মঙ্গলবার, অক্টোবর ০২, ২০১৮

ঘাটাইলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন


ঘাটাইলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আওতায় বাস্তবায়নাধীন এই মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ।

উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের গৌরিশ্বর খাজারচালা নামক স্থানে মিনি স্টেডিয়ামটি নির্মিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হাসান আহমেদ সারওয়ার, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এনামুল হক ,সন্ধানপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমূখ।

ঘাটাইলে মাদক সম্রাট মনির মেম্বার আত্মগোপনে


দেশব্যাপী চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার আতংকে আত্মগোপনে রয়েছে ঘাটাইলের মাদক স¤্রাট দিঘলকান্দি ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনির। আত্মগোপনের বিষয়টি এলাকাবাসীরা নিশ্চিত করেছেন। গত ৮ মার্চ দিনব্যাপী অভিযানে মাদক সম্রাট মনিরুজ্জামান মনিকে গ্রেফতার করতে ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের নাটশালা গ্রামের নিজ বাড়িতে দফায় দফায় অভিযান চালায় পুলিশ। এরপর থেকে মনিরুজ্জামান মনি গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায় বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন ।


জানাযায়, ঘাটাইল উপজেলার নাটশালা গ্রামের শাজাহান তালুকদার ওরফে সাজা তালুকদার এর ছেলে মনি(৩৫), ১০/১২ বছর আগে দিনমজুরী থেকে ভ্যান চালিয়ে কোন রকম জীবন যাপন করতো। জামালপুর জেলার তার এক বন্ধুর মাধ্যমে সে মাদক ব্যবসা শুরু করে। লাকী সেভেন এই মনির অল্প সময়ের মধ্যে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে রাতারাতি স্থানীয় কিছু অসাধু মাতাব্বর শ্রেণীর লোক মেনেজ করে হিরোইন,ইয়াবা,গাজা,ফেন্সিডিল এমনকি শোনাযায় অস্ত্র ব্যবসা করে প্রায় শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তার এলাকায় বিশাল একটি সিন্ডিকেট তৈরী করে রাম রাজত্ব কায়েম করে আসছে। ভাড়ায় চালিত হোন্ডা চালক জানায়,মনির তার বর্তমানে প্রায় এক কোটি মূল্যের ৪/৫টি গাড়ী উত্তর বঙ্গে চলছে। তাছাড়া ১০/১২টি হোন্ডা ও অটো চালক দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা হয়ে আসছে।



মনিরের গ্রামের জৈনক্য এক নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক ব্যক্তি জানান, চারটি রাইচমিল ও তিনটি বাড়ীর মালিক হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে দিবালোকে কথা বলতে পারে না। কারন সকল প্রশাসন নাকি কিনে ফেলেছে বলে বেড়ান। বিভিন্ন ফাক ফোকরা পারি দিয়ে ৫০/৫৫জন সহযোগী নিয়ে মাঠে মনির এখন নাটের গুরু। মনির এখন প্রায় শতকোটি মালিক হয়ে নাকে তেল দিয়ে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এ ব্যাপারে তিনি প্রায় ৪০/৪৫ বার গ্রেফতার হয়েছেন।তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা আছে কিন্তু আইন তাকে আটকিয়ে রাখতে পারে নাই।মাদক স¤্রাট মনির মেম্বারসহো এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

পলাতক মনির মেম্বারের বরখাস্তের দাবি এলাকাবাসীর ঃ

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী, পরিষদের সদস্যের নামে ফৌজদারি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে গৃহীত হলে কিংবা আদালত অপরাধ আমলে নিলে সংশ্লি¬ষ্ট সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনে আরো আছে, যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া পরপর তিনটি উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় অনুপস্থিত থাকলে একজন চেয়ারম্যান বা সদস্য সাময়িকভাবে বরখাস্তের আওতায় পড়বেন।কিন্তু ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাদক স¤্রাট মনির এসব আইন লঙ্ঘন করে পলাতক থেকে এখনো বহাল তবিয়তে ‘মেম্বারগিরি’ করে যাচ্ছেন।



ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(তদন্ত)মো.আশরাফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযান অব্যাহত আছে।মনির মেম্বার মাদক ব্যবসায়ীদের গড ফাদার, তাদের আটক করতে পুলিশ সর্বদা সচেষ্ট।