বুধবার, এপ্রিল ০৩, ২০১৯

মির্জাপুরে ১২ বছরের শিশুকে ভাগিয়ে যুবক ধরা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে লাভলী নামে ১২ বছরের এক শিশুকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করার চেষ্টার অপরাধে রনি মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে এক বছরের সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. আজগর হোসেন এ সাজা দেন।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের আড়াইপাড়া গ্রামের নয়া মিয়ার ১২ বছরের মেয়ে লাভলীকে একই ইউনিয়নের চান্দুলিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে রনি মিয়া বিয়ে করার কথা বলে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যায়। গত সোমবার টাঙ্গাইল আদালতে নোটারি পাবলিক সম্পন্ন করে মঙ্গলবার সকালে রনি লাভলীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসে।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর লাভলীর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় ইউপি মেম্বার নজরুল ইসলামের সহায়তায় রনি এবং লাভলীকে মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কশিমনার (ভূমি) কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আজগর হোসেন বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন ২০১৭ অনুযায়ী রনি মিয়াকে এক বছরের সাজা এবং লাভলীকে পরিবারের কাছে তুলে দেন।
একই কায়দায় রনি মিয়া একাধিক বিয়ে করেছেন বলে ওই এলাকার মানুষ অভিযোগ করেছেন।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. আজগর হোসেন জানান, নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে লাভলী নামে এক শিশুকে বাল্যবিয়ের চেষ্টার অপরাধে রনি মিয়া নামে এক যুবককে এক বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ওই শিশুকে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

প্রশাসনকে ৪ দিনের সময় দিলেন নুর!

হলের বহিরাগত এবং অছাত্রদের বের করে দেওয়া, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে মো. ফরিদ হাসান নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিচার দাবিতে প্রশাসনকে সোমবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নুর।

তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে দাবি মানতে হবে। অন্যথায় নতুন কর্মসূচি দেওয়া হবে। নুর বলেন, ভিসির সঙ্গে বৈঠক করে আমরা আশাবাদী। তাই আজকের মতো কর্মসূচি স্থগিত করেছি।

এদিকে, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে মো. ফরিদ হাসান নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাত ৮টা থেকে ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন নুরসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর অভিযোগ দায়ের শেষে বের হওয়ার সময় হামলার শিকার হন নুর ও তার সহপাঠীরা। হলের ছাত্র ফরিদ হাসানকে মেরে রক্তাক্ত করার ঘটনা ও নিজেদের অবরুদ্ধ করার ঘটনায় প্রভোস্টের কাছে অভিযোগ দায়ের শেষে বের না হতেই তাদের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। তাদের অভিযোগ এ হামলা করেছে ছাত্রলীগ।

শামসুন্নাহার হল সংসদের ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি বলেন, ছাত্রলীগ আমাদের ওপর বাজেভাবে হামলা চালিয়েছে। মেয়েদেরও ছাড় দেয়নি। আমরা এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাব।