রবিবার, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৬

ঘাটাইলে পাঁচ স্কুলছাত্রের তৈরি ড্রোন আকাশে


ওরা পাঁচ বন্ধু। মনিরুজ্জামান তালুকদার হূদয়, সজীব, সুমন রেজা, তৌকির ও ওমর ফারুক। পাঁচজনই টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। বয়সের বিবেচনায় তারা খুব বেশি বড় নয়। কিন্তু ওদের স্বপ্নটা অনেক বড়। দীর্ঘদিন ধরেই তারা চেষ্টা চালিয়ে আসছিল একটি ড্রোন বানানোর। অবশেষে তাদের সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। গত শুক্রবার সকালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এই ক্ষুদে পাঁচ বিজ্ঞানী তাদের তৈরি একটি ছোট ড্রোন নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠের আকাশে উড়িয়েছে।

ড্রোন তৈরি করা ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের দলনেতা মনিরুজ্জামান হূদয় জানায়, গত নভেম্বর মাসে তারা ড্রোনটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। নির্মাণ কাজ শেষ হয় ৫ ডিসেম্বর। এখনও চলছে সেটির উন্নয়ন কাজ। ড্রোনটির সঙ্গে ক্যামেরা স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া সাঁতার না জানা কোনো ব্যক্তি যদি নদীর মধ্যে পড়ে যায় তাহলে তাকে বাঁচানোর জন্য ড্রোনটির মাধ্যমে এক কিলোমিটার দূর থেকেও লাইফ সাপোর্ট জ্যাকেট পাঠানো যাবে। 
হূদয় আরও জানায়, ৯৫০ গ্রাম ওজনের ড্রোনটি তৈরি করতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এটি প্রায় ১ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের মালামাল বহন করতে পারে। প্রাথমিকভাবে দেড় কিলোমিটার এলাকায় রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তারা এটিকে আরও বেশি প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও জনকল্যাণময় করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। যদি সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয় তাহলে আরও উন্নতমানের ড্রোন তৈরি করা সম্ভব বলেও জানায় হূদয়।
ক্ষুদে বিজ্ঞানী সুমন রেজা জানায়, শ্রেণি শিক্ষিকা কামরুন্নাহার ড্রোনটি তৈরি করার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাদেরকে উত্সাহ প্রদান ও সব দিক দিয়ে সহযোগিতা করছেন। এর আগে তারা এয়ার প্লেন, কলিং কারসহ আরও কয়েকটি ইলেকট্রিক যন্ত্র তৈরি করেছে।

ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের ড্রোন তৈরি সম্পর্কে ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাহাবউদ্দিন আহাম্মেদ বলেন, ছাত্রছাত্রীদের যেকোনো ধরনের বিজ্ঞানমনস্ক গবেষণাকে আমরা উত্সাহিত করি। আমাদের শিক্ষার্থীদের তৈরি ড্রোনটি বিজয় দিবসের দিনে আকাশে ওড়ানোর জন্য আমরা বিশেষ ব্যবস্থা করি। ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের এ আবিষ্কার আমাদের জন্য গর্বের। আশা করি ভবিষ্যতে তারা আরও উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন আবিষ্কার করবে।   - 

ঘাটাইলে দেউলাবাড়ী স্পোটিং ক্লাবের ২য় বর্ষপূর্তি পালিত

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ 
২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠিত ঘাটাইলের দেউলাবাড়ী স্পোটিং ক্লাবের এর সদস্যরা পর পর ২টি আতসবাজি ফুটিয়ে গত শুক্রবার রাতে ২য় বর্ষপূর্তি পালন করেছে। খেলাধূলার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকা টাঙ্গাইরের ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ীতে অবস্থিত দেউলাবাড়ী স্পোর্টিং ক্লাব।
জানাযায়, শুররু থেকেই খেলাধূলার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকে এই সংগঠনটি। বিভিন্ন স্কুল কলেজে বিনা মুল্যে রক্তের গ্রুপ নির্নয়,  বিনা মুল্যে ছাত্র-ছাত্রিদের গাছের চারা বিতরন, অসহায় গরীব দুঃখীদের  ফ্রি তে স্বাস্থ্য সেবা , চক্ষু সেবা সহ মাদক বিরোধী র‌্যালী এবং বাল্যবিবাহ বন্ধে সংগঠনটি নিরঅলসভাবে কাজ করে আসছে। 
২য় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে পালন করার সময় উপস্থিত ছিলেন, দেউলাবাড়ী স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালক বিপ্লব রানা , সভাপতি মন্ডলীর উপদেষ্টা নাসিম আহাম্মেদ, সভাপতি ফয়সাল আহাম্মেদ , সম্পাদক শিশির আহাম্মেদ , তমাল তৌহিদ, সহ সম্পাদক নাইমুর রেজা, আলিফ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শারিফুল ইসলাম সবুজ, ক্রিড়া-সম্পাদক মুহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর,  ফারুক সহ সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

রোশনারা আলী ঢাকায়

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রোশনারা আলী এক সরকারি সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গুরুত্ব আবারও জোরালোভাবে তুলে ধরবেন এই সফরে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ।

ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাণিজ্য দূত হিসেবে এটিই রোশনারা আলীর প্রথম বাংলাদেশ সফর।
তিনি তার সফরের সময় বাংলাদেশে ব্রিটিশ ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সদস্য, শিল্প ও বাণিজ্য নেতা, রাজনৈতিক নেতা ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
বাংলাদেশের নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এলিসন ব্ল্যাক বলেন, রোশনারা আলীর এই সফর বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগে প্রতিশ্রুতির একটি উল্লেখযোগ্য দিক।
ব্ল্যাক বলেন, তার এই সফর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আমাদের প্রতিশ্রুতির আলোচনার সুযোগ করে দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আমাদের ব্যবসা ও বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করার পথকে উন্মুক্ত করবে।
যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক তৈরিতে ২০১২ সালে ক্রুস-পার্টি বাণিজ্য দূত কর্মসূচি শুরু হয়। এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য সহায়ক হয়, যেখানে যুক্তরাজ্য প্রধান বাজার খুঁজে পায়।
এই কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বেতনভুক্ত নন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৪ জন পার্লামেন্ট সদস্য ৫০টি বিভিন্ন মার্কেটে (দেশে) কাজ করছেন। প্রত্যেক বাণিজ্য দূত তাদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সংশ্লিষ্ট সেক্টর ও দেশে তাদের জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিযুক্ত হন।
এটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মার্কেট ও সেক্টরে বাণিজ্য সম্প্রসারণে ওই দেশের সরকারের নতুন (হোল-অব-গভর্নমেন্ট) পদ্ধতি।

রোশনারা আলী ঢাকায়

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রোশনারা আলী এক সরকারি সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গুরুত্ব আবারও জোরালোভাবে তুলে ধরবেন এই সফরে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ।

ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাণিজ্য দূত হিসেবে এটিই রোশনারা আলীর প্রথম বাংলাদেশ সফর।
তিনি তার সফরের সময় বাংলাদেশে ব্রিটিশ ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সদস্য, শিল্প ও বাণিজ্য নেতা, রাজনৈতিক নেতা ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
বাংলাদেশের নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এলিসন ব্ল্যাক বলেন, রোশনারা আলীর এই সফর বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগে প্রতিশ্রুতির একটি উল্লেখযোগ্য দিক।
ব্ল্যাক বলেন, তার এই সফর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আমাদের প্রতিশ্রুতির আলোচনার সুযোগ করে দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আমাদের ব্যবসা ও বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করার পথকে উন্মুক্ত করবে।
যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক তৈরিতে ২০১২ সালে ক্রুস-পার্টি বাণিজ্য দূত কর্মসূচি শুরু হয়। এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য সহায়ক হয়, যেখানে যুক্তরাজ্য প্রধান বাজার খুঁজে পায়।
এই কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বেতনভুক্ত নন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৪ জন পার্লামেন্ট সদস্য ৫০টি বিভিন্ন মার্কেটে (দেশে) কাজ করছেন। প্রত্যেক বাণিজ্য দূত তাদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সংশ্লিষ্ট সেক্টর ও দেশে তাদের জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিযুক্ত হন।
এটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মার্কেট ও সেক্টরে বাণিজ্য সম্প্রসারণে ওই দেশের সরকারের নতুন (হোল-অব-গভর্নমেন্ট) পদ্ধতি।