বুধবার, জানুয়ারি ০২, ২০১৯

সরকারের কাছে তারকাদের চাওয়া

সুশাসকের চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের সুখ-শান্তি নিশ্চিত করা, তাদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাওয়া। এই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব সরকারের। আওয়ামী লীগ সরকার তা পেরেছে বলেই আজ তারা ক্ষমতায়। জনগন তাদের নিরাশ করেনি। নতুন সরকারের কাছে তারকাদের রয়েছে কিছু প্রত্যাশা। সেইসব প্রত্যাশা তুলে ধরা হলো।

নুসরাত ফারিয়া

১. সম্প্রতি বছরগুলোতে নারী সমাজের সামগ্রিক অগ্রগতি অনেক বেড়েছে। এখন নারী উন্নয়ন ও নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে হবে।

২. দুর্নীতি শব্দ একদম উপড়ে ফেলতে হবে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনেক অর্জন আছে। সেগুলো ম্ল্যান হয়ে যায় গুটিকয়েক মানুষের দুর্নীতির ফলে।



৩. এফডিসিকে আরও উন্নত করা। এমন ব্যবস্থা করা উচিত, যেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দক্ষ লোক বের হয় সিনেমার।টেকনিক্যালি আমাদের আরও উন্নত হতে হবে।

পূর্ণিমা

১. দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে মাল্টিপ্লেক্সের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে।সম্ভব হলে দেশের সবগুলো জেলা শহরে কমপক্ষে একটি হলেও মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ।

২. গত দুই আমলে সরকার যথেষ্ঠ উন্নয়ন করেছে।তার ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। পদ্মা সেতুসহ এমন বড় বড় প্রকল্প দ্রুত শেষ করা।

৩. শিক্ষাখাতে আরও মনোযোগি হতে হবে। শিক্ষা একটা জাতির মেরদন্ড। সেখান থেকে কোন খারাপ সংবাদ শোনা মোটেও কাম্য নয়।

বিদ্যা সিনহা মিম

১. নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরী হোক। যাতে করে বাংলাদেশের তরুন সমাজ বিপদগামী যেন না হয়।

২. মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপত্তা না থাকলে কোন উন্নয়নই টেকসই হয় না। কঠোরভাবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।



৩. নতুন সরকার কিছু জনমোহিনী সিদ্ধান্ত নিক, একই সঙ্গে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করুক এটা চাওয়া।

কনা

১. বিশেষ নয়, সব শ্রেনী পেশার মানুষেরই যেন কর্মেক্ষেত্রে উন্নতি হয়। সেটা খেয়াল রাখতে হবে। উদাহরণ, একটা শিক্ষিত ছেলে যেন তার মেধাটা কৃষিকাজেও লাগাতে পারে। তাকে সেভাবে হেল্প করতে হবে।

২. নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের সবকিছুর সমানতালে উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়েছে। মানুষের মনে যেন ভয় না থাকে। সরকারকে সেজন্য আরও কঠোর হতে হবে।

৩.আমাদের দেশে শিল্প সংস্কৃতির প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পাওয়ার জায়গা খুবই কম। সরকার উদ্যোগি হয়ে যদি কোন ইনস্টিটিউশন করতে পারে যেখান থেকে শুধুমাত্র একজন গায়ক-গায়িকা নয়। ভালো কম্পোজার বা অন্যান্য সেক্টরের শিক্ষিত একটা সমাজ পাওয়া যাবে। যেমন খেলাধুলার ক্ষেত্রে বিকেসপি আছে।

শবনম ফারিয়া

১. ভালো-মন্দ বলতে পারার স্বাধীনতা দিতে হবে আমাকে। সমালোচনা করছি মানে এই নয় যে আমি বিরোধী পক্ষ। আমি সমালোচনা করছি মানে, আমি আরও ভালো চাই। সমালোচনা তাঁরই করব, যাঁর কাছ থেকে আমার প্রত্যাশা বেশি। যেকোনো বিষয়ে সমালোচনা করলে তা সরকারকে ইতিবাচকভাবে নিতে হবে।

২. যানজটমুক্ত একটি শহরের প্রত্যাশা নতুন সরকারের কাছে। ঢাকা শহরে যানজট মারাত্মক সমস্যা, এটা যেন সমাধান হয়।



৩. বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত আমাদের। এটার আরও ব্র্যান্ডিং ও উন্নয়ন দরকার। রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। কক্সবাজারকে বিশ্বের সামনে আকর্ষণীয় করে তুলে ধরতে হবে। পর্যটন দিয়ে আমরা বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারব। এত সুন্দর আমাদের দেশ, এটা যেন তুলে ধরা হয়।

সাবিলা নূর

১. দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস দমন ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়া যেন নতুন সরকারের মূল উদ্দেশ্য হয়।

২. সারা বিশ্বে এখন গ্লোবাল ওয়ার্মিং একটা বড় ইস্যু। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কথাও যেন নতুন সরকার গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা করে এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়।

৩. সিনেমার জন্য যেমন এফডিসি আছে। সরকারীভাবে নাটকের জন্য এমন কিছু করলে হয়তো ভালো হত। যেখান থেকে নাটকের পেছনের মানুষেরা অনেক হেল্প পেত। এখন যেটা হয়, সবটাই নিজের পকেটের টাকা থেকে ভাড়া করতে হয়। কেউ নাটক বানাতে গেলে সরকারী কোন হেল্প পায় না।

তৌসিফ মাহবুব

১. গত ৫-৬ বছরে যেভাবে এগিয়ে গেছি, তা সত্যিই বিস্ময়কর। নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা হলো, তারা যেন চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যায়।

২. আমাদের সুযোগ আছে, মেধা আর জনশক্তিও আছে, এসব ডিজিটালিতে কাজে লাগাতে পারলে আমরা বিশ্বে ১ নম্বর হতে পারব। ডিজিটালি আমরা যত উন্নত হব। তত বেশি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবো। একদিন আমরাও অনেককিছু আবিস্কার করবো।

৩. আমার সেক্টর নিয়ে বলতে চাই, আমাদের দেশে আইফ্লিক্স, নেটফ্লিক্স এসেছে। সামনে আমাজান আসবে। এসব এখন আমরা শুধু দেখতে পারি, নিজেরা প্রোডাকশন বানাতে পারি না। কিন্তু আমাদের যোগ্যতা আছে, তারপরও কিছুই করতে পারি না। ভারত এরই মধ্যে অনেক কিছু করছে। আমার প্রত্যাশা এই সুযোগটা সরকার করে দেবে।

মেহজাবিন

১. নতুন সরকারের কাছে প্রথম প্রত্যাশা মাদকমুক্ত যুবসমাজ। কারণ এই যুবকেরাই দেশের দায়িত্ব নেবেন। মাদকাসক্ত চালক যেমন যাত্রীর জীবনের জন্য হুমকি, তেমনি যেকোনো পেশার মাদকাসক্ত কর্মীকে দিয়ে ভালো কিছু আশা করা যায় না।

২. রাজধানীসহ সারা দেশের যানজট নিরসন

৩. প্রতিটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন। দেশের প্রতিটি হাসপাতালকে যেন মনিটরিংয়ের আওতায় নেওয়া হয় এবং সেগুলোতে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়।

সিয়াম আহমেদ

১. কমপক্ষে প্রতিটি জেলায় সরকারী উদ্যোগে মাল্টিপ্লেক্স নির্মাণ। যা ছাড়া আসলে এখন আর সিনেমা বানানোর কোন মানে নেই।

২. সরকার যে বরাদ্ধ দেয় শিল্পখাতে। সেটা যেন আরও যথাযথভাবে নজড়দারীতে রাখে। সরকার দক্ষলোক দিয়ে যেন নিয়মিত হলগুলো মনিটরিং করে। দর্শক কি চায় তা জেনে যেন সিনেমাখাতকে ঢেলে সাজায়। এটা যেন মাথায় রাখে এ থেকেও আমরা দেশের অর্থনীতিতে কন্ট্রিবিউশন করতে পারি। যেমনটা হলিউড- বলিউড করে।



৩.দেশে শান্তি চাই।চাইনা রাজনীতির দাবানলে কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হোক।

তাহসান রহমান খান

১. আমার চাওয়া, ডিজিটাল প্রযুক্তির দিক থেকে আমরা অনেক এগিয়েছি। সামনে যেন আরও বেশি এগিয়ে যেতে পারি। অনেক ক্ষেত্রে আমরা এখনো পিছিয়ে। নতুন সরকার আমাদের সেই ঘাটতিগুলো পূরণ করে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

২. বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারি, ক্ষেত্র বিশেষে যেন ছাড়িয়েও যেতে পারি। বিশ্বের অনেক দেশের শিল্পী আন্তর্জাতিকভাবে গান রিলিজ করে। আমরা কিন্তু এখানে পিছিয়ে। আমাদের ভালো কম্পোজার আছে। সরকার উদ্যোগি হয়ে যদি এমন ব্যবস্থা করতো। তাহলে আমাদের গানের মার্কেট আরও বাড়তো।

৩. পড়াশুনাটা আরও সহজলভ্য করা উচিত।তা না হলে ভালো স্কুল-কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বড়লোকদের দখলেই আজীবন থেকে যাবে।

ঘাটাইল বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মীর আ’লীগে যোগদান

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইখলাক হোসেন খান শামীম আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জামুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আজ বুধবার (২ জানুয়ারি) ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আওয়ামী লীগের প্রয়াত সংসদ সদস্য ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের বড় ভাই শামসুর রহমান খান শাহজাহনের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামুর হাত ধরে ইখলাক হোসেন শামীম আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান ইখলাক হোসেন খান শামীমের সাথে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের শতাধিক বিএনপি কর্মী সমর্থক এ সময় আওয়ামী লীগে যোগ দেন।

বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া আরও তিনজন ইতোপূর্বে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তারা হলেন, উপজেলার দীঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সন্ধানপুর ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম এবং ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এজাহারুল ইসলাম ভুঁইয়া মিঠু। এছাড়া উপজেলার দিগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মামুনও আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। এছাড়াও ঘাটাইল পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ওয়ার্ড কমিশনার শাহাদৎ হোসেন শামিম আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।

এখন ঘাটাইলে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া চারজন আওয়ামী লীগে। ঘাটাইল উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আওয়ামী লীগের পতাকা তলে আশ্রয় নিয়েছেন।

পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি প্রমুখ।

যোগদানের বিষয়টিকে ইতিবাচক দিক হিসেবেই দেখছেন সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান বলেন, ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল। দলে লৎফর রহমান খান আজাদের কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই। নেতা কর্মীদের শেষ আশ্রয়স্থল বলে কোন শব্দ নেই। তাই তারা দলে দলে আ’লীগে যোগদান শুরু করেছে।

ঘাটাইলে শামসুর রহমান খানের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ প্রয়াত শামসুর রহমান খান শাজাহানের ষষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার বিকালে উপজেলার হামিদপুর বাসস্ট্যান্ডে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মহিয়ার উদ্দিন মিয়ার সভাপতিত্বে দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আ’লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ’লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজলুর রহমান খান ফারুক।

প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল(৩)ঘাটাইলের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট আলমগীর খান মেনু,শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর,সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু সুভাস চন্দ্র সাহা,ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরিফ হোসেন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিঘর ও দিঘলকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদ,হামিদপুর ট্রাক শ্রমিক সভাপতি জাকির হোসেন খান রতন,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মফেল উদ্দিন তালুকদার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদ রাজিব,উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক মো.স¤্রাট খান,ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হক খান রাসেল(কালিয়াগ্রাম),দিঘর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন জনি প্রমুখ। স্মরণসভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।    

প্রকাশ,জননেতা শামছুর রহমান খান শাজাহান টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বাগুন্তা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরের যোনাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ১৯৭০, ১৯৭৩ এবং ১৯৮৬ সালে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। জীবদ্দশায় রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকটি বই রচনা করেন। তার মধ্যে ‘মুক্তিযুদ্ধের ডায়েরি, চিঠি ও স্মৃতিচারণ’ এবং ‘কেউ দাবাইয়া রাখতে পারবানা’ অন্যতম। বিগত ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি তিনি ইন্তেকাল করেন।