বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ০৬, ২০১৬

ঘাটাইলে এমপি রানা’র মুক্তির দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

মো. খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের এম.পি আমানুর রহমান খান রানা’র মুক্তির দাবীতে ঘাটাইলের সাগরদিঘীতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাগরদিঘী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা’র সাগরদিঘী অঞ্চলের আওয়ামীলীগ এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। আওয়ামীলীগ নেতা শামসউদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন, আ’লীগ নেতা মোতালেব হোসেন, এসকান্দর হক, রিয়াজ উদ্দিন ভোলা, যুবলীগ নেতা সুজন তালুকদার, সুমন খান বাবু, রফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাইফুল, মোকম্মেল, আজহার, জলিল, জহিরুল, সোহগ, সজিব, খোরশেদ আলম, আঃ রাজ্জাক, মোশারফ হোসেন, নয়ন, হাশেম, সেন্টু মিয়া, কায়সার, শামীম, ইয়ার মাহমুদ খোকন, আঃ ছামাদ মিয়া, ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল মিয়া প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা এমপি আমানুর রহমান খান রানা’র দ্রুত মুক্তি ও তার উপর সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান।

শহীদদের স্বীকৃতিতে ঘাটাইলের পাকুটিয়ায় তারুণ্যের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

মোঃ খায়রুল ইসলাম, প্রতিনধি, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ॥
মহান মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখলেও স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরেও কয়েকজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা র স্বীকৃতি মিলেনি। ঐ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারদেরকে আজও কেউ খোজঁ-খোবর নেয়নি। শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সরকার কর্তৃক বিভিন্ন প্রকার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত তার পরিবার । একাত্তরের স্বাধীকার আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম পীঠস্থান টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা। এখানকার পাকুটিয়াস্থ সৎসঙ্গ আশ্রম ছিল মুক্তিযুদ্ধকালীন গেরিলা মুক্তি সেনাদের অন্যতম ঘাটি ও শেল্টার হাউজ। আর সেই  কারণে ঐ আশ্রমে হানাদার বাহিনী হামলা করে কয়েকবার।  যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এই স্থানে ঘাতকের নির্মম গুলি ও বেয়নেটের খোচায় নির্মমভাবে শহীদ হন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্যারী মোহন আদিত ।   প্যারী মোহন আদিত্যের মতো তেমনিভাবে কালের ¯্রােতে চাপা পড়ে যায়  ঘাটাইলের পাকুটিয়ার  শহীদ আব্দুল খালেক ,আবুল হাসেম আলী খান, শহীদ নারায়ণ চন্দ্র পাল, শহীদ রঙ্গ রানী পাল ও শহীদ বামাচরন শর্মা।  কারো স্বীকৃতি মিলেছে আবার কারো মেলেনি। তেমনি শহীদ প্যারী মোহন আদিত্য মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখলেও স্বাধীনতার ৪৫ বছর পেরিয়ে গেরেলও তিনি এবং  তার  পরিবারের সন্তানরা পাননি কোন স্বীকৃতি।
কিন্তু তাদের এই স্বীকৃতির জন্য সরকারি ভাবে  কোন উদ্যোগ না দেখে ব্যতিক্রমী হয়েছেন নতুন প্রজন্মের কিছু তরুণ। মহান মুক্তিযুদ্ধে মাতৃভূমির জন্য যারা  শহীদ হয়েছিলেন তাদের নামগুলো পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কিছু তরুণ নিয়েছেন এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। শহীদ প্যারী মোহন আদিত্য, শহীদ আব্দুল খালেক খান, শহীদ হাসেম আলী খান, শহীদ নারায়ণ চন্দ্র পাল, শহীদ রঙ্গ রানী পালের নামে ঘাটাইলের পাকুটিয়ার চারটি সড়কের নামকরণর  করা হয়।
১১ নং সেক্টরের কাদেরীয় বাহিনীর (ঢাকা, টাঙ্গাইল, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহ এলাকার) আঞ্চলিক কমান্ডার আলহাজ্ব খোরশেদ আলম তালুকদার (বীরপ্রতিক) বলেন, আমার জানা মতে তিনি একজন প্রকৃত শহীদ মুক্তিযোদ্বা। কি কারণে সে স্বীকৃতি পাননি তা জানা নেই তবে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তার স্বীকৃতি পাওয়া উচিত।  শহীদ প্যারী মোহন আদিত্য ছিলেন  ঘাটাইলের  পাকুটিয়াস্থ সৎসঙ্গ আশ্রমের  দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৭১ সালের ৮ই আগষ্ট পাকুটিয়া সৎসঙ্গ আশ্রমে তিনি নিজ কোম্পানীর জোয়ানসহ অবস্থান করছিলেন। ঐদিন আনুমানিক বিকাল ৩ টায় পাক সেনা বাহিনী টাঙ্গাইল থেকে মধুপুর যাওযার পথে পাকুটিয়া সৎসঙ্গ আশ্রমে মুক্তিযোদ্ধা আছে সন্দেহে আশ্রমে আবারও সাড়াসি আক্রমন চালায়। প্রচন্ড গোলাগুলিতে  প্যারিমোহন মারা যান। তার পরও তার নাম লেখা হয়নি শহীদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায়। এ ব্যাপারে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ঘাটাইল শাখার কমান্ডার তোফাজ্জল হোসনের সাথে কথা বললে তিনি  জানান,প্যারী মোহন আদিত্য পাক হানাদার বাহিনীর গুলিতে সৎ সঙ্গ আশ্রমে শহীদ হন।  শহীদ মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে তার নাম  আসা উচিৎ ছিল।

শহীদদের স্বীকৃতিতে ঘাটাইলের পাকুটিয়ায় তারুণ্যের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

মোঃ খায়রুল ইসলাম, প্রতিনধি, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) ॥
মহান মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখলেও স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরেও কয়েকজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা র স্বীকৃতি মিলেনি। ঐ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারদেরকে আজও কেউ খোজঁ-খোবর নেয়নি। শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সরকার কর্তৃক বিভিন্ন প্রকার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত তার পরিবার । একাত্তরের স্বাধীকার আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম পীঠস্থান টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা। এখানকার পাকুটিয়াস্থ সৎসঙ্গ আশ্রম ছিল মুক্তিযুদ্ধকালীন গেরিলা মুক্তি সেনাদের অন্যতম ঘাটি ও শেল্টার হাউজ। আর সেই  কারণে ঐ আশ্রমে হানাদার বাহিনী হামলা করে কয়েকবার।  যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এই স্থানে ঘাতকের নির্মম গুলি ও বেয়নেটের খোচায় নির্মমভাবে শহীদ হন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্যারী মোহন আদিত ।   প্যারী মোহন আদিত্যের মতো তেমনিভাবে কালের ¯্রােতে চাপা পড়ে যায়  ঘাটাইলের পাকুটিয়ার  শহীদ আব্দুল খালেক ,আবুল হাসেম আলী খান, শহীদ নারায়ণ চন্দ্র পাল, শহীদ রঙ্গ রানী পাল ও শহীদ বামাচরন শর্মা।  কারো স্বীকৃতি মিলেছে আবার কারো মেলেনি। তেমনি শহীদ প্যারী মোহন আদিত্য মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখলেও স্বাধীনতার ৪৫ বছর পেরিয়ে গেরেলও তিনি এবং  তার  পরিবারের সন্তানরা পাননি কোন স্বীকৃতি।
কিন্তু তাদের এই স্বীকৃতির জন্য সরকারি ভাবে  কোন উদ্যোগ না দেখে ব্যতিক্রমী হয়েছেন নতুন প্রজন্মের কিছু তরুণ। মহান মুক্তিযুদ্ধে মাতৃভূমির জন্য যারা  শহীদ হয়েছিলেন তাদের নামগুলো পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কিছু তরুণ নিয়েছেন এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। শহীদ প্যারী মোহন আদিত্য, শহীদ আব্দুল খালেক খান, শহীদ হাসেম আলী খান, শহীদ নারায়ণ চন্দ্র পাল, শহীদ রঙ্গ রানী পালের নামে ঘাটাইলের পাকুটিয়ার চারটি সড়কের নামকরণর  করা হয়।
১১ নং সেক্টরের কাদেরীয় বাহিনীর (ঢাকা, টাঙ্গাইল, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহ এলাকার) আঞ্চলিক কমান্ডার আলহাজ্ব খোরশেদ আলম তালুকদার (বীরপ্রতিক) বলেন, আমার জানা মতে তিনি একজন প্রকৃত শহীদ মুক্তিযোদ্বা। কি কারণে সে স্বীকৃতি পাননি তা জানা নেই তবে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তার স্বীকৃতি পাওয়া উচিত।  শহীদ প্যারী মোহন আদিত্য ছিলেন  ঘাটাইলের  পাকুটিয়াস্থ সৎসঙ্গ আশ্রমের  দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৭১ সালের ৮ই আগষ্ট পাকুটিয়া সৎসঙ্গ আশ্রমে তিনি নিজ কোম্পানীর জোয়ানসহ অবস্থান করছিলেন। ঐদিন আনুমানিক বিকাল ৩ টায় পাক সেনা বাহিনী টাঙ্গাইল থেকে মধুপুর যাওযার পথে পাকুটিয়া সৎসঙ্গ আশ্রমে মুক্তিযোদ্ধা আছে সন্দেহে আশ্রমে আবারও সাড়াসি আক্রমন চালায়। প্রচন্ড গোলাগুলিতে  প্যারিমোহন মারা যান। তার পরও তার নাম লেখা হয়নি শহীদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায়। এ ব্যাপারে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ঘাটাইল শাখার কমান্ডার তোফাজ্জল হোসনের সাথে কথা বললে তিনি  জানান,প্যারী মোহন আদিত্য পাক হানাদার বাহিনীর গুলিতে সৎ সঙ্গ আশ্রমে শহীদ হন।  শহীদ মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে তার নাম  আসা উচিৎ ছিল।