মঙ্গলবার, মে ৩০, ২০১৭

ঘাটইলে শিক্ষার্থীদের মাঝে মশারী বিতরণ

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, সিডিপির উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকালে ৫১০ জন স্পন্সর শিশুদের মাঝে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের জন্য  মশারী বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলার দেউলাবাড়ী ইউনিয়নে গুড নেইবারস  বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ঘাটাইল সিডিপির ম্যানেজার লুটাস পুলক সরকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম। অন্যান্যের  মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, গুড নেইর্বাস বাংলাদেশ, ঘাটাইল সিডিপির এডমিন এন্ড এইচ আর অফিসার ভিক্টর তিগ্যা, হেলথ অফিসার মোঃ শাহীন আলম প্রমুখ। এছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলী, জন প্রতিনিধি, সাংবাদিকবৃন্দ ।


আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঘাটাইলে কোম্পানির নিঃসৃত গ্যাসের দুর্গন্ধে লেখাপড়া ব্যাহত



কোম্পানির নিঃসৃত গ্যাসের দুর্গন্ধে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিদ্দিখালি নিঃসৃত মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়সহ চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লেখাপড়া মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শ্রেণিকক্ষসহ চারিদিকে  দুর্গন্ধের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এ নিয়ে  শিক্ষক-শিক্ষার্থী , অভিভাবক ও এলাকার সাধারণ জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এলাকাবাসি জানায়, সিদ্দিখালী  নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দক্ষিণপাশে ‘প্যারাগণ ’ নামে একটি কোম্পানি গড়ে উঠেছে। এ কোম্পানিটি বিগত ছয় মাস ধরে মুরগির বিষ্ঠা ও মৃত মুরগি দিয়ে জৈব সার তৈরি করে আসছে। জৈব সার তৈরির সময় এক ধরনের দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস নিঃসৃত হয় যা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে  সিদ্দিখালী, দুলালিয়া ও উত্তর লক্ষিন্দর এলাকার মানুষ রোগ-বালাইসহ বিভিন্ন্ ধরণের সমস্যার সম্মুক্ষিন হচ্ছে।
এ ছাড়া সিদ্দিখালী নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় , সিদ্দিখালী এবতেদায়ী মাদরাসা , মেধা সিঁড়ি কিন্ডারগার্টেন ও আদর্শ কিন্ডানগার্টেনের প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর লেখা-পড়া মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে ক্লাস করার জন্য উপস্থিত হলেও কোম্পানির  ঐ নিঃসৃত গ্যাসে মনোযোগ হারিয়ে ফেলে তারা।
শিক্ষকগণ বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য শিক্ষার্থীদের চাপ সৃষ্টি  করলেও সন্তোষজনক সাড়া পাচ্ছেন না।  দুর্গন্ধের প্রতিকার চেয়ে প্যারাগণ কোম্পানির নিকট আবেদন করলেও কোন সাড়া মিলেনি।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিন্দ্র চন্দ্র দাসসহ স্থানীয় জনগণ দুর্গন্ধ বন্ধের প্রতিকার ও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন করেছেন।
প্যারাগন কোম্পানির সহকারী পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘জৈব সার তৈরির সময় নিঃসৃত গ্যাস দুর্গন্ধ ছড়ায় । তবে বর্তমানে অনেকটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।’
 উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম জানান, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি । লেখাপড়ার সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখতে  দ্রুত ঐ কোম্পানি অপসারণ করা দরকার।’
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঈদ সংখ্যা: লেখা ও বিজ্ঞাপন পাঠানোর আহ্বান

আমাদেরঘাটাইল ডটকম: আকর্ষণীয় কলেবরে ঈদ সংখ্যা ৮ পৃষ্ঠার পত্রিকা বের করতে যাচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আমাদেরঘাটাইল ডটকম। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আকর্ষণীয় লেখায় সমৃদ্ধ হবে পত্রিকাটি। আগ্রহী হলে আপনিও লেখা পাঠাতে পারেন। আগামী ০৯ দিনের মধ্যে (৮ জুন) আপনার সবশেষ লেখাটি পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।

আকর্ষণীয় পত্রিকাটি সমৃদ্ধ করতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করছি। এতে উক্ত প্রতিষ্ঠান ও পণ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

লেখা ও বিজ্ঞাপন পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুন:

ঘাটাইল প্রেস ক্লাব, মেইন রোড, ঘাটাইল, টঙ্গাইল।

ই-মেইল news.daghatail@gmail.com 

ফোন: 017 64 - 26 64 75
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ঈদ সংখ্যা: লেখা ও বিজ্ঞাপন পাঠানোর আহ্বান

আমাদেরঘাটাইল ডটকম: আকর্ষণীয় কলেবরে ঈদ সংখ্যা ৮ পৃষ্ঠার পত্রিকা বের করতে যাচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আমাদেরঘাটাইল ডটকম। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আকর্ষণীয় লেখায় সমৃদ্ধ হবে পত্রিকাটি। আগ্রহী হলে আপনিও লেখা পাঠাতে পারেন। আগামী ০৯ দিনের মধ্যে (৮ জুন) আপনার সবশেষ লেখাটি পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।

আকর্ষণীয় পত্রিকাটি সমৃদ্ধ করতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করছি। এতে উক্ত প্রতিষ্ঠান ও পণ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

লেখা ও বিজ্ঞাপন পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুন:

ঘাটাইল প্রেস ক্লাব, মেইন রোড, ঘাটাইল, টঙ্গাইল।

ই-মেইল news.daghatail@gmail.com 

ফোন: 017 64 - 26 64 75
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

রমজানে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুতের দাবি ঘাটাইলবাসীর


এম.এস.এস.সৌরভ ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ
 পবিত্র মাহে রমজানে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুতের দাবি জানিয়েছে ঘাটাইলের সাধারন জনগন ৷ যাবতীয় কালে ভয়াবহ লোডশোডিংয়ের কবলে সমস্ত ঘাটাইল ৷ গ্রীষ্মের এই তাপদাহে পৌরসভা থেকে শুরু করে গ্রাম অঞ্চলের মানুষ লোডশোডিংয়ে অতিষ্ঠ ৷ এরই মাঝে চলে এসেছে মুসলিম জাহানের অত্যন্ত পবিত্রতার মাস মাহে রমযান ৷ গ্রীষ্মের এই রৌদ্রজ্জল দিনে রোযা রেখে ক্লান্ত হয়ে পড়ে জনজীবন ৷ সারাদিন রোযা রেখে ইফতারের সময় স্বস্তিবোধের জন্য দরকার একটু কৃত্বিম হাওয়া এবং এই গরমে তারাবীহ নামাযের সময় ও সেহেরির সময় প্রয়োজন বিদ্যুৎ ৷ সেজন্য সরকার প্রথম রমযান থেকেই বিদ্যুতের যাবতীয় সকল সমস্যা সমাধান করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানের ঘোষনা দেন ৷ তবে এই রমযানের প্রথম দিনেই তারাবীহ নামাযের সময় ছিল সমস্ত ঘাটাইল অন্ধকারচ্ছন্ন ৷ ঘাটাইলের কোথাও ছিল না বিদ্যুৎ ৷ এমতবস্থায় বিদ্যুৎ অফিসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, লোডশোডিংটা টাঙ্গাইল থেকে করা হয়েছে এতে তাদের হাত নেই ৷ তারপর ঐদিনই রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক ভাবে ঘাটাইলে চালু করা হয় ৷ তবে সেদিন কোনো কারন ছারাই সংযোগ বন্ধ রাখা হয় ঘাটাইলের সবচেয়ে বড় পাহাড়ি অঞ্চলের লাইন ৷ তারপর সকাল ৯টার দিকে পাহাড়ি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় ৷ এ নিয়ে সাধারন জনগনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা জানান, কোনো কারন ছারাই যেমন ঝড় বৃষ্টি বিভিন্ন প্রকৃতিক দুর্যোগ ছারাই অতিরুক্ত লোডশোডিং দেয়া হয় ৷ এছারাও নিয়মিত লোডশোডিংয়ে জনমনে অস্বস্তি বিরাজ করছে ৷ এই গরমে সারাদিন শ্রম ঝড়িয়ে রাতে যেমন ঘুমাতে পারে না শ্রমজীবী মানুষ তেমনি ছাত্রছাত্রীরাও গরমে পড়তে পারে না ৷ সন্ধ্যার পর থেকেই লোডশোডিংয়ের প্রাদুর্ভাব বেশি থাকে ৷ সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কোনো কোনো স্থানে প্রতিদিন লোডশোডিং থাকে ৷ বিদ্যুতের এমন আচরনে ক্ষুদ্ধ জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ ছাত্র সংসদের নেতারাও ৷ জিবিজি কলেজ শাখা ছাত্র সংসদের এজিএস রঞ্জু আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, চলতি সময় জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি পরিক্ষা চলছে কিন্তু অতিরুক্ত লোডশোডিংয়ে পরিক্ষার্থীদের পরিক্ষা দিতে অনেক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে , সেজন্য যেন দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয় ৷ নয়তো আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব ৷ এই ভয়াবহ লোডশোডিংয়ের জন্য ঘাটাইল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি ৷ তারপর এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন কে অবহিত করলে তিনি সকলকে ধৈর্যধারন করতে বলেন এবং খুব শীগ্রই সমাধান করা হবে বলে জানান ৷ ঘাটাইলের সাধারন জনগন সহ বিভিন্ন সংগঠনের দাবি যেন এই পবিত্র রমযান মাসে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ প্রদান করে জনমনে স্বস্থি ফিরিয়ে আনা হয় ৷
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

রমজানে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুতের দাবি ঘাটাইলবাসীর


এম.এস.এস.সৌরভ ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ
 পবিত্র মাহে রমজানে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুতের দাবি জানিয়েছে ঘাটাইলের সাধারন জনগন ৷ যাবতীয় কালে ভয়াবহ লোডশোডিংয়ের কবলে সমস্ত ঘাটাইল ৷ গ্রীষ্মের এই তাপদাহে পৌরসভা থেকে শুরু করে গ্রাম অঞ্চলের মানুষ লোডশোডিংয়ে অতিষ্ঠ ৷ এরই মাঝে চলে এসেছে মুসলিম জাহানের অত্যন্ত পবিত্রতার মাস মাহে রমযান ৷ গ্রীষ্মের এই রৌদ্রজ্জল দিনে রোযা রেখে ক্লান্ত হয়ে পড়ে জনজীবন ৷ সারাদিন রোযা রেখে ইফতারের সময় স্বস্তিবোধের জন্য দরকার একটু কৃত্বিম হাওয়া এবং এই গরমে তারাবীহ নামাযের সময় ও সেহেরির সময় প্রয়োজন বিদ্যুৎ ৷ সেজন্য সরকার প্রথম রমযান থেকেই বিদ্যুতের যাবতীয় সকল সমস্যা সমাধান করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রদানের ঘোষনা দেন ৷ তবে এই রমযানের প্রথম দিনেই তারাবীহ নামাযের সময় ছিল সমস্ত ঘাটাইল অন্ধকারচ্ছন্ন ৷ ঘাটাইলের কোথাও ছিল না বিদ্যুৎ ৷ এমতবস্থায় বিদ্যুৎ অফিসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, লোডশোডিংটা টাঙ্গাইল থেকে করা হয়েছে এতে তাদের হাত নেই ৷ তারপর ঐদিনই রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক ভাবে ঘাটাইলে চালু করা হয় ৷ তবে সেদিন কোনো কারন ছারাই সংযোগ বন্ধ রাখা হয় ঘাটাইলের সবচেয়ে বড় পাহাড়ি অঞ্চলের লাইন ৷ তারপর সকাল ৯টার দিকে পাহাড়ি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় ৷ এ নিয়ে সাধারন জনগনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা জানান, কোনো কারন ছারাই যেমন ঝড় বৃষ্টি বিভিন্ন প্রকৃতিক দুর্যোগ ছারাই অতিরুক্ত লোডশোডিং দেয়া হয় ৷ এছারাও নিয়মিত লোডশোডিংয়ে জনমনে অস্বস্তি বিরাজ করছে ৷ এই গরমে সারাদিন শ্রম ঝড়িয়ে রাতে যেমন ঘুমাতে পারে না শ্রমজীবী মানুষ তেমনি ছাত্রছাত্রীরাও গরমে পড়তে পারে না ৷ সন্ধ্যার পর থেকেই লোডশোডিংয়ের প্রাদুর্ভাব বেশি থাকে ৷ সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কোনো কোনো স্থানে প্রতিদিন লোডশোডিং থাকে ৷ বিদ্যুতের এমন আচরনে ক্ষুদ্ধ জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ ছাত্র সংসদের নেতারাও ৷ জিবিজি কলেজ শাখা ছাত্র সংসদের এজিএস রঞ্জু আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, চলতি সময় জিবিজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি পরিক্ষা চলছে কিন্তু অতিরুক্ত লোডশোডিংয়ে পরিক্ষার্থীদের পরিক্ষা দিতে অনেক কষ্ট পোহাতে হচ্ছে , সেজন্য যেন দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয় ৷ নয়তো আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব ৷ এই ভয়াবহ লোডশোডিংয়ের জন্য ঘাটাইল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি ৷ তারপর এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন কে অবহিত করলে তিনি সকলকে ধৈর্যধারন করতে বলেন এবং খুব শীগ্রই সমাধান করা হবে বলে জানান ৷ ঘাটাইলের সাধারন জনগন সহ বিভিন্ন সংগঠনের দাবি যেন এই পবিত্র রমযান মাসে নির্বিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ প্রদান করে জনমনে স্বস্থি ফিরিয়ে আনা হয় ৷
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন

ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতায় যেভাবে বন্ধ হলো দুই বাল্যবিয়ে


তখন সময় রাত ১টা। বিয়ের সব অয়োজন সম্পন্ন। আত্মীয়-স্বজনের সমাগমে সরগরম বিয়ে-বাড়ি। ১৬ বছর বয়সী কিশোরী কন্যাকে  সাজানো হয়েছে বধূবেশে। তারাবির নামাজ শেষে চলে এসেছে বরযাত্রীও। কিছুক্ষণের মধ্যেই কন্যা বসবে বিয়ের পিঁড়িতে। এমন সময় সেখানে হাজির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন এবং তার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অন্যান্য ব্যক্তিরা। ব্যাস বন্ধ হয়ে যায় সেই বাল্যবিয়ে।
ঘটনাটি ঘটে শনিবার দিবাগত রাত ১টায়  টাঙ্গাইলের জামুরিয়া ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতায় বন্ধ হয়ে যায় নুরুল হুদার ১৬ বছর বয়সী মেয়ের বিয়ে। জরিমানা হিসেবে আদায় করা হয় পনেরো হাজার টাকা।
এসময় বিয়ের আসর থেকে বর পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও আটক করা হয় বর ও কনে পক্ষের ৪ জনকে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পুলিশ-প্রশাসন সকলের তৎপরতায় বর ও কনে পক্ষ উভয়ের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করে এবং মেয়ের বয়স ১৮ হওয়ার আগে বিয়ে না দেয়ার শর্তে ছাড়া হয়।
এদিকে রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন ও চ্যানেল আই অনলাইনের তৎপরতায় বাল্যবিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায় আরও এক কিশোরী।
ঘটনাটি ঘটে রেববার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের বীরসিংহ গ্রামে। বাবা লোকমান হোসেন ও মা শিউলি আক্তারের কন্যা ১৬ বছর বয়সী এ কিশোরী এসএসসি পরীক্ষায় গাজীপুর সদর উপজেলার নয়নপুর গ্রামের ব্রাইট মডেল স্কুল থেকে ৪.৫৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। কিশোরীর স্বপ্ন ছিলো কলেজে পড়ার। কিন্তু এরই মাঝে পারিবারিকভাবে সম্পন্ন করা হয় তার বিয়ের সব অায়োজন।
কিশোরীকে বিয়ে দেয়ার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় দাদাবাড়ি টাঙ্গাইলে। সেখানে তার ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ের কথা ছিল তার। রোববার প্রথম রমজানের দিন ইফতারের পরপরপরই ছিল তার বিয়ের অায়োজন।
বিষয়টি সে তার এক শিক্ষককে জানালে তার শিক্ষক যোগাযোগ করেন চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে। চ্যানেল আই অনলাইনের পক্ষ থেকে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে মেয়ের বাবা-মাকে বুঝিয়ে সক্ষম হন বিয়ে বন্ধ করতে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, তার এলাকায় বাল্যবিয়ে বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অনেক বেশি তৎপর। যে কোন সময় তার কাছে এ ধরণের সংবাদ এলেই তিনি ছুটে যান ঘটনাস্থলে। এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে উভয় পরিবারকে বুঝিয়ে বন্ধ করেন বিয়ে।
এ ধরণের কাজে ঝুঁকিও অনেক অাছে উল্লেখ করে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘একটা বিয়ের সব অায়োজন সম্পন্ন। গরু-খাসি জবাই দিয়ে অনেক টাকা খরচ করে করা হয় অায়োজন। সে অবস্থায় সেখানে যেয়ে উভয় পরিবারকে বোঝানো সত্যিই অনেক কঠিন। অনেকে মানতে চাননা। তারপরও উভয় পরিবারকে বুঝিয়ে মুচলেকা আদায় করে তারপরই দেয়া হয় ছাড়।’
সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন
আমাদের ঘাটাইল ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সবার আগে যেকোন সংবাদ জানতে আমাদের ঘাটাইল ডটকম পত্রিকাটি ভিজিট করুন