সোমবার, মার্চ ০৪, ২০১৯

ঘাটাইল উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়পত্র দাখিল

মাসুম মিয়া, ঘাটাইল : চতুর্থ ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে (৪ মার্চ) ২০ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছয় জন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাত জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাত জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

ঘাটাইল উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু, বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আরিফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস, মো.শফিকুল ইসলাম খান জনি, সৈয়দ এহসান আব্দুল্লাহ ও মো. মানরুজ্জামান খান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. সুলতান মাহমুদ তালুকদার, এসএএসএম শোয়েব, সজীব সরকার, তুহিন খান, মো. সুমন খান বাবু ও কাজী আরজু মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান (সংরক্ষিত) পদে, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান কানিজ ফাতেমা, নূরজাহান সিদ্দিকা, মীর আলেয়া পারভীন, শাহীনা সুলতানা, তাসলীমা জেসমিন, ফাহিমা তালুকদার ও আফিয়া বেগম মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

ঘাটাইল স্বতন্ত্র প্রার্থী হেস্টিংসের মনোনয়নপত্র দাখিল

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল: চতুর্থ ধাপে দেশের ১২২টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩১ শে মার্চ। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক য্গ্মু সম্পাদক ও জামুরিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস।

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ সোমবার (৪ মার্চ) বিকেলে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাচন অফিসে শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস তার বিপুল সংখ্যাক নেতাকর্মী সমর্থকদের নিয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জামুরিয়া ইউনিয়নের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুুরুল আমীন মিয়া, সন্ধানপুর ইউনিয়নের সভাপতি ও যুবলীগের সহ সভাপতি ফরহাদ, আওয়ামী পেশাজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন, জামুরিয়া ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মিন্টু মেম্বার সহ নেতাকর্মীরা।

বাসাইলে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১২

টাঙ্গাইলের বাসাইলে উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে।

আজ সোমবার (৪ মার্চ) বেলা সাড়ে এগারটার দিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়াম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মতিয়ার রহমান গাউস ও স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় মিছিল বের করে তার সমর্থকরা।

এ মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে ১২ জন আহত হয়েছে। আহতদের বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  হাজী মতিয়ার রহমান গাউস অভিযোগ করে বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আমার ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে সিরামিকসের স্যানিটারি যন্ত্রাংশ ও প্লাস্টিকের চেয়ার ভাংচুর করে।

বেতনহীন বিআরডিবির কয়েক হাজার কর্মী!

মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) মাস্টার রোলের কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। চাকরি স্থায়ী হবে এ আশায় দিনযাপন করছেন এসব কর্মী। তবে আদৌ তাদের চাকরি স্থায়ী হবে কিনা তার কিছুই জানেন না তারা।

সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা গেছে, বিআরডিবির কিছু কিছু প্রকল্প এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু ওই সব প্রকল্পের কর্মীরা কী করবেন তার সঠিক কোনো নির্দেশনা নেই। আশায় থেকে অনেকের অন্য চাকরির বয়সও ইতিমধ্যে শেষ। চেষ্টা-তদ্বির সত্ত্বেও কোন ফল না পেয়ে শূন্য হাতে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন অনেকেই।

প্রকল্পগুলোতে প্রায় আট থেকে দশ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। যাদের রাজস্ব খাতে নেয়ার দাবি অনেক পুরনো। এই দাবির বিষয়ে তাদের পক্ষে আদালতেরও রায় রয়েছে। কিন্তু সবকিছুই উপেক্ষিত। পদ শূন্য থাকলেও নিয়োগ নেই।  

জানা গেছে, প্রকল্পের অধীনে হওয়ায় এসব কর্মচারীদের সরকারের রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আর যেসব প্রকল্প ছিল তার অনেকগুলোই এখন বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলো আছে তার অনেকগুলোই চলছে ঢিমেতালে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা, স্বজনপ্রীতি, দূরদর্শিতার অভাব, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে মাস্টাররোলে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীরা রাজস্বখাতে অন্তর্ভূক্ত হচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মচারী ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, শূন্যপদে তারা নিয়োগ না পেলেও প্রকল্পগুলো থেকে কর্তা ব্যক্তিরা ঠিকই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিআরডিবির সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, এর দায় কর্তৃপক্ষের। তাদের কারণেই বেতন পাচ্ছেন না কর্মচারীরা। বড় বড় কর্তারা চান না এই প্রতিষ্ঠানটি বাঁচুক।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরডিবির উপপরিচালক রফিকুল ইসলাম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, পদ সৃষ্টি না হলে নিয়োগ হবে কিভাবে? পদ আছে ২৮শ’র মত। কিন্তু জনবল আছে ৭-৮ হাজার। এর জন্য সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া, প্রকল্পের অনেক কর্মচারী স্থায়ীকরনের জন্য মামলা করেছে। মামলার পর এই বিষয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, উৎপাদন মুখি কর্মসংস্থান কর্মসূচি (পিইপি), পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি (পদাবিক) এই দুটি প্রকল্পের আওতাভূক্তদের স্থায়ীকরনের জন্য জনপ্রশাসন থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল তবে অর্থমন্ত্রণালয় তা অনুমোদন দেয়নি।

এদিকে, অনেকটা খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন এসব কর্মীরা। আবার স্থায়ীকরনের বিষয়ে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায় আইনী ও দাপ্তরিক ঝামেলার কারণে স্থায়ী করা যাচ্ছেনা তাদের।

সারাদেশ এক মিনিট অন্ধকারে থাকবে ২৫শে মার্চ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন, আগামী ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে ব্লাক আউট পালন করা হবে। এই এক মিনিট অন্ধকারে থাকবে সারাদেশ।

রোববার (৩ মার্চ) ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত একটি মিটিং শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।





ওইদিন শুধু কেপিআইভুক্ত এলাকা ব্ল্যাক আউটের বাহিরে থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযথভাবে সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে পালনের জন্য নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ যাতে সাভার স্মৃতিসৌধে সুষ্ঠুভাবে যেতে পারেন, সে জন্য রাস্তায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বিদেশি কূটনীতিকদের আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা যেন যথাযথভাবে উড়ানো হয় এবং পতাকার মাপ ও রং যেন ঠিক থাকে সে ব্যাপারেও মনিটরিং করা হবে।’





২৬শে মার্চের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া ওইদিন দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল, কারাগার ও বৃদ্ধাশ্রমে ভালো খাবারের ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানান তিনি।