রবিবার, এপ্রিল ০৯, ২০১৭

ঘাটাইলে বৃদ্ধার রহস্য জনক লাশ উদ্ধার

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
ঘাটাইলে ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার রহস্য জনক লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় তার নিজ ঘরের চৌকাঠে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ । মৃতার নাম জয়গন বেওয়া (৮০) । সে সন্ধানপুর ইউনিয়নের সাত কুয়া গ্রামের মৃত আইন উদ্দিনের স্ত্রী । এটা হত্যা না আতœহত্যা এনিয়ে রহস্য ঘনি ভুত হচ্চে । ঘটনার পর থেকেই মৃতার পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছে।
পুলিশ জানায়, তার দুই ছেলে এক মেয়ের মধ্যে একজন ঢাকা অপর জন বাড়িতে পোল্ট্রির ব্যবসা করে। কিছু দিন আগে মৃতা তার স্থাবর সম্পতি মেয়ের নামে বেশী লিখে দেয়ায় মাঝে মাঝে ছেলে , মেয়ে ও মায়ের সাথে ঝগড়া ঝাটি হতো বলে প্রতিবেশী ও পুলিশ জানায়।
এ ঘটনায় ঘাটাইল থানায় একটি অপমৃতুর মামলা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘাটাইলে মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলা আহত ৪

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা ॥
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের নলছোপা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে পুলিশ কনস্টেবল মহির উদ্দিন ও ইউনিয়ন জামায়াত নেতা হায়দর আলী গং দের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার বিকেলে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ও মেয়েকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে জয়নাল আবেদিন বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৪/৫জনকে আসামী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে।

লিখিত অভিযোগ ও সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের নলছোপা গ্রামের মৃত জুব্বার আলীর ছেলে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর কনস্টেবল মহির উদ্দিন (৫৫) আরো কয়েকজনকে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ (৭০), তার স্ত্রী শান্তি বেগম (৫০), মেয়ে শিল্পী (৩৫) ও ছেলে জয়নাল আবেদিন (২০) দের উপর আকস্মিক হামলা চালায়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি করে এলাকাবাসী।
লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শরিফ হোসেন জানান, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার ঘটনাটি সত্য। হায়দর আলী গংদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার বলে আমি মনে করি।’

পুলিশ কনস্টেবল মহির উদ্দিনের সাথে এবিষয়ে কথা বলতে গেলে, সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর আমি ভেতর থেকে আসছি, একটু দাঁড়ান বলে তিনি কৌশলে চলে যান। পরবর্তীতে তিনি যোগাযোগ করেননি।
ঘাটাইল থানার  উপপরিদর্শক এসআই শাহীনের ফোনে কথা বলতে সময় তিনি জানান, উভয়পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হয়েছে।