মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
প্রথম বারের মতো মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় আসামীদের ফাসির দাবী নিয়ে মানববন্ধন করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে এমপি রানার ফাসির দাবীতে মানব প্রাচীর তৈরী করে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মানববন্ধেনে বক্তব্য রাখেন - উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন, ডিপুটি কমান্ডার শাহনেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, আ’লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মেয়র হাসান আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান আজাদ, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বাবায়ক শহিদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ, আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা এমপি রানাকে ফাসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যার বিচারের দাবী জানান আদালতের কাছে। এ মানববন্ধনে একত্বতা ঘোষনা করে যোগদেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগসংগঠনের নেতারা।
উল্লেখ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলি বিদ্ধ লাশ কলেজ পাড়ায় তার নিজ বাসায় সামনে পাওয়া যায় । ৩ দিন পর ২১ জানুয়ারী তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অঙ্গাত আসামীদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । ২০১৪ সালে মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করেন । আদালতে তারা স্বীকারুক্তি মুলক জবান বন্ধী দেয় । তাদের জবানবন্ধীতে রানা ও তার অপর ৩ ভাই জরিত থাকার বিষয় টি ওঠে আসে । চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারী সাংসদ আমনুর ও তার ৩ ভাই সহ ১৪ জন কে অভিযোক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয়া হয় । ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগ পত্র গ্রহন করে পলাতক আমানুর রহমান সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয় । ১৭ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত । ২০মে পুলিশ সাংসদের টাঙ্গাইল সহরে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে। সর্বশেষ আসামীরা হাজির না হওয়ায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত ।
প্রথম বারের মতো মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় আসামীদের ফাসির দাবী নিয়ে মানববন্ধন করেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। গতকাল ২০ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে এমপি রানার ফাসির দাবীতে মানব প্রাচীর তৈরী করে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মানববন্ধেনে বক্তব্য রাখেন - উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার তোফাজ্জল হোসেন, ডিপুটি কমান্ডার শাহনেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, আ’লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মেয়র হাসান আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান আজাদ, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-আহ্বাবায়ক শহিদুজ্জামান খান ভিপি শহীদ, আওয়ামীলীগ নেতা মজিবর রহমান, ঘাটাইল ইউপি চেয়ারম্যান হায়দার আলী প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা এমপি রানাকে ফাসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যার বিচারের দাবী জানান আদালতের কাছে। এ মানববন্ধনে একত্বতা ঘোষনা করে যোগদেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগসংগঠনের নেতারা।
উল্লেখ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলি বিদ্ধ লাশ কলেজ পাড়ায় তার নিজ বাসায় সামনে পাওয়া যায় । ৩ দিন পর ২১ জানুয়ারী তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে অঙ্গাত আসামীদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । ২০১৪ সালে মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেফতার করেন । আদালতে তারা স্বীকারুক্তি মুলক জবান বন্ধী দেয় । তাদের জবানবন্ধীতে রানা ও তার অপর ৩ ভাই জরিত থাকার বিষয় টি ওঠে আসে । চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারী সাংসদ আমনুর ও তার ৩ ভাই সহ ১৪ জন কে অভিযোক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয়া হয় । ৬ এপ্রিল আদালত অভিযোগ পত্র গ্রহন করে পলাতক আমানুর রহমান সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয় । ১৭ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে হুলিয়া ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত । ২০মে পুলিশ সাংসদের টাঙ্গাইল সহরে অভিযান চালিয়ে মালামাল জব্দ করে। সর্বশেষ আসামীরা হাজির না হওয়ায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অামাদের ঘাটাইল সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷