষায় রক্ষকরাই এখন রয়েছে ভক্ষকের ভূমিকায়। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বনবিভাগের ধলাপাড়া রেঞ্জের দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌড়া বিট ও দেওপাড়া বিটের আওতায় ডেলুটিয়া, বারইপাড়া প্রভৃতি এলাকার সরকারী খাস উচু টিলা কেটে নিচু করে প্রায় অর্ধশত বাড়ি-ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় জহুরুল হক বলেন, ফরেস্টের লোকদের ম্যানেজ করে টিলা কাটা কোনো ব্যাপারই না। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া এক কোদাল মাটিও কেউ নিতে পারবে না।

জানতে পারলে মামলা ঠুকে দেবে। এভাবে এলাকার শতশত লোক ফরেস্ট কর্মকর্তাদের অপকর্মের কথা তুলে ধরলেও মামলার ভয়ে কেউ নাম প্রকাশ করতে সাহস পাননি। কাছরা নামক স্থান থেকে বারই পাড়া হয়ে দেওপাড়াবাজার পর্যন্ত গেলে চোখে পড়ে পাহাড় কাটার দৃশ্য। সেখানে ৪০ থেকে ৬০ ফিট উচ্চতার টিলাগুলো কাটা হচ্ছে। আর মাটি নিয়ে ভরাট করা হচ্ছে স্থানীয় কাছরা গ্রামের সোনা মিয়ার পুকুর। সোনা মিয়া বলেন, আমি আমার পুকুর ভরাট করাতে ৪ লাখ টাকা চুক্তি দেই ছামনা গ্রামের সাইদকে। সেই এভাবে মাটি ভরাট করছে।

এ ব্যাপারে সাইদের বাড়ি ছামনা গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে তার সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করা হলে রিং বাজলেও রিসিভ করেননি। বৃহস্পতিবার বটতলা বিটের গৌরিস্বর মৌজার জানেরপাড় নামক স্থানে গেলে দেখা যায় শাল গজারি বনের সাথে বেক্যু দিয়ে পাহাড় কাটা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, বন্দকুলিয়া গ্রামের জুয়েল ও বাইচাইলের সাইদ নামে দু’ব্যক্তি মাটি কেটে নিচ্ছে। ধলাপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আ. হামিদ বলেন, আমি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিকাটা বন্ধ করে দিয়েছি।

কে প্রথম প্রেম নিবেদন করেছেন, জানালেন কারিনা

বলিউড অভিনেতা শহীদ কাপুরের সঙ্গে এক সময় প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সে সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। অবশেষে বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের সঙ্গে প্রেমের পর সাতপাকে বাঁধা পড়েন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। তিনি সাইফ আলী খানের দ্বিতীয় পত্নী ও তৈমুর আলী খানের মা।

সম্প্রতি করণ জোহরের ‘কফি উইথ করণ’-শোতে বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে হাজির হয়েছিলে কারিনা। সেখানেই নিজের ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছেন এই অভিনেত্রী।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় এক গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রথম স্ত্রী অমৃতার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মেয়ে সারার সঙ্গে সাইফের সম্পর্কে ঠিক কেমন? কারিনার সঙ্গেই বা সারার কেমন সম্পর্ক? এই সবকিছু নিয়েই অনেকেরই অনেক কৌতূহল রয়েছে। সম্প্রতি ‘কফি উইথ করণ’ এর শোতে কারিনা-প্রিয়াঙ্কার কথোপকথনে উঠে এসেছে নানা তথ্য।

এদিন সাইফের সঙ্গে তার সম্পর্কের শুরুর কথা বলতে গিয়ে কারিনা জানান, গ্রীসে সাইফ তাকে প্রথম প্রেম নিবেদন করেন। তিনি আরও জানান, ‘তশন’ ছবির ‘ছলিয়া ছলিয়া’ গানের শুটিংয়ের সময় সাইফ তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

কারিনার কথায়, ‘একদিন সকালে উঠে হঠাৎই সাইফ বলল, চলো বিয়ে করে ফেলি। সাইফ বলে, চলো এখানকার কোনো চার্চে যাই আর বিয়ে করি। ও (সাইফ) বলে আমি কোনো কিছুকে তোয়াক্কা করি না, বাকি জীবনটা তোমার সঙ্গে কাটাতে চাই।’

সাইফ তাকে সারা ও ইব্রাহিমের কথাও জানিয়ে দেন বলে জানান কারিনা। তিনি জানান, ওরা ওর জীবনে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। পরে তিনিও সাইফকে তার প্রতি ভালোবাসার কথা জনিয়েছিলেন এবং তাকে বিয়ে করতে সমস্ত সমস্যা সম্মুখীন হতেও রাজি বলে জানিয়েছিলেন মন্তব্য করেন বেবো।

সাইফের প্রথম স্ত্রীর মেয়ে সারার সঙ্গে প্রথমবার দেখা প্রসঙ্গে কারিনা জানান, সারা সেদিন তার বিখ্যাত ‘পু’ চরিত্রের (কাভি খুশি কাভি গাম ছবিতে কারিনার চরিত্র) ‘ইউ আর মাই সোনিয়া’ গানের পোশাক পরে দেখা করতে পৌঁছেছিলেন। কারণ সারা কারিনার ভীষণ ভক্ত ছিলেন।

পাশাপাশি করিনা আরও জানান, তার সঙ্গে সাইফের প্রাক্তন স্ত্রী অমৃতার কোনোদিনই দেখা হয়নি।

সাইফের প্রাক্তন স্ত্রী অমৃতার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখো- করণের এমন প্রশ্নের জবাবে বেবো বলেন, ‘আমার সঙ্গে অমৃতার কোনোদিনই দেখা হয়নি, কথাও হয়নি। তবে আমি অমৃতাকে শ্রদ্ধা করি।’

কারিনা আরও জানান, ‘সাইফের সঙ্গে আমার আলাপ অমৃতার সঙ্গে তার বিচ্ছেদের বহু বছর পর। সাইফ সেসময় কারোর সঙ্গেই ছিল না, সিঙ্গল ছিল। 

কালিহাতীতে হর্ণ বাজিয়ে স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের বিরক্তি করায় আটক-১

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নরদহি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের ও নরদহি বাজারের জনগণকে কিছু বখাটে বে-গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে বিকট শব্দে হর্ণ বাজিয়ে বিরক্তির প্রতিবাদ করায় নজরুল ইসলাম নামের এক সচেতন যুবকের উপর হামলা চালিয়েছে বখাটেরা।

এ ঘটনায় হামলার শিকার নজরুল ইসলামের চাচা লাল চাঁন মন্ডল বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করলে বখাটে জাহিদুল ইসলামকে আটক করে কালিহাতী থানা পুলিশ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার আনালিয়াবাড়ী গ্রামের লাভলু মিয়া(২০),মাজেদুল ইসলাম(২১), জাহিদুল ইসলাম(২০), সুজন মিয়া(২২), আসলাম(২০), সেলিম হোসেন(১৯), নাজমুল হোসেন(২০) ও আঃ ছালাম(২২) বিভিন্ন সময়ে বেগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে নরদহি বাজারে গিয়ে বিকট শব্দে হর্ণ বাজিয়ে স্থানীয় জনগণ ও বাজারের পাশে নরদহি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বিরক্তি করলে নরদহি পশ্চিমপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় সচেতন মহল প্রতিবাদ করলে বখাটেরা মারপিটের হুমকি দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে এলেঙ্গা থেকে নরদহি যাওয়ার পথে হাতিয়া নামক স্থানে পৌঁছালে ওই বখাটেরা নজরুল ইসলামের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে তার পকেটে থাকা নগদ এক লক্ষ টাকা, একটি স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায় বখাটেরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন নজরুল ইসলামকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় হামলার শিকার নজরুল ইসলামের চাচা লাল চাঁন মন্ডল বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামী করে কালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং-১৭,তারিখ-২৫-০২-২০১৯ ইং।

এব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মোশারফ জানান, নজরুল ইসলামের চাচা লাল চাঁন মন্ডল বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় মামলা দায়ের করলে আসামী জাহিদুল ইসলামকে আটক করে ২৬ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।