শনিবার, জুলাই ১৫, ২০১৭

ঘাটাইলে নয় গ্রামের মানুষের দাবি ॥ নবগঠিত ইউপিতে অন্তভুক্ত হওয়ার জন্য আন্দোলনের প্রস্তুতি


যাতায়াত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুবিধা এবং সহজ ব্যবসা বানিজ্যের লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের নয় গ্রামের জনগন নবগঠিত পাশের সাগরদিঘী ইউনিয়নের অন্তভুক্ত হওয়ার দাবি তুলেছেন। এ দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে একটি সংগঠনও গড়ে তুলেছেন তারা। আর এ সংগঠনের ব্যানারে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোষ্টারসহ মিছিল-সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

জানা গেছে, বিগত ২০১৪ সালে ধলাপাড়া ইউনিয়নকে বিভক্ত করে আরো একটি ইউনিয়ন করা হয়। এ সময় থেকেই নবগঠিত সাগরদিঘী ইউনিয়নের অন্তভুক্ত হওয়ার জন্য ধলাপাড়া ইউনিয়নের অন্তত নয়টি গ্রাম দাবি জানিয়ে আসছে। ফকিরটুল, মোতাজুড়ি, রাগামারি, খানমুড়, আলীর মোড়, ভবানিপুর, সিড়িরচালা ও সুনদৈল গ্রামের মানুষের দাবি সরকারী দলের প্রভাবশালী একটি মহলের কারণে আজও পুরণ হয়নি। অবশেষে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে অতি সম্প্রতি তারা ‘সাগরদিঘী ইউনিয়ন অন্তভুক্ত সংগ্রাম কমিটি’ গঠন করেছে। স্থানীয়রা টিনিউজকে জানান, এসব গ্রাম থেকে ধলাপাড়ার দুরত্ব ১০/১২ কিলোমিটার। অপরদিকে নবগঠিত সাড়রদিঘী ইউনিয়নের দুরত্ব ৩/৪ কিলোমিটার। এ কারণে স্কুল-কলেজ ও হাটবাজারে ব্যবসা বানিজ্যের ক্ষেত্রে চরম অসুবিধা হচ্ছে তাদের। এছাড়াও ওই অঞ্চলের মধ্যে সাগরদিঘী বাজার সবচেয়ে বড় হওয়ার কারণে ব্যবসা বানিজ্যের ক্ষেত্রে এ নয়টি গ্রামের মানুষের সহজ হয়। এসব কারণে ধলাপাড়া ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে তারা নবগঠিত সাগরদিঘী ইউনিয়নে অন্তভুক্ত হওয়ার জোড়ালো দাবি তুলেছেন।
এ ব্যাপারে ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেকমত শিকদার  বলেন, ওই নয়টি গ্রামে ভোটার রয়েছে প্রায় ১৭শ’ ৭৬ জন। তাদের দাবি অযৌক্তিক নয়। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের তেমন কিছু করার নেই। এটি জেলা প্রশাসনের বিষয়।
এ ব্যাপারে সাগরদিঘী ইউনিয়ন অন্তভুক্ত সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মজিবর রহমান  জানান, এটি আমাদের যৌক্তিক দাবি। এ দাবি পুরণের লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন কর্মসুচি গ্রহন করেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএসএমএমইউ ভিসি অধ্যাপক ডাঃ কামরুল হাসান খান


মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে অন্যতম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ কামরুল হাসান খান। ঘাটাইলের রাজনীতির পরিসরে রয়েছে তার ব্যাপক পরিচিতি। পারিবারিক কারনেও এলাকায় রয়েছে আলাদা একটি ব্যাক্তি ইমেজ। বিগত সময়ে জাতীয় সংসদ, উপজেলা পরিষদ সহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তিনি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনায় সারা নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখেছেন। দলের মধ্যেও তাকে নিয়ে কোন বিভক্তি নেই। অনেক আ’লীগ নেতাই মনে করেন বহুধাবিভক্ত আ’লীগের একমাত্র ভরসাস্থল তিনিই। তিনি দলীয় মনোনয়ন পেলে দলীয় বিরোধ অনেকটাই কেটে যাবে বলে জানান আ’লীগের মাঠ পর্যায়ের অনেক নেতারা।
৯০ এর গণঅভ্যূত্থানের চিকিৎসক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক অধ্যাপক ডাঃ কামরুল হাসান খানের জন্ম ঘাটাইল উপজেলার ভবনদত্ত গ্রামে। তিনি ১৯৮২ সালে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৮৪ সালে বিসিএস(স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন। তার বড় ভাই  বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা মামুনুর রশিদ বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও অভিনেতা।
অধ্যাপক ডাঃ কামরুল হাসান খান বর্তমানে বাংলাদেশ পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক।  তিনি সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সাবেক সভাপতি। ১৯৮৫ সালে শান্তির জন্য নোবেল বিজয়ী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফিজিসিয়ানস্ ফর দ্যা প্রিভেনশন অফ নিউক্লিয়ার ওয়্যার (আইপিপিএনডবি¬উ) দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সাবেক এবং বর্তমানে নির্বাচিত সহ-সভাপতি তিনি।
তিনি ১৯৭১ সালে মাধ্যমিকের ছাত্র থাকা অবস্থায় সরাসরি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ে প্রথম ছাত্র সভার অন্যতম উদ্যোক্তা। ২০০৫ সালের ৩০ এপ্রিল ১৪ দল সমর্থিত বিভিন্ন পেশার পেশাজীবীদের একত্রিত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এক মঞ্চে নিয়ে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ‘জাতীয় প্রেস ক্লাব’-এর সন্মুখে “নাগরিক মঞ্চ” গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের আজীবন সদস্য। তিনি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ^বিদ্যালয় আইন ১৯৯৮’ এর বিএমএ’র খসড়া প্রস্তাবের মূল প্রস্তাবকও ছিলেন। বিসিএস (২৬ ক্যাডার) কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের  যুগ্ম মহাসচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
তিনি দুইবার বিএমএ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দুইবার কেন্দ্রীয় সদস্য নির্বাচিত হন।টাংগাইল জেলার বিএমএ-এর যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কাউন্সিলর পদেও তিনবার নির্বাচিত হন। অধ্যাপক ডাঃ কামরুল হাসান খান ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয়কে ধ্বংসের হাত হতে রক্ষার জন্য নেতৃত্ব দেবার কারণে অনেক জুলুম নির্যাতনের শিকার হন । তিনি ২৫টি আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং কনফারেন্সের প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।১৯৯০-১৯৯১ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে শহীদ ডা. মিলন-এর বিপরীতে নির্বাচন করে  সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঘাটাইলের শাহ্পুরে অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের উদ্বোধন

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
সারা দেশের ন্যায় সমাজের প্রতিটি প্রতিবন্ধীর জীবনে শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার শাহ্পুরে অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রান ডেভলোপমেন্ট সোসাইটি’র সার্বির সহযোগিতায় উপজেলার ঘাটাইল ইউপির শাহপুরে অবস্থিত উক্ত প্রতিষ্ঠানের কক্ষে শনিবার দুপুরে এক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন ২ নং ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হায়দর আলী ।
শাহ্পুর অটিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মহিলালীগের আহ্বায়ক নুরজাহান সিদ্দিকা, দেউলাবাড়ী মহিলা উন্নয়ন সংস্থার সভানেত্রী ও প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি নাজমা পারভীন, ২নং ঘাটাইল ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোতাহের হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রাশিদা বেগম, আওয়ামীগ নেতা কাজী জুয়েল, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, চৈথট্ট গন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আঃ হালিম, আশরাফুল ইসলাম, আরজু,আসাদুজ্জামান সুমনসহ অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টির প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, অভিভাবকবৃন্দ এবং  স্থানীয়  শতাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

টাঙ্গাইল-৩ আসনে আওয়ামীলীগের মন্নোনয়ন প্রত্যাশি সোনালী ব্যাংক লিঃ এর পরিচালক ড. নূরুল আলম তালুকদার

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ॥ 
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আরো দেড় বছর বাকি থাকলেও নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে অনেক প্রার্থী। টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপি’র একাধিক প্রার্থী না থাকলেও আওয়ামীলীগের ডজনখানি প্রার্থী মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই দৌড়-ঝাপ শুরু করছেন। এ আসনে বিএনপি’র শক্তিশালী প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ। তিনি এ আসন থেকে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট শামসুর রহমান খানকে ৯১’ ৯৬’ ২০০১ সালে পরাজিত করে  বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে এ আসনটি দখল করেন আওয়ামীলীগের প্রার্থী প্রয়াত এমপি ডা. মতিয়ার রহমান। তিনি মারা যাওয়ার পর আসনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সমাপাদক আলহাজ্ব আমানুর রহমান খান রানা।  এ আসনে নতুন মুখ হিসাবে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকার,  হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের সাবেক এমডি ও সোনালী ব্যাংক লিঃ এর পরিচালনা পর্ষদের বর্তমান পরিচালক ড. মোঃ নূরুল আলম তালুকদার আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি। সম্পতি তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার প্রত্যয় নিয়ে আওয়ামীলীগ থেকে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।  উপজেলার  প্রধান শহর ও বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে উপজেলা বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা সম্মিলিত দোয়া ও আর্শীবাদ চেয়ে তার  বিভিন্ন পোষ্টার দেয়ালে দেয়ালে  শোভা পাচ্ছে। তিনি ইতিমধ্যেই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গণসংযোগ শুরু করেছেন।  তিনি উপজেলার মাকেশ্বর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে  ১৯৫৪ সালে জন্ম গ্রহন করেন। স্থানীয় সিংগুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি ,এইচ.এস.সি টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর ইব্রাহীম খাঁ কলেজ, বিএ (অর্নাস) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে
এম.এ  পাশ করেন । এমএস (কৃষি-অর্থনীতি )  কেস্টেসার ইউনিভার্সিটি ব্যাংকক থেকে উচ্চতর ডিগ্রী লাভ করেন । সর্বশেষ পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন আ্যাটলান্ট্রিক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যালির্ফোনিয়া  থেকে । তাদের পরিবারে যথেষ্ট সুনাম ও খ্যাতি  রয়েছে । তার বড় ভাই মোঃ নূরুল হক তালুকদার সেনাবাহিনীর মেজর হিসাবে কর্মরত থেকে অবসর গ্রহন করেন । তার অনুজ মোঃ নূরুজ্জামান তালুকদার কাষ্টমস এর সুপারিনটেনডেন্ট হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তারা এলাকার হতদরিদ্রদের বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াতে তাদের পারিবারিক যথেষ্ট খ্যাতি জস রয়েছে। বিশেষ করে ড. নূরুল আলম তালুকদার  বিভিন্ন সময়ে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিদের  সহায়তা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে  জড়িত রয়েছেন। তার নিজ গ্রাম মাকেশ্বর নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত আবুল হোসেন নূরজাহান একাডেমীর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭১ সালে তিনিসহ তার অপর দুই ভাই পাকহানাদার বাহিনীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিশেষ অবদান রাখেন।  তার বাড়িটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার রসদসহ আশ্রয় কেন্দ্র। বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। এ ব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশি ড. মোঃ নূরুল আলম তালুকদারের সাথে কথা বললে তিনি জানন, জন নেত্রী শেখ হাসিনা তাকে মনোনয়ন দিলে এবং আমি এ আসন থেকে নির্বাচিত হলে ঘাটাইলকে সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলবো। 


আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন