চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তামান্না আক্তার আশা সকালেই উৎসবে এসেছে। সে গোলাপ ও ঝাল পিঠাসহ কয়েক রকমের পিঠা কিনে খেয়েছে।
তামান্না আক্তার আশা বলে, খুব ভালো লাগছে। আগে কখনও এ রকম পিঠা কিনে খাইনি। নতুন নতুন অনেক পিঠা আছে এখানে। একই শ্রেণির আছিয়া আজাদ কমাও পিঠা কিনে খাচ্ছিল। সে বলে, পিঠাগুলো খুব মজার। আমার মনে হচ্ছে পিঠা মেলায় আসছি। কত রকমের পিঠা!
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র সাদমান মুনিম ও তার ছোট ভাই প্রথম শ্রেণির ছাত্র সালমান মুহিদ এসেছে তাদের মায়ের সঙ্গে। তারা দুই ভাইও কয়েক রকমের পিঠা খেয়েছে বলে জানায় বাংলা ট্রিবিউনকে।

হেলনাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে সন্ধা’র পিঠা স্টলের স্বত্বাধিকারী শাহিনা আক্তার পিঠা উৎসবে ৩৬ প্রকারের পিঠা তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, ঘাটাইলে এই প্রথম এ রকম পিঠা উৎসব হচ্ছে। এ প্রজন্মের শিশুদের গ্রাম বাংলার বিভিন্ন ধরনের পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এরকম আয়োজন অব্যাহত রাখা দরকার। একই মত ব্যক্ত করেন পিঠাঘরের ডেইজি লাকী। তার স্টলেও ২১ ধরনের পিঠা শোভা পাচ্ছে।