বুধবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৭

ঘাটাইলের ঝুনকাইলে শ্রেণিকক্ষের অভাবে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান

মোঃ মাসুম মিয়া, ঘাটাইল ঃ
 শ্রেণিকক্ষের অভাবে খোলা মাঠে পাঠদান করছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ঝুনকাইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

জানা যায়, এলাকার শিক্ষানুরাগি এডভোকেট আব্দুল আউয়াল দুলাল ও প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন মোগলের সহযোগিতায় ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে উপজেলার ঝুনকাইল গ্রামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই আশেপাশের পাঁচ গ্রামে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে বিদ্যালয়টি। বোর্ড পরিক্ষায় পাসের হার প্রায় শতভাগ।

বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক লতিফা আক্তার জানান, শ্রেণিকক্ষের অভাবে নবম-দশম শ্রেনির খন্ড ক্লাস গুলো বিদ্যালয়ের খোলা মাঠে নিয়ে থাকি তবে বৃষ্টির দিনে ক্লাস নিতে আমাদের অনেক সমস্যা হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা সুলতানা জানান, ২০১০ খ্রিস্টাব্দে নিম্ন মাধ্যমিক হিসেবে এমপিও লাভ করার পর ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে আমরা নবম শ্রেণির পাঠদানের স্বীকৃতি পাই। সে হিসেবে নবম ও দশম শ্রেণির জন্য আলাদা কক্ষের প্রয়োজন। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৩’শ আর কক্ষ রয়েছে ছয়টি যা কিনা শিক্ষার্থীর তুলনায় অপ্রতুল। দশম শ্রেণির ছাত্রী রুপা জানান, খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে আমাদের অনেক সমস্যা হয় রোদের প্রখর তাপে কোন কোন সময় আমরা জ্ঞান হাড়িয়ে ফেলি।

বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল থেকে আমরা কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। টিনশেড যে দুইটি ঘর দেখতে পাচ্ছেন তা ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সময়ে এলজিএসপির অর্থায়নে তৈরি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল হক বলেন, বিদ্যালয়টির অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রয়োজন। ভাল পরিবেশ না হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চায়না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছি।

ঘাটাইলের ঝুনকাইলে শ্রেণিকক্ষের অভাবে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান

মোঃ মাসুম মিয়া, ঘাটাইল ঃ
 শ্রেণিকক্ষের অভাবে খোলা মাঠে পাঠদান করছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ঝুনকাইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

জানা যায়, এলাকার শিক্ষানুরাগি এডভোকেট আব্দুল আউয়াল দুলাল ও প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন মোগলের সহযোগিতায় ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে উপজেলার ঝুনকাইল গ্রামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই আশেপাশের পাঁচ গ্রামে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে বিদ্যালয়টি। বোর্ড পরিক্ষায় পাসের হার প্রায় শতভাগ।

বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক লতিফা আক্তার জানান, শ্রেণিকক্ষের অভাবে নবম-দশম শ্রেনির খন্ড ক্লাস গুলো বিদ্যালয়ের খোলা মাঠে নিয়ে থাকি তবে বৃষ্টির দিনে ক্লাস নিতে আমাদের অনেক সমস্যা হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা সুলতানা জানান, ২০১০ খ্রিস্টাব্দে নিম্ন মাধ্যমিক হিসেবে এমপিও লাভ করার পর ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে আমরা নবম শ্রেণির পাঠদানের স্বীকৃতি পাই। সে হিসেবে নবম ও দশম শ্রেণির জন্য আলাদা কক্ষের প্রয়োজন। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৩’শ আর কক্ষ রয়েছে ছয়টি যা কিনা শিক্ষার্থীর তুলনায় অপ্রতুল। দশম শ্রেণির ছাত্রী রুপা জানান, খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে আমাদের অনেক সমস্যা হয় রোদের প্রখর তাপে কোন কোন সময় আমরা জ্ঞান হাড়িয়ে ফেলি।

বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল থেকে আমরা কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। টিনশেড যে দুইটি ঘর দেখতে পাচ্ছেন তা ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সময়ে এলজিএসপির অর্থায়নে তৈরি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল হক বলেন, বিদ্যালয়টির অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রয়োজন। ভাল পরিবেশ না হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চায়না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছি।

‘এমপি রানার জামিন কেন নয়’

টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহম্মেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) আমানুর রহমান খান রানার জামিন কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। খবর: খোলা কাগজ পত্রিকা থেকে হুবহু কপি।
জামিন আবেদন শুনানি শেষে বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে আসামি পক্ষের শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার ও ড. বশির আহমেদ। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুর রহমান চৌধুরী টিকু।
এর আগে ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদ ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রানার জামিন আবেদন কার্যকতালিকা থেকে বাদ করে (আউট অব লিস্ট) করে দিয়েছিলেন।
তার আগে একই বছর ২৮ নভেম্বরও সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রানার জামিন আবেদন কার্য তালিকা থেকে বাদ করে দিয়েছিলেন।
২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এমপি রানার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।
আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আমানুর গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। এমপি রানা বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে আছেন।
পরে রানা জামিন আবেদন করলে ২৬ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া তার জামিন নাকচ করে আদেশ দেন। বিচারিক নিন্ম আদালতের জামিন খারিজের বিরুদ্ধে রানার পক্ষে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়।
এদিকে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাইকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা আওয়ামী লীগ। সোমবার জেলা কমিটির সভায় ওই চারজনের সদস্যপদ বাতিলের এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম।
- See more at: http://www.kholakagojbd.com/2017/01/18/26350.php#.WH8VbcDvhRs.facebook

রানার সংসদ সদস্য পদ নিয়ে কী হবে?

টাঙ্গাইলের বিতর্কিত সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে জেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারের পর, সংসদে তার সদস্য পদ থাকছে কিনা,তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। এই সংসদ সদস্যের কর্মকাণ্ড নিয়েও ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। --- খবর : বাংলা ট্রিবিউনের।

গত সোমবার টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ খুনের দায়ে অভিযুক্ত সংসদ সদস্য রানাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।  জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তে প্রশ্নটি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে যে, রানার সংসদ সদস্য পদের কী হবে।
তবে আইনজ্ঞ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, রানা এখনও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এমপি। তার দলীয় সদস্য পদ এবং জাতীয় সংসদের সদস্য পদও যায়নি। জেলা আওয়ামী লীগ বহিষ্কার করতে পারে না। বহিষ্কার করার এখতিয়ার কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের। সদস্য পদ যাবে কেবলমাত্র কেন্দ্র থেকে তাকে বহিষ্কার করা হলে, অথবা সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়া সম্পর্কে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের ব্যত্যয় ঘটলে।
৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোনও নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোনও ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইলে, তিনি যদি- (ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোনও নির্বাচনে সংসদ সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।’
আর আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ৪২. (ছ) অনুচ্ছেদে বলা আছে- ‘প্রতিষ্ঠানের কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ̈ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার ক্ষমতা কেবল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের থাকিবে।’
সুতরাং দলে কিংবা সংসদে রানার সদস্য পদ যাওয়ার মতো ঘটনা এখনও ঘটেনি, বলে জানান আওয়ামী লগের নেতারা।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনও পর্যায়ের নেতাকে বহিষ্কার করার এখতিয়ার একমাত্র কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের। কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদই কেবল বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। তবে সাংগঠনিক জেলা কাউকে বহিষ্কারের সুপারিশ করতে পারে। তারা তাদের সুপারিশ কেন্দ্রে পাঠালে কার্যনির্বাহী  সংসদ তা বিচার-বিবেচনা ও আমলে নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘রানার ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগ যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, তা এখনও কেন্দ্রের কাছে আসেনি।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সংসদের চিপ হুইপ আ স ম ফিরোজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জেলা কমিটি কাউকে বহিষ্কার করতে পারে না। তারা বহিষ্কারের সুপারিশ করতে পারে।  জেলা কমিটি রানাকে বহিষ্কারের  গঠনতান্ত্রিক এখতিয়ার রাখে না।’
চিপ হুইপ বলেন, ‘জেলা কমিটি যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সে অনুযায়ী কেন্দ্রীয় কমিটি যদি রানাকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করে এবং তা স্পিকারকে অবহিত করলে,তখন স্পিকার তা হাউসে ঘোষণা দেবেন। তারপরই কেবল রানা সংসদ সদস্য পদ হারাবেন।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যেকোনও সংসদ সদস্য দলীয় মনোনয়ন পান দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে, জেলা কমিটি কাউকে মনোনয়ন দিতে পারে না। সুতরাং সংসদ সদস্য পদ যেতে হলে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বহিষ্কার করতে হবে। তারপর স্পিকার রুলিং দেবেন। জেলা কমিটি বহিষ্কার করলেই সদস্য পদ চলে যাওয়ার কোনও কারণ নাই।’
ব্যারিস্টার শফিক আহমদ আরও  বলেন, ‘সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেউ রাজনৈতিক দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হয়ে ওই দল থেকে যদি পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেন- তাহলে সংসদে তার সদস্য পদ শূন্য হবে। এমপি রানার ক্ষেত্রে সেরকম কিছু এখনও ঘটেনি।’
উল্লেখ্য,আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ৪২ ধারায় বলা আছে, ‘সংগঠনের কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শাস্তি— প্রদানের জন্য আওয়ামী লীগের নিম্নতম যে কোনও শাখা বা যেকোনও সদস্যের লিখিত অভিযোগপত্র পাওয়ার পর উপজেলা/ থানা আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদ নিজেদের সিদ্ধান্তসহ উক্ত অনুরোধপত্র জেলা কার্যনির্বাহী সংসদের নিকট পাঠাইবেন। জেলা কার্যনির্বাহী সংসদ এ সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়া উক্ত বিষয় বিবেচনাপূর্বক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ̈বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের নিকট প্রেরণ করিবেন।’
৪২ এর  ‘ঞ’ উপধারায় বলা আছে, ‘ সংগঠনের যেকোনও শাখা তাহার যেকোনও কর্মকর্তা বা সদস্যকে দলের স্বার্থ, আদর্শ, শৃঙ্খলা তথা গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্র পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের জন্য পদ বা দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।’ আর ৪২ এর ‘ট’ উপধারায় বলা হয়েছে, ‘যেকোনও বহিষ্কারের বিষয়ে জেলা কমিটির সুপারিশের পর কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক তদন্তে দোষী সাব্যস্ত— হইলেই কেবল চূড়ান্তভাবে বহিষ্কৃত হইবে এবং অপরাধ প্রমাণিত না হইলে তাহার শাস্তি মওকুফ হইবে। কার্যনির্বাহী সংসদ তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে, নতুবা শাস্তি— মওকুফ  বলিয়া গণ্য হইবে।’

এমপি রানার জামিন আবেদনের আদেশ আজ বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার জামিন আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী বুধবার আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। - খবর : রাইজিং বিডির।

সোমবার বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য এদিন ঠিক করেন।

আদালতে এমপি রানার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার, ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুর রহমান চৌধুরী টিকু।

এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ এমপি রানার জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।

পরে জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য নতুন এই বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়।

আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায়  আমানুর ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। পরে আবারও জামিন আবেদন করলে ২৬ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া তার জামিন নাকচ করে আদেশ দেন। বিচারিক আদালতে নাকচের পর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয়।