নিজস্ব প্রতিবেদক । আপডেট: ১০.০০ পিএম, তারিখ: ১৮ নভেম্বর ২০১৫ইং, বুধবার & সর্বশেষ সম্পাদনা ১০.৪৫ পিএম
ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে উপজেলায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী তাদের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে শুরু করে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে লাগাগো হচ্ছে প্রার্থীদের শুভেচ্ছ সম্মিলিত ব্যানার ফেস্টুন শোভ পাচ্ছে।
যদিও নির্বাচন কমিশন একখন পর্যন্ত তফসিল ঘোষনা করেনি। এবারে ঘাটাইল পৌরসভা নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে হবে বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়।
এরই মাঝে ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীগের বিভক্তির কারণে ভোটারা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। দলিয় সংসদ আমানুর রহমান খান মুক্তিযোদ্ধা ফারুখ হত্যা মামলার সন্দেহ ভাজন আসামী হওয়ায় এলাকায় অনুপস্থিত থাকায় উপজেলা আওয়ামীলীগের বিভক্তি চরমে উঠেছে। যদিও এবারে নির্বাচন মেয়র প্রার্থীদের দলিয় প্রতীকে নির্বাচন হবে বলে যানা যায়। কিন্তু তাতে প্রচারনার থেমে নেই আওয়ামীলীগ সমর্থীত প্রার্থীরা।
৯০ এর দশকে স্বৈরাচার এরশাদ পতনের আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদে আহবায়ক হিসেবে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েন। এমনকি স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় সামরিক শাসকদের হাতে নির্যাতনের স্বীকার হন।
বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়। তাইতো তিনি বলেন আসন্ন পৌর সভা নির্বাচন যদিও দেরি হবে তার জন্য প্রচারনায় কোন সমস্যা হবে না। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর আর্দশে দিক্ষীত আপাষশীহ নেতা হিসেবে তিনি পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ের জন্য এলাকায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
পৌর বাসিন্দার প্রতি আমার অঙ্গিকার দুর্নীতি মুক্ত সন্ত্রাস মুক্ত মাদক মুক্ত আধুনিক উন্নত ডিজিটাল ঘাটাইল পৌরসভা গড়ে তুলার জন্য পৌর বাসী আমাকে সমর্থন দিবেন। অপরদিকে সাবেক ছাত্র নেতা ও জি.বি.জি কলেজের সাবেক ভিপি ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শহীদুজ্জামান খান শহীদ প্রচারনায় তিনি বেশী এগিয়ে আছেন।
আমি যদি মনোনীত হতে পারি তাহলে পৌর এলাকার রাস্তাঘাট রাতে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত করবো। আরেক সাবেক ছাত্র নেতা ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম তিনি ২০০৪ সালে মেয়র পদে প্রতিদন্দিতা করে হেরে যায় কিন্তু আসন্ন পৌর সভার নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নের জন্য দলীয় হাই কমান্ডের কাছে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন এবং এলাকায় মেয়র প্রার্থী হিসেবে সবার কাছে ভোট প্রত্যাশা করছেন।
তবে তাদের প্রার্থী একক ভাবে দেবে বলে একাধিক সূত্রে জানিয়েছে। সেই সূত্রে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাস মালিক শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুখ হোসেন ধলা তার দলে কোন প্রতিদ্বন্দি না থাকায় তার মনোনয়ন মোটামোটি নিশ্চত হয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও প্রকাশ্য তার কোন কার্যক্রম না থাকলেও গোপনে প্রচারন চালিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোছাঃ হোসনে আরা বেগম জানান ৯টি ওয়ার্ড ৩টি সংরক্ষিত মহিলা আসল নিয়ে ১১.০২ মাইল আয়তন নিয়ে ১৯৯৮ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগের সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মরহুম জিল্লুর রহমান তৃতীয় শ্রেণীর পৌরসভার ঘোষনা করেন। পরে ২০০৪ সালে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয়।
ঘাটাইল পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ১৯৩৫৯ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯০৯২ জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ৯৮৬৭ জন তবে হালনাগাত ভোটার তৈরি হলে এর সংখ্যা আরও বাড়তে পাড়ে বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়।
আমাদের ঘাটাইল/প্রতিনিধি/বুধ-১ম/কেআই/০২
ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে উপজেলায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী তাদের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে শুরু করে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে লাগাগো হচ্ছে প্রার্থীদের শুভেচ্ছ সম্মিলিত ব্যানার ফেস্টুন শোভ পাচ্ছে।
যদিও নির্বাচন কমিশন একখন পর্যন্ত তফসিল ঘোষনা করেনি। এবারে ঘাটাইল পৌরসভা নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে হবে বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়।
এরই মাঝে ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীগের বিভক্তির কারণে ভোটারা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। দলিয় সংসদ আমানুর রহমান খান মুক্তিযোদ্ধা ফারুখ হত্যা মামলার সন্দেহ ভাজন আসামী হওয়ায় এলাকায় অনুপস্থিত থাকায় উপজেলা আওয়ামীলীগের বিভক্তি চরমে উঠেছে। যদিও এবারে নির্বাচন মেয়র প্রার্থীদের দলিয় প্রতীকে নির্বাচন হবে বলে যানা যায়। কিন্তু তাতে প্রচারনার থেমে নেই আওয়ামীলীগ সমর্থীত প্রার্থীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় পৌর এলাকার বাসিন্দা মোঃ মোতালিব হোসেন সভ্রান্ত আওয়ামীগ পরিবারে জন্ম কৈশর থেকে স্কুল জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে পদার্পন করেন। তৎকালীন সময়ে তিনি ঘাটাইল সদর ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ছাত্র জীবনে ঘাটাইল থানা ছাত্রলীগের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
ভোটারদের মনোযোগ আর্কষনের জন্য তাদের সাথে কুশল বিনিময় করে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের বিভক্তি নিয়ে তিনি বলেন আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে রাজনীতি বিশ্বাস করি। ঘাটাইল আওয়ামীলীগকে যারা বিভক্ত করে রেখেছে তাদের দলে আমি নই।
অপর দিকে ঘাটাইল উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি হাই কমান্ড থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন যদিও নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে হওয়ার জন্য তারা ধীর গতিতে আগাচ্ছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোছাঃ হোসনে আরা বেগম জানান ৯টি ওয়ার্ড ৩টি সংরক্ষিত মহিলা আসল নিয়ে ১১.০২ মাইল আয়তন নিয়ে ১৯৯৮ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগের সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মরহুম জিল্লুর রহমান তৃতীয় শ্রেণীর পৌরসভার ঘোষনা করেন। পরে ২০০৪ সালে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয়।
আমাদের ঘাটাইল/প্রতিনিধি/বুধ-১ম/কেআই/০২
