সোমবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮

নির্বাচনে টাঙ্গাইল থেকে যারা নৌকা প্রতিকে বিজয়ী হয়েছেন

টাঙ্গাইল 8টি আসন থেকে নৌকা প্রতিকে নির্বাচিত।এরা হচ্ছেন, টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক (নৌকা) প্রতীকে দুই লাখ ৮০ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি (ধানের শীষ) সরকার সহিদ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪০৬ ভোট।

রোববার ভোট গণনার পর দুই উপজেলার দুই সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস (মধুপুর) এবং আরিফা সিদ্দিকা (ধনবাড়ী) বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেছেন।



২০০১ সাল থেকে এ আসনের এমপি আব্দুর রাজ্জাক। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হয়ে সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় তৃতীয় মেয়াদে এমপি হয়ে অর্থমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের নির্বাচনে আড়াই লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো এ আসন থেকে জয়ী হলেন।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির (নৌকা) প্রতীক নিয়ে দুই লাখ ৯৬হাজার ৪৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির ধানের শীষ সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু পেয়েছেন ১১ হাজার ১৪৯ ভোট।

ভোট গণনা শেষে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং গোপালপুল উপজেলা সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা বিকাশ বিশ্বাস রোববার রাতে এ ফলাফল ঘোষনা করেন।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতাউর রহমান খান (নৌকা) প্রতীক দুই লাখ ৪২ হাজার ৪ শত ৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি’র প্রার্থী (ধানের শীষ) লুৎফর রহমান খান আজাদ পেয়েছেন নয় হাজার ১২২  ভোট।



টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে আওয়ামী লীগের হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী (নৌকা) প্রতীক দুই লাখ ২৪ হাজার ১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ঐক্যফ্রন্ট কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রার্থী (ধানের শীষ) ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৮৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মোঃ ছানোয়ার হোসেন (নৌকা) প্রতীক এক লাখ ৬১ হাজার ৮০০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৩৫৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে আওয়ামী লীগের আহসানুল ইসলাম টিটু (নৌকা) প্রতীক দুই লাখ ৮৫ হাজার ৩০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) এডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী পেয়েছেন ৪০ হাজার ৩২৪ ভোট।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের একাব্বর হোসেন (নৌকা) প্রতীক এক লাখ ৬১ হাজার ৫১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (ধানের শীষ) প্রতীক পেয়েছেন ৮৪ হাজার ১৫৪ ভোট।



ভোট গণনা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল মালেক রোববার রাতে এ ফলাফল ঘোষনা করেন।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের নৌকা প্রতীক নিয়ে দুই লাখ সাত হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তমের মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী পেয়েছেন ৭১ হাজার ১৪৪ ভোট। রাতে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা আমিনুর রহমান এ ফলাফল ঘোষনা করেন।

বিএনপির ভরাডুবির সংবাদ জেনেছেন খালেদা জিয়া

কারাগারে বসে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল জেনেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সোমবার সকালে একটি পত্রিকার সংবাদ পড়ে তিনি নির্বাচনের ফলাফল জেনেছেন। তবে সংবাদ পড়ে তিনি তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি বলে নিশ্চিত করেছে কারাগারের একাধিক সূত্র।

কারাসূত্র  নিশ্চিত করেছেন, ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দী হিসেবে কারাগারে খালেদার জন্য একটি টিভি ও টিভিতে বিটিভি দেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু খালেদা বিটিভি দেখেন না, তাই রাতে নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে জানতেন না। সকালে পত্রিকা পড়ে তিনি ফলাফল জেনেছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী (হেসে হেসে)  বলেন, ‘উনি তো বাংলাদেশেই আছেন না কি? এ বিষয়ে আমি আর কোনো মন্তব্য করব না।’

কারাসূত্র জানায়, প্রতিদিন বই পড়ে, নামাজ পড়ে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া। একটি বাংলা পত্রিকার মাধ্যমে তিনি নির্বাচনী খবর জানতে পেরেছেন। গত ১৬ ডিসেম্বরের পর পরিবারের কেউ তার সঙ্গে দেখা করেননি।

নির্বাচনের পরদিন এ বিষয়ে আলাপ করতে কারাগারে কেউ খালেদার সঙ্গে দেখা করেননি, দেখা করার আবেদনও করেননি। এ বিষয়ে সিনিয়র জেল সুপার বলেন, ‘দুপুর ১টা পর্যন্ত এখনো কারও আবেদন আমি হাতে পাইনি।’

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজা ঘোষণার দিন থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে আছেন খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে এই সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন উচ্চ আদালত।

এছাড়াও একই সঙ্গে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাত বছরের সাজা খাটছেন তিনি। আদালতের অনুমতি নিয়ে খালেদার সঙ্গে থাকছেন তার গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম (৩৫)। কারাগারে খালেদার সঙ্গে একই সেলে থাকছেন ফাতেমা।

শেখ হাসিনাকে চীনের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং।

সোমবার ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং ঝু প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে এ শুভেচ্ছা জানান।


এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে নৌকার রেপ্লিকা তুলে দেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে দলটি ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা নতুন রেকর্ড করে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে। এতে ২৫৯টি আসন পেয়েছে আওয়ামী লীগ। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি (জাপা) পেয়েছে ২০টি আসন। বিএনপি পেয়েছে ৫টি আসন। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি পেয়েছে তিনটি আসন। জাসদ, বিকল্পধারা ও গণফোরাম পেয়েছে দুটি করে আসন।

এ ছাড়া তরিকত ফেডারেশন ও জেপি পেয়েছে একটি করে আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন তিনটি আসন।

প্রাপ্তফল ২৫৪ আসন: নৌকা ২৩৬, ধানের শীষ ৪, লাঙ্গল ১২, অন্যান্য ২

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পর শেষ পর্যায়ে গণনা। বেশিরভাগ কেন্দ্র থেকে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়ে গেছে। এরই মধ্যে ২৫৪ আসনের ফল পাওয়া গেছে। এসব আসনের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থীরা নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়েছেন ২৩৬, আসনে, ক্ষমতাসীন দলের মহাজোট ভুক্ত জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকে জয়ী হয়েছে ১২ আসনে এবং বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী হয়েছে ৪ আসনে আর একটি পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।



বিজয়ী প্রাথীর হলেন-

ঢাকা বিভাগ

গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী একাংশ) : লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

গোপালগঞ্জ-২ (সদর ও কাশিয়ানী একাংশ) : শেখ ফজলুল করিম সেলিম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া) : শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ফরিদপুর-১ (মধুখালী, বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) : মনজুর হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালথা ও সদরপুর আংশিক) : সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ফরিদপুর-৩ (সদর) : ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

শরীয়তপুর-১ (পালং ও জাজিরা) : ইকবাল হোসেন অপু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া ও সখিপুর) : এ কে এম এনামুল হক শামীম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা, গোসাইরহাট ও ভেদরগঞ্জ আংশিক) : নাহিম রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর ও সিরাজদীখান) : মাহী বি চৌধুরী (মহাজোট, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, নৌকা)

মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী) : সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া) : মৃণাল কান্তি দাস (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর ও ধনবাড়ী) : ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)



টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভুঞাপুর) : তানভীর হাসান ছোট মনির (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) : আতাউর রহমান খান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) : মো. হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) : মো. ছানোয়ার হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর ও দেলদুয়ার) : আহসানুল ইসলাম টিটু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) : একাব্বর হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর ও বাসাইল) : জোয়াহেরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) : সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া) : নূর মোহাম্মদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-৩ (তাড়াইল ও করিমগঞ্জ) : মুজিবুল হক চুন্নু (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) : রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) : আফজাল হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কিশোরগঞ্জ-৬ (কুলিয়ারচর ও ভৈরব) : নাজমুল হাসান পাপন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-১ (সদর আংশিক) : মো. নজরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদর আংশিক) : ডা. আনোয়ারুল আশ্রাফ খান দিলীপ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-৩ (শিবপুর) : জহিরুল হক ভূইয়া মোহন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী ও বেলাবো) : নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) : রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মানিকগঞ্জ-১ (দৌলতপুর, ঘিওর ও শিবালয়) : নাঈমুর রহমান দুর্জয় (আওয়ামী লীগ, নৌকা)



মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর, হরিরামপুর ও সদর আংশিক) : মমতাজ বেগম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মানিকগঞ্জ-৩ (সদর আংশিক ও সাটুরিয়া) : জাহিদ মালেক স্বপন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) : গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্র‌তিক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) : নজর‌ুল ইসলাম বাবু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নারায়ণগঞ্জ- ৩ (সোনারগাঁ): লিয়াকত হো‌সেন খোকা (জাতীয় পাটি, লাঙ্গল)

নারায়ণগঞ্জ-৪ ((ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) এ কে এম শামীম ওসমান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নারায়ণগঞ্জ- ৫ (সদর-বন্দর): এ কে এম সে‌লিম ওসমান (জাতীয় পাটি, লাঙ্গল)

চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) : ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) : সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী (মহাজোট, তরীকত ফেডারেশন, নৌকা)

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) মাহফুজুর রহমান মিতা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ডু ও চসিক ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড) : দিদারুল আলম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-৫ (চসিক ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড) : আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) : ড. হাছান মাহমুদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-১০ (চসিক ৮- ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড) : আফসারুল আমিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) : সামছুল হক চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা ও কর্ণফুলী) : সাইফুজ্জামান চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়াও লোহাগড়া) : আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)



ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) : বি এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) : র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) : অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) : এবাদুল করিম বুলবুল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) : এ বি তাজুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পার্বত্য বান্দরবান : বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পার্বত্য খাগড়াছড়ি : কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) : ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) : নুরুল আমিন রুহুল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) : ডা. দীপু মনি (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) : মোহম্মদ শফিকুর রহমান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি) : মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর-উত্তম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) : আনোয়ার হোসেন খান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) : এ কে এম শাহজাহান কামাল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) : মেজর (অব.) আবদুল মান্নান (মহাজোট, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, নৌকা)

খুলনা বিভাগ

খুলনা-১ (বটিয়াঘাটা ও দাকোপ) : পঞ্চানন বিশ্বাস (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-২ (খুসিক ১৬ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড) : শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-৩ (খুসিক ১-১৫ নম্বর ওয়ার্ড ও দিঘলিয়া আংশিক) : বেগম মন্নুজান সুফিয়ান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া আংশিক) : আবদুস সালাম মুশের্দী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-৫ (ফুলতলা, ডুমুরিয়া ও গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা) : নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

খুলনা-৬ (কয়রা ও পাইকগাছা) : আকতারুজামান বাবু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সাতক্ষীরা-১ (তালা ও কলারোয়া) : মুস্তফা লুৎফুল্লাহ (মহাজোট, ওয়ার্কার্স পার্টি, নৌকা)

সাতক্ষীরা ২ (সদর) : মীর মোস্তাক আহমেদ রবি (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি, দেবহাটা ও কালিগঞ্জ আংশিক) : ডা. আ ফ ম রুহুল হক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সাতক্ষীরা ৪ (শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ আংশিক) : এস এম জগলুল হায়দার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) : ফরহাদ হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মেহেরপুর-২ (গাংনী) : সাহিদুজ্জামান খোকন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) : আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)



কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর ও ভেড়ামারা) : হাসানুল হক ইনু (১৪ দল, জাসদ-ইনু, নৌকা)

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) : মো. মাহবুব-উল-আলম হানিফ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী ও খোকসা) : সেলিম আলতাফ জর্জ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-১ (শার্শা) : শেখ আফিল উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-২ (ঝিকরগাছা ও চৌগাছা) : নাসির উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-৩ (সদর) : কাজী নাবিল আহমেদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও সদর আংশিক) : রণজিত কুমার রায় (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-৫ (মনিরামপুর) : স্বপন ভট্টাচার্য (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

যশোর-৬ (কেশবপুর) : ইসমাত আরা সাদেক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মাগুরা-১ (সদর আংশিক ও শ্রীপুর) : সাইফুজ্জামান শিখর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মাগুরা-২ (মোহাম্মদপুর, শালিখা ও সদর আংশিক) : বীরেন শিকদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নড়াইল-১ (কালিয়া ও সদর আংশিক) : কবিরুল হক মুক্তি (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নড়াইল-২ (লোহাগড়া ও সদর আংশিক) : মাশরাফি বিন মুর্তজা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) : হাবিবুন নাহার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) : আবদুল হাই (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর) : শফিকুল আজম খান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ঝিনাইদহ-৪ (সদর আংশিক ও কালীগঞ্জ) : আনোয়ারুল আজীম আনার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চুয়াডাঙ্গা-১ (আলমডাঙ্গা ও সদর আংশিক) : সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চুয়াডাঙ্গা-২ (দামুড়হুদা, জীবননগর ও সদর আংশিক) : আলী আজগার টগর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

রাজশাহী বিভাগ

নওগাঁ-১ (পোরশা, সাপাহার ও নিয়মতপুর) : সাধন চন্দ্র মজুমদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-২ (পত্নীতলা ও ধামইরহাট) : শহিদুজ্জামান সরকার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-৩ (বদলগাছি ও মহাদেবপুর) : ছলিম উদ্দীন তরফদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-৪ (মান্দা) : ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-৫ (সদর) : নিজাম উদ্দিন জলিল জন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) : ইসরাফিল আলম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নাটোর-৩ (সিংড়া) : জুনাঈদ আহমেদ পলক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) : আব্দুল মান্নান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) : শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)



সিরাজগঞ্জ-১ (সদর আংশিক ও কাজীপুর) : মোহাম্মদ নাসিম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর আংশিক ও কামারখন্দ) : হাবিবে মিল্লাত (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) : আবদুল আজিজ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) : তানভীর ইমাম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি ও চৌহালী) : আবদুল মমিন মণ্ডল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহাজাদপুর) : হাসিবুর রহমান স্বপন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-১ (সাঁথিয়া ও বেড়া আংশিক) : শামসুল হক টুকু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-২ (সুজানগর ও বেড়া) : আহমেদ ফিরোজ কবীর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-৩ (চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর) : আলহাজ মকবুল হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া) : শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পাবনা-৫ (সদর) : গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) : ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সিলেট বিভাগ

সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা, তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ) : ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) : জয়া সেন গুপ্তা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সুনামগঞ্জ-৩ (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) : এম এ মান্নান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) : পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) : মহিবুর রহমান মানিক (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) : মো. শাহাব উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মৌলভীবাজার -২ (কুলাউড়া) : সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ (ঐক্যফ্রন্ট, গণফোরাম, ধানের শীষ)

মৌলভীবাজার-৩ (সদর ও রাজনগর) : নেসার আহমদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) : উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

বরিশাল বিভাগ

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর ও কাঠালিয়া) : বজলুল হক হারুন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ঝালকাঠি-২ (সদর ও নলছিটি) : আমির হোসেন আমু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) : মো. শাহজাহান মিয়া (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) : আ স ম ফিরোজ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা ও দশমিনা) : এস এম শাহজাদা (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী) : মো. মহিববুর রহমান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পিরোজপুর-১ (সদর, নেছারাবাদ ও নাজিরপুর) : শ ম রেজাউল করিম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

পিরোজপুর-২ (কাউখালি, ভাণ্ডারিয়া) : আনোয়ার হোসেন (মহাজোট, জাতীয় পার্টি - জেপি, বাইসাইকেল)

পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) : মো. রুস্তম আলী ফরাজী (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

রংপুর বিভাগ

রংপুর-৩ (সদর ও রসিক) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) : ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নীলফামারী-১ (ডোমার ও ডিমলা) : আফতাব উদ্দিন সরকার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নীলফামারী-২ (সদর) : আসাদুজ্জামান নূর (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) : মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ) : আহসান আদেলুর রহমান (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

ময়মনসিংহ বিভাগ

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) : জুয়েল আরেং (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) : শরীফ আহমেদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) : নাজিম উদ্দিন আহমেদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-৪ (সদর) : রওশন এরশাদ (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) : কে এম খালিদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) : মো. মোসলেম উদ্দিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ ৭ (ত্রিশাল) : মো. রুহুল আমিন মাদানী (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) : ফখরুল ইমাম (মহাজোট, জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) : আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) : ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) : কাজিম উদ্দিন আহামেদ ধনু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা) : মানু মজুমদার (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-২ (সদর ও বারহাট্টা) : মো. আশরাফ আলী খান খসরু (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া ও কেন্দুয়া) : অসীম কুমার উকিল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-৪ (মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী) : রেবেকা মমিন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) : ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (বীরপ্রতীক) (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ) : আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-২ (ইসলামপুর) : মো. ফরিদুল হক খান দুলাল (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-৩ (মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ) : মির্জা আজম (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) : ডা. মুরাদ হাসান (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

জামালপুর-৫ (সদর) : মো. মোজাফফর হোসেন (আওয়ামী লীগ, নৌকা)

আপডেট চলবে....

অস্তিত্বের সংকটে বিএনপি: কি করবে?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপর্যয় ঘটেছে। এই নির্বাচনে যে বিএনপি বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জয়ের কোন সম্ভাবনা নেই, তা আগেই অনুমান করা গিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনে বিএনপি যে এতো খারাপ করবে তা সম্ভবত আওয়ামী লীগও অনুমান করতে পারেনি। যেমনটি আশঙ্কা করা হয়েছিল যে, শেষ পর্যন্ত হয়তো বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে, তেমনটি ঘটেনি। বিচ্ছিন্ন ভাবে বিএনপির অনেক প্রার্থী ভোট বর্জন করলেও দলীয় ভাবে শেষ পর্যন্ত বিএনপি ভোটের লড়াইয়ে থেকেছে।  যেমনটি অন্য সব নির্বাচনে ঘটে, হারার পর পরাজিত দল কারচুপির নানা অভিযোগ করে, বিএনপি এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টও তেমনটা বলেছে। কিন্তু বিএনপি যেমন ভোট বিল্পব ঘটাতে পারেনি তেমনি তাদের ভাষায় নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধেও বড় আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে বলেও মনে করার কোন কারণ নাই। তারপরও সাধারণ মানুষ জানতে এবং বুঝতে চায় বিএনপি এখন কি করবে। বিএনপির সামনে যে পথগুলো খোলা আছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সেগুলো হলো:

১. আপত্তি স্বত্ত্বেও বিএনপি নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবে। সংসদে বসবে। বিরোদী দল হিসেবে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে সংসদকে কার্যকর এবং প্রাণবন্ত করবে। আগামী ৫ বছরের বিএনপি নিজেদেরকে পুনঃগঠন করবে। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করে বিএনপি আগামী নির্বাচনের জন্য দলকে প্রস্তুত করবে।

২. বিএনপি এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করবে। সংসদে যোদ দিবে না, শপথও নেবে না। আবার দীর্ঘ মেয়াদী আন্দোলনের জন্য দল গুছাবে। এর মধ্যে যারা নির্বাচনে নেবার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছিল তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। বিএনপিতে দেখা দেবে গৃহবিবাদ এবং শেষ পর্যন্ত বিএনপি হয়ত ভাঙ্গনের পথেই যাবে।

৩. নির্বাচনকে প্রত্যাখান করা স্বত্ত্বেও বিএনপি সংসদের যাবে। সংসদে গিয়ে তাদের ভাষায় ভোট কারচুপির প্রতিবাদ করবে। সংসদের ভিতরে এবং বাইরে আন্দোলন গড়ে তুলবে।

৪. বিএনপি পুরো নির্বাচনকালীন সময়ের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে। ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করবে। দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা ডেকে তাদের করণীয় ঠিক করবে।

তবে, বিএনপি যেটাই করুক না কেন, এই নির্বাচন বিএনপিকে অস্তিত্বের সংকটে ফেলেছে। এই সংকট কাটিয়ে বিএনপি কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে নাকি ইতিহাসের অতলে বিলীন হয়ে যাবে তা সময়ই বলে দেবে।

টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ

টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে নৌকার প্রার্থীরা। এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ২৩৪টি আসনে বেসরকারি ভাবে জয়লাভ করেছে। বিএনপি ৫টি আসনে জয়লাভ করেছে। জাতীয় পার্টিসহ অন্যরা ৫টি আসনে জয়লাভ করেছে।

মোট ২০০টি আসনের বেসরকারি ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নৌকা ১৯৬, ধানের শীষ ৫ এবং জাতীয় পার্টিসহ অন্যরা ৩টি আসনে জয়লাভ করেছে। বগুড়া-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোশাররফ হোসেন জয়লাভ করেছে এবং বগুড়া ৬ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জয়লাভ করেছে।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী যারা :

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, গোপালগঞ্জ-১ ফারুক খান, কুষ্টিয়া-২ হাসানুল হক ইনু, কুষ্টিয়া-১ আ ক ম সারোয়ার জাহান, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুবুল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৪ সেলিম আলতাফ জর্জ, মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ ড. বীরেন শিকদার, নড়াইল-১ কবিরুল হক, নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর-২ মো. শহিদুজ্জামান, খুলনা-৪ আবদুস সালাম মুর্শেদী, নড়াইল-১ কবিরুল হক, যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-২ নাসির উদ্দিন, যশোর-৩ কাজী নাবিল, যশোর-৪ রণজিত কুমার রায়, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য্য, নওগাঁ-২ শহিদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দীন তরফদার, নওগাঁ-৪ ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ নিজাম উদ্দিন জলিল, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ আলী আজগার, বরগুনা-২ শওকাত হাসানুর রহমান রিমন, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, চাঁদপুর-১ মহিউদ্দিন খান আলমগীর, বগুড়া-৫ হাবিবর রহমান, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ ফজলুল হক চাঁন, ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-৫ কে এম খালিদ, ময়মনসিংহ-৬ মোসলেম উদ্দিন, নেত্রকোনা-১ মানু মজুমদার, নেত্রকোনা-২ আশরাফ আলী খান খসরু, নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মমিন, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান, রংপুর-৬ শিরিন শারমিন চৌধরী, লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, কুড়িগ্রাম-১ আছলাম হোসেন সওদাগর, কুড়িগ্রাম-৩ এম এ মতিন, কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, পঞ্চগড়-মাজহারুল হক প্রধান, পঞ্চগড়-২ নুরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, রাজশাহী-৫ মনসুর রহমান, নাটোর-১ শহিদুল ইসলাম বকুল, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর-৪ আবদুল কুদ্দুস, পাবনা-১ শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ আহমেদ ফিরোজ কবির, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ শামসুর রহমান শরীফ, পাবনা-৫ গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, বগুড়া-৫ হাবিবর রহমান, জয়পুরহাট-১ সামছুল আলম দুদু, জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, টাঙ্গাইল-২ তানভীর হাসান, টাঙ্গাইল-৬ আহসানুল ইসলাম টিটু, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুর ইসলাম বাবু ও ফরিদপুর-৩ খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে লাঙ্গল প্রতীকে বিজয়ী :

রংপুর-৩ আসনে হু‌সেইন মুহম্মদ এরশাদ, ময়মন‌সিংহ-৪ বেগম রওশন এরশাদ, লালমনিরহাট-৩ জি এম কা‌দের, রংপুর-১ ম‌সিউর রহমান রাঙ্গা, নীলফামারী-৩ ‌মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রানা মোহাম্মদ সো‌হেল, নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ প‌নির উদ্দিন আহ‌মেদ, গাইবান্ধা-১ ব্যা‌রিস্টার শা‌মিম হায়দার পা‌টোয়ারী, বগুড়া-২ শ‌রিফুল ইসলাম জিন্না, ব‌রিশাল-৬ নাস‌রিন জাহান রতনা, পি‌রোজপুর-৩ ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, ময়মন‌সিংহ-৮ ফকরুল ইমাম, কি‌শোরগঞ্জ-৩ মু‌জিবুল হক চুন্নু, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হো‌সেন বাবলা, ঢাকা-৬ কাজী ফি‌রোজ রশীদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হো‌সেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ সে‌লিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান মেজবাহ, ফেনী-৩ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মাসউদ উদ্দিন চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী যারা :

বগুড়া-৬ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বগুড়া-৪ মোশাররফ হোসেন ও ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী

বগুড়া-৭ আসনে ফেরদৌস আরা খান।

এক নজরে একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট: নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এবার ১০ কোটি ৪২ লাখেরও বেশি ভোটেরর এ নির্বাচনে লড়াইয়ে রয়েছেন ১৮৬১ জন। এরমধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১৭৩৩ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১২৮ জন।

নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, ৭ লাখের মতো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৭ লাখের মতো ভোটগ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তা এবং কেন্দ্রীয় ও স্থানীয়ভাবে সাংবাদিক, পর্য্যবেক্ষকসহ প্রায় ১ লাখের মতো লোকবল মিলিয়ে ১৫ লাখ লোক নির্বাচনী কাজে সম্পৃক্ত রয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর ২৯৯ আসনে ভোট হবে। এক প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোট হবে ২৭ জানুয়ারি।

জানা যায়, ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি কেএম নূরুল হুদা। ১২ নভেম্বর পুনতফসিল করা হয়। রিটার্নিং অফিসার ৬৬ জন ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার ৫৮২ জন। ভোটকেন্দ্র ৪০,১৮৩, ভোটকক্ষ ২,০৭,৩১২ ভোটার সংখ্যা ১০, ৪২, ৩৮, ৬৭৭ জন। পুরুষ ৫,২৫,৭২,৩৬৫, মহিলা ৫,১৬,৬৬,৩১২ এবার রাজনৈতিক দল ৩৯টি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী- ২৯৯ নির্বাচনী এলাকায় ১৮৬১ জন। রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১৭৩৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ১২৮ জন।

ভোটেকেন্দ্রে নিয়োজিত ফোর্স এর সংখ্যা প্রায় ৬,০৮,০০০। এরমধ্যে পুলিশ ১,২১,০০০; আনসার ৪,৪৬,০০০; গ্রাম পুলিশ ৪১,০০০। সেনাবাহিনী (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন): ৪১৪ প্লাটুন (৩৮৯ উপজেলায়)। নৌবাহিনী (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন): ৪৮ প্লাটুন (১৮ উপলোয়)। কোস্টগার্ড (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন): ৪২ প্লাটুন (১২ উপলোয়)। বিজিবি (প্রতি প্লটুনে ৩০ জন): ৯৮৩ প্লাটুন। র‌্যাব (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন): ৬০০ প্লাটুন।

মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সংখ্যা র‌্যাবসহ প্রায় ২০০ প্লাটুন (প্রায় ৬৫ হাজার জন)। তাছাড়া সারাদেশে জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের টহল দল নিয়োজিত রয়েছে।

ইসি কর্মকর্তরা জানান, নির্বাচনী মাঠে নির্বাহী হাকিম ১৩২৮ জন। (আচরণবিধিতে ৬৫২ জন; আইন-শৃঙ্খলা ফোর্সের নেতৃত্বে ৬৭৬ জন)। নির্বাচনী তদন্ত কমিটির: ১২২টি (২৪৪ জন)।

প্রিজাইডিং অফিসার: ৪০,১৮৩ জন। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার: ২,০৭,৩১২ জন। পোলিং অফিসার: ৪,১৪,৬২৪ জন।

পর্যবেক্ষক, দেশি: ৮১টি প্রতিষ্ঠানের ২৫,৯০০ জন। বিদেশি পর্যবেক্ষক: ৩৮ জন (ফেমবোসা, এএইএ, ওআইসি ও কমনওয়েল্থ থেকে আমন্ত্রিত)।

কূটনৈতিক বিদেশি মিশনের কর্মকর্তা: ৬৪ জন। দূতাবাস ও বিদেশি সংস্থায় কর্মরত বাংলাদেশি: ৬১ জন।

এবার ৬টি আসনে ইভিএম ভোটার ২১ লাখ ২৪ হাজার ৫৫৪ জন; কেন্দ্র ৮৪৫টি, ভোটকক্ষ ৫,০৪৫টি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ৪৮ জন। রংপুর-৩ ভোটার ৪,৪১,৬৭১ জন। খুলনা-২ ভোটার ২,৯৪,১১৬ জন। সাতক্ষীরা-২ ভোটার ৩,৫৬,২৪৬ জন। ঢাকা-৬ ভোটার ২,৬৯,৩১৫ জন। ঢাকা-১৩ ভোটার ৩,৭২,৭৭৫ জন। চট্টগ্রাম ৯ ভোটার ৩,৯০,৪৩১ জন।

ইভিএম এতো সহজ, ভাবিনি

মোহম্মদপুরের একটি কেন্দ্রে স্মার্ট কার্ড হাতে নিয়ে কৌতুহলী চোখ নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন মো. কামরুল হাসান। কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট নেওয়া হয়। তাই লাইনে দাঁড়ানো অপর ব্যক্তিদের কাছে ইভিএম সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করেন। 

কিছু প্রশ্নের উত্তর পান, কিছু অজানা থাকায় তার কৌতুহল আরও বেড়ে চায়। কিন্তু ভোট দেওয়া শেষে কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে কামরুলের মুখে তৃপ্তির হাসি। বললেন, ইভিএম এতো সহজ, আগে ভাবিনি।

কামরুল হাসান  বলেন, ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিতে তার তিন মিনিট সময় লেগেছে। কাগজ ভাঁজ করার ঝামেলা না থাকায় খুব কম সময়ে ভোট দিতে পেরেছেন তিনি।

ঢাকা-১৩ আসনের বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিয়ে এসে রোববার এভাবেই নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (ঢামেক) কর্মরত এই ভোটার।

তবে কয়েকজন ভোটার ভোট দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েন। আঙুলের ছাপ নিয়ে বিপত্তি দেখা দেওয়ায় বিরক্তি দেখা যায় কয়েকজনের মুখে। ভোট দিতে কয়েকবার আঙ্গুলের ছাপ দিতে হয়েছে অনেককে। 

বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হিরন বড়ুয়া অভি বলেন, বেশিরভাগ ভোটার স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিতে পেরেছেন। যে ২-১ জন সমস্যায় পড়েছিলেন তাদের আমরা সর্বোচ্চ সহায়তা করেছি।

রাজধানীর দুটি আসনে ইভিএমে ভোট নেওয়া হয় রোববার। একটি এই ঢাকা-১৩, অপরটি ঢাকা-৬। মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর থানার একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৩ আসন। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদেক খান ও বিএনপি প্রার্থী আবদুস সালাম।

আবারও বন্ধ থ্রিজি ও ফোরজি

মোবাইলে ইন্টারনেটের থ্রিজি ও ফোরজি সেবা রোববার চালু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার তা বন্ধ করতে বলেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার পর সব মোবাইল অপারেটরকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর থেকে ফোরজি ও থ্রিজি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রোববার সন্ধ্যা সোয়া ৬ টার দিকে ফিরে আসে মোবাইলে টুজি, থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর থেকে দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল বিটিআরসি।