বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ০৪, ২০১৯

টাঙ্গাইলে প্রয়াত কেন্দ্রীয় আ.লীগের দুই নেতার মৃত্যুবাষির্কী পালিত

টাঙ্গাইলে আজ বুধবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই ঘনিষ্ট সহচর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য জননেতা আব্দুল মান্নান ও উপদেষ্টা পরিষদের সাবেক সদস্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুলের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সকালে মরহুম দুই নেতার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন ও আত্মার মাগফেরাত মোনাজাত করেন সংসদ সদস্য মোঃ ছানোয়ার হেসেনসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

এ উপলক্ষে দিনব্যাপী জেলার সকল উপজেলায় আলোচনা সভা, দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরন, মিলাদ মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসুচী পালিত হয়।

উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের এম.এন ইনচার্জ ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জননেতা আব্দুল মান্নান ২০০৫ সালের ৪ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।
অপরদিকে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। প্রয়াত এ দুই নেতার বাড়িই টাঙ্গাইল সদর উপজেলায়।

মুরগীর বাচ্চা বাঁচাতে টাকা নিয়ে হাসপাতালে শিশু!

রাজধানী ঢাকার বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশবাসী যখন শোকে মুহ্যমান ছিল তখন ফায়ার সার্ভিসের লোকজনের সাথে পানির পাইপ ধরে রাখা ছোট্ট একটি শিশুর ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

পরে জানা যায় ভাইরাল ওই শিশুর নাম নাঈম। এরপরই শিশু নাঈমের এমন মানবিক কাজে খুশি হয়ে অনেকে বাহবা দেন। তার এই কাজে মুগ্ধ হয়ে তো তাকে উপহার স্বরূপ ৫ হাজার ডলার প্রদানের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ওমর ফারুক সামি।

তিনি জানান, উপহারের পাশাপাশি নাঈমের যাবতীয় পড়ালেখার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। স্পষ্ট জানিয়ে দেন নাঈমকে তিনি পুরস্কার তো দিবেনই পাশাপাশি নাঈমের পুলিশ হওয়ার যে স্বপ্ন আছে তা বাস্তবায়নেও কাজ করবেন তিনি।

এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরেক শিশুর ছবি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হলো। ওই ৬ বছর বয়সী শিশু ও একটি চোট পাওয়া মুরগীর বাচ্চার ঘটনা একেবারে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সবাইকে।

জানা গেছে, শিশুটির নাম ডেরিক সি লালচনহিম। লালচনহিম নামের ওই শিশুটি সাইকেল চালানোর সময় চাপা দেয় সেই মুরগীর বাচ্চাটিকে। এরপর থেকেই মুরগীর বাচ্চার প্রতি শিশুটির অপরাধবোধ ও সহানুভূতি মানুয়ের বিবেকে নাড়া দেয়। এটি মানুষ খুব করে ভাবাচ্ছে।

প্রতিবেশীর মুরগীর বাচ্চাটিকে সাইকেল চাপা দিয়ে অপরাধবোধে অনুতপ্ত ওই শিশুটি তার কাছে যে কয়টা টাকা ছিল তা হাতে নিয়ে মুরগীর বাচ্চাসহ পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে ছুটে যায়।

সম্প্রতি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের সাইরাং অঞ্চলে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

বুধবার (৩ এপ্রিল) ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, শিশুটির এক হাতে ছিল ১০ টাকার একটি নোট আর অন্য হাতে আহত সেই মুরগীর বাচ্চাটি। সেই ছবি একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী শেয়ার করার পর তা সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে যায়।

এরইমধ্যে প্রায় ১ লাখেরও বেশি মানুষ ছবিটির রিয়েকশন দিয়েছে এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ ছবিটির নিচে কমেন্ট (মন্তব্য) করেছেন।

এ বিষয়ে শিশু লালচনহিমের বাবা বলেন, যখন মুরগীটি আহত অবস্থায় দেখি, তখন প্রচুর রক্ত দেখা যায়। হাসপাতাল থেকে শেষমেষ ছোট্ট ডেরিক সুস্থ মুরগী নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে না। তবে তার সহানুভূতি এবং অপরাধবোধ সবাইকে একবার হলেও ভাবাচ্ছে এমনটাই বলছিলেন শিশুটির বাবা।

সৌম্য সরকারের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং

শক্তিশালী প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে নবম রাউন্ডের ম্যাচে একজন বোলার কম নিয়েই খেলতে নেমে গিয়েছিল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড। ভরসা ছিলো অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সাব্বির রহমান এবং সৌম্য সরকারের পার্টটাইম বোলিংয়ের ওপর।

সে ভরসার পূর্ণ প্রতিদান দিয়েছেন ড্যাশিং টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান ও পার্টটাইম মিডিয়াম পেসার সৌম্য সরকার। নিয়মিত বোলারদের মতোই পূর্ণ ১০ ওভার বোলিং করে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছেন ২৬ বছর বয়সী সৌম্য।

১৪তম ওভারে প্রথমবারের মতো আক্রমণে আসেন সৌম্য। বোলিংয়ের ধার দেখে ইনিংসের শেষ ওভারটিও সৌম্যের হাতেই তুলে দেন আবাহনী অধিনায়ক। নিরাশ করেননি সৌম্য। ১০ ওভারের স্পেলে মাত্র ৩৪ রান খরচায় নিয়েছেন ৪টি উইকেট। যা কি-না লিস্ট 'এ' ক্যারিয়ারে তার সেরা বোলিং। এতদিন ধরে ২৫ রানে ৩ উইকেট ছিলো সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড।

নিজের পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে প্রাইম দোলেশ্বরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ফরহাদ হোসেনকে (৪৭) অধিনায়ক মোসাদ্দেকের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান সৌম্য। ইনিংসের ৪৫ এবং সৌম্যের নবম ওভারে আউট হন দলের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মার্শাল আইয়্যুব (৪০)।

পরে ইনিংসের একদম শেষ ওভারের শেষ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ রান করা তাইবুর পারভেজকেও ফেরান সৌম্য। একই ওভারে মানিক খানকে সাজঘরে পথ দেখান তিনি। সবমিলিয়ে দিনের সেরা বোলারের নামটা সৌম্য সরকারই। যিনি অপেক্ষায় রয়েছেন ব্যাট হাতেও প্রাইম দোলেশ্বরের ওপর ছড়ি ঘোরাতে।

মাশরাফির কাছে জায়গামত ধরা ফরহাদ রেজা

অন্যান্য ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেও আজ আর পারেননি প্রাইম দোলেশ্বর অধিনায়ক ফরহাদ রেজা। ইনিংসের ৪৮তম ওভারে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে তুলে মারতে গিয়েছিলেন। পরে দেখলেন বল একটু টেনে দিয়েছেন চতুর মাশরাফি।

তাই শটে নিয়ন্ত্রন রাখতে পারেননি রেজা। ফলে শটে না ছিল পাওয়ার, না বল বাতাসে ভেসেছে বেশি। তাই সীমানার ৫-৭ গজ আগে লং অন বাউন্ডারিতে সাব্বির রহমানের হাতে ধরা পড়ে যান ৯ বল খেলে ৭ রান করা ফরহাদ রেজা।

এদিকে সৌম্যর ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের দিন নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২৪ রানের বেশি করতে পারেনি প্রাইম দোলেশ্বর। সৌম্যর ৪ উইকেট ছাড়াও মাশরাফি বিন মর্তুজা ২ ও মেহেদি হাসান মিরাজ, সাব্বির রহমান এবং মোহাম্মদ সাঈফউদ্দীন নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

প্রেমিকাকে যৌনপল্লীতে বিক্রি হাতেনাতে ধরা প্রেমিক!

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরা পড়লেন মিজানুর রহমান ওরফে জিয়ারুল ইসলাম (৩৬) নামে এক প্রতারক প্রেমিক।

গোপন সংবাদের ভিক্তিতে বুধবার রাতে দৌলতদিয়ার যৌনপল্লী এলাকার ১নং গেটের পাশে কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা বোর্ডিংয়ের সামনে এই লম্পটকে আটক করে পুলিশ।



বৃহস্পতিবার সকালে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এজাজ শফী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌনপল্লীতে বিক্রির চেষ্টাকালে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মিজানুর রহমানকে হাতে-নাতে আটক করা হয়েছে।

আটক জিয়ারুল ইসলাম রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার লক্ষীনগর গ্রামের তফিল উদ্দিন গারোয়ানের ছেলে। তাকে রাজবাড়ী আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

প্রতারণার শিকার ওই কিশোরী জানায়, মিজানুর রহমানের সাথে এক মাস আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সে আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বুধবার দুপুরে আশুলিয়া থেকে প্রথমে বাসে এবং পরবর্তীতে ফেরি পার করে এখানে নিয়ে আসে। সে আমার সাথে প্রেমের নামে প্রতারণা করেছে। আমি গোয়ালন্দ থানা পুলিশের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। তারা সময়মতো উপস্থিত না হলে হয়তো আমাকে চিরদিনের জন্য অন্ধকার জগতে পড়ে থাকত হতো।

ক্ষতিপূরণ না দিলে নিলামে উঠবে গ্রিনলাইনের সব বাস: হাইকোর্ট

সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশের পরও গ্রিনলাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ তাদের বাসের চাপায় পা হারানো প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ না দেওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় গ্রিন লাইনের ব্যবস্থাপককে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট বলেছে,আদেশ মানতে না চাইলে ওই পরিবহন কোম্পানির মালিককে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে গ্রিনলাইনের সব গাড়ি জব্দ করে নিলামে তুলে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই হুঁশিয়ারি দেন।

এর আগে, গত ৩১ মার্চ তিন দিনের মধ্যে পা হারানো রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাসেল ক্ষতিপূরণের টাকা না পাওয়ায় তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা তা আদালতকে অবহিত করেন। এদিন আদালতে হাজির হন রাসেল সরকারও।

শামসুল হক জানান, গ্রিনলাইন মালিকপক্ষ রাসেলের ক্ষতিপূরণের কোন টাকা দেয়নি। এমনকি এ বিষয়ে তারা কোন যোগাযোগও করেনি। সে কারণে মালিককে আদালতে হাজিরের জন্য আদেশ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

এ সময় আদালত গ্রিনলাইনের আইনজীবী অজিউল্লাহকে ডেকে তার কাছে বিষয়টি জানতে চান। তখন অ্যাডভোকেট অজিউল্লাহ বলেন, গ্রিনলাইনের মালিক দেশের বাইরে যে কারণে তার সঙ্গে আমি যোগাযোগ করতে পারিনি। আদালত এ সময় গ্রিনলাইনের আইনজীবীকে বলেন, মালিক কোন দেশে আছেন, কবে ফিরবেন তা নিশ্চিত করেন।

কিন্তু এ বিষয়ে আদালতে কোন তথ্য তিনি দিতে পারেননি গ্রিনলাইনের পক্ষের আইনজীবী। পরে বিষয়টি নিয়ে গ্রিনলাইনের ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে আদালতে ডেকে আনতে ওই আইনজীবীকে মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রাসেলকে ক্ষতিপূরণ না দিলে গ্রিনলাইনের সব বাস জব্দ করা হবে।

গত ৩১ মার্চ গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসচাপায় পা হারানো প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা ৩ এপ্রিলের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ৩ এপ্রিল বুধবারের মধ্যে রাসেলকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে ৪ এপ্রিল এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন আদালত।

প্রসঙ্গত, রাসেল একটি প্রতিষ্ঠানের ভাড়া গাড়ি চালাতেন। গত বছরের ২৮ এপ্রিল কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরার পথে যাত্রাবাড়ীর হানিফ উড়ালসড়কে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসের চাপায় পা হারান তিনি। এ ঘটনায় রাসেলের বড় ভাই আরিফ সরকার বাসচালক কবির মিয়ার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় গত বছরের ২৮ এপ্রিল মামলা করেন।

খুলনায় পাটকল শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ২০

৯ দফা দাবিতে ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘট ও প্রতিদিন চার ঘণ্টা করে রাজপথ-রেলপথ অবরোধের কর্মসূচির শেষ দিনে বৃহস্পতিবার খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর নতুন রাস্তা মোড় এলাকায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় শ্রমিকরা নতুন রাস্তা মোড়ে পুলিশ বক্সে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেন। সংঘর্ষে চার পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।

বিস্তারিত আসছে...

মিরপুর থেকে অপহৃত চিকিৎসককে পাওয়া গেল টাঙ্গাইলে

রাজধানীর মিরপুর থেকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত হোমিও চিকিৎসককে টাঙ্গাইলের মধুপুর ভাওয়াল বন এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব। বুধবার রাতে র‌্যাব-৪ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে উদ্ধার করে।

ওই ঘটনায় জড়িত সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

ঘাটাইলে শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সন্ধানপুর ইউনিয়নের বগা, কামারচালা, বোয়ালীহাটবাড়ি, সংগ্রামপুর, খুপিবাড়ি, চাপড়ী প্রভৃতি এলাকায় মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) বিকেল ও রাতে বয়ে যাওয়া শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আজ বুধবার সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে সৃষ্ট প্রকৃতির লন্ডভন্ড চিত্র।

বগা গ্রামের কলা চাষী মনিরুজ্জামান মিন্টু ঘাটাইলডটকমকে বলেন, আমি ব্র্যাক এনজিও থেকে লোন করে ৭ বিঘা জমিতে দুই হাজার সবরি কলার চাষ করি। এতে প্রতি গাছে কলার থোড় ধরেছিল। ফলনও ভালো হয়েছিল। কিন্তু ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে আমার সকল স্বপ্ন নষ্ট হয়ে গেলো।

একই ভাবে সংগ্রামপুর গ্রামের কলাচাষী আ: মালেক খানেরও ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে একইভাবে ৫ বিঘা জমির কমপক্ষে ১৮০০টি কলা গাছ ভেঙ্গে গেছে।

এ ছাড়াও কামারচালা গ্রামের কৃষক নয়ান খান ঘাটাইলডটকমকে জানান, তার গাছপালা ভেঙ্গে গেছে। ফসলী জমির ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলার সংগ্রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ: রহিম মিয়া ঘাটাইলডটকমকে বলেন, গতকালকে নজিরবিহীন ঝড় আর শিলা বৃষ্টি হয়েছে। এতে বিস্তৃর্ন এলাকার ঘর-বাড়ি, গাছ পালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে তাৎখনিক ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি তিনি।