সোমবার, নভেম্বর ১২, ২০১৮

ধর্ষণের অভিজ্ঞতা জানালেন আনুশকা-আলিয়া

অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কাছে প্রতিটি নতুন চরিত্রই চ্যালেঞ্জিং। এক একটি ফিল্মে এক একরকমভাবে নিজেকে ভেঙে গড়ে তুলতে হয় তাদের। একটি চরিত্রের জন্য কীভাবে নিজেদের তৈরি করেন তারা- সে কথা অনেক সময় নানা সাক্ষাৎকারে সামনে এসেছে। তবে কয়েকটি দৃশ্য শ্যুট করতে গিয়ে চিরজীবনের মতো সেই অভিজ্ঞতা মনে দাগ কেটে যায়। তেমনই ঘটেছিল অনুশকা শর্মা এবং আলিয়া ভাটের সঙ্গে। ধর্ষণের দৃশ্য শ্যুট করতে গিয়ে বেশ প্রভাবিত হয়েছিলেন তারা। যা দীর্ঘদিন অবসাদে ভুগিয়েছে তাদের।

এই দুই অভিনেত্রী জানান, শ্যুটিংয়ের পর গোটা বিষয়টি মানসিকভাবে খুব চাপ সৃষ্টি করেছিল তাদের মধ্যে।

অনুশকা শর্মার বলেন, ‘এনএইচটেন’ ছবিতে আমার শ্লীলতাহানির একটি দৃশ্য ছিল। রিয়্যালিস্টিকভাবে দৃশ্যটি শ্যুট করার কথা। তেমনটাই করেছিলাম। কিন্তু তারপর আমি মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেছিলাম। অভিনয় করছি জানি, তবুও খুব খারাপ লেগেছিল। দুঃখ হয়েছিল। বাস্তব জীবনে শ্লীলতাহানি হওয়ার খানিকটা অনুভূতি হয়তো পেয়েছিলাম। যার জন্যই নিজেকে সামলাতে পারিনি।

অন্যদিকে একই অভিজ্ঞতা আলিয়া ভাটের। ‘উড়তা পঞ্জাবে’র গণধর্ষণের দৃশ্যে বেশ অ্যাফেক্টেড হয়েছিলেন অভিনেত্রী। শ্যুটিংয়ের আগে টেকনিক্যালিটি বোঝার সময় নায়িকার কোনো সমস্যা হয়নি। কীভাবে শ্যুট হবে, কী করতে হবে, সবটাই বুঝে নিয়েছিলেন। কিন্তু ভেতরে ভেতরে বেশ অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ছবির শ্যুটিংয়ের সঙ্গে বাস্তব জীবন রিলেট করার পরই আলিয়ারও আনুশকার মতোই অনুভূতি হয়েছিল। দৃশ্যটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শ্যুট শেষ করে ফেলতে চাইছিলেন তিনি।

ওইদিনের পরে সেটে গিয়েও আনকমফর্টেবল ফিল করতেন বলে জানান আলিয়া।

বিএনপির নির্বাচনী প্রচারে নামবেন জোবাইদা

দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একাধিক মামলায় সাজা পেয়ে লন্ডনে অনেকটা নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন।


শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অনেকটাই দিশাহীন। এমতাবস্থায় দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঠিক দিশা দিতে রাজনীতিতে আসছেন জিয়া পরিবারের অন্যতম সদস্য ও তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান।

বিএনপি নেতাদের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে ভারতের বহুল প্রচারিত দৈনিক আনন্দবাজার।

নাম উল্লেখ করতে অনিচ্ছুক বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-জোবাইদা রহমান প্রাথমিক সদস্যপদ নিয়ে শিগগিরই বিএনপির রাজনীতি শুরু করবেন। সে ক্ষেত্রে নিজ বাড়ি সিলেট কিংবা শ্বশুরবাড়ি বগুড়া জেলা কমিটির প্রাথমিক সদস্যপদ দেয়া হবে জোবাইদাকে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্রবধূকে আপাতত দলের ভাইস চেয়ারম্যান করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্বাচনী কাজ সমন্বয়ের দায়িত্বও তার হাতে ছাড়ার কথা বিএনপি নেতৃত্ব ভাবছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আপাতত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেকের নির্দেশানুযায়ী তিনি দল চালাবেন।

মনোনয়ন ফরমে সই করতে পারছেন না জোবাইদা রহমান। তার পাসপোর্ট আপাতত লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনের হাতে থাকায় ঢাকা ফিরতে সময় লাগবে।

সে জন্য প্রচারের মঞ্চ থেকে তার ভিডিও-বক্তৃতা প্রচারের কথা ভেবে রেখেছেন বিএনপি নেতৃত্ব।

প্রতিবেদনটিতে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃতীয় নারী হিসেবে ডা. জোবাইদা রহমানের উত্থান হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘কর্মীদের চাঙ্গা করে নতুন উদ্যমে ভোটের ময়দানে নামাতে এবং দলে জিয়া পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানকে নেতৃত্বে আনার বিষয়টি এক রকম চূড়ান্ত করে ফেলেছে রাজনীতিতে কোণঠাসা বিএনপি। জিয়া পরিবারের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি— কারাবন্দি খালেদা এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছেন। তারেক রহমানও সম্মত।’

জোবাইদা রহমানের ঘনিষ্ঠদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনীতিতে নামতে জোবাইদা রহমানও তৈরি।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্রবধূর রাজনীতিতে অভিষেক সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

জোবাইদার বাবা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী জিয়াউর রহমানের আমলে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রধান ছিলেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকারে তিনি যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী জোবাইদার কাকা। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আইরিন খানের চাচাতো বোন জোবাইদা চিকিৎসকদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম হন।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটি অব মেডিসিন থেকে রেকর্ড নম্বর ও স্বর্ণপদক নিয়ে এমএসসি করেছেন।

প্রসঙ্গত, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের রাজনীতিতে আসার গুঞ্জন নতুন নয়। বহুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে জিয়া পরিবারের এ সদস্য বিএনপির রাজনীতির হাল ধরবেন। তবে এখনও পর্যন্ত জিয়া পরিবারের কেউ এ বিষয়ে কিছুই বলেননি।

টাঙ্গাইল জেলায় আ.লীগের মনোনয়ন কিনলেন যারা

টাঙ্গাইলের ৮ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন ৬৫ জন। প্রথম দিন শুক্রবার থেকে তৃতীয় দিন রবিবার (১১ নভেম্বর) পর্যন্ত তারা এই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী)

এ আসন থেকে ৪ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য (এমপি) ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীয় সদস্য ডা. আব্দুল রাজ্জাক মনোনয়নপত্র কিনেছেন। অন্যদিকে, শনিবার কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্য মাসুদ রানা, নাট্য অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ও ব্যবসায়ী সবুজ তালুকদার মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর)

এ আসনে ১৪ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন– বর্তমান এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামান, বর্তমান এমপির ছেলে মশিউজ্জামান রোমেল, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, গোপালপুর উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার গিয়াস উদ্দিন, ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম, মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুননবী, মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, হারুনুর রশীদ বীর প্রতিক, শামসুল আলম, কেন্দ্রীয় সাবেক নেতা রফিকুল ইলমাম মঞ্জু, একেএম শহিদুর রহমান এবং আসলাম খান।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল)

এ আসন থেকে ১০ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন– বর্তমান সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডা. কামরুল হাসান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিল্পপতি সৈয়দ আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ তুহিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শহীদুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও পিপি এস আকবর খান, তেজগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. অধীর চন্দ্র সরকার, সাবেক এমপি প্রয়াত ডা. মতিউর রহমানের ছেলে তানভীর রহমান, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা ড. মো. নূরুল আলম তালুকদার, সরকারি জিবিজি কলেজের সহকারি অধ্যাপক মো. ওয়াহিদ শরীফ সিদ্দিকী।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী)

এ আসন থেকে ৪ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন।  তারা হলেন– বর্তমান এমপি হাসান ইমান খান সোহেল হাজারি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, এফবিসিসিআই’র পরিচালক ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাসের এবং ব্যবসায়ী ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর)

এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের চার জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন– এ আসনের বর্তমান এমপি আলহাজ ছানোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদ, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান।

টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর)

এ আসন থেকে ১৩ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন– তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বর্তমান সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল বাতেন, জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সম্পাদক তারেক শামস খান হিমু, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ইনসাফ আলী ওসমানী, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সহ-সভাপতি কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ আব্দুর রহিম ইলিয়াস, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম প্রামাণিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগের সহ-সভাপতি হামিদুর রহমান ঝন্টু, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক খোরশেদ আলম বাবুল, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ উল্লাহ লিলু।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর)

এ আসন  থেকে ৫ জন মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন– বর্তমান এমপি একাব্বর হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহীর সদস্য ও টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খান আহমেদ শুভ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য  ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) খন্দকার আব্দুল হাফিজ।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর)

এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন ১১ জন। তারা হলেন– বর্তমান এমপি অনুপম শাহজাহান জয়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের,  আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক প্রকৌশলী আতাউল মাহমুদ, সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ শওকত সিকদার, জাতীয় শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম খান, প্রকৌশলী আসাদুল হক তালুকদার, অধ্যক্ষ সাঈদ আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা সরকার মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান ফারুক, আওয়ামী লীগ নেতা জুয়েল সরকার, ডা. জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল ও বাসাইল উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান বিদ্যুৎ।

টি-টুয়েন্টিতে একই দিনে দুই জয় ভারতের

রোববার ভারতের নারী ও পুরুষ টি-টুয়েন্টি দল মাঠে নেমেছিল। নারী দল নেমেছিল গায়ানায়, পুরুষ দল চেন্নাইয়ে। বিশ্ব নারী টি-টুয়েন্টিতে হারমনপ্রীতদের প্রতিপক্ষ ছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান। আর রোহিত শর্মারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নেমেছিল সিরিজের শেষ ম্যাচে। 

দুই দলের ভেন্যুর দূরত্ব ১৫ হাজার মাইল হলেও ফলাফলে ব্যবধান ছিল না কোনই। জিতেছে দুই দলই। দুই দলই জিতেছে রান তাড়া করে।

গায়ানার প্রভিডেন্সি স্টেডিয়ামে এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৩ রান করে পাকিস্তান। দলীয় ৩০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেললে দলের হাল ধরেন বিসমাহ মারুফ ও নাদিয়া দার। দুইজনের জুটিতে আসে ৯৩ রান। বিসমাহ ৫৩ ও নাদিয়া ৫২ রান করেছেন।

ভারতের হয়ে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন ডায়ালান হেমলতা ও পুনম যাদব।



জবাবে ১৯ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রান করে জয় তুলে নেয় ভারত। মিতালি রাজ ৫৭ রান করেছেন। এছাড়া স্মৃতি মান্ধানা ২৬ ও অধিনায়ক হারমনপ্রীত কাউর ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এদিকে চেন্নাইয়ে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৮১ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই মারমুখী হয়ে খেলতে থাকে ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানরা। ওপেনার শাই হোপ ২২ বলে ২৪ ও শিমরন হেটমেয়ার ২১ বলে ২৬ রান করে আউট হন। এরপর ব্যক্তিগত ১৫ রানে দিনেশ রামদিন আউট হলেও রানের গতি থামেনি সফরকারীদের।

ডোয়াইন ব্রাভো ও নিকোলস পুরান মিলে দলকে বড় স্কোর এনে দেন। ব্রাভো ৩৭ বলে ৪৩ ও পুরান ২৫ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শিখর ধাওয়ান ও ঋষভ পান্তের ব্যাটে ভর দিয়ে ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় ভারত। ধাওয়ান ৬২ বলে ৯২ ও পান্ত ৩৮ বলে ৫৮ রান করেছেন।

৩টি আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনলেন খালেদা জিয়া

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তিনটি আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আসনগুলো হলো, ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও ৭।  

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন ফরম কেনার মাধ্যমেই বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়।

সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে প্রথমে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়ার পক্ষে ফেনী-১ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কেনেন।

এর পর পরই খালেদা জিয়ার পক্ষে বগুড়া-৬ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কেনেন স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য নজরুল ইসলাম খান।



এ ছাড়া বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য মির্জা আব্বাস খালেদা জিয়ার পক্ষে বগুড়া-৭ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কেনেন।

এ সময় তারা ফরমের নির্ধারিত মূল্যও পরিশোধ করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরফত আলী সপু, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনীর হোসেন, বেলাল আহমেদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক সিকদার প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি থাকায় খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে আদালত যদি তাকে অনুমতি দেন সেক্ষেত্রে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বিএনপি চেয়ারপারসন।



উল্লেখ্য, গতকাল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের যাওয়ার ঘোষণার দেওয়ার পরই বিকেলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আজ থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রির ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং মঙ্গলবার একই সময়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করা হবে। সেই সাথে ১৩ নভেম্বর এবং ১৪ নভেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে। ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ৫ হাজার টাকা এবং জমা দিতে লাগবে ২৫ হাজার টাকা।’

এ ছাড়া গতকাল রোববার ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণার দেওয়ার পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটও নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

এদিকে, মনোনয়ন ফরম বিক্রি উপলক্ষে সোমবার সকাল থেকেই নয়া পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকরা ভিড় করছেন।

ঘাটাইলে মোবাইল ও সার্ভিসিং ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটি

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মোবাইল ও সার্ভিসিং ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ সোমাবর (১২ অক্টোবর) দুপুরে ঘাটাইল ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে এক সভায় তিন বছরের জন্য ১১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।

ঘাটাইল মোবাইল ব্যবাসায়ী ও সার্ভিসিং সমিতির নবগঠিত কমিটির সভাপতি হলেন, মো. মেছবাউল ইসলাম শোভন ও সাধারন সম্পাদক মির্জা মাসুদ করিম শাহিন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ সভাপতি বুলবুল, ইয়াসিন আলী, গোপাল, যুগ্ম সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আছাদুর রহমান শোভন, ক্রীড়া ও বিনোদন সম্পাদক নাজমুল হাসান, প্রচার সম্পাদক মো. রিপন, দপ্তর সম্পাদক মো. ফেরদৌস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শামীম।

এ কমিটির উপদেষ্টা হলেন, ঘাটাইল পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান শহীদ, ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন, মোখলেছুর রহমান, শাহ আলম, মামুন সিদ্দিকী, মিল্টন।

ঘাটাইলে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শিক্ষকদের আনন্দ র‌্যালী

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল : গত ৮ সেপ্টেম্বর গণভবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সারা বাংলাদেশের ৫ লক্ষাধিক বেসরকারি শিক্ষকদের বহুদিনের আকাক্ষিত ও প্রত্যাশিত ৫% ইনক্রিমেন্ট ও ২০% বৈশাখী ভাতা প্রদানের ঘোষণা করায় আজ সোমবার (১২ নভেম্বর) দুপুুর তিনটায় ঘাটাইল উপজেলার সকল বেসরকারী মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে এক আনন্দ র‌্যালী করেছে।

র‌্যালীটি ঘাটাইল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সামনে থেকে শুরু হয়ে ঘাটাইলের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম লেবু।

আনন্দ র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (বাশিস) ঘাটাইল উপজেলা শাখার সহ- সভাপতি মো. হাসান আলী, মো. বাবর চৌধুরী, মো. আব্দুল হালিম মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বিপ্লব সরকার, শিক্ষা ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোসা: হেলেনা আক্তার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান তাং, মো. ইয়াসিন ইসলাম, পাকুটিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জীবুন নেছা, মমরেজ গলগন্ডা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু হানিফ খান, সন্ধানপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আ. বাছেদ আকন্দসহ উপজেলার সকল সহকারি শিক্ষকবৃন্দ।