সোমবার, জানুয়ারি ১৬, ২০১৭

ঘাটাইলে পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্ধুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আব্দুল লতিফ , ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা রিজিয়নাল ও ঘাটাইল পৌরসভা আয়োজিত শহর সমবায় কমিটি টিএলসিসি সদ্যেসদের নিয়ে পৌর সভার সার্বিক উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্বি ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা ঘাটাইল পৌরসভা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত কাল সোমবার (১৬ জানুয়ারী) ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন , আরআমএসইউ ,ঢাকা বিজিয়নের উপ- পরিচালক সাঈদ আহম্মেদ বাসেত। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন , সহকারি পরিচালক (অর্থ) শাহীন আকতার সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম , সহকারী পরিচালক দিলারা চৌধুরী । 
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন , সাবেক অধ্যক্ষ অধীর চন্দ্র সাহা, অধ্যক্ষ শামসুল আলম মনি , অধ্যাপক মাহমুদ দিদার , ড.মমতাজ বেগম , অধ্যাপক মোঃ মতিয়ার রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংক সহায়তা পুস্ট মিউনিসিপ্যাল এন্ড সার্ভিসেস প্রজেক্ট (এমজিএসপি ) প্রকল্পের আওতায় পৌরসভার দায়িত্ব ও কার্যবিবরনী সম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধি , সকল বিষয়ে কম্পিউটারায়ন , উন্নতর রেকর্ড ব্যবস্থাপনা, আবকাঠামো তালিকা প্রনয়ন , বেইসম্যাপ প্রস্তুত করন , কমিউনিটি মোবিলাইজেশন সার্পোট প্রধান বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন , পৌরসভার সচিব মোঃ নুরুল ইসলাম ।

ঘাটাইলে পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্ধুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আব্দুল লতিফ , ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা রিজিয়নাল ও ঘাটাইল পৌরসভা আয়োজিত শহর সমবায় কমিটি টিএলসিসি সদ্যেসদের নিয়ে পৌর সভার সার্বিক উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্বি ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা ঘাটাইল পৌরসভা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত কাল সোমবার (১৬ জানুয়ারী) ঘাটাইল পৌর মেয়র শহীদুজ্জামান খান এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন , আরআমএসইউ ,ঢাকা বিজিয়নের উপ- পরিচালক সাঈদ আহম্মেদ বাসেত। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন , সহকারি পরিচালক (অর্থ) শাহীন আকতার সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম , সহকারী পরিচালক দিলারা চৌধুরী । 
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন , সাবেক অধ্যক্ষ অধীর চন্দ্র সাহা, অধ্যক্ষ শামসুল আলম মনি , অধ্যাপক মাহমুদ দিদার , ড.মমতাজ বেগম , অধ্যাপক মোঃ মতিয়ার রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংক সহায়তা পুস্ট মিউনিসিপ্যাল এন্ড সার্ভিসেস প্রজেক্ট (এমজিএসপি ) প্রকল্পের আওতায় পৌরসভার দায়িত্ব ও কার্যবিবরনী সম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধি , সকল বিষয়ে কম্পিউটারায়ন , উন্নতর রেকর্ড ব্যবস্থাপনা, আবকাঠামো তালিকা প্রনয়ন , বেইসম্যাপ প্রস্তুত করন , কমিউনিটি মোবিলাইজেশন সার্পোট প্রধান বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন , পৌরসভার সচিব মোঃ নুরুল ইসলাম ।

সাংসদ আমানুরকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জেলা আ.লীগের

টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাংসদ আমানুর রহমান খান (রানা) ও তাঁর তিন ভাইকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ। আজ সোমবার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খানের সভাপতিত্বে জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভা শেষে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জানান, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যায় সাংসদ আমানুর ও তাঁর ভাইদের নামে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কারাগারে আটক অবস্থায় আমানুর ছাত্রলীগ নেতা আবু সাঈদকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই খুনি চক্রের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল বলেন, সভার কার্যবিবরণী কেন্দ্রে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

সাংসদ আমানুরের অন্য তিন ভাই হলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুর রহমান খান (মুক্তি), ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান (বাপ্পা) ও ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান (কাকন)।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সাংসদ আমানুর, তাঁর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এই চার ভাইসহ ১০ অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও ক্রোক পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পুলিশ আমানুর ও তাঁর ভাইদের বাড়ি থেকে গত ২০ মে মালামাল ক্রোক করে।

পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) জানায়, ফারুক হত্যা মামলায় আমানুর ও তাঁর ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্তে বের হয়ে আসে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে। তার পরপরই জাহিদুর ও সানিয়াত দেশত্যাগ করেন। ওই বছর নভেম্বরে আমানুর ও তাঁর অপর ভাই সহিদুর আত্মগোপনে চলে যান। তাঁরা আত্মগোপনে যাওয়ার পর টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সহিদুর সাধারণ সম্পাদক পদ হারান। গত অক্টোবরে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে দলের জেলা কমিটি বিলুপ্ত হলে আমানুরের ধর্মবিষয়ক সম্পাদকের পদ চলে যায়। পরে জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হলে আমানুর বা তাঁর কোনো ভাইকে কোনো পদে রাখা হয়নি।

পুলিশি তদন্তে ফারুক হত্যা মামলায় আমানুর ও তাঁর ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসার পরই তাঁদের দল থেকে বহিষ্কারের দাবি ওঠে।

২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে শহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসার সামনে থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতে দেওয়া তাঁদের জবানবন্দিতে ফারুক আহমেদের হত্যার সঙ্গে সাংসদ আমানুর ও তাঁর ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

এ ছাড়া গত ৯ নভেম্বর রাতে ঘাটাইল এলাকায় অস্ত্রধারীরা আবু সাঈদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি আ. জুব্বার গত ২০ ডিসেম্বর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সেখানে তিনি বলেন, সাংসদ আমানুরের পরিকল্পনা ও নির্দেশে তাঁরা আবু সাঈদকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন। 
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, জুব্বারের দেওয়া জবানবন্দি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে এ মামলার অভিযোগপত্রে সাংসদকে আসামি করা হবে। সূত্র ঃ প্রথম আলো।