রেজাউল করিম খান রাজু, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) :
ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়াতে আব্দুল হামিদ (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। সে পেশায় একজন কাঠ ব্যাবসায়ী । গত রোববার (৬ আগস্ট) বিকালে বাড়ির পাশে একটি ছোট গাছে ঝুলে থাকাবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ। তার গোপণাঙ্গ পায়ের নক থেতলানো ছিল।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়,। হত্যার শিকার আব্দুল হামিদ সিংগুরিয়া বাসস্ট্যান্ড বাজার এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর মেঝ ছেলে। আব্দুল হামিদ একজন বিশিষ্ট কাঠ ব্যবসায়ী । ৫ আগষ্ট শনিবার রাতে কে বা কারা তার পায়ের নক ও গোপনাঙ্গ থেতলে হত্যা করে বিবস্ত্র অবস্থায় বাড়ির পাশে একটি ছোট গাছে তার লাশ ঝুলিয়ে রাখে। তার এক ছেলে দুই মেয়ে। তারা সকলেই বিবাহিত। একমাত্র ছেলে সোহেল স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় থাকেন। আব্দুল হামিদের চাচাত ভাই আব্দুল বাছেদ জানান, “আমার ছেলে পাট ক্ষেতে পাট কাটতে যায়। পাট ক্ষেত থেকে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে সকলকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে ।
নিহত হামিদের বড় মেয়ে হামিদা খাতুন (৩০) জানান, “মা ও বাবা দুজনে বাড়িতে থাকতেন। ভাইয়ের স্ত্রী’র সন্তান হওয়ায় মা প্রায় ২ মাস যাবৎ ঢাকায় থাকেন। বাবা বাড়িতে একাই থাকত। আমার বাবার কোন শত্রু ছিলনা। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা বুঝতে পাচ্ছিনা।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমীর হোসেন জানান,তার গোপণাঙ্গ ও পায়ের নক থেতলানো ছিল। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য আজ সোমবার টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে এটাকে পরিকল্পিত হত্যা কান্ড বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের পর হত্যা কান্ডের সঠিক কারন জানা যাবে। তবে কি কারনে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা পরিস্কার নয়।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমীর হোসেন জানান,তার গোপণাঙ্গ ও পায়ের নক থেতলানো ছিল। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য আজ সোমবার টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে এটাকে পরিকল্পিত হত্যা কান্ড বলে মনে হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের পর হত্যা কান্ডের সঠিক কারন জানা যাবে। তবে কি কারনে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা পরিস্কার নয়।