টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া পতিতালয়ে মাদক বিরোধী ও পতিতাদের জীবনযাত্রা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ অক্টোবর) বিকালে কান্দাপাড়া পতিতালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সামাজিক পতিতালয় বন্ধের দাবি জানিয়েছে পতিতারা।
মতবিনিময় সভায় পতিতারা বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। বেশ কয়েকজন অসৎ পুলিশ অফিসারের নাম উল্লেখ করে তারা বলেন, নির্দোষ গ্রাহকদের ধরে থানায় নিয়ে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয় হয়। এ সময় তারা বেশ কিছু ঘটনার বিশদ বর্ণনা দেন। পতিতারা শহরের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তি, মিনি পতিতালয় তথা সামাজিক পতিতালয় বন্ধের জোর দাবি জানান।
পতিতারা পতিতালয়ের ভিতরে ইয়াবা, হেরোইন, ফেন্সিডিল, প্যাথেড্রিনের ব্যবসা বন্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রেজাউর রহমান, টাঙ্গাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. সায়েদুর রহমান, পৌরসভার কাউন্সিলর মেহেদী হাসান আলীম, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন টাঙ্গাইল জেলা শাখার তদন্ত বিষয়ক সম্পাদক অলক কুমার দাস, টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মোশারফ হোসেন, নারী মুক্তি সংঘের সভাপতি আকলিমা বেগম আখি, পতিতা মিতু, মুন্নী, ফরিদা, জেসমিন, সুবর্ণা প্রমুখ।
বুধবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৮
টাঙ্গাইলে সামাজিক পতিতালয় বন্ধের দাবি পতিতাদের
ঘাটাইলের ছলিং বাজার এলাকায় ২ প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরি
টাঙ্গাইলে ঘাটাইল উপজেলার নব-গঠিত লক্ষিন্দর ইউনিয়নের ছলিং বাজার এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাতে দুইটি প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। বাজারের মোঃ আজাহারের মুদী দোকান থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা ও প্রায় ৭০ হাজার টাকার মুদী পন্য চুরি সহ একই বাজারের গ্রামীন উন্নয়ন সমিতি থেকে একইভাবে কয়েক হাজার টাকা চুরি হয়েছে।
আজাহার মিয়া (৪০) জানান, প্রতিদিনের মত দোকানের বেচাকিনা শেষ করে মঙ্গলবার রাত দশটায় দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে আসি। আজ সকালে এসে দেখি দোকানের শাটারের তালা ভাঙা। তাত্ক্ষণিক আশেপাশের লোকজন ডেকে দিয়ে দোকানের ভিতরে প্রবেশ করে দেখি নগদ চল্লিশ হাজার টাকা ও দোকানের মালামাল সহ প্রায় একলক্ষ টাকার মত চুরি হয়ে গেছে।
এছাড়া একই এলাকার গ্রামীণ সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিঃ নামক প্রতিষ্ঠানেও একই রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঠিক কতো টাকা চুরি হয়েছে তাৎক্ষণিক প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধাররা জানাতে পারেননি। তারা বলেন, হিসাব করলে গচ্চা যাওয়া টাকার পরিমাণ জানা যাবে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের সব থেকে বড় হাট গারোবাজার। কাঠাল আনারসের জন্য বিখ্যাত হলেও বর্তমানে ৯টি এনজিও এবং ২টি ব্যাংক ও ক্লিনিকসহ বিভিন্ন বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এখানে গড়ে উঠেছে। এ বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার জন্য নেই কোন পুলিশ ফাঁড়ি। মাঝেমধ্যে টহল পুলিশ আসে, বাকিটা সময় নৈশ প্রহরীই একমাত্র ভরসা। দেশ ডিজিটাল হচ্ছে, বর্তমানের চোর-ডাকাতরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের কার্য্য হাসিল করছে, প্রয়োগ করছে আধুনিক পদ্ধতি।
স্থানীয়রা জানান, গারোবাজারে কয়েকটি বড় চুরির ঘটনা ঘটার পর, নৈশ প্রহরীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তাই গারোবাজারে চুরির সুযোগ না পেয়ে পার্শ্ববর্তী ছলিং বাজারে গতকাল মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাতে সুকৌশলে তালা কেটে মোঃ আজাহারের মুদী দোকান থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা ও প্রায় ৭০ হাজার টাকার মুদী পন্য চুরি সহ একই বাজারের গ্রামীন উন্নয়ন সমিতি থেকে একইভাবে কিছু টাকা চুরি হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে আরও জানা যায়, বর্তমান সরকারের করা নতুন মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের ভয় এবং প্রসাশনের চাপে মাদক বিক্রি এবং সেবন কিছুটা কমলেও নব-গঠিত লক্ষিন্দর ইউনিয়নে জুয়া খেলা ব্যাপক হাড়ে বেড়ে গিয়েছে। তাই এলাকাবাসীর ধারণা, জুয়ারি বা মাদকসেবীদের অর্থাভাবে এসব অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো ঘটছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে চোরের দল আরও অপরাধ সংগঠিত করতে উৎসাহী হবে।
সকাল এগারোটার সময় এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য এনামুল হাসান চান মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, অপরাধী যেই হোক তাকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ঘাটাইলে তানভীর রহমানের ব্যাপক গণসংযোগ ও পূজামন্ডপ পরিদর্শন
শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার’- শ্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য তুলে ধরে নৌকায় ভোট কামনায় টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি মতিউর রহমানের ছেলে তানভীর রহমান লিফলেট বিতরণ, ব্যাপক গণসংযোগ ও ঘাটাইলের বিভিন্ন দুর্গা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
বুধবার (১৭ অক্টোবর) সকাল থেকে সারাদিন ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপে লিফলেট বিতরণ ও গনসংযোগকালে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড তুলে ধরেন।
তানভীর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার মুখে নয় কাজে বিশ্বাসী। বিগত নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে নির্বাচনী ওয়াদা করেছিলেন তা সিংহভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। বাস্তবায়নকৃত কাজের মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মান কাজ চলমান, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা প্রদান, শ্রমিকদের মুজুরী বৃদ্ধি, জেলেদের খাদ্যের সহায়তা প্রদান, বিনামুল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে বই বিতরণ, মাথাপিছু আয়বৃদ্ধি ও দারিদ্রতা হ্রাস, মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান ও মাতৃত্বকালীন ছুটি বৃদ্ধি, গরীব ছাত্র ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করণ, শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয় করণ, সমুদ্র সীমানা বিজয় ও পায়রা সমুদ্র বন্দর নির্মান, প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান ইত্যাদি জনগণের মাঝে তুলে ধরেন।
এছাড়া তিনি তার বক্তব্যে নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীন রাস্তা ঘাট, কালভাট ব্রীজ নির্মান, মোবাইল ও ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমন সফলতা, হতদরিদ্র মানুষের জন্য গৃহনির্মান, সুন্দর বনের জলদস্যু ও বন দস্যু নিয়ন্ত্রন করা, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চলমান, সারা দেশে ব্যাপী বিদ্যুৎ এর ব্যাপক উন্নয়ন, কৃষিতে সফলতা, অনলাইন সেবা প্রদান, মহা আকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট উৎক্ষেপন, সিট মহল সমস্যার সমাধান, নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দান, উপকূলীয় বানভাসী মানুষের জন্য সাইক্লোন সেন্টার নির্মান, ফ্লাইওভার নির্মান ও মেট্রো রেল নির্মান কাজ চলমান, প্রত্যেক উপজেলা সদরে প্রাথমিকভাবে একটি করে মডেল মসজিদ নির্মান করে প্রক্রিয়া শুরু করা, বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উন্নতি করা, ন্যাশনাল সার্ভিসের আওতায় বেকার যুবক ও যুবতীদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা সহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে সাফল্য তুলে ধরেন।
তানভীর রহমান তার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন সম্পর্কে বলেন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া হয়েছে। অসহায় গরীব দুখীদের জন্য ৪০ দিনের কর্মসূচীর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ, ১০ টাকা দরে ৩০ কেজি চাউল ভিক্ষুক পূর্ণবাসন, ভিজিডি ও ভিজিএফ কার্ড, শিশু ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্দ্বী ভাতা সহ বিভিন্নভাবে সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও প্রতি উপজেলায় একটি করে সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং একটি করে কলেজ জাতীয়করণ, বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ এবং শিক্ষকদের চাকুরী শতভাগ জাতীয়করণ করে তাদের ভাগ্য উন্নয়নের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছে বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
এ সময় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন তানভীর রহমান।
গণসংযোগ করার সময় তার সাথে ছিলেন জেলা কৃষকলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সহ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, দেউলাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজাত আলী খান, সাবেক আহ্বায়ক মমরেজ মাষ্টার, যুগ্ম আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম খান প্রমুখ। এ সময় ঘাটাইলের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাএলীগ ও কৃষকলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীবৃন্দ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।
Labels:
আওয়ামীলীগ,
ঘাটাইলের কথা,
রাজনীতি
উপহার বাক্সে
ভারতে গুজরাট রাজ্যের রাজকোটে এক বেসরকারি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতাকে একটি ‘পার্সেল বোমা’ উপহার বাক্সে পাঠিয়েছে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি। বুধবার সকালে বোমাটি ধ্বংস করা হয় বলে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এনডিটিভিকে জানান। পার্সেল পাঠানো ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।
গত ১২ অক্টোবর রাজকোট থেকে ৩২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শ্রী কৃষ্ণা স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ভিত্থাল দোবারিয়াকে সিরিষ আঠা ও বিস্ফোরক সুইচ বসানো একটি প্যাকেট উপহার বাক্সে কুরিয়ার করে পাঠানো হয়। বাক্সে সন্দেহজনক কিছু আছে এটা বুঝতে পেরে তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন।
বোমা শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণ অধিদপ্তর বুধবার সকালে নিরাপদ স্থানে বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটায় বলে পুলিশ পরিদর্শক বলরাম মিনা বার্তা সংস্থা পিটিআইকে জানান।
বলরাম মিনা বলেন, ‘আমরা সন্দেহ করছি যে ছেলেটি এই উপহার বাক্স দিয়ে গেছেন সে কোনো কুরিয়ার সার্ভিসের লোক নন। কারণ কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর সাধারণ নিয়মগুলো সে অনুসরণ করেনি। বাক্সে প্রেরণকারী লিখেছেন, তিনি এই স্কুলের সাবেক ছাত্র। দোবারিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তিনি এই উপহার পাঠিয়েছেন।’
পুলিশ পরিদর্শক আরো জানান, দোবারিয়াকে ১৪ অক্টোবর উপহার বাক্সটি খোলার অনুরোধ করেন প্রেরণকারী। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে তিনি এটি খোলেন এবং সন্দেহজনক বস্তু পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেন।’
টানেল বিস্ফোরণের জন্য যে ধরনের উপাদান ব্যবহার করা এই পার্সেল বোমার মধ্যে সেসব উপাদান পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান।
সৌম্য ও তাসকিনের দিন
বল হাতে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতেও দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন সৌম্য সরকার। তার ৭১ রানের ইনিংসে ভর করেই ৬ উইকেট হারিয়েও দিন শেষে ১৯৬ রান সংগ্রহ করেছে খুলনা। ওদিকে বল হাতে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন ঢাকা মেট্রোর পেসার তাসকিন আহমেদ।
জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) টায়ার-১ এর ম্যাচের তৃতীয় দিনে আজ বুধবার (১৭ অক্টোবর) একাই রংপুরের শেষ ৫ ব্যাটসম্যানকে তুলে নিয়ে ৩১৪ রানে গুটিয়ে দেন পার্ট টাইম বোলার সৌম্য সরকার। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ৫ উইকেট পেলেন তিনি। ৪ উইকেট পেয়েছেন আল-আমিন হোসেন। এই দুই বোলারের তোপ সামলে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন রংপুরের তানভির হায়দার। শেষ পর্যন্ত ১১ রানের লিড নিয়ে ৩১৫ রানে থামে রংপুরের প্রথম ইনিংস।
জবাব দিতে নেমে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় খুলনা বিভাগ। ওয়ান ডাউনে নেমে দলের হাল ধরেন সৌম্য সরকার। তাকে সঙ্গ দেন তুষার ইমরান। দুজনে মিলে ১০৬ রানের জুটিও গড়েন। কিন্তু ১১৪ বলে ৭ চারে ৭১ রান করে মাহমুদুল হাসানের বলে এলবি হয়ে সৌম্য বিদায় নিলে ভেঙে যায় এই জুটি।
সৌম্য বিদায় নেওয়ার পর খুব দ্রুতই বিদায় নেন আফিফ হোসেন (৩)। দিনের শেষ বলে যখন মাহমুদুল হাসানের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন নুরুল হাসান (৩), খুলনার সংগ্রহ তখন ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান। হাতে ৫ উইকেট নিয়ে খুলনার লিড এখন ১৭০ রানের।
এদিকে এনসিএলের টায়ার-২ এর ম্যাচে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম পাঁচ উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। তার বোলিং তোপে বগুড়ায় আজ বুধবার (১৭ অক্টোবর) নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩৬ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস। ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি পাওয়া চট্টগ্রামের শেষ ভরসা তাসামুলকেও (১১৬) ফেরান তাসকিন। ২ উইকেট করে পেয়েছেন শহিদুল ইসলাম ও আরাফাত সানি।
এদিকে জবাব দিতে নেমে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে নাঈম হাসানের বোলিং তোপে তোপে পড়ে ঢাকা মেট্রো। ৯৯ রানে ৫ উইকেট পেয়েছেন এই বোলার। মূলত নাঈমের বোলিং তোপেই ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে ঢাকা মেট্রো। হাতে ৪ উইকেট নিয়ে মেট্রোর লিড এখন ২৪২ রান।
মাত্র ১৪ রানেই নিজেদের প্রথম উইকেট হারিয়ে বসে ঢাকা মেট্রো। এরপর বলার মতো রান পেয়েছেন কেবল মেট্রোর ওপেনার সাদমান ইসলাম ও সৈকত আলী। ৮৮ বলে ৮ চার আর ১ ছক্কায় ৬২ করেছেন সাদমান। আর ২ চারে ৪০ রান করেছেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান সৈকত। ভালো শুরুর পরও ব্যক্তিগত ২৩ রান নাঈমের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।
শহীদ শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মদিন বৃহস্পতিবার
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মদিন বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর)। ১৯৬৪ সালের এই দিনে ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকদের নির্মম বুলেটের হাত থেকে রক্ষা পাননি বঙ্গবন্ধুর এই শিশুপুত্র শেখ রাসেল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নরপিশাচরা নিষ্ঠুরভাবে তাঁকেও হত্যা করেছিল।
মৃত্যুকালে শেখ রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা তাঁকে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় তাদের অপচেষ্টা শতভাগ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।
শহীদ শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভবুদ্ধিবোধ সম্পন্ন মানুষদের কাছে ভালবাসার নাম। অবহেলিত, পশ্চাত্পদ, অধিকার বঞ্চিত শিশুদের আলোকিত জীবন গড়ার প্রতীক হয়ে গ্রাম-গঞ্জ-শহর তথা বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ জনপদ-লোকালয়ে শেখ রাসেল আজ এক মানবিক সত্ত্বায় পরিণত হয়েছে। মানবিক চেতনা সম্পন্ন মানুষরা শেখ রাসেলের বিয়োগ দুঃখ বেদনাকে হৃদয়ে ধারণ করে বাংলার প্রতিটি শিশু-কিশোর তরুণের মুখে হাসি ফুটাতে প্রতিশ্রতিবদ্ধ। দেশবাসীর আজ একটাই দাবি বঙ্গবন্ধু ও শিশু রাসেল হত্যাকারীদের যেসব ঘাতক এখনো বিদেশের মাটিতে পালিয়ে আছে তাদের দেশে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।
শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত ১৫ আগস্টে নিহত সব শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। এছাড়াও দলের অন্যান্য সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচিতে গ্রহণ করবে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সারাদিনব্যাপী কোরআনখানি এবং বাদ আছর দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৭টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, বিকাল ৪টায় বনানীস্থ শেখ রাসেলের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি যথাযোগ্যভাবে পালন করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি দেশের সকল শাখা সংগঠনসমূহকেও অনুরূপ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
দুর্গা চেনেন না নরেন্দ্র মোদী!
নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী। এই রাজনীতিবিদ ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত ষোড়শ সাধারণ নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টিকে নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে বহুমতের দ্বারা জয়লাভ লাভ করেন এবং ২৬শে মে ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি গুজরাটের চতুর্দশ মুখ্যমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
মোদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ নামক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের একজন সদস্য এবং সংবাদ মাধ্যম ও বিদগ্ধজনের মতো তিনি নিজেকে একজন হিন্দু জাতীয়তাবাদী হিসেবে দাবি করেন।
কিন্তু হিন্দু ধর্মের অন্যতম দেবী দুর্গা চিনতে ভুল করেছেন তিনি। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে বুধবার (১৭ অক্টোবর) দেশবাসীকে দুর্গাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। মা দুর্গা সবার ইচ্ছা পূরণ করবে এই কামনা করে তিনি লেখেন, এই আনন্দের আবহে যেন সমাজ থেকে সব রকমের অশুভ শক্তির বিনাস হোক।
কিন্তু শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে বড় ভুল করে বসেন তিনি। দুর্গা প্রতিমার বদলে ফেসবুকে মা কালীর ছবি ব্যবহার করেন।
এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ লেখেন, পরের বার যেন ঠিক ছবি ব্যবহার করা হয়। এটি দক্ষিণেশ্বরের কালীর ছবি।
প্রসঙ্গত, ২০০২ খ্রিষ্টাব্দের গুজরাত দাঙ্গার ঘটনায় মোদী প্রশাসন সমালোচিত হওয়ায় ভারত ও বিদেশে তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত কিন্তু গুজরাটের অর্থনৈতিক উন্নতির বৃদ্ধিতে সহায়ক পরিবেশ গঠনের জন্য তিনি তাঁর আর্থিক নীতির জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। অন্যদিকে তাঁর রাজ্যের মানবোন্নয়নের ওপর গঠনমূলক প্রভাব বিস্তারে তাঁর প্রশাসনের অক্ষমতার জন্য তিনি সমালোচিতও হয়েছেন।
নির্যাতনের পর স্ত্রীকে তালাক, কিশোরীর আত্মহত্যা
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মোবাইল ফোনে প্রেম করে বিয়ের ৮ মাসের মাথায় স্বামীর নির্যাতনের পর তালাক দেওয়ায় মনের দুঃখে বিষপান করে মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) মধ্যরাতে আত্মহত্যা করেছে তানিয়া নামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী স্ত্রী। ভাগ্যহত ওই কিশোরীর বাড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী বুরুঙ্গা গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই গ্রামের ইউনুছ আলীর সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যা তানিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে দিনাজপুর জেলার কানিতোলা উপজেলার তাওলিয়াপাড়া গ্রামের মাজেদুল ইসলামের ছেলে ইসমাইল হোসেনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর সময় প্রেম করার পর অভিভাবকদের অগোচরে বিয়ে করে দুই প্রেমিক। বিয়ের ৮ মাসের মাথায় পারিবারিক কলহ বাধে। পরে সংবাদ পাঠিয়ে তানিয়ার গর্ভধারীনি মাকেও দিনাজপুর নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে সোমবার (১৫ অক্টোবর) স্বামী ইসমাইল শাশুড়িকে ঘরে আটকে রেখে কিশোরী স্ত্রী তানিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং তালাক দেয়। এরপর তানিয়া ওই রাতে মায়ের সাথে নালিতাবাড়ীস্থ বাবার বাড়ি চলে আসে এবং মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে বিষপান করে। পরে স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মধ্যরাতে তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তানিয়ার বাবা ইউনুছ আলী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। লাশ ময়না তদন্তের জন্য শেরপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে ভোটকেন্দ্র বেড়েছে ১৮টি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে ১৮টি। নতুন তিনটি ইউনিয়ন সংযুক্তির ফলে বেড়েছে ভোটারের সংখ্যাও।
সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হয়েছে ১১৯টি। আগের নির্বাচনে সংসদীয় এ আসনটিতে মোট ইউনিয়ন ছিল ১১টি, পৌরসভা ছিল একটি আর ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০১টি। এবার ১১ ইউনিয়নের সঙ্গে যোগ হয়েছে সাগরদিঘী, সংগ্রামপুর ও লক্ষ্মিন্দর ইউনিয়ন। ভোটার তালিকা অনুযায়ী এবার আসনটিতে মোট ভোটার তিন লাখ ১৮ হাজার ৬১০ জন। ইউনিয়ন ও ভোটার বৃদ্ধির ফলে কেন্দ্রের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিয়েই আমাকে যৌন হেনস্তা থেকে সুরক্ষা দিয়েছে
হলিউড-বলিউডে চলছে # মি টু আন্দোলনের ঝড়। এ ঝরে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাচ্ছে অনেক বড় বড় তারকার জীবন। এবার #মি টু আন্দোলন বিষয়ে মুখ খুললেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান। তবে যৌন হেনস্তার প্রতিবাদে বা তার কোনো ঘটনা বিষয়ে বলেননি তিনি। জানালেন, ক্যারিয়ারে কখনোই এমন পরিস্থিতির শিকার না হওয়ার কারণ।
কিডম্যান এ পরিস্থিতির শিকার না হওয়ার পুরো ক্রেডিট দিয়েছেন তার সাবেক স্বামী অভিনেতা টম ক্রুজকে।
সম্প্রতি #মি টু আন্দোলন নিয়ে নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিকোল কিডম্যান বলেন, আমি এখন উপলব্ধি করছি যে, ওইসময় আমার সুপারস্টার স্বামী থাকায় হলিউডের অন্ধকার দিক থেকে সুরক্ষা পেয়েছিলাম আমি।
তিনি বলেন, ‘খুব অল্প বয়সে প্রেমে পড়ে বিয়ে করেছিলাম। পরে আমার ক্ষমতা না বাড়লেও, এই বিয়েটাই আমাকে সুরক্ষা দিয়েছিল। খুব ক্ষমতাশালী লোকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বলেই হয়তো যৌন হয়রানিমূলক সব বিপদ থেকে নিরাপদ ছিলাম।’
টম ক্রুজ ও নিকোল কিডম্যান বিয়ে করেছিলেন ১৯৯০ সালে। পরে ২০০১ সালে টম ক্রুজের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় কিডম্যানের। এরপর ২০০৬ সালে কিথ আরবান নামের একজন কান্ট্রি মিউজিক গায়ককে বিয়ে করেন নিকোল কিডম্যান। এ সংসারে তাদের দুটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। আরবানের সঙ্গেই এখন ঘর করছেন অস্কারবিজয়ী নিকোল কিডম্যান।
পুরুষ যৌনাঙ্গের গড় মাপ কত! সমীক্ষা রিপোর্ট বদলে দেবে ধারণা
উত্থিত অবস্থায় একজন পুরুষের যৌনাঙ্গ যদি ইঞ্চি পাঁচেক লম্বা হয়, তা হলে আর হীনমন্যতায় ভুগতে হবে না। জেনে রাখুন, গোটা বিশ্বে এটাই হল পুরুষদের গড় পেনিস সাইজ!
পুরুষদের গড় পেনিস সাইজ কত, তা জানতে সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালান একদল ব্রিটিশ গবেষক। ১৫,৫২১ জন পুরুষের উপর ওই সমীক্ষা চালানো হয়। বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ‘বিজেইউ ইন্টারন্যাশনাল’ পত্রিকায়। সেখানে পেনিসের সাইজ নিয়ে উঠে এসেছে নানা তথ্য।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করা ওই সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, শিথিল অবস্থায় পুরুষদের পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৯.১৬ সেন্টিমিটার বা ৩.৬১ ইঞ্চি। উত্থিত অবস্থায় তা হল ১৩.১২ সেন্টিমিটার বা ৫.১৬ ইঞ্চি। আর শিথিল অবস্থায় পেনিস গড়ে ৯.৩১ সেন্টিমিটার বা ৩.৬৬ ইঞ্চি চওড়া। উত্থিত অবস্থায় তা ১১.৬৬ সেন্টিমিটার বা ৪.৫৯ ইঞ্চি চওড়া। এর চেয়ে বড় পেনিসধারী পুরুষের সংখ্যা খুবই কম। ৬ ইঞ্চি লম্বা পেনিস আছে, এমন পুরুষের সংখ্যা প্রতি ১০০ জনে মাত্র ৫ জন। পায়ের পাতা বড় হওয়ার সঙ্গে পেনিসের দৈর্ঘ্যের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয়েছে ওই সমীক্ষায়।
পুরুষদের ধারণা আছে, পেনিস বড় না হলে সঙ্গিনীকে সন্তুষ্ট করা যায় না। কিন্তু, সেটা ভ্রান্ত বলেই জানাচ্ছেন সমীক্ষকরা। সেক্সের সময় পুরুষসঙ্গী কতটা আরাম দিতে পারছে, সেটাই মেয়েদের কাছে বিবেচ্য বিষয়, পেনিসের সাইজ নয়।
এই বিষয়টা যদি মাথায় গেঁথে নেওয়া যায়, তা হলে আর হীনমন্যতায় ভুগতে হবে না। কোনও তেল ব্যবহার করে বা ওষুধ খেয়ে পেনিসের সাইজ বাড়ানো সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন সমীক্ষকরা। ফলে, অমুক তেল ব্যবহার করে পেনিসের সাইজ বাড়ান, এমনতর বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হবেন না। এমনকী, পেনিস বড় হওয়ার সঙ্গে বিছানায় বেশিক্ষণ টিকে থাকার কোনও সম্পর্ক নেই।
৫০ বছর পর ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক’ হলেন মুসলিম তরুণী
‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক’ সুন্দরী প্রতিযোগিতার মুকুট পড়লেন ফিলিপিনো তরুণী শরিফা আকিল। ১৯৬৮ সালে প্রতিযোগিতাটি চালু হওয়ার পর এই প্রথম কোনো মুসলিম তরুণী সেরা সুন্দরীর মর্যাদা পেলেন।
এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সেরা সুন্দরীর মুকুট জিতলেন ফিলিপাইনের নারীরা। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে নিউইয়র্কের মারজানা চৌধুরী ২০তম স্থান দখল করেছেন। ‘মিস বাংলাদেশ’ হিসেবে শিকাগোভিত্তিক একটি সংস্থার মাধ্যমে সিলেটের মেয়ে মারজানা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক’ জয়ের পর শরিফা বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ভয়ংকর সমস্যা সাইবার ক্রাইমকে নিজ নিজ মূল্যবোধ থেকে প্রতিহত করতে হবে। মানবতার সার্বিক কল্যাণের পথ সুগম রাখতে তথ্য-প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করতে হবে।’
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দেশের ৫০ জন সুন্দরী অংশ নেন। এতে প্রথম রানারআপ হয়েছেন ব্রাজিলের সুন্দরী গ্যাব্রিয়েলা পালমা। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রানারআপ হয়েছেন যথাক্রমে কোস্টারিকার মেলানিয়া গঞ্জালেজ,মঙ্গোলিয়ার মিশেল্ট নরম্যান্ডাক ও ভেনেজুয়েলার মারিয়ানি এঙ্গারিতা।
স্বৈরাচার আমলেও এতো মামলা হয়নি
‘আমরা বাস করছি এমন একটা নিয়ন্ত্রিত, অগণতান্ত্রিক পরিবেশে যেখানে বিএনপির হাজারও নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা। গত দুই মাসের মধ্যে যে পরিমাণ মামলা, যে পরিমাণ আসামি হয়েছে কোনো কোনো সরকারের সারা টিনিউরে এতো মামলা হয় না। স্বৈরাচার আমলেও এত মামলা, এতো আসামী হয়নি।’
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টকশো অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এটাকে আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশ বলতে রাজি নই, আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে বাস করছি না। গণতান্ত্রিক পরিবেশ চাই বলেই আমরা কিন্তু বৃহত্তর ঐক্যের পরিধিটা বড় করতে চেয়েছি।’
‘ড. কামাল হোসেন যে ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্যোগ দিলেন সেই ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্তফ্রন্ট যুক্ত হয়েছে। সেখানে আমাদেরকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল আমরাও গিয়েছি। আমরা একমত হয়েছি যে, যেহেতু আমাদের দাবিগুলো এক তাই আমরা সেই দাবিতে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করতে পারি। ঐক্যফ্রন্ট যেটা গঠিত হয়েছে সেই দাবিতে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিও করা হয়েছে।’ বলেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।
সম্প্রতি ২০ দলের ভাঙ্গন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা জোট পরিত্যাগ করলেন তারা নিজেরাই বলেছেন যে, আমরা চাই না আমাদের জন্য বিএনপিকে চাপের সম্মুখীন হতে হোক। ২০ দলীয় জোট ভেঙ্গে দেয়া হয়নি। ২০ দলীয় জোট আছে।’
কেউ চলে গেলেও জোটে প্রভাব পড়বে না: রিজভী
ন্যাপ ও এনডিপি জোট ছেড়ে গেলেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ভাঙছে না বলে দাবি করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বলেছেন, ‘ব্যক্তিস্বার্থে দুই-একজন চলে গেলেও ২০ দলে এর কোনো প্রভাব পড়বে না। কোনো কোনো নেতা লোভের জন্য বেইমানি করছেন।’
বুধবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে বেশ কিছু অভিযোগ তুলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় জেবেল রহমান গানির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ন্যাপ ও খন্দকার গোলাম মোর্তুজার নেতৃত্বাধীন এনডিপি।
যদিও রাতে এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল মুকাদ্দিমকে নতুন চেয়ারম্যান উল্লেখ করে দলটির প্যাডে বিবৃতি পাঠানো হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ওসমান গনি পাটোয়ারীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করা হয়।
পরে অবশ্য গোলাম মোর্তুজার পক্ষ থেকে পাল্টা বিবৃতি দিয়ে নতুন চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে বহিষ্কার করা হয়।
এদিকে আজহারুল ইসলামকে চেয়ারম্যান করে বাংলাদেশ ন্যাপের একটি অংশও বিএনপি জোটে থেকে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী খালেদা জিয়ার আরেক দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা সাজানো মিথ্যা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ না করেই সরকারের হুকুমে আরেকটি ফরমায়েশি রায়ের দিন ধার্য করেছে নিম্ন আদালত। যেটি সম্পূর্ণরূপে বেআইনি ও নিম্ন আদালতে সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার নির্লজ্জ বহিঃপ্রকাশ।’
রিজভী বলেন, ‘অসুস্থ ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচারকার্য চলার বিধান পৃথিবীর দেশগুলোতে নেই। বর্তমান ভোটারবিহীন অবৈধ সরকার বেআইনি খারাপ নজির সৃষ্টিকারী সরকার। তারা জিঘাংসার নতুন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে, এটিও এর একটি। যেমন বন্দুকের জোরে দেশের প্রধান বিচারপতিকে দেশ ছাড়তে ও পদত্যাগ করতে বাধ্য করা এবং বিচারক মোতাহার হোসেনকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার নজির সারা দুনিয়াতে খুঁজে পাওয়া যাবে না। তেমনি অসুস্থতাজনিত কারণে বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে রায় দেয়া হলে তাও হবে পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। এই রায় হতে যাচ্ছে তোষের আগুনের মতো জ্বলতে থাকা প্রতিহিংসা পূরণের চাঞ্চল্যে।’
জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘গণমাধ্যমকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করে দিতে এবং মানুষকে বোবা বানিয়ে দিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাসের পর এবার জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার নামে আরেকটি ভয়ঙ্কর আইন করতে যাচ্ছে সরকার। গত পরশু মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে একটি খসড়া নীতিমালা অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’
‘খসড়া আইনটিতে বলা হয়েছে-রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যাপারে বিভ্রান্তমূলক তথ্য প্রকাশ করলে তিন বছরের জেল ও পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা। টক শো’তে মিথ্যা ও অসত্য তথ্য প্রচার করলেও একই সাজা। নীতিমালায় আরও বলা আছে-কমিশন গঠন করে রেডিও-টেলিভিশন-অনলাইনসহ সব মিডিয়ার লাইসেন্স দেয়া হবে এবং যেকোনো কারণে তাদের লাইসেন্স তারা বাতিল করতেও পারবে।’
রিজভী বলেন, ‘জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েও ভয়াবহ দুঃশাসন ও মহাদুর্নীতিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এই কারণে তারা সবসময় আতঙ্কে ভোগে যে, কোন সময়, কোন গণমাধ্যমে, কোন ফাঁকে তাদের মহাদুর্নীতির মহা কেলেঙ্কারির খবর ফাঁস হয়ে পড়ে। ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী নিজেও একাধিকবার গণমাধ্যমের সামনে বলেছেন- ‘কিছু মিডিয়া ডকুমেন্টস তৈরি করে বসে আছে আমাদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করার জন্য।’ সরকার যদি এতই স্বচ্ছ হয়ে থাকে তাহলে সেই সমস্ত ডকুমেন্টের জন্য এত শঙ্কিত কেন? দুর্নীতির খবর চেপে রেখে নিজেদেরকে নিরাপদ করার জন্যই কি মিডিয়ার মুখ বন্ধ করতে একের পর এক ভয়ংকর কালো আইন করে যাচ্ছে সরকার?’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে অবৈধ সরকারের কালো আইন সম্প্রচার নীতিমালার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। সমস্ত কালা কানুনের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাই।’
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘পুলিশ ভয়, আওয়ামী মাস্তান ভয়, মৃত্যু ভয় মুছে অমিত বিক্রমে আজ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ দম বন্ধ করা এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। বুকের পাটা শক্ত করে দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রুদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। খুব তাড়াতাড়ি আলোককণায় উদ্ভাসিত মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা তথা গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে এনে জনমনকে স্বস্তি ও নির্ভয় করতে হবে।’
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণসমূহ
মে থেকে অক্টোবর মাস বিশেষ করে বর্ষাকালে থাকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব, শীতের আগমনের আগ পর্যন্ত চলতেই থাকবে। কিন্তু এবছরের শুরু থেকেই বেড়ে চলেছে ডেঙ্গুজ্বরের প্রকোপ, কারণ মাঝেমাঝে হালকা বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি ডেঙ্গুবাহিত এডিস মশার প্রধান প্রজননক্ষেত্র। ফলে মশার বংশবৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। তা কিভাবে বুঝবেন আপনি ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছেন?
ডেঙ্গু প্রধানত দুই ধরনের, ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু ফিভার এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার। ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গুজ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সেই সাথে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। জ্বর ১০৫º ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি, মাংসপেশি, মাথাব্যথা ও চোখের পিছনে তীব্র ব্যথা হয়। এমনকি ব্যথা এত তীব্র হয়, মনে হয় হাড় বুঝি ভেঙ্গে যাচ্ছে। তাই এই জ্বরের আরেক নাম “ব্রেক বোন ফিভার”। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যথার তীব্রতায় শিশুকে স্পর্শ করলেই কেঁদে ওঠে, খিটখিটে মেজাজের হয়। জ্বর হওয়ার ৪ বা ৫ দিনের সময় সারা শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যায়, যাকে বলা হয় স্কিন র্যাশ, অনেকটা এলার্জি বা ঘামাচির মত। এরসাথে বমিবমি ভাব, এমনকি বমি হতে পারে। রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং রুচি কমে যায়। সাধারণত ৪ বা ৫ দিন জ্বর থাকার পর তা এমনিতেই চলে যায় এবং কোনো কোনো রোগীর ২ বা ৩ দিন পর আবার জ্বর আসে। একে বাইফেজিক ফিভার বলে।
ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বরের অবস্থাটাই সবচেয়ে জটিল, যেখানে ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও উপসর্গের পাশাপাশি আরও কিছু সমস্যা হয়, যেমন শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তপাত, চামড়ার নিচে, নাক ও মুখ দিয়ে, মাড়ি ও দাঁত হতে, কফের সাথে, রক্তবমি, পায়খানার সাথে তাজা রক্ত বা কালো পায়খানা, চোখের মধ্যে এবং চোখের বাহিরে, মেয়েদের বেলায় সময়ের আগেই মাসিক হওয়া বা মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ইত্যাদি। এমনকি মস্তিষ্ক এবং হার্টেও রক্তক্ষরণ হতে পারে। ফলে হাইপোভলিউমিক শকে গিয়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাছাড়া বুকে পানি এবং শ্বাসকষ্ট, পেটে পানি, লিভার আক্রান্ত হয়ে জন্ডিস, কিডনি আক্রান্ত হয়ে রেনাল ফেইলিউর ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।
ডেঙ্গু শক সিনড্রোম: ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহ রূপ হলো ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের সাথে সার্কুলেটরী ফেইলিউর হয়ে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হয়। এর লক্ষণ হলো রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া, নাড়ীর স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হয়, শরীরের হাত পা ও অন্যান্য অংশ ঠাণ্ডা হয়ে যায়, প্রস্রাব কমে যায়, হঠাৎ করে রোগী অজ্ঞান হতে পারে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
বর্তমানে ডেঙ্গুর ধরণ: এবারে অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে রোগের লক্ষণের ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। জ্বরের তীব্রতা, তীব্র শরীর ব্যথা এবং র্যাশ পরিলক্ষিত হচ্ছে না, ফলে রোগীরা সাধারণ জ্বর মনে করে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ করছেন এবং যথাযথ চিকিৎসা নিতে বিলম্ব করছেন। ফলে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই অনেক রোগীর অবস্থার হঠাৎ অবনতি হচ্ছে, কোনো কোনো রোগী হেমোরেজিক ডেঙ্গু বা ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের মত মারাত্মক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। শেষমূহূর্তে সামাল দিতে ডাক্তারদেরও হিমসিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসা করতে। ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের।
লেখক: ডিন, মেডিসিন অনুষদ
অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
জেনে নিন বিয়ের ক্ষেত্রে বিপদসংকেত কোনগুলো!
বিয়ে মানেই উৎসব উৎসব একটা আমেজ চারদিকে। অতিথিদের আগমনে পুরো বাড়ি সরগরম। কেনাকাটার ধুম। মজার সব খাবারের আয়োজন। বাঙালির বিয়ের চিত্রটাই এমন। এরই মাঝে মিশে থাকে দুশ্চিন্তাও। নতুন সম্পর্ক, নতুন পরিবেশ নিয়ে বর-কনে দুজনের মনেই নানা দুশ্চিন্তা বাসা বাঁধে। সমস্ত হৈ-হুল্লোড়ের ভিড়ে আমাদের দৃষ্টি এড়িয়ে যায় কিছু বিষয়। অথচ সেগুলোই হয়ে উঠতে পারে বিয়ের জন্য বিপদসংকেত! চলুন জেনে নেয়া যাক-
বিয়ে মানে শুধু মানুষেরই নয়, দুটি পরিবারেরও বন্ধন। কিন্তু এই দুটি পরিবারেরই যদি পারস্পারিক কোনো বিরোধ থাকে তবে তা মিমাংসা না করে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন না যেন! হোক তা নিতান্তই ছোট কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধ। কারণ তা রেখে দিলে বিয়ের পরবর্তীতে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
দুটি মানুষ মানেই ভিন্ন ভিন্ন মত। কিছু বিষয়ে একমত হবেন আবার কিছু বিষয়ে মতের অমিল হবে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু সারাক্ষণ আপনাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকলে তা মোটেই ভালো কথা নয়। অনেকেই ভাবেন বিয়ের পর সব ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু উল্টোটাই হয় বেশি। তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিশ্লেষণ করে দেখুন, কেন কথায় কথায় আপনাদের মতবিরোধ হচ্ছে। সেসব সমস্যার সমাধান না খুঁজে বিয়ের পথে যাবেন না।
আপনাদের দুজনের শারীরিক চাহিদা ও প্রত্যাশার মধে যদি মিল না থাকে, তা হলে বিবাহিত জীবনে বড়সড় সমস্যা দেখা দেওয়াটাই স্বাভাবিক। সম্বন্ধ করে বিয়েতে এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়, কারণ পাত্রপাত্রী পরস্পরের অপরিচিত হওয়ায় তারা নিজেদের শারীরিক চাওয়া-পাওয়ার বিষয়গুলো স্পষ্ট করতে পারেন না। তাই একদম শুরুতেই চেষ্টা করুন একে অন্যের ভালোলাগা- মন্দলাগাগুলো বুঝতে।
আপনার হবু স্বামী কি কথায় কথায় প্রচণ্ড রেগে যান বা অল্পেতেই মারকুটে হয়ে ওঠেন? তেমন বুঝলে পিছিয়ে আসুন এখনই। কারণ আজ না হলেও কাল তার রাগের মুখে আপনাকে পড়তে হবেই। সম্পর্কে নির্যাতন বা মারধর একবার ঢুকে গেলে তার উন্নতি হওয়া খুব কঠিন।
হবু সঙ্গীর কি ব্যক্তিত্বে সমস্যা আছে বলে আপনার মনে হয়েছে? যদি তিনি নিজে থেকেই কোনো ধরনের মানসিক সমস্যার কথা স্বীকার করেন, তখন আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে সারাজীবন এই চাপ আপনি নিতে রাজি কিনা।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ
ইঙ্গিতটা দিয়েছিলেন এর আগেই। এবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন নিশ্চিতই করে দিলেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
হাতের চোটে নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নেই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে দলকে কে নেতৃত্ব দেবেন, এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই কৌতুহল ক্রিকেটপ্রেমীদের।
যেহেতু সাকিব নেই, অভিজ্ঞতার বিচারে মাহমুদউল্লাহ আর মুশফিকের নামটিই চলে আসে। টেস্টে মুশফিকুর রহীম এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়ক। তবে নেতৃত্বে ব্যর্থতার জন্যই কিন্তু তার জায়গায় এসেছেন সাকিব। মুশফিককে আবারও নেতৃত্বে আনা হবে কি না, সেটা নিয়ে তাই দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল।
সেই দ্বিধা কাটিয়ে দিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে সাকিবের অনুপস্থিতিতে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করবেন মাহমুদউল্লাহই।
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি অবশ্য মুশফিকের নামটিই প্রস্তাব করেছিল। তবে বিসিবি সভাপতি তাতে সম্মত হননি। কারণটাও ব্যাখ্যা করলেন, ‘আমাদের হাতে দুটি পছন্দ- মুশফিক আর রিয়াদ। মুশফিকুর পছন্দ হিসেবে খারাপ নয়। তারা আমাকে মুশফিকের নাম বলেছে। তবে আমি তাদের বলি, যদি মুশফিককে অধিনায়ক করা হয়, তবে তাকে অধিনায়ক রাখতে হবে। জিম্বাবুয়ে সিরিজে তাকে নেতৃত্ব দেয়া হলো, পরে সাকিব ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ফিরল, তখন কি হবে? আমি কি আবারও মুশফিককে নেতৃত্ব ছাড়তে বলব? এটা তো তার প্রতি অসম্মান হবে, আমি এটা চাই না।’
অধিনায়ক মুশফিকের সামর্থ্য নিয়ে দ্বিধার জায়গা দেখছেন না পাপন। তাকে বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়কও মেনে নিচ্ছেন তিনি। মুশফিকের কাছ থেকে নেতৃত্ব কেড়ে নেয়া তার জীবনের সবচেয়ে কঠিনতম সিদ্ধান্ত ছিল উল্লেখ করে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘এটা আমার জীবনের কঠিনতম সিদ্ধান্তের একটি ছিল, দ্বিতীয়টি হলো সাকিবের শাস্তি। মুশফিক ছিলেন সফলতম অধিনায়ক, আমার জন্য এর চেয়ে কঠিন আর কিছু ছিল না।’
স্যুটকেসের ভেতরে সুন্দরী মডেলের লাশ!
স্যুটকেসের ভেতর পাওয়া গেল এক মডেলের লাশ। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের মালাড অঞ্চলে। ২০ বছর বয়সী ওই মডেলের নাম মানসী দীক্ষিত। স্থানীয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, অভিনেত্রী হবেন বলেই রাজস্থান থেকে মুম্বই পাড়ি দিয়েছিলেন ওই মডেল। বলিউডে পা রাখবেন বলে কঠিন পরিশ্রমও করে যাচ্ছিলেন মানসী।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রোবরার রাতে আন্ধেরিতে ১৯ বছরের মোজাম্মেল সঈদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন মানসী। আর সেখানেই তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন দু’জনে। প্রথম থেকেই পুলিশের সন্দেহের তির ছিল মোজাম্মেলের দিকে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মোজাম্মেলই দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন মানসীকে। যদিও এই মোজাম্মেলের সঙ্গে মানসীর আদতে কী সম্পর্ক তা নিয়ে কিছুই জানানো হয়নি পুলিশের পক্ষ থেকে।
পুলিশের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, মানসীর লাশ বাক্সবন্দি করার পরেই বিমানবন্দরের দিকে একটি ক্যাব বুক করেন মোজাম্মেল। মাঝপথে ক্যাব ড্রাইভারকে মাইন্ডস্পেসের দিকে গাড়িটি ঘুরিয়ে দিতে বলেন তিনি। মাইন্ডস্পেস জায়গাটা আসলে ঝোপঝাড় আর ম্যানগ্রোভে ভর্তি।
ওখানেই স্যুটকেসটা পুঁতে রেখেছিল অভিযুক্ত, জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা। আর তা করতে গিয়েই ক্যাব ড্রাইভারের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন মোজাম্মেল। ঠিক তখনই ক্যাবটি ছেড়ে একটি অটো রিকশা ধরে সে। সেই সময়েই পুলিশকে ফোন করে বিষয়টা জানান ওই ক্যাব ড্রাইভার।
পুলিশের দাবি, মানসীকে যে খুন করেছে সে কথা ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে স্বীকার করে নিয়েছে মোজাম্মেল। সেই ঝোপঝাড়ের ভিতর থেকেই বাক্সবন্দি মানসীর লাশ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। আর সঙ্গে সঙ্গেই ময়নাতদন্তের জন্যও মানসীর লাশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মোজাম্মেলকে ৩০২ ধারায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারাল ব্রাজিল
নির্ধারিত সময়ের তখন খেলা শেষ। কিন্তু, ম্যাচের শেষ মুহূর্তে এসে রোমাঞ্চে আর্জেন্টিনাকে হারাল ব্রাজিল। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ৯৩ মিনিটে এসে ব্রাজিলের কাছে পরাজয় বরণ করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা।
এর আগে, নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত নেইমার-কৌতিনহোদের আটকে রেখে ছিল ইকার্দি-দিবালারা। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল হজম করে আর্জেন্টিনা। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ১-০ গোলে জয় পায় সেলেকাওরা। ফলে হারের তিক্ত স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেসি বিহীন আর্জেন্টিনা দল।
ম্যাচের অন্তিম সময়ে ব্রাজিলীয় সুপারস্টার নেইমারের দুর্দান্ত কর্নার কিকে হেড করে জয়সূচক গোল করেন মিরান্দা। সেই সঙ্গে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৪১তম জয় পেল ব্রাজিল।
অপেক্ষার প্রহর শেষে মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টায় জেদ্দায় শুরু হয় ফুটবল মহারণ। খেলার শুরু থেকেই ফুটবলের ল্যাটিন ছন্দ উপভোগ করতে থাকে ফুটবল প্রেমীরা।
খেলার প্রথমার্ধে নেইমার, কুতিনহোরা কয়েকবার আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে রীতিমতো আক্রমণ চালিয়ের গোলের দেখা পায়নি। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক রোমেরোকে পরাস্ত করতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধ গোলশুন্য অবস্থায় শেষ হয়।
পরে দ্বিতীয়ার্ধে এসে ঝলসে ওঠে আর্জেন্টিনার তরুণ তুর্কি দিবালা ও ইয়াকার্দি। দিবালার বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
এদিকে, ম্যাচের ৯০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও তখনো গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। অতিরিক্ত সময়ে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাকে চেপে ধরে। মেসিবিহীন আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে রীতিমতো আক্রমণে ব্যস্ত হয়ে পরেন নেইমার-কুতিনহোরা।
অতিরিক্ত সময়ে কর্নায় পায় ব্রাজিল। ব্রাজিলের ৪র্থতম কর্নার কিক নেন নেইমার। নেইমারের বাঁকানো শটে মাথা ছোঁয়ান মিরান্দা। রোমেরোকে পাশ কাটিয়ে বল ঢুকে নীল-সাদাদের জালে।
বিজয়োল্লাসে মেতে উঠল সাম্বার দেশের সমর্থকরা। ম্যাচের একমাত্র জয় সূচক গোলটি আসে মিরান্ডার হেড থেকে।
অবশ্য ম্যাচের ৬৩ শতাংশ সময়ে বল ছিল ব্রাজিলের দখলে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার দখলে ছিল বাকি ৩৭ শতাংশ সময়।
সুপার ক্লাসিকোর এ ম্যাচে জেদ্দার কিং আবদুল্লাহ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১২টায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
৭ লাখ সৈনিকের নেতৃত্ব দেবেন এই নারী
যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর ইতিহাসে প্রথম কোনো নারী কমান্ডিং জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল লরা জে. রিচার্ডসন। এই নারী জেনারেলের অধীনে থাকবেন ৭ লাখ ৭৬ হাজার সেনা ও ৯৬ হাজার বেসামরিক লোকজন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন রিচার্ডসন। ২০১২ সালে তিনি প্রথম অশ্বারোহী বাহিনীর (আমেরিকান’স ফার্স্ট টিম হিসেবে পরিচিত) প্রথম নারী ডেপুটি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১৭ সালে জেনারেল বরার্ট বি. আব্রামসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক বৈমানিক রিচার্ডসন।
যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর একটি সূত্র বলছে, আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র আর্মড ফোর্সেস কোরিয়ার কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেবেন আব্রাম। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র আর্মির (ফরসকম) প্রথম নারী কমান্ডিং জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব দেবেন রিচার্ডসন।
বিপর্যয়ের পরে স্বাভাবিক ইউটিউব
খুব অল্প সময়ের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল ইউটিউব। আর তাতেই হইচই বিশ্বজুড়ে। বুধবার ভোর থেকে এই ভিডিও মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইটে লগ ইন করতে পারছিলেন না ইউজাররা। ফলে ভিডিও দেখা যাচ্ছিল না। ভিডিও আপলোডও করা যাচ্ছিল না।
লগ ইন করতে গেলে '৫০০ ইন্টারনাল সার্ভার এরর' ম্যাসেজ দেখাচ্ছিল। সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়ে টুইটারে প্রতিক্রিয়া দেয় ইউটিউব।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, 'ইউজারদের এই সমস্যার জন্য আমরা দুঃখিত। যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছি আমরা।'
ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। টুইটারে ফের ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানান, 'ধৈর্য ধরার জন্য গ্রাহকদের ধন্যবাদ। পরিষেবা ব্যহত হওয়ার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। গোটা বিশ্বজুড়ে ইউটিউবের সার্ভারে যে সমস্যা হয়েছিল, সেটা এখন স্বাভাবিক। ইউজাররা এবার নির্বিঘ্নে আমাদের পরিষেবা উপভোগ করতে পারেন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)




















