রবিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৫

ঘাটাইলে নেশার গ্রাম মাইজ বাড়ী-বাগুনডালী




ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের বাগুনডালী মাইজবাড়ী গ্রাম নেশার গ্রাম নামে পরিচিত হয়েছে। মরণ নেশা ইয়াবা, হোরাইন সহ লাখ লাখ টাকা বেঁচা কেনা হয়। এতে করে এলাকায় চুরি, ডাকাতি সহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে নেশায় আসক্ত যুবসমাজ। এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ ঐ গ্রামের লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রেরণ করেছে।

লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী জানায় ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের শেষ সীমানা বাগুনডালী-মাইজবাড়ী গ্রামে দীর্ঘদিন যাবত অবাদে চলছে ইয়াবা, হেরোইন সহ মাদকের রমারমা ব্যবসা। এর ফলে এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতি সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন নেশায় আসক্ত লোকজন। উঠতি বয়সে কিছু যবুক মরণ নেশা হেরোইন ইয়াবার নেশায় আসক্ত হয়ে ধ্বংসের দারপ্রান্তে এসে দাড়িয়েছে।

প্রতি রাতেই পার্শ্ববর্তী জেলা সিরাজগঞ্জ থেকে মাদক নিয়ে একটি প্রাইভেটকার বাগুনডালী বাজারে এসে নামে বলে এলাকাবাসী জানায়। সেখান থেকে ঘাটাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে মরণ নেশা ইয়াবা, হিরোইন পৌছে দেওয়া হয় বিক্রেতাদের কাছে। ঘাটাইলের শেষ সীমানার গ্রাম বলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলাকায় পৌছিতে সময় লাগার কারণে মাদক ব্যবসায়ীরা বীরদর্পে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। গ্রামের কেউ মুখ ফুটে কিছু বলতে গেলে বিভিন্ন সময় ঐ মাদক ব্যবসায়ী ভয়ভীতি দেখায় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। ভদ্রবাড়ীর মোঃ আবুল কালাম আজাদ, মাইজবাড়ীর মোঃ রঞ্জু, সৌরভ, মোস্তফা, শফি এরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পাশ্ববর্তী কালিহাতী থানার বাগুটিয়া, বল্লা রোড, পাথালিয়া বাজার, বিয়ারা বাজার, শেখশিমুল বাজার, ভূয়াপুর থানার সহ বিভিন্ন জায়গায় এরা লক্ষ লক্ষ টাকার মাদক বিক্রি করছে। এলাকার লোকজন এর প্রতিবাদ করলে তাদেরকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখায় তাই এলাকায় কেউ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না।   

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছমা আরা বেগম জানান-আমি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে লিখিত
অভিযোগ পেয়েছি সপ্তাহে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা সহ এলাকায় টহল পুলিশের ব্যবস্থা করা হবে যাতে করে মাদক ব্যবসায়ীরা অবাদে মাদক বিক্রি করতে না পারে।