বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৯

সিরিয়া ছাড়তে চায় আইএস’র বাংলাদেশি কিশোরী বধূ

সিরিয়ার রাকায় ইসলামিক স্টেট এর কথিত খেলাফতে যোগ দেয়া ব্রিটিশ-বাংলাদেশি স্কুলছাত্রী শামিমা বেগম যুক্তরাজ্যে ফেরার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। ২০১৫ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে আইএসের উদ্দেশ্যে লন্ডন ছেড়েছিলো সে। পরে এক সিরিয়ায় আইএসের এক জিহাদিকে বিয়ে করে শামিমা। বর্তমানে সে ৯ মাসের গর্ভবতী। বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে এমন সংবাদ পাওয়া যায়।

২০১৫ সালে লন্ডনের যে তিন স্কুল-পড়ুয়া মেয়ে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর সাথে যোগ দেবার জন্য ব্রিটেন ত্যাগ করেছিল, তাদের একজন শামিমা বেগম এখন বলছেন, তিনি যুক্তরাজ্যে ফিরে আসতে চান কিন্তু তার অতীত কর্মের জন্য তার কোন অনুতাপ নেই।

দৈনিক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ১৯ বছর বয়েসী শামিমা বেগম বলেন, তিনি সিরিয়ায় থাকার সময় ডাস্টবিনে মানুষের কাটা মাথা পড়ে থাকতে দেখেছেন - কিন্তু এসব তাকে বিচলিত করে নি।

সিরিয়ার একটি শরণার্থী শিবির থেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শামিমা বেগম বলেন, তিনি নয় মাসের গর্ভবতী, এবং এর আগে তার দুটি সন্তান হয়েছিল - কিন্তু দু'জনই মারা গেছে।

তিনি বলেন, তার পেটের সন্তানটির জন্যই তিনি দেশে ফিরতে চান।

শামিমা বেগম আরো বর্ণনা করেন, তার যে দুই বান্ধবী তার সাথে সিরিয়া গিয়েছিলেন তাদের একজন বোমা বিস্ফোরণে মারা গেছেন। তৃতীয় জনের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা অস্পষ্ট।

'এটা ছিল স্বাভাবিক জীবনের মতোই'

সিরিয়ায় যাবার জন্য লন্ডন ত্যাগের সময় বেথনাল গ্রিন একাডেমির ছাত্রী শামিমা বেগম ও আমিরা আবাসির বয়েস ছিল ১৫, আর খাদিজা সুলতানরা বয়েস ছিল ১৬। লন্ডনের কাছে গ্যাটউইক বিমান বন্দর থেকে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তারা তিন জন তুরস্কের উদ্দেশ্যে উড়াল দেন।

তারা তাদের বাবা-মাকে বলেছিলেন, তারা একসাথে কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন। তুরস্কে নামার পর তারা সীমান্ত পেরিয়ে সিরিয়ায় ঢোকেন।

তখন সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে রয়েছে আইএস।

ইসলামিকে স্টেটের স্বঘোষিত 'খেলাফতের' রাজধানী রাক্কায় এসে তারা প্রথম একটি বাড়িতে ওঠেন। সেখানে তাদের সাথে ছিল আরো কয়েকজন মেয়ে - যারা আইএস যোদ্ধদের বধূ হবার জন্য দেশ ছেড়ে এসেছিল।

শামিমা বলেন, "আমি একটা আবেদনপত্র দেই যে আমি ইংরেজিভাষী একজন যোদ্ধাকে বিয়ে করতে চাই - যার বয়েস ২০ থেকে ২৫ বছর বয়েসের মধ্যে।"

দশ দিন পর তার সাথে ২৭ বছর বয়স্ক একজন ডাচ লোকের বিয়ে হয় - যে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছিল।

তার পর থেকে শামিমা ওই ব্যক্তির সাথেই ছিলেন, এবং দু'সপ্তাহ আগে তারা পূর্ব সিরিয়ায় আইএস গোষ্ঠীর শেষ ঘাঁটি বাঘুজ থেকে পালিয়ে যান। এ সময় শামিমার স্বামী সিরিয়ান যোদ্ধাদের একটি দলের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

শামিমা এখন উত্তর সিরিয়ায় ৩৯ হাজার লোকের বাস এমন একটি শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করছেন।

টাইমসের সাংবাদিক এ্যান্টনি লয়েড তাকে প্রশ্ন করেছিলেন, রাক্কার জীবন যেমন হবে বলে তিনি আশা করেছিলেন - তা কি তেমনই ছিল? জবাবে শামিমা বলেন, "হ্যাঁ, ছিল। এটা ছিল একটা স্বাভাবিক জীবনের মতোই। তাদের প্রচারমূলক ভিডিওতে যেমন দেখানো হতো - তেমনই একটা স্বাভাবিক জীবন। মাঝেমধ্যে একটা-দুটো বোমা ফাটতো, কিন্তু তা ছাড়া...।"

তিনি বলেন, জীবনে প্রথমবার যখন তিনি মানুষের কাটা মাথা দেখেছিলেন, তাতে তিনি একটুও বিচলিত হননি।

"সেটা ছিল যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ধরে আনা একজন বন্দী যোদ্ধার মাথা,.. একজন ইসলামের শত্রু।"

"আমার মনে হয়, সে যদি সুযোগ পেতো তাহলে সে-ও একজন মুসলিম নারীর ওই একই অবস্থা করতো।"

"আমি এখন আর সেই ছোট্ট ১৫ বছরের স্কুলের মেয়েটি নেই, যে বেথনাল গ্রিন থেকে পালিয়েছিল। এখানে আসার জন্য আমি দু:খিত নই" - বলেন শামিমা।

তবে তিনি বলেন সেখানে তিনি যে দমন-নিপীড়ন দেখেছেন তা তাকে 'স্তম্ভিত' করেছে, এবং ইসলামিক স্টেটের 'খেলাফত' শেষ হয়ে গেছে বলেই তার মনে হয়।

"আমি বড় কিছু আশা করছি না। তারা এখন (আইএস) এখন ছোট থেকে আরো ছোট হয়ে যাচ্ছে" বলেন শামিমা - "এবং সেখানে এত বেশি দমন-নিপীড়ন আর দুর্নীতি হচ্ছে যে আমি মনে করি তারা বিজয় পাবার উপযুক্ত নয়।"

তিনি বলেন, তার স্বামী এমন একটি কারাগারে আটক আছে যেখানে বন্দীদের ওপর নির্যাতন করা হয়।

শামিমার সঙ্গী খাদিজা সুলতানার পরিবারের একজন আইনজীবী ২০১৬ সালে বলেছিলেন, তিনি একটি রুশ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন বলে মনে করা হয়।

শামিমা বেগম তার সাক্ষাৎকারে বলেন, একটি বাড়ির ওপর বোমা ফেলা হলে তার বান্ধবী নিহত হন। 'ওই বাড়ির নিচে কিছু গোপন কার্যক্রম চলছিল' বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, "আমি কখনো ভাবিনি এমনটা হবে। প্রথমে আমি বিশ্বাস করিনি, কারণ আমি সব সময়ই মনে করতাম যে যদি আমরা মারা যাই, তাহলে একসাথেই মরবো।"

'আমি ভয় পাচ্ছি যে আমার বাচ্চাটা হয়তো অসুস্থ হয়ে পড়বে'

শামিমা বেগমের দুটি সন্তান হয়। এর মধ্যে দ্বিতীয়টি মারা যায় প্রথমে, আট মাস বয়সে। আর প্রথমটি মারা যায় এক বছর নয় মাস বয়সে। তাকে এক মাস আগে বাঘুজে কবর দেয়া হয়। টাইমস জানাচ্ছে, অপুষ্টির কারণে প্রথম সন্তানটির অসুস্থতা খারাপ মোড় নিয়েছিল।

মিজ বেগম বলেন, তার দ্বিতীয় সন্তানকে তিনি একটা হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে কোন অষুধ ছিল না, এবং যথেষ্ট ডাক্তার-নার্সও ছিল না।

তিনি আরো বলছেন, শরণার্থী শিবিরে থাকলে তার পেটের সন্তানটিও আগের বাচ্চাদের মতোই মারা যাবে - এ ভয় তার বাঘুজ ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করেছে।

শামিমা বেগম বলছেন, তার সন্তান যে কোন দিন ভূমিষ্ঠ হতে পারে, এবং এ জন্যই তিনি ব্রিটেনে ফিরতে চান - কারণ তিনি জানেন যে সেখানে তিনি অন্তত চিকিৎসা পাবেন।

"আমি দেশে ফেরার জন্য, এবং সন্তানকে নিয়ে নিরবে জীবন কাটানোর জন্য যে কোন কিছু করতে রাজী আছি" - বলেন তিনি।

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, শামিমা বেগমের ব্যাপারে তিনি আইনগত কারণে কোন মন্তব্য করবেন না।

তবে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ বা সমর্থন দিতে যে ব্রিটিশ নাগরিকরা সিরিয়া গেছেন - তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে যে দেশে ফিরে এলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের সম্মুখীন হতে হবে এবং বিচারও হতে পারে।

ঘাটাইলে আলোচনায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন খান বাবু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় শীর্ষে সুমন খান বাবু। উপজেলার বিভিন্ন হাট, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোষ্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আলোচনায় বিভিন্ন জনের নাম আসলেও আলোচনার কেন্দ্র হিসেবে সবার শীর্ষে রয়েছে ক্লিন ইমেজখ্যাত তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও ৯০ দশকের জনপ্রিয় ছাত্রনেতা সুমন খান বাবু।

তিনি ইতোমধ্যে তার নির্বাচনী এলাকায় প্রতিটি ইউনিয়নে দিনরাত গণসংযোগ করেছেন।

সুমন খান বাবু ঘাটাইলের খান পরিবারের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে বিএনপি জামায়াতের বিভিন্ন প্রকার হামলা ও নিপীড়নের স্বীকার হয়েছেন বারবার। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এ নেতাকেই আসন্ন নির্বাচনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ।

সুমন খান বাবু বলেন, জনগনের ভোটে আমি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে পারবো। ঘাটাইল উপজেলাকে একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলবো। মাদক, সন্ত্রাস, দূর্নীতিমুক্ত উপজেলা গড়াই আমার প্রধান লক্ষ্য নির্ধারিত হবে। আমি বিগত দিনে দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করেছি। এখন দলের পাশাপাশি সাধারন মানুষের জন্য কিছু একটা করতে চাই।

তিনি আরো বলেন, দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা আমার পক্ষে প্রচার প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে। আমি বিজয়ী হয়ে এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাবো।

ঘাটাইলে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যুবলীগ নেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময়

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ কামরুল ইসলামের কার্যালয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন উপজেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সুমন খান বাবু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম (রফিক), পৌর কাউন্সিরল ও উপজেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি শেখ মোহাম্মদ কবীর আহমেদ প্রমুখ

হোক ভালোবাসাবাসি!

ভালোবাসা’। এর চেয়ে কোমল শব্দ আর কী হতে পারে! একটি মাত্র শব্দ। তাতে এত মধু! এত আবেগ! ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে ওঠে।

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস (সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে)। ভালোবাসা কোনো দিবস বা সময়-ক্ষণ গুণে আসে না। ভালোবাসার সত্ত্বা সার্বজনীন। ভালোবাসা বহুরূপী। তবুও কালের পরিক্রমায় ১৪ ফেব্রুয়ারি যেন ভালোবাসা প্রকাশের একটি আনুষ্ঠানিক দিবসে রূপ নিয়েছে।


সকল সংকোচ আড়াল করে আপনকে আপন করার দিন আজ। প্রেম-ভালোবাসার নির্মল আনন্দে মেতে উঠবে বিশ্ব। বিশেষত তরুণ-তরুণীরা প্রেমময় আবেগে ভালোবাসার বাহু মেলে ধরবে।


গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ভালোবাসা দিবসের ছোঁয়া লেগেছে সম্প্রতি। বিশেষ করে শহুরে জীবনে এই দিবসের প্রভাব দিনে দিনে বেড়েই চলছে। তবে গ্রামেও এখন ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজন লক্ষ্য করা যায়।

ফুলে ফুলে সাজবে ভালোবাসার মন। মালাবদলও হয় এমন দিনে। অনলাইন, মোবাইল, ক্ষুদেবার্তায় ভালোবাসার রূপ ফুটে উঠবে। গোলাপের পাপড়ি দিয়ে নতুবা লিপস্টিক মাখা চুমোর চিত্র প্রেমচিঠিতে মেখে পাঠাবে প্রিয়তমার কাছে। আর নানা আকর্ষণীয় উপহারসামগ্রী দিয়ে মনজয় করতে প্রেমচিঠি পাঠাবে প্রিয়তমার কাছে।

ভালোবাসা দিবসে শুধু তরুণ-তরুণীই আনন্দে মাতবে এমন নয়। পরিবার-স্বজন আর বিভিন্ন বয়সী মানুষদের মাঝেও এ দিবসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।



জানা যায়, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের নামানুসারে দিনটির নাম ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টানবিরোধী রোমানসম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেন্টাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন ‘ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন’। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।


‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ সার্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত ‘জুনো’ উৎসব। রোমান পুরানের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ।

এ দিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত। ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয় তখন ‘জুনো’ উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।