বুধবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৬

প্রতিবন্ধী মোমিনের শিম চাষে সাফল্য

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামের এক মধ্যবিত্ত কৃষকের ঘরে মোমিনের জন্ম। দুই ভাই ও এক বোনের সংসারে মোমিন সবার ছোট। জম্ম থেকেই মোমিন বাক ও শ্রবন প্রতিবন্ধী। মোমিনের অন্য বড় দু’ভাই একজন শিক্ষকতা পেশা ও অপর ভাই আইন পেশায় যুক্ত আছেন। একমাত্র বোনটি বিয়ে হয়ে সংসারী করছেন।
পরিবারের সকল সদস্যদের আন্তরিকতায় মোমিনকে ছোট বেলা থেকেই কথনো কিছুর অভাব বোধ করতে হয়নি। এর মধ্যে মোমিন বিয়ে করেছেন। সংসারে তার দুটি ছেলে সন্তান। কোন প্রকার আয়-রোজগার না করলেও দু’বেলা খাবার-পড়া নিয়ে চিন্তা নেই সেখানে মোমিন এক দৃষ্টান্ত। তার অন্য ভাইয়েরা মাস শেষে বেতন পেয়ে সেই টাকা যখন বাবার হাতে তুলে দেন তখন তা দেখে তার আর ভাল লাগেনা।
ছোট বেলা থেকেই সাংসারিক ও কৃষি কাজে সে দারুণ পারদর্শী। তাই আর পিছন ফিরে তাকালেননা। কিছু করার তাড়না থেকে বাড়ী আঙ্গিনার পাশে দুই বিঘা জমিতে তিন বছর আগে শুরু করেন শিম চাষের।এ কাজে শ্রমিক’ত দূরের কথা নিজের স্ত্রীর সাহায্য নিতেও তার আপত্তি। প্রতিবছর শিম বিক্রি করে মোমিন এখন আয় করছেন এক থেকে দেড় লাখ টাকা। মোমিনের কোন পিছুটান নেই। পুকুরে মাছ, গোলাভরা ধান আর স্ত্রী সন্তান নিয়ে এক সুখের সংসার। যেখানে অতীত বলে কিছু নেই, আছে ভবিষৎ সুখের এক চিলতে হাসি।
ঘাটাইল উপজেলার নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম শাহীন বলেন, মোমিনের এই দৃষ্টান্তকে উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি তাকে সব রকমের সহায়তার কথা জানালেন এই কর্মকর্তা।

মিরপুরের জল্লাদখানায় স্মৃতিপীঠ

মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের বেনারসী পল্লিতে গিয়ে রিকশাচালককে বলা মাত্রই নিয়ে গেল জল্লাদখানায়। লোকমুখে এই নামে পরিচিত স্থানটি আসলে জল্লাদখানা বধ্যভূমি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বেদনার অনেক ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই বধ্যভূমি। স্থানীয় অবাঙালি আর দেশীয় স্বাধীনতাবিরোধীরা অনেকটা জল্লাদের কায়দায় বাঙালি নিধন করেছে এখানে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে এটি রূপ নিয়েছে জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে। এর সিঁড়ি দিয়ে কয়েক ধাপ নেমে বাম পাশে তাকালে অনেকগু ফলক চোখে পড়বে। সেখানে পাশাপাশি লেখা আছে  সারা দেশের বধ্যভূমির নাম-ঠিকানা। মাঝেমধ্যে কাচের ঘরে বিশেষ কয়েকটি বধ্যভূমির মাটি রাখা আছে। মাটিগুলোর দিকে তাকালে যেন মনে হবে এই মাটিতে আছে শত শত মানুষের কান্না, আর্তনাদ আর তাদের রক্ত-মাংস।
কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমির প্রহরী আবদুর রহিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রতিদিন এটি খোলা থাকে। বিনামূল্যে সবাই এখানে প্রবেশ করতে পারে।’ কাচে ঢাকা একটি কূপ দেখিয়ে তিনি বললেন, ‘এখানে বহু বাঙালিকে ধরে এনে জবাই করে ফেলে দেওয়া হয়।’ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে প্রায় দেড় যুগ আগে জল্লাদখানা বধ্যভূমি থেকে ৭০টি মাথার খুলি ও ৫৩৯২টি হাড়গোড় উদ্ধার করা হয় বলে তিনি জানান।
জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে একদিকে আছে গণহত্যার দেশি-বিদেশি নানা তথ্য, আবার স্থাপত্যশৈলীতেও এটি অনন্য। চারকোণাকৃতির ইটের তৈরি দেয়ালে একটি সূর্যের মুখ ও মানুষের দেহ অবয়বে ইটের প্রতিকৃতি। তার পাশের দেয়ালে তুলে ধরা হয়েছে সারা বিশ্বের বিশ শতকের গণহত্যার তথ্যবহুল একটি ফলক। এ থেকে জানা যায়, বিভিন্ন দেশে গণহত্যায় নিহত মানুষের সংখ্যা। এর মধ্যে আর্মেনিয়ায় ১৫ লাখ, জার্মানিতে এক কোটি ১০ লাখ, ইন্দোনেশিয়ায় ১২ লাখ, ভিয়েতনামে ৩০ লাখ, বাংলাদেশে ৩০ লাখ, কম্বোডিয়ায় ১৭ লাখ, সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় ২ লাখ ২৫ হাজার, রুয়ান্ডায় ১০ লাখ, আফগানিস্তানে ২০ লাখ, পূর্ব তিমুরে ২ লাখ, সুদানে ২০ লাখ মানুষ হত্যার শিকার হয়। সবার শেষে ইংরেজি ও বাংলায় পর্যায়ক্রমে লেখা- ‘ঝঃড়ঢ় এবহড়পরফব/ গণহত্যা বন্ধ কর।’
পুরো স্মৃতিপীঠের পরিকল্পনাকারী স্থপতি রবিউল হুসাইন। এখানে আছে রফিকুন নবীর দেয়ালচিত্র। এই দেয়ালচিত্রে প্রতীকীভাবে উঠে এসেছে শহীদদের কঙ্কাল-করোটি।  এর পাশেই ছোট্ট একটি ঘর। এখানেই আর একটি কূপ। কাচের গ্লাসে ঢাকা। জবাই করে এখানে ফেলে দেওয়া হতো লাশ। পাশে কাচের দেয়ালে ঢাকা একটি শেলফ। রাখা আছে সে সময়ে পাওয়া স্যান্ডেল, জামা-কাপড়, তসবিহসহ ব্যক্তিগত ব্যবহারের নানা জিনিসপত্র। এক পাশের দেয়ালে কাচের ওপরে লেখা এ পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া শহীদদের নাম-ঠিকানা। সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য অভিশপ্ত কূপটি ভারী কাচ দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
কূপঘর থেকে বের হয়ে চোখে পড়ে একটি উঁচু  ইটের নির্মিত স্তম্ভ। এর পাশের ঘরটিতে রয়েছে মন্তব্য করার বইসহ তথ্যবহুল অ্যালবাম। কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমিতে শহীদ আবদুল হাকিমের বড় ছেলের সঙ্গে। তিনি জানান, তার বাবা ও চাচাকে এখানে বিহারিরা ধরে এনে হত্যা করে। তখন তার বয়স ছিল ৭ মাস। তিনি তার মায়ের কাছ থেকে এসব কথা শুনেছেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা এখানে ভয়ে কেউ আসতাম না। ২০০০ সালের আগে এখানে দুপুরের পর কেউ আর আসত না ভয়ে। আশপাশে যারা থাকত তারা দুপুরের আগেই দোকানপাট বন্ধ করে চলে যেত। ১৯৯৯ সালে খনন কাজ শুরু হলে তারপর থেকে এখানে মানুষ আসতে থাকে।
কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমির ইনচার্জ কে এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, এখানে একজন পিয়ন ও ২ জন নিরাপত্তীরক্ষী কাজ করছেন। প্রতি বছর ৮ দিন এখানে অনুষ্ঠান করা হয় ট্রাস্টের অর্থায়নে। শহীদের সন্তানদের নাচ, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় শেখানো হয় ট্রাস্ট থেকে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর বিকেল চারটা থেকে ৩ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। প্রতিদিন ২ জন করে শহীদ পরিবারের সন্তান স্মৃতিচারণ করবেন।
সূত্র ঃ ঢাকা টাইমস্ , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ইং

মিরপুরের জল্লাদখানায় স্মৃতিপীঠ

মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের বেনারসী পল্লিতে গিয়ে রিকশাচালককে বলা মাত্রই নিয়ে গেল জল্লাদখানায়। লোকমুখে এই নামে পরিচিত স্থানটি আসলে জল্লাদখানা বধ্যভূমি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বেদনার অনেক ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এই বধ্যভূমি। স্থানীয় অবাঙালি আর দেশীয় স্বাধীনতাবিরোধীরা অনেকটা জল্লাদের কায়দায় বাঙালি নিধন করেছে এখানে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে এটি রূপ নিয়েছে জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে। এর সিঁড়ি দিয়ে কয়েক ধাপ নেমে বাম পাশে তাকালে অনেকগু ফলক চোখে পড়বে। সেখানে পাশাপাশি লেখা আছে  সারা দেশের বধ্যভূমির নাম-ঠিকানা। মাঝেমধ্যে কাচের ঘরে বিশেষ কয়েকটি বধ্যভূমির মাটি রাখা আছে। মাটিগুলোর দিকে তাকালে যেন মনে হবে এই মাটিতে আছে শত শত মানুষের কান্না, আর্তনাদ আর তাদের রক্ত-মাংস।
কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমির প্রহরী আবদুর রহিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রতিদিন এটি খোলা থাকে। বিনামূল্যে সবাই এখানে প্রবেশ করতে পারে।’ কাচে ঢাকা একটি কূপ দেখিয়ে তিনি বললেন, ‘এখানে বহু বাঙালিকে ধরে এনে জবাই করে ফেলে দেওয়া হয়।’ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উদ্যোগে প্রায় দেড় যুগ আগে জল্লাদখানা বধ্যভূমি থেকে ৭০টি মাথার খুলি ও ৫৩৯২টি হাড়গোড় উদ্ধার করা হয় বলে তিনি জানান।
জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠে একদিকে আছে গণহত্যার দেশি-বিদেশি নানা তথ্য, আবার স্থাপত্যশৈলীতেও এটি অনন্য। চারকোণাকৃতির ইটের তৈরি দেয়ালে একটি সূর্যের মুখ ও মানুষের দেহ অবয়বে ইটের প্রতিকৃতি। তার পাশের দেয়ালে তুলে ধরা হয়েছে সারা বিশ্বের বিশ শতকের গণহত্যার তথ্যবহুল একটি ফলক। এ থেকে জানা যায়, বিভিন্ন দেশে গণহত্যায় নিহত মানুষের সংখ্যা। এর মধ্যে আর্মেনিয়ায় ১৫ লাখ, জার্মানিতে এক কোটি ১০ লাখ, ইন্দোনেশিয়ায় ১২ লাখ, ভিয়েতনামে ৩০ লাখ, বাংলাদেশে ৩০ লাখ, কম্বোডিয়ায় ১৭ লাখ, সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় ২ লাখ ২৫ হাজার, রুয়ান্ডায় ১০ লাখ, আফগানিস্তানে ২০ লাখ, পূর্ব তিমুরে ২ লাখ, সুদানে ২০ লাখ মানুষ হত্যার শিকার হয়। সবার শেষে ইংরেজি ও বাংলায় পর্যায়ক্রমে লেখা- ‘ঝঃড়ঢ় এবহড়পরফব/ গণহত্যা বন্ধ কর।’
পুরো স্মৃতিপীঠের পরিকল্পনাকারী স্থপতি রবিউল হুসাইন। এখানে আছে রফিকুন নবীর দেয়ালচিত্র। এই দেয়ালচিত্রে প্রতীকীভাবে উঠে এসেছে শহীদদের কঙ্কাল-করোটি।  এর পাশেই ছোট্ট একটি ঘর। এখানেই আর একটি কূপ। কাচের গ্লাসে ঢাকা। জবাই করে এখানে ফেলে দেওয়া হতো লাশ। পাশে কাচের দেয়ালে ঢাকা একটি শেলফ। রাখা আছে সে সময়ে পাওয়া স্যান্ডেল, জামা-কাপড়, তসবিহসহ ব্যক্তিগত ব্যবহারের নানা জিনিসপত্র। এক পাশের দেয়ালে কাচের ওপরে লেখা এ পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া শহীদদের নাম-ঠিকানা। সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য অভিশপ্ত কূপটি ভারী কাচ দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
কূপঘর থেকে বের হয়ে চোখে পড়ে একটি উঁচু  ইটের নির্মিত স্তম্ভ। এর পাশের ঘরটিতে রয়েছে মন্তব্য করার বইসহ তথ্যবহুল অ্যালবাম। কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমিতে শহীদ আবদুল হাকিমের বড় ছেলের সঙ্গে। তিনি জানান, তার বাবা ও চাচাকে এখানে বিহারিরা ধরে এনে হত্যা করে। তখন তার বয়স ছিল ৭ মাস। তিনি তার মায়ের কাছ থেকে এসব কথা শুনেছেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা এখানে ভয়ে কেউ আসতাম না। ২০০০ সালের আগে এখানে দুপুরের পর কেউ আর আসত না ভয়ে। আশপাশে যারা থাকত তারা দুপুরের আগেই দোকানপাট বন্ধ করে চলে যেত। ১৯৯৯ সালে খনন কাজ শুরু হলে তারপর থেকে এখানে মানুষ আসতে থাকে।
কথা হয় জল্লাদখানা বধ্যভূমির ইনচার্জ কে এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, এখানে একজন পিয়ন ও ২ জন নিরাপত্তীরক্ষী কাজ করছেন। প্রতি বছর ৮ দিন এখানে অনুষ্ঠান করা হয় ট্রাস্টের অর্থায়নে। শহীদের সন্তানদের নাচ, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় শেখানো হয় ট্রাস্ট থেকে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ১৪ ডিসেম্বর বিকেল চারটা থেকে ৩ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। প্রতিদিন ২ জন করে শহীদ পরিবারের সন্তান স্মৃতিচারণ করবেন।
সূত্র ঃ ঢাকা টাইমস্ , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ইং

সাংবাদিক শাহীন স্মরণে ঘাটাইল প্রেস ক্লাবে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল

সিনিয়র প্রতিনিধি ঃ
টাাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যকরি সদস্য আমাদের সময় পত্রিকা ও ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি  বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এহসানুল হক খান শাহীনের অকাল মৃত্যুতে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে ঘাটাইল প্রেসক্লাবে  শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে শোকসভায় বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বকুল, সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মিঞা, সহ সভাপতি সাজ্জাদ রহমান, সাংবাদিক মাজহারুল শিহাব উত্তম আর্য্য, রবিউল আলম বাদল, বিঞ্চু প্রিয় দ্বীপ মোঃ মাসুম মিয়া, খায়রুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম। সাংবাদিক শাহীন স্মরণে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ। 

ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত


খাদেমুল মামুন, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল):
জেলার ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় এক শিশু নিহত হয়েছেন। নিহত শিশুটির নাম ইতি (৩)। সে ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের ইদ্রিস আলীর মেয়ে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। আহতদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার লক্ষিন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসির কাছ থেকে জানাযায়, কয়েকজন যাত্রী অটোভ্যানে লক্ষিন্দর থেকে সাগরদিঘী আসার পথে পিছনদিক থেকে আসা কলা ভর্তি করে একটি ট্রাক অটো ভ্যানে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু ইতি। মারাত্বকভাবে আহত হন ইতি'র মা এবং দাদিসহ আরো তিন জন।

তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাৎক্ষনিক ভাবে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, নিহত শিশুটিকে আমরা থানায় নিয়ে এসেছি এবং ট্রাকের বিরোদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত


খাদেমুল মামুন, ঘাটাইল(টাঙ্গাইল):
জেলার ঘাটাইলে ট্রাকের ধাক্কায় এক শিশু নিহত হয়েছেন। নিহত শিশুটির নাম ইতি (৩)। সে ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের ইদ্রিস আলীর মেয়ে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। আহতদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার লক্ষিন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসির কাছ থেকে জানাযায়, কয়েকজন যাত্রী অটোভ্যানে লক্ষিন্দর থেকে সাগরদিঘী আসার পথে পিছনদিক থেকে আসা কলা ভর্তি করে একটি ট্রাক অটো ভ্যানে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু ইতি। মারাত্বকভাবে আহত হন ইতি'র মা এবং দাদিসহ আরো তিন জন।

তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাৎক্ষনিক ভাবে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, নিহত শিশুটিকে আমরা থানায় নিয়ে এসেছি এবং ট্রাকের বিরোদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।